বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১১:২১ এম
মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস দাবি করেছেন যে, কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন তার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য ব্যবহার করে তাকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের (মার্কিন আইনপ্রণেতা) একটি কমিটির কাছে দেওয়া রুদ্ধদ্বার সাক্ষ্যের প্রকাশিত নথিগুলোতে এই তথ্য উঠে এসেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিল গেটস ১০ জুন প্রতিনিধি পরিষদের তদারকি কমিটির কাছে গোপন সাক্ষ্য দেন। সেখানে তিনি এপস্টেইনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক এবং পরবর্তীতে এক ধরনের দূরত্ব তৈরির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
গেটস সাক্ষ্যে বলেন, তাকে সরাসরি ব্ল্যাকমেইল করা হয়নি, তবে এপস্টেইনের কিছু খসড়া ই-মেইল দেখে তার মনে হয়েছে, তিনি ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইলের পথ খুঁজছিলেন। গেটসের ভাষায়, তিনি মনে করেন এপস্টেইন হয়তো নিজে অথবা অন্য কাউকে দিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করার কৌশল অনুশীলন করছিলেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এপস্টেইন তাকে কখনো সরাসরি এমন কোনো বার্তা পাঠাননি, যাকে তিনি ব্ল্যাকমেইল বলতে পারেন। তবে প্রকাশিত নথিগুলো দেখে বিষয়টি তার কাছে সেই দিকেই এগোচ্ছিল বলে মনে হয়েছে।
সাক্ষ্যে বিল গেটস আরও দাবি করেন, তিনি কখনো এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন না এবং কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে এক সাক্ষাৎকারে গেটস স্বীকার করেছিলেন, এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা তার জীবনের একটি বড় ভুল ছিল। তিনি এই সাক্ষাৎকারে আরও জানান, দুই রুশ নারীর সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল, তবে এপস্টেইনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার কোন যোগসূত্র ছিল না।
গেটসের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১১ সালে তার এপস্টেইনের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। কিন্তু তার তিন বছর আগে এপস্টেইন অপ্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে যৌন অপরাধের মামলায় দোষ স্বীকার করেছিলেন। গেটস বলেন, তিনি জানতেন যে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের অভিযোগ ছিল, তবে বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখেননি। এই নীরবতা এখন তার কাছে ভুল সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কারাগারে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান জেফরি এপস্টেইন। তার মামলার নথিপত্র প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে তার যোগাযোগ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। কিন্তু কোনো ব্যক্তির নাম নথিতে থাকা মানেই তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধের প্রমাণ নয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতির সময়ে ‘পাটালি গ্রুপের’ দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র (তরবারি) উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে র্যাব-২-এর উপপরিচালক (মিডিয়া) মেজর এম মুবীন রহমান তাপস এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৪ জুন) মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময়ে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন ছিনতাইকারী পালানোর চেষ্টা করলে তাদের মধ্যে জুয়েল (২৫) ও শাকিলকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া দুজন মোহাম্মদপুরের কুখ্যাত ছিনতাইকারী চক্র ‘পাটালি গ্রুপের’ সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর, আদাবরসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছে।
গ্রেপ্তার জুয়েলের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মাদক মামলা বিদ্যমান রয়েছে।
মেজর এম মুবীন রহমান তাপস আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে তাদের অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে পারলে বাংলাদেশের জনগণ শুধু নিজেদের জন্য নয়, বরং একটি গর্বিত জাতি হিসেবে উন্নীত হতে পারবে, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
এসময় তিনি আগামী দিনে বাংলাদেশে গুণী মানুষদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতীয় প্রেসক্লাবে বুধবার দৈনিক ইত্তেফাক ও দিনকালের সাবেক সম্পাদক আখতার উল আলমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় মঈন খান এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি।
আখতার উল আলমের স্মৃতিচারণ করে মঈন খান বলেন, এমন একটি সময় ছিল, যখন সাংবাদিকদের জন্য সত্য কথা লিখতে নিজের নাম উল্লেখ করে লেখা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সেই কারণেই আখতার উল আলম ‘লুব্ধক’ ছদ্মনামে লিখতেন। ‘লুব্ধক’ একটি ছদ্মনাম নয়, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি কৌশল ছিল। তিনি সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে লেখালেখি করতেন। তার লেখায় উদারচেতা বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি, কূটনীতি ও বৈদেশিক অর্থনীতি নিয়েও নিয়মিত লিখতেন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আখতার উল আলমের ভূমিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে তাকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি হতে হয়েছিল। তিনি স্বাধীনতার পক্ষে একজন দৃঢ় অবস্থানে ছিলেন। সেই সময় অনেকেই প্রতিবাদ করার সাহস দেখাতে পারেনি।
