শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৮ পি.এম
ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ও অভিনেতা বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) এবার জাতীয় পর্যায়ে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে জোটের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচি (ভিসিকে) নেতা থল থিরুমাভালাভান।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৫ অক্টোবর চেন্নাইয়ে ইন্ডিয়া জোটের আয়োজিত বিক্ষোভে টিভিকে অংশগ্রহণ করেছিল। সম্প্রতি দলটি তামিলনাড়ুতে ইন্ডিয়া জোটের রাজ্য শাখায় যুক্ত হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়েও জোটের একই ধরনের কর্মসূচিতে তাদের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে।
থিরুমাভালাভান বলেন, ‘টিভিকে ইতিমধ্যে ইন্ডিয়া জোটে যোগ দিয়েছে। তারা নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরোধী। গতকাল তারা ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। সম্প্রতি তারা তামিলনাড়ুর রাজ্য শাখায় যুক্ত হয়েছে। পরবর্তী সময়ে জাতীয় পর্যায়ের বিক্ষোভেও অংশ নেবে।’
বিরোধী দলগুলোর আপত্তির কারণে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। বিরোধীদের আশঙ্কা, এ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। তাই ভোটাধিকার সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়েছে তারা।
টিভিকের এই অংশগ্রহণ তামিলনাড়ুতে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক যোগাযোগকে আরো জোরালো করার ইঙ্গিত দিচ্ছে। গত ৩ অক্টোবর কংগ্রেস, সিপিআই, সিপিএম, ভিসিকে, এমডিএমকে ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের রাজ্য পর্যায়ের বৈঠকে তারা অংশ নেয়। ওই বৈঠকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সমন্বিত আন্দোলন এবং এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি টিভিকেকে রাজ্য পর্যায়ের বিরোধী জোটে স্বাগত জানিয়ে একটি প্রস্তাবও পাস করা হয়।
এর কয়েক দিন পর, ১০ অক্টোবর চেন্নাইয়ে বিজয়ের বাসভবনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাদের এই বৈঠক কংগ্রেস ও টিভিকের মধ্যে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমঝোতা নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করে।
২০২৪ সালে অভিনেতা বিজয়ের হাত ধরে যাত্রা শুরু করে টিভিকে। তামিলনাড়ুর প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর বিকল্প হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করে দলটি। ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিরোধী জোটের সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা আরো স্পষ্ট হচ্ছে। তবে জাতীয় পর্যায়ে জোটের কর্মসূচিতে টিভিকের ভূমিকা কতটা বিস্তৃত হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
এর আগে, গত ১২ অক্টোবর রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধী নেতারা নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ার পর্যালোচনা এবং যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ পড়া ঠেকানোর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করেন। এ বিষয়ে দায়ের করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নোটিশ প্রদান করে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া-সংক্রান্ত নথি তলব করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার হলো দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
তিনি উল্লেখ করেন, "সৌহার্দ্য সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ। ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।"
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি বাণীতে এসব কথা বলেন। বাণীতে তিনি বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান, যা বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব।
প্রধানমন্ত্রীর বাণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, হিন্দু ধর্মমতে, দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন জগতের মঙ্গল কামনায় এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে যার যার ধর্ম পালন করবে। তিনি বলেন, "ধর্মীয় উৎসব পালন করছে, করবে, এটিই বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য।" এভাবে ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মধ্যকার পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং ভ্রাতৃত্ব।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। তিনি বলেন, "মানবতার কল্যাণ সব ধর্মেরই অন্যতম মূল শিক্ষা।" সুতরাং, যার যার ধর্মীয় বিধান এবং সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল ও বজায় রাখা সবার জন্য জরুরি।
তিনি উল্লেখ করেন, "হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর এবার বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে।" শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, "দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ, মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার।"
দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "সৌহার্দ্য সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ। ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।"
তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেদের উৎসাহ-উদ্দীপনা সহকারে, নিশ্চিন্তে, নিরাপদে সারা দেশে উৎসব আনন্দ উদযাপন করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের (জেএনইউসিসি) উদ্যোগে আন্তবিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেস প্রতিযোগিতা ‘স্কাই বাই বিডি প্রেজেন্টস ড্যাকয়েট অব এক্সিলেন্স ৩.০’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ‘টিম স্কাইফল’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘটে।
জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩৫০টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রাথমিক দুই ধাপের প্রতিযোগিতার পর চূড়ান্ত পর্বে ১০টি দল স্থান করে নেয়। ফাইনালে ‘টিম ভংচং’ প্রথম রানারআপ এবং ‘টিম নেক্রস’ দ্বিতীয় রানারআপ হিসেবে নির্বাচিত হয়।
প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ছিলেন ডাবর বাংলাদেশের কমার্শিয়াল প্রফেশনাল মো. আবদুল কাইয়ুম ফাহিম, আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (এইচআর) ও জেএনইউসিসির সাবেক সভাপতি জামশেদ আমিন, ইউনাইটেড ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মো. আরাফাত হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং ইউনিলিভারের ব্র্যান্ড ম্যানেজার নাইমুর রহমান।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকার পুরস্কার বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন দল ১ লাখ টাকা, প্রথম রানারআপ ৬০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানারআপ ৪০ হাজার টাকা পেয়েছে। এছাড়া ফাইনালে অংশ নেওয়া অন্য সাতটি দলকে পাঁচ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।
প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী রাশহা রাতুল মন্তব্য করেন, দীর্ঘ বিরতির পর ‘ড্যাকয়েট অব এক্সিলেন্স’-এর আয়োজন ক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এমন আয়োজন করতে পেরে তাঁরা আনন্দিত। ভবিষ্যতে এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এই প্রতিযোগিতা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বাস্তবভিত্তিক ব্যবসায়িক সমস্যার সমাধান করতে হয়। দ্বিতীয় পর্বে নির্ধারিত পণ্যের প্রচারের জন্য অনলাইন ভিডিও বিজ্ঞাপন (ওভিসি) তৈরি করেন প্রতিযোগীরা। চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত ১০টি দল বিচারকদের সামনে নিজেদের কেসের সমাধান ও উপস্থাপনা তুলে ধরে।
ফাইনালে অংশ নেওয়া অন্যান্য দলগুলো হলো—টিম ডাল-ভাত, টিম এলটিবি, টিম মিউফিয়াস, গ্রুপিং করতেছি না, এপেক্স সিন্ডিকেট, ফিটকিরি ও টিম নেপচুন। দিনব্যাপী আয়োজনে প্রতিযোগীদের উপস্থাপনার পাশাপাশি ক্লাবের প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, অতিথিদের বক্তব্য, প্রেসিডেন্সিয়াল প্যানেলকে ক্রেস্ট প্রদান ও যৌথ ছবি তোলার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিত্রনায়ক ওমর সানী স্ত্রী মৌসুমী এবং ছেলে ফারদিনকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি এই ধরনের প্রচারণা বন্ধ না হয়, তাহলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে, নারী শিল্পীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযাচিত আলোচনা এবং চলচ্চিত্র শিল্পীদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণার সমালোচনা করেছেন এই অভিনেতা।
সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়, পরিবারকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলমান আলোচনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওমর সানী। তিনি বলেন, "আমাদেরকে ক্যাশ করে কয় টাকা কামাই করবি বাবা তোরা? কী লাভ? এই টাকা কে খাবে—শিয়াল-কুকুরে খাবে। আমাদেরকে একটা ব্যবসার জিনিস বানিয়ে ফেলেছে।"
তিনি মিথ্যা তথ্য ছড়ানো পোস্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। তা না হলে তিনি মামলা করবেন বলে জানান। তার অভিযোগ, কিছু পেজ এবং ব্যক্তি তাকে, স্ত্রী মৌসুমী এবং তাদের ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছেন।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, ছেলে ফারদিন পরিবারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাসা থেকে মাকে বের করে দিয়েছেন। তবে এই খবরকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ওমর সানী। তিনি জানান, ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে এবং মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনো সম্পত্তি নেই।
পরিবারকে নিয়ে এমন প্রচারণায় বিব্রত হওয়ার কথা জানিয়ে ওমর সানী বলেন, "আমার ছেলে এসব বিষয়ে উদ্বিগ্ন।" তিনি ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, "আমার ছেলে বলেছে, আব্বু তুমি অ্যাকশনে যাও। এগুলো আর পারছি না।"
স্ত্রী মৌসুমীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযাচিত আলোচনার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, "আমার বউ আমার টেনশন না, আপনাদের টেনশন।" স্বামী-স্ত্রী আলাদা দেশে থাকতেই পারেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, "তা নিয়ে মনগড়া গল্প তৈরির কোনো অর্থ নেই।"
চলচ্চিত্র শিল্পীদের নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা এবং নারী শিল্পীদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত বা শারীরিক গঠন নিয়ে অশালীন কনটেন্ট তৈরিরও সমালোচনা করেন ওমর সানী। তিনি বলেন, "আমার শরীর নিয়ে আপনার এত টেনশন কেন? মৌসুমীর শরীর নিয়ে আপনার এত টেনশন কেন?"
