ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশে বিদ্যুৎমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ


পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশে বিদ্যুৎমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ

পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রস্তুতির লক্ষ্যে দেশের বিদ্যমান বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, স্মার্ট ও যুগোপযোগী করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সোমবার (৮ জুন) সকালে বিদ্যুৎ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সঞ্চালন ও বিতরণ সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় দেশের বিদ্যমান বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ সক্ষমতা, দুর্বলতা, স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থা, পারমাণবিক বিদ্যুৎ সংযুক্তির চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

মন্ত্রী আরও বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুত উৎপাদন শুরু হওয়ার আগে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে, সেগুলো মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে।

বিদ্যুৎব্যবস্থা নিরাপদ ও আধুনিক করার জন্য একটি ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি তুলে ধরেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পিজিসিবিকে প্রয়োজনীয় গবেষণা ও কনসেপ্ট পেপার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ বিদেশি পরামর্শকদের মাধ্যমে ওই প্রস্তাবনা মূল্যায়ন করা হবে। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে কয়লা ও সৌরবিদ্যুতের দিকে অগ্রসর হয়েছে। এখন দেশ পারমাণবিক বিদ্যুতের দিকে এগোচ্ছে। তবে, এজন্য সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কার্যকর সমন্বয় না হলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে একটি কার্যকর স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও ওয়ার্কিং পেপার প্রস্তুত করতে পিজিসিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি অত্যন্ত উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর ও জটিল ব্যবস্থা। তাই জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

এদিকে, বিদ্যুৎ খাতে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এসব প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম, পিজিসিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাসের চাপায় সিএনজি যাত্রী নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগের ৫ নেতার আত্মসমর্পণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


আওয়ামী লীগের ৫ নেতার আত্মসমর্পণ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের ঘটনা এটি, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতাকর্মী আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

এই আত্মসমর্পণের ঘটনা সোমবার (৮ জুন) ঘটে, যখন সুনামগঞ্জ আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন এবং কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঐ ৫ নেতাকর্মীর মধ্যে রয়েছেন, উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাল হোসেন রানা, নিষিদ্ধ ঘোষিত উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক সজিব রায় দুর্জয়, ছাত্রলীগ নেতা শাহেল মিয়া, জামিল আহমদ ও ফয়সল মিয়া।

এই তথ্য নিশ্চিত করে আসামি পক্ষের আইনজীবী সুনামগঞ্জ জেলা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট শফিকুল হক জানান, আসামিরা স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছেন; কিন্তু আদালত জামিন শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আইনানুগভাবে তাদের জামিনের জন্য চেষ্টা করব।

এদিকে, উল্লেখ্য, গেল বছরের ২৩ জুন জগন্নাথপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৬ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপনের কেক কাটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এর ফলস্বরূপ, ২৮ জুন জগন্নাথপুর থানায় পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ জনকে আসামি করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাক্ষ্য এবং মামলাটি দায়ের হবার পর থেকে আত্মসমর্পণ করা ওই ৫ নেতা পলাতক ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫০ বছরে রাজশাহীতে মৌসুমী বৃষ্টিপাত কমেছে ৩৪ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