সাংবাদিকতার বাইরেও ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আখতার উল আলমকে বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, তিনি সফলতার সঙ্গে ওই দায়িত্ব পালন করেন। রংপুরের মিঠাপুকুরে ১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া আখতারুল আলম পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও কূটনীতির ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন বলেও জানান তিনি।
দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যারা অবদান রেখেছেন, তাদের অনেক বরেণ্য মানুষকে স্মরণ করা হয় না, এমন মন্তব্য করেছেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ।
তিনি বলেন, তাদের মর্যাদা দিয়ে স্মরণ করা উচিত। জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের আমরা স্মরণ করি না। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জন্য কি রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো অনুষ্ঠান হয়ে থাকে? শুধু টেলিভিশন বা সংবাদপত্রে বিবৃতি দেওয়া হয়। যে জাতি তার বীর ও পথপ্রদশকদের স্মরণ করতে পারে না, সেই জাতি সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে আগামীর পথে এগোতে পারে না।
সরকার ও রাষ্ট্রের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মহৎ পুরুষ ও অগ্রগামী মানুষদের ইতিহাস, তাদের কর্মকাণ্ড ও সংগ্রাম যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বরেণ্য মানুষদের স্মরণ করার জন্য একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার দাবিও জানান তিনি।
জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভাণ্ডার গঠনের প্রস্তাব রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাংবাদিক সমাজ এবং সংশ্লিষ্ট বিদগ্ধ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এর ফলে দেশের কৃতি ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।
স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিন কেজি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক, ২৪টি ডেটোনেটর ও দুটি কুকরি চাপাতি উদ্ধার করেছে।
আজ বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আতাউর রহমান সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানালেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বড়লেখা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অস্ত্র ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরকের একটি চালান বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে যাবে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়কের নেতৃত্বে বিওসিটিলা বিওপি’র একটি আভিযানিক দল বড়লেখা সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী মিশন নামক স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
রাত সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশের নির্বাচিত দল কর্তৃক কতিপয় দুষ্কৃতকারীকে চ্যালেঞ্জ করা হলে, তারা রাতের অন্ধকার ও গভীর জঙ্গলের সুযোগে পালিয়ে যায়।
পরে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়ে সীমান্ত পিলার ১৩৮৫/এম থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মিশন নামক স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিন কেজি পাওয়ারজেল নাইনটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক (২৩টি টিউব), ২৪টি ডেটোনেটর, ১৫ মিটার ডেটোনেটর তৈরির তার ও দুটি কুকরি চাপাতি।
এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সে প্রথমবারের মতো একটি ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এই আক্রান্ত ব্যক্তি একজন চিকিৎসক, যিনি সম্প্রতি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে মানবিক সহায়তা মিশন শেষ করে দেশে ফিরেছেন। ফরাসি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তাঁকে দ্রুত একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) ফরাসি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, রোগী শনাক্ত হওয়ার পরপরই তাকে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার জন্য একটি ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। যাদের শনাক্ত করা হবে, তাদের ২১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এছাড়া কঙ্গো থেকে ফিরে আসা স্বাস্থ্যকর্মী ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের জন্য বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।
বর্তমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল কঙ্গো। দেশটিতে গত মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হলেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভাইরাসটি তারও আগে ছড়িয়ে পড়েছিল। এখনও পর্যন্ত সেখানে এক হাজারের বেশি সংক্রমণ এবং আড়াই শতাধিক মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে। সংক্রমণের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। বর্তমান প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ধরন দ্বারা সৃষ্ট, যার জন্য এখনো কোনও অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।
এদিকে কঙ্গোর প্রতিবেশী উগান্ডাতেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান সশস্ত্র সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি এবং দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা ইবোলা নিয়ন্ত্রণকে আরও কঠিন করে তুলছে। তবে ফরাসি ও ইউরোপীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্তমানে ইউরোপের সাধারণ জনগণের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকি খুবই কম এবং স্থানীয়ভাবে রোগ ছড়িয়ে পড়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