শিল্পীদের সম্মান ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "শুধু চলচ্চিত্রকে বাঁচালে হবে না, চলচ্চিত্রের শিল্পী যারা আছেন, তাদেরও বাঁচাতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে পুলিশ। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে জাতীয় পতাকা হাতে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ মিছিল শুরুর কয়েক মিনিট আগে তাকে আটক করা হয়।
এনডিটিভি র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। একই দিন যন্তর মন্তরের কাছ থেকে দলের আরেক নেত্রী নেহা বোরাকেও তুলে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এর আগে, গত ১০ অক্টোবর দিল্লির বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছিল তাকে। পরেরদিন মুক্তি পাওয়ার পর নিজের পরিবারের কাছে ছুটে যান তিনি। এরআগের দিন তার দাদি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বাই থেকে দিল্লি পৌঁছানোর পর তাকে আটক করা হয়েছিল।
সিজেপির এই মিছিলের অন্যতম কারণ, গত ১৩ অক্টোবর দলের দুই সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তার করা। জাতীয় পতাকা হাতে যন্তর মন্তরে প্রবেশের পর তাদের আটক করা হয়। পরে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। এর এক দিন আগে যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
‘কোন আইন ভেঙেছি’, পুলিশের কাছে প্রশ্ন দীপকের
আজ আটকের সময় অভিজিৎ দীপকেকের সঙ্গে পুলিশের কথোপকথনে শোনা যায়, আপনি নয়াদিল্লিতে যেতে পারবেন না। আমরা আপনাকে আটক করছি।
জবাবে অভিজিৎ বলেনে, নয়াদিল্লিতে যেতে পারবো না, কিন্তু অন্য কোথাও তো যেতে পারি। আমি কোন আইন ভেঙেছি?
এর আগে দিল্লি পুলিশ দীপকের বাসায় গিয়ে মিছিল আয়োজন না করার বিষয়ে একটি নোটিশ দিয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারায় নোটিশটি জারি করা হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা কনট প্লেসের আশপাশে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ কার্যকর রয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত তিরঙ্গা মিছিলের জন্য নয়াদিল্লি পৌর পরিষদ (এনডিএমসি) অনুমতি দেয়নি। এরপরও সিজেপি মিছিল করলে তা আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
জাতীয় পতাকা ওড়ানো বেআইনি নয়, বলেছিল পুলিশ
দীপকের পরনে ছিল মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছাপানো সাদা টি-শার্ট ও নীল জিনস। পুলিশ তাকে জানিয়েছিল, জাতীয় পতাকা ওড়ানো আইনবিরুদ্ধ নয়। তবে অনুমতি ছাড়া মিছিল করা ও জনসমাগম ঘটানো নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দীপকের বাসায় পুলিশের উপস্থিতির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বসার ঘরের হলুদাভ সোফায় বসে আছেন ৩১ বছর বয়সী এই নেতা। তার কাধে ছোট একটি জাতীয় পতাকা জড়ানো। সামনে বসা পুলিশ সদস্যের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ এনেছেন আপনারা?
কাচের ওপরিভাগের টেবিলে রাখা কাগজপত্র পরীক্ষা করে নোটিশের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনাতে এবং পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতেও দেখা যায় তাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