সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৮ পি.এম
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস সরবরাহ ১৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে, যা গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য নির্ধারিত।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আওতাধীন সকল শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেড আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘লেডি মীর জাফর’ উল্লেখ করে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা হাইকোর্টে নালিশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ওই আইন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে লিখিত অভিযোগও জমা দিয়েছেন।
আজ সোমবার বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ এবং বিচারপতি নাসরিন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে তিনি এ নালিশটি উপস্থাপন করেন। আজকের কার্যতালিকায় ৩৬ নম্বরে থাকা একটি মামলার শুনানির জন্য রাষ্ট্রপক্ষে দায়িত্বরত ছিলেন ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। মামলাটি শুনানির জন্য ডাকা হলে রুমিন ফারহানা ডায়াসের সামনে এসে ডিএজির ফেসবুক পোস্টটি আদালতের সামনে তুলে ধরেন।
তিনি আদালতকে জানান, “ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যক্তিগত আক্রোশ ও ক্ষোভ থেকে আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রপক্ষে আমার কোনো মামলায় শুনানি করলে ক্ষোভ থেকেই বিপক্ষে বলবেন, যাতে আমার মক্কেল ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।”
এ কারণে তিনি আবেদন জানান যে, উক্ত আইন কর্মকর্তা যেন তার কোনো মামলায় শুনানি না করেন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ডিএজি ছোটনের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সাগর হোসেনকে শুনানি করতে বলেন। পরবর্তীতে মামলার নথি পর্যালোচনা করে হাইকোর্ট বেঞ্চ অবকাশকালীন ছুটির পর বিষয়টি শুনানির আদেশ দেন।
এদিকে, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন, “অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সঙ্গে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন কর্মকর্তা পদে অধিষ্ঠিত থেকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) নজরুল ইসলাম ছোটন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে আমাকে লক্ষ্য করে গত ১১ সেপ্টেম্বর অত্যন্ত আপত্তিকর, মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ একটি স্ট্যাটাস প্রদান করেছেন।”
রুমিন ফারহানা বলেন, “তিনি লিখেছেন, ‘লেডি মীরজাফর রুমিন ফারহানা আফা অতীত খুব দ্রুতই ভুলে যাচ্ছেন।’ একজন দায়িত্বে থাকা সরকারি আইন কর্মকর্তার কাছ থেকে এ ধরনের হুমকি, অশোভন, কুরুচিপূর্ণ ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত আচরণ কেবল একজন নারী ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার জন্য অপমানজনক নয়, বরং এটি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ভাবমূর্তি ও পেশাদারিত্বকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করে। অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে, কোনো দলের নয়।”
রাষ্ট্রপক্ষের একজন ডিএজি-র কাছ থেকে এরূপ শিষ্টাচারবহির্ভূত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অতএব, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জমি নিয়ে বিরোধের কারণে প্রধানমন্ত্রীর কাছে হাজির হয়েছেন একজন স্কুলের সহপাঠী। প্রায় চার দশকের পুরনো জমির সমস্যার সমাধানের জন্য ৮১ বছর বয়সী আসগর আলি বোহরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আবেদন করেছেন। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর, স্কুলের পুরনো সহপাঠী মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জমি বিরোধের বিষয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুম্বাইয়ের মিরা রোডের বাসিন্দা বোহরা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা যায়, গুজরাটের ভাদনগরের বিএন স্কুলে পড়াকালীন আসগর আলি বোহরা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহপাঠী ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় বোহরা বলেন, “জমি নিয়ে বিরোধের সমস্যা সমাধানের জন্য কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও পুলিশের কাছে ঘুরছেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান।”
ভোহরা দাবি করেছেন, ভাইয়ান্ডার ইস্টের নাভঘরে প্রায় ২ হাজার ৮১০ বর্গমিটার জমি নিয়ে এই বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি জানান, ১৯৮৯ সালে নিবন্ধিত চুক্তির মাধ্যমে তিনি ওই সম্পত্তি কিনেছিলেন।
তবে, ২০১১ সালে বেআইনিভাবে সেই জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। বোহরার অভিযোগের মূল লক্ষ্য ‘স্বয়ম বিল্ডার্স’ এবং ‘সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনস’ নামের দুটি সংস্থা। তার দাবি, মূল মালিককে অন্ধকারে রেখে জাল দলিল তৈরি করা হয়েছে। এমনকি, তার জমিটি দুই ভাগে ভাগ করে ওই দুটি নির্মাণ সংস্থার নামে নামজারি করিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই পুরো ঘটনায় স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক নরেন্দ্র মেহতার নামও জড়িয়েছে, কারণ আসগরের দাবি অনুযায়ী ‘সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনস’-এর সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে।
২০১৫ সালে এই বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এরপর গত কয়েক বছর ধরে পুলিশ, রাজস্ব বিভাগ এবং পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি ওই বৃদ্ধ। বর্তমানে বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন রয়েছে।
তবে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর স্থানীয় প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে একটি বিশেষ শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে, যেখানে স্বয়ম বিল্ডার্স ও সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের আইনি লড়াইয়ের পর, স্কুলের পুরনো বন্ধু মোদির হস্তক্ষেপে এই জমি জট শেষমেশ কাটবে বলে আশায় বুক বাঁধছেন ৮১ বছরের আসগর আলি বোহরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জয়দেবপুর এলাকা থেকে ১ হাজার পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশনসহ তিনজনকে আটক করেছে।
আজ সোমবার সকালে গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গতকাল রোববার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাহীন মাহমুদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন, দিনাজপুরের বিরামপুর থানার মৃত মহির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৮) ও তার স্ত্রী শেফালী খাতুন (৩০) এবং নাটোরের সিংড়া থানার চামারী ইউনিয়নের বিল দহর এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদুল ইসলাম (৩৮)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জয়দেবপুরে মূল চক্রের সদস্যরা মাদকের চালান হস্তান্তরের জন্য অবস্থান করছে, এমন তথ্য পেয়ে জয়দেবপুরের হান্ডি বিরিয়ানি দোকানের পূর্ব পাশে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে শেফালী খাতুন নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তার ভ্যানিটি ব্যাগে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ৪০০ পিস, তার স্বামী আব্দুস সালামের শপিং ব্যাগে ৩০০ পিস এবং শহিদুল ইসলামের ট্রাভেল ব্যাগে ৩০০ পিসসহ মোট ১ হাজার পিস নেশাজাতীয় ইনজেকশন জব্দ করা হয়।
গাজীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন বাসসকে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে এসব কুপিজেসিক ইনজেকশন এনে গাজীপুরের টঙ্গীসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে সরবরাহ করতেন।
তিনি আরও জানান, মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বাদী হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে জেলা এবং মহানগর সহ অধীনস্থ ইউনিটসমূহে ঘোষিত সাত দিনের কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি একটি মেডিকেল টিম গঠন করেছে।
আজ সোমবার প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নির্দেশনার ভিত্তিতে এই মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
মেডিকেল টিমের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
টিমের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. গালিব হাসান, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম, সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন, সহ-স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল এবং ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল।
যুবদলের স্বাস্থ্য সম্পাদক এবং নবগঠিত মেডিকেল টিমের সদস্য ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে জানান, ‘দেশবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সচেতন করতে আমাদের এই মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এই টিম কাজ করা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিটি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে যুবদলের কর্মী হিসেবে আমরা সবসময়ই প্রস্তুত।’
ডেঙ্গু সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে এই চিকিৎসক বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হলো সচেতনতা। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে, জমা পানি দূর করতে হবে এবং এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে হবে। পাশাপাশি মশারি ব্যবহার করা উচিত এবং জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