৫০ বছরে রাজশাহীতে মৌসুমী বৃষ্টিপাত কমেছে ৩৪ শতাংশ

গত পাঁচ দশকে (৫০ বছরে) রাজশাহীতে বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টিপাত প্রায় ৩৪ শতাংশ কমে গেছে। একই সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে তাপমাত্রা। পাশাপাশি নিচে নেমে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। বৃষ্টিপাত কমার ফলে দেশের অন্যতম খরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলে পানির সংকট আরও গভীর হচ্ছে এবং কৃষি, জীবিকা ও দীর্ঘমেয়াদি পানির নিরাপত্তা ক্রমেই বৃহৎ হুমকির মুখে পড়ছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ক্লিনার ওয়াটার এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, কমে আসা বৃষ্টিপাত, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং প্রাতিষ্ঠানিক অসহযোগিতার কারণে ২০৩২ সাল পর্যন্ত রাজশাহী অঞ্চলে মাঝারি থেকে তীব্র পানিসংকট অব্যাহত থাকতে পারে। এক্সট্রিম ক্লাইমেট এ্যান্ড হাইড্রোক্লাইম্যাট মডেলিং অফ ওয়াটার স্ট্রিচ: ভমপ্লেকিশন ফর লাইভহুডস ইন রাজশাহী, বাংলাদেশ শীর্ষক গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের একদল গবেষক। গবেষণায় স্যাটেলাইট চিত্র, আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য, ভূগর্ভস্থ পানির উপাত্ত এবং রাজশাহীর ১৩টি উপজেলার ৩৮৫টি পরিবারের ওপর পরিচালিত মাঠ জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৭৮ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে রাজশাহীতে গড় বর্ষাকালীন বৃষ্টিপাত ছিল ১ হাজার ৪০৬ মিলিমিটার। কিন্তু ২০১১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯২৫ মিলিমিটারে। অর্থাৎ কয়েক দশকে বৃষ্টিপাত কমেছে প্রায় ৩৪ শতাংশ। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১২ মিলিমিটার করে বৃষ্টিপাত হ্রাস পাচ্ছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
গবেষকদের মতে, বরেন্দ্র অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ার প্রবণতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি। গবেষণার পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি শতাব্দীর শেষভাগে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কয়েক দফা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করতে পারে। ২০৮৮ সালের মধ্যে তা ৪৭ দশমিক ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর আশঙ্কাও রয়েছে।
এ ছাড়া বছরে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করার দিনের সংখ্যা ২০১৮ সালের ১৩ দিন থেকে বেড়ে ২০৭৮ সালে প্রায় ১৯৫ দিনে পৌঁছাতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া ও দীর্ঘস্থায়ী তাপদাহের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির স্বাভাবিক পুনর্ভরণ প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে সেচের জন্য পানির চাহিদা বাড়ছে এবং বিদ্যমান পানিসম্পদের ওপর চাপ আরও তীব্র হচ্ছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, গত ৩৫ বছরে রাজশাহীর ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গড়ে ৩ দশমিক ৭৮ মিটার নিচে নেমে গেছে। ১৯৯০ সালে যেখানে ভূগর্ভস্থ পানির গড় গভীরতা ছিল ১১ দশমিক ৬৬ মিটার, ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয়েছে ১৫ দশমিক ৪৪ মিটার। গবেষকদের ভাষ্য, বিশেষ করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) আওতাধীন এলাকায় কৃষিকাজে অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
গবেষণায় ব্যবহৃত আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্কভিত্তিক পূর্বাভাস মডেল দেখিয়েছে, বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৮ ও ২০৩২ সাল পর্যন্ত রাজশাহীর পানিসংকট মাঝারি থেকে তীব্র পর্যায়েই থাকবে।
মাঠ জরিপে অংশ নেওয়া মানুষের অভিজ্ঞতাও গবেষণার ফলাফলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জরিপে অংশ নেওয়া ৬১ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা জানিয়েছেন, পানিসংকট তাদের আয় ও জীবিকাকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করছে। ৯৫ শতাংশের বেশি মানুষ বলেছেন, দৈনন্দিন ব্যবহারের পানি সংগ্রহ ও নিশ্চিত করতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।
জরিপে অংশ নেওয়া পরিবারগুলোর এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে পানিসংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে কৃষিখাত। একই সঙ্গে প্রায় ৭৩ শতাংশ মানুষ তাদের পানির চাহিদা পূরণে সম্পূর্ণভাবে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীল বলে জানিয়েছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া শতভাগ উত্তরদাতা বলেছেন, তারা ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ধারাবাহিকভাবে নিচে নেমে যেতে দেখছেন। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তন সরাসরি তাদের পানি প্রাপ্তির সুযোগ সীমিত করে দিচ্ছে। তবে সংকট বাড়লেও প্রায় ৭৮ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, পানি ব্যবস্থাপনা বা সংকট মোকাবিলায় তারা কোনো ধরনের সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা পাননি।
গবেষকরা বলছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে রাজশাহীর পানির নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মুখে পড়বে। তারা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে এলাকাভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের পাশাপাশি সাশ্রয়ী সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, কৃত্রিমভাবে ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং খরা-সহনশীল ফসলের চাষ বাড়ানোর সুপারিশ করেছেন।
গবেষকদের মতে, পানি-নির্ভর ধান চাষের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো এবং কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হলে রাজশাহীর ক্রমবর্ধমান পানিসংকট মোকাবিলায় কার্যকর অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার রাসিক প্রশাসকের বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী’র ‘না’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


