প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্সে প্রথমবারের মতো একটি ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এই আক্রান্ত ব্যক্তি একজন চিকিৎসক, যিনি সম্প্রতি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে মানবিক সহায়তা মিশন শেষ করে দেশে ফিরেছেন। ফরাসি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তাঁকে দ্রুত একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে এবং বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) ফরাসি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, রোগী শনাক্ত হওয়ার পরপরই তাকে আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার জন্য একটি ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। যাদের শনাক্ত করা হবে, তাদের ২১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এছাড়া কঙ্গো থেকে ফিরে আসা স্বাস্থ্যকর্মী ও মানবিক সহায়তাকর্মীদের জন্য বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।
বর্তমান ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল কঙ্গো। দেশটিতে গত মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হলেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভাইরাসটি তারও আগে ছড়িয়ে পড়েছিল। এখনও পর্যন্ত সেখানে এক হাজারের বেশি সংক্রমণ এবং আড়াই শতাধিক মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে। সংক্রমণের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। বর্তমান প্রাদুর্ভাবটি ইবোলার বিরল ‘বান্ডিবুগিও’ ধরন দ্বারা সৃষ্ট, যার জন্য এখনো কোনও অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।
এদিকে কঙ্গোর প্রতিবেশী উগান্ডাতেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো পরিস্থিতির ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান সশস্ত্র সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি এবং দুর্বল স্বাস্থ্যব্যবস্থা ইবোলা নিয়ন্ত্রণকে আরও কঠিন করে তুলছে। তবে ফরাসি ও ইউরোপীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, বর্তমানে ইউরোপের সাধারণ জনগণের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকি খুবই কম এবং স্থানীয়ভাবে রোগ ছড়িয়ে পড়ার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন