ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ান গায়কের কণ্ঠে বাংলা গান, প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করলেন মুগ্ধ হয়ে


মালয়েশিয়ান গায়কের কণ্ঠে বাংলা গান, প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা করলেন মুগ্ধ হয়ে

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী হাবিবের জনপ্রিয় গান ‘মহাজাদু’ প্রকাশিত হওয়ার পর পুনরায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে আরেক বাংলা গানের।

যার মধ্যে গত ২২ জুন কুয়ালালামপুরের বিখ্যাত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ইস্তানা বুদায়া-তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরের উপলক্ষে আয়োজিত একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে মালয়েশীয় জনপ্রিয় গায়ক আফিক শাজওয়ান বাংলাদেশি শিল্পী ইমরানের জনপ্রিয় গান ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ পরিবেশন করেছেন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে ব্যক্তিগতভাবে উষ্ণ প্রশংসা পেয়েছেন এই জনপ্রিয় মালয়েশীয় গায়ক। এই সাফল্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজের গভীর কৃতজ্ঞতা ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে কোটি টাকার কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার, আটক ২ পাচারকারী

২৮ বছর বয়সি এই তরুণ শিল্পী, যার আসল নাম মোহাম্মদ শাফিক শাজওয়ান জামরোজ, জানিয়েছেন, বিদেশি ভাষার মধ্যে তার বাংলা উচ্চারণ এত নিখুঁত হবে এবং এটি স্বয়ং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, তা তিনি কখনো আশা করেননি। অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আফিককে বিশেষভাবে ডাকেন এবং তার পরিবেশনার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে আফিক লিখেছেন, "আমি ভাবতেও পারিনি পারফর্ম্যান্সের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিজে আমাকে ডেকে প্রশংসা করবেন। আমার বাংলা উচ্চারণ একদম সঠিক ও নিখুঁত ছিল বলেও তিনি মন্তব্য করেন। সবচেয়ে বড় বিষয়, তখন আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমও সেখানে হাজির ছিলেন। আলহামদুলিল্লাহ, এটি আমার জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন চ্যালেঞ্জ ছিল এবং আমার কঠোর পরিশ্রম আজ সফল হয়েছে।"

কুয়ালালামপুরের বিখ্যাত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ‘ইস্তানা বুদায়া’-তে অনুষ্ঠিত বিশেষ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য আফিককে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিদেশি ভাষায় এত সুন্দরভাবে গান পরিবেশন করে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে অভিনন্দন ও প্রশংসা করছেন।

আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে জনবান্ধব ও জনকল্যাণমুখী আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এই বাজেটে ন্যায়বিচার, মানবিকতা এবং জনগণের কল্যাণে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া ও চীন সফরের জন্য অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ওই সফরগুলোর চুক্তি ও অর্জন সম্পর্কে সরকার সংসদ ও জাতির সামনে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করবে।

বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডের আওতা সম্প্রসারণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা, রপ্তানি খাতের উন্নয়ন, স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের সহায়তা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক কমানো, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং ওষুধ শিল্পে প্রণোদনার মতো উদ্যোগের প্রশংসা করে পার্থ বলেন, এই বাজেটের মূল বার্তা হলো— ‘আমরা জনগণের পাশে আছি’।

তিনি বলেন, ‘আমি এই বাজেটে একটি বার্তা দেখেছি— আমরা জনগণের যত্ন নিই। এটাই একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র এবং জনগণের কল্যাণে নিবেদিত সরকারের মধ্যে পার্থক্য।’

রাষ্ট্র পরিচালনায় ন্যায়বিচার ও মানবিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে পার্থ বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের দু’টি মূল ভিত্তি ছিল— ন্যায়বিচার ও মানবিকতা। একটি কল্যাণরাষ্ট্রেও একই আদর্শ অনুসরণ করা উচিত।

তিনি বলেন, এতিম, নারী, অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করার সরকারের সদিচ্ছা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ যেন এই উদ্যোগে বরকত দান করেন এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন।

দেশের মেধাবী তরুণদের খুঁজে বের করে তাদের বিকাশের সুযোগ করে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে পার্থ বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও অসংখ্য মেধাবী তরুণ-তরুণী রয়েছেন। জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার নাহিদ রানার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে যেমন তিনি দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন, তেমনি যোগ্যতার ভিত্তিতে মেধাবীদের সামনে আনার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

যাকাত ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর করতে তিনি যাকাতগ্রহীতাদের একটি জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, দেশে প্রতিবছর কত যাকাত বিতরণ হয়, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই। প্রতিটি সংসদীয় আসনে যাকাত পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করা হলে দেশ-বিদেশের মানুষ সহজেই সেখানে যাকাত প্রদান করতে পারবেন।

এ লক্ষ্যে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও মোবাইল অ্যাপ চালুর প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই যাকাত দিতে চান, কিন্তু কোথায় দেবেন তা জানেন না। সহজ প্রাপ্যতাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি যাকাত বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে একটি বিশেষায়িত টেলিভিশন চ্যানেল চালুরও প্রস্তাব দেন তিনি।

ব্যাংকিং খাত প্রসঙ্গে পার্থ বলেন, প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে একদিনে ইসলামী ব্যাংকিংয়ে যাওয়া সম্ভব না হলেও সরকারকে ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।

তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হচ্ছে। যুক্তরাজ্য ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ইসলামী অর্থায়নকে উৎসাহিত করছে। বাংলাদেশেও এ খাতকে এগিয়ে নিতে হবে।

কিছু ইসলামী ব্যাংকে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমস্যা ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থায় নয়, বরং যারা ব্যাংক লুট করেছে তাদের মধ্যে। ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনবে এবং আল্লাহর রহমত বয়ে আনার জন্যও তিনি উল্লেখ করেন।

রাজস্ব আদায়ের বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অতীতের দুর্বলতার কথা উল্লিখিত করে পার্থ বলেন, আগের সরকারগুলোর সময় রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতির কারণে রাজস্ব আদায় ব্যাহত হয়েছে। তখন জাতীয় উন্নয়নের পরিবর্তে পরিকল্পিত লুটপাটই ছিল মূল লক্ষ্য।

তিনি দাবি করেন, বর্তমান সরকারের চার মাসের সময়ে বড় ধরনের কোনো ব্যাংক লুট বা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক দুর্নীতির ঘটনা ঘটেনি। তাই সরকারকে একটি কল্যাণরাষ্ট্র গড়ে তোলার সুযোগ দেওয়া উচিত।

ভোলার উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরে পার্থ বলেন, বিপুল প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত থাকায় ভোলাকে দেশের কৌশলগত অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।

তিনি বলেন, ভোলায় প্রায় ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস রয়েছে। এই সম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগানো গেলে ভোলা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

এ সময় তিনি ভোলা বিমানবন্দর, আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রস্তাবিত ভোলা-বরিশাল সেতু দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। পাশাপাশি উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পৃথক ভোলা উন্নয়ন কমিটি গঠনেরও প্রস্তাব দেন।

বক্তব্যের শেষ অংশে পার্থ বাজেটকে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে তুলে জাতীয় ইস্যু হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘সদিচ্ছা নিয়ে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশকে আরো অনেক দূর এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার

ওয়াশিংটনে চারদিন ধরে চলমান আলোচনা শেষে ইসরায়েল নতুন একটি চুক্তির আওতায় দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে তথ্য প্রদান করেছে। পাশাপাশি, সেই এলাকা দুটির নিয়ন্ত্রণ লেবাননের সেনাবাহিনীর হাতে দেওয়া হবে।

ইসরায়েলের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কথা অনুযায়ী, এই আলোচনার ফলস্বরূপ ইসরায়েল, লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তির ব্যবস্থা হয়েছে। এই চুক্তি বৃহত্তর শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ‘ভবিষ্যৎ সমঝোতার’ পথকে উন্মুক্ত করবে। চুক্তি স্বাক্ষরের সময় যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াওয়াদ বলেন, এই চুক্তিটি লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা পুনরুদ্ধারের পথে প্রথম পদক্ষেপ হবে।

অন্য দিকে, ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দক্ষিণ লেবাননের লিটানি নদীর উত্তরে এবং অপরটি নদীর দক্ষিণে অবস্থিত দুটি এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে। ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ডের মধ্যে লিটানি নদীর দক্ষিণের এলাকা আবারও উল্লেখযোগ্য।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায়, নেতানিয়াহু একটি পূর্ব ধারণকৃত ভিডিও বার্তায় বলেন, ইসরায়েলি বাহিনীর এই পদক্ষেপ বলতে বোঝায় যে লেবাননে আইডিএফ-এর ‘প্রয়োজন নেই’ এমন স্থানগুলো ত্যাগ করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা লেবানন ও ইসরায়েলের জন্য একটি বৃহত্তর চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে আলোচনা আয়োজনের কাজ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, আজকের দিনটি ‘সূচনারও সূচনা’। তিনি বলেন, সামনে অনেক কাজ বাকি। আমরা কোনোভাবেই সামনের কাজের জটিলতাকে অবহেলা করছি না, কিন্তু আমরা এর গুরুত্ব ও অপরিহার্যতা বুঝি। এই প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নে অংশ নিতে পেরে আমরা গর্বিত।

লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী এসব এলাকায় প্রবেশ করবে। আলোচনার অংশ হিসেবে এবং লেবাননের সরকারের প্রতি একটি ‘সদিচ্ছার নিদর্শন’ হিসেবে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননের দখলকৃত এলাকা থেকে ‘প্রতীকী’ সেনা প্রত্যাহার করছে।

বৃহস্পতিবার, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, তারা লেবাননে তাদের সেনা সংখ্যা ‘সাময়িকভাবে’ কমাবে। তবে, কোন এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে তা তারা নিশ্চিত করেনি। আগের দিন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি সত্ত্বেও সেনাবাহিনী লেবানন থেকে সরে আসবে না।

নেতানিয়াহু এই চুক্তিকে ইসরায়েলের জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, এর ফলে দক্ষিণ লেবাননের দখলকৃত এলাকার বিস্তৃত একটি অংশ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যতক্ষণ না হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, এটি ইরানের জন্যও বড় আঘাত। কারণ ইরান আমাদেরকে দক্ষিণ লেবানন থেকে সরে যেতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে। সুতরাং, এখানে তাদের হস্তক্ষেপের কোন সুযোগ নেই।

রুবিও আরও বলেছেন, লেবানন ও ইসরায়েলের জনগণ শান্তি ও নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করার যোগ্য, কিন্তু তারা দীর্ঘকাল ধরে সংঘাতের শিকার হয়ে আসছে।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক বিবৃতিতে, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ট্রাম্প প্রশাসনকে আলোচনা আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই চুক্তির ফলে লেবাননের জনগণ তাদের সম্পূর্ণ মুক্ত ভূমিতে ফিরে আসতে সক্ষম হবে।

দেশটির পার্লামেন্টে হিজবুল্লাহর সদস্য হাসান ফাদাল্লাহ এই গোষ্ঠীটি ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। তিনি সরকারের প্রতি আলোচনা এবং জনগণের বিরুদ্ধে নেওয়া সকল সিদ্ধান্ত বাতিল করার আহ্বান জানান।

সূত্র: সিএনএন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিংবদন্তি নির্মাতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বিজয়-তৃষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১১ পি.এম


কিংবদন্তি নির্মাতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বিজয়-তৃষা

তামিল চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার ও অভিনেতা কে ভাগ্যরাজের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে দক্ষিণী চলচ্চিত্রাঙ্গনে। তিনি শনিবার চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এবার এই মৃত্যু সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে। কারণ, মৃত্যুর মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেও পরিচালককে সুস্থ-স্বাভাবিক অবস্থায় দেখেছিলেন তিনি। গোয়ায় অভিনেত্রী ও রাজনীতিক খুশবু সুন্দরের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে, দেখার সময় কে ভাগ্যরাজ ও তৃষা কৃষ্ণান একসাথে ছিলেন। সেখানেই শেষবারের মতো একসাথে সময় কাটান তারা।

পরিচালকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ছবি শেয়ার করেন তৃষা। আবেগঘন সেই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘শান্তিতে ঘুমোন প্রিয় ভাগ্যরাজ স্যার। এটা বিশ্বাস করা সত্যিই কঠিন যে গতকালই আমরা একসাথে বসে খাবার খাচ্ছিলাম, আর আজ আমাকে এই হৃদয়বিদারক খবরটি শুনতে হলো! পূর্ণিমা ম্যাম, শান্তনু, আমলু এবং কিকি— এই কঠিন সময়ে আমার ভালোবাসা রইল তোমাদের জন্য।’

গোয়ার সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে ভাগ্যরাজের শেষ দিকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, তাকে হাসিমুখে তেলুগু সুপারস্টার চিরঞ্জীবীর সঙ্গে করমর্দন ও আড্ডা দিতে। অনুষ্ঠানে তৃষা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তামান্না ভাটিয়া, আরতি রভিসহ দক্ষিণী চলচ্চিত্রের আরো অনেক তারকা।

ভাগ্যরাজের মৃত্যু তামিল চলচ্চিত্রাঙ্গনের জন্য আরো বেদনাদায়ক হয়ে উঠেছে আরেকটি কারণে। ১৭ দিন আগে প্রয়াত হয়েছেন তার গুরু, প্রখ্যাত নির্মাতা ভারতীরাজা। অল্প সময়ের ব্যবধানে গুরু ও শিষ্যের বিদায়ে তামিল সিনেমার একটি গৌরবময় অধ্যায়ের অবসান দেখছেন অনেকে।

এদিকে কে ভাগ্যরাজের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়। তামিল চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পরিচালকের শেষকৃত্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এক্সে দেওয়া শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বিজয় লেখেন, ‘তামিল সিনেমার প্রখ্যাত পরিচালক, অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার, সংলাপ লেখক এবং সংগীত পরিচালক থিরু কে ভাগ্যরাজের প্রয়াণের খবর শুনে আমি গভীরভাবে স্তম্ভিত ও মর্মাহত। তিনি তাঁর বহুমুখী প্রতিভা দিয়ে সিনেমায় অমিলন ছাপ রেখে গেছেন। তাঁর প্রয়াণ তামিল চলচ্চিত্র জগতের অপূরণীয় ক্ষতি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


উপকূলের অনেক শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে: প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা প্রতিকূলতার কারণে এখনো উচ্চশিক্ষার পথ থেকে ঝরে পড়ছে। উপকূলীয় এলাকার সন্তান হিসেবে শিক্ষার্থীদের সংগ্রামের মূল্য আমি জানি।

শনিবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বাগেরহাট জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া ৪১৮ মেধাবী শিক্ষার্থীকে এককালীন শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

এ সময় মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ড. ফরিদ আরও বলেন, মেধা, জ্ঞান, দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন বাংলাদেশ গঠনে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তোমাদের তৈরি হতে হবে। মূল্যবোধ, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পাশাপাশি মাদক, দুর্নীতি, সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থেকে নিজেকে একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

এ সময় জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সচিব ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বাবলু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অনুপ কুমার দাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক প্রকৌশলী এ টি এম আকরাম হোসেন তালিম, সরকারি পিসি কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলী, খানজাহান আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ খন্দকার আছিফ উদ্দিন রাখীসহ অন্যান্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%