এবার রাসিক প্রশাসকের বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী’র ‘না’

সড়কবাতি বা স্ট্রিট লাইটিংয়ের নতুন বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ওপর অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ফ্রান্স যাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান (রিটন)। তবে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত ছিল ভিন্ন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি এই বিদেশ ভ্রমণের প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়েছেন। অন্যদিকে, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ বি এম আসাদুজ্জামানের ভ্রমণ প্রস্তাবটি তিনি অনুমোদন করেছেন।

সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সরকার বিভাগের পাঠানো সারসংক্ষেপ পর্যালোচনা করার পর প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ও প্রেস উইংয়ের সূত্র থেকে এটি জানা গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, সিগনিফাই বাংলাদেশ লিমিটেডের আমন্ত্রণে ফ্রান্সের আউটডোর লাইটিং অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (ওএলএসি) পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এই দুই কর্মকর্তার বিদেশ সফরের আবেদন জমা পড়েছিল। এই প্রস্তাবের নথি পর্যালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেন, ‘এ বিষয়ে কোনো প্রকৌশলী জ্ঞান আহরণ করলে তা রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাজে লাগবে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক প্রকৌশলী নয়, বিধায় তার যাওয়া কোনো গুরুত্ব বহন করে না। এ সফরে শুধু প্রস্তাবিত নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) প্রয়োজনে যেতে পারেন।’

সাথে সাথে প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্ভাবনী কাজের ক্ষেত্রে বুয়েট এবং দেশের অন্যান্য প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিগরি সহযোগিতা গ্রহণের পরামর্শ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী মূলত রাষ্ট্রীয় যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজে প্রকৃত বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করার বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন। যে কাজের সঙ্গে যাদের সরাসরি প্রাতিষ্ঠানিক বা পেশাগত সম্পর্ক নেই, তাদের বিদেশ ভ্রমণে পাঠিয়ে দেশের রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় করে দেওয়ার বিরুদ্ধে তিনি তীব্র বিরোধিতা করেছেন।

এর আগে, মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার পর্যবেক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রস্তাবও একইভাবে নাকচ করে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, মশক নিধন শিখতে ফ্লোরিডা নয়, দেশের কোনো ডোবার পাশে দাঁড়ালেই উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা!

অষ্টম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার প্রায় একযুগ অতিবাহিত হলেও নবম পে স্কেল নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। বর্তমানে নতুন বেতন কাঠামোর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে অনিশ্চয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে জুন মাসের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে, এমন আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।

লম্বা সময় ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা বাড়ছে নবম পে স্কেল নিয়ে; কিন্তু তাদের মধ্যে উৎকণ্ঠাও রয়েছে। এখন সকলের নজর সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য প্রজ্ঞাপনের দিকে।

দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করার দাবি জানিয়ে আসছেন। গণমাধ্যমে একাধিক বার খবর বেরিয়েছে, যেখানে ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, সরকার যে আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করছে, সেই অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামো একসঙ্গে বাস্তবায়িত না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করার চিন্তা রয়েছে। তবে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়ে আসছেন।

তাদের বক্তব্য, দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন পে স্কেল চালু হলে তা আংশিকভাবে নয়, বরং সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন হওয়া উচিত। বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি বিবেচনায় ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমাতে যথেষ্ট হবে না।

বিভিন্ন সরকারি চাকরিজীবীর মধ্যে বেশিরভাগই মনে করেন, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে কর্মচারীদের জীবনমানের উন্নয়নে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কিন্তু, বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা ও অস্পষ্টতার কারণে তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%