বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২৭ পি.এম
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোট ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি, পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টের ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৯টায় ঠাকুরগাঁও জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগগুলি তুলে ধরেন ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন।
নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও এসব ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল (শুক্রবার) বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত ও মৌখিক বক্তব্যে দেলোয়ার হোসেন উল্লেখ করেন, ভোটের দিন বিকাল চারটা পর্যন্ত প্রশাসন কোনো অনিয়মের সুরাহা দিতে পারেনি। সকালে যে পরিস্থিতি ছিল, বিকাল চারটায় ভোট শেষ হওয়ার পরও একই অবস্থা বিরাজমান ছিল। বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদের পোলিং এজেন্টদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়েছে। অনেক স্থানে এজেন্টদের বের করার পর তারা নিজেদের মতো করে ফলাফল তৈরি করেছে। এমনকি কিছু সেন্টারে ফলাফল না দিয়েই পুরো বাক্সে করে ব্যালট নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, রাজাগাঁও ইউনিয়নের খড়িবাড়ি হাই স্কুল কেন্দ্রে প্রকাশ্যে টেবিলের ওপর ধানের শীষে সিল মারার প্রতিবাদ করায় প্রধান নির্বাচনি এজেন্টের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে প্রশাসন এসে তাকে উদ্ধার করে। একজন প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট যদি অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে নিরাপদ না থাকেন, তবে নির্বাচন কতটা একতরফা হয়েছে তা সহজেই অনুমেয়।
ফলাফল ঘোষণার আগেই বিজয় র্যালি ও মিষ্টি বিতরণের প্রসঙ্গ টেনে দেলোয়ার হোসেন বলেন, এটি অত্যন্ত হাস্যকর ও পূর্বপরিকল্পিত। ফলাফল চূড়ান্তভাবে ঘোষণা হওয়ার আগেই বিভিন্ন মাধ্যমে দেখলাম তাদের প্রার্থীকে মালা পরানো হচ্ছে, মিষ্টি খাওয়ানো হচ্ছে এবং বিজয় র্যালি করা হচ্ছে। এতেই প্রমাণিত হয় সবকিছু আগে থেকেই গোছানো ছিল। তারা বিভিন্ন প্রচারণায় আগেই বলে বেড়াত যে গতবারের চেয়ে এবার এক থেকে দেড় লাখ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবে।
নির্বাচন-পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, এখনও পর্যন্ত পুরো ফলাফল তাদের হাতে আসেনি। বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের আহত নেতাকর্মীরা আসছেন। সবকিছু পর্যালোচনা করে এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে তারা এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়- দিনভর চলা অনিয়ম, হামলা ও কারচুপির ঘটনায় প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন পোলিং এজেন্টের ওপর শারীরিক হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে চারজন হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন এবং অনেকে নিরাপত্তার অভাবে বাড়ি ফিরতেও পারছেন না।
সার্বিক এই নজিরবিহীন অনিয়ম, কর্মী-সমর্থকদের বাসাবাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর এবং হামলার প্রতিবাদে আগামীকাল (শুক্রবার) ঠাকুরগাঁওয়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচি পালন করবে ১১ দলীয় ঐক্যজোট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নলডাঙ্গা উপজেলার সোনাপাতিল এলাকায় মোবাইল কোর্টের অভিযানের মাধ্যমে সোহাগ সরদার (৩৩) নামের একজনের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত আটটায় এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন নলডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন।
মোবাইল কোর্টের সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ সরদারকে মাদক সেবনের অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর (৩৬) ৫ ধারার অধীনে ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, সোহাগ সরদার পূর্ব সোনাপাতিল গ্রামের আফাজ সরদারের পুত্র।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার বটিয়াঘাটায় কথিত ‘রফিক বাহিনী’র প্রধান রফিকের দখলে থাকা একটি কৃষি খামারে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ পিস্তলের ছয়টি ম্যাগাজিন, এক রাউন্ড গুলি, পরিচয়পত্র, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের বিরাট গ্রামের ওই কৃষি খামারের ঘেরের একটি ঘরে অভিযান চালিয়ে এসব সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, রফিকের ঘের থেকে তার পরিচয়পত্র, পিস্তলের ম্যাগাজিন ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় এবং পরদিন বিকেলে পৃথক ঘটনায় দুই যুবদল নেতা গুলিবিদ্ধ হন।
ওই দুই নেতাকে গুলি করার ঘটনার পর বটিয়াঘাটা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়। তাকে খুলনা জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার স্থলে পাইকগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এস এম মিজানুর রহমানকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়।
নতুন ওসি দায়িত্ব গ্রহণের এক দিনের মাথায় রফিকের খামার থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনা ঘটল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নালিতাবাড়ী অঞ্চলের বারোমারী গারো পাহাড়ের সাধুলিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে আলোর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৫০ হাজার তীর্থযাত্রী দুই হাতে দুটি করে মোমবাতি জ্বালিয়ে মিছিলে যোগ দেন। এই মিছিলটি প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে এবং চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়।
তীর্থোৎসব কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, এবারের তীর্থোৎসবের প্রতিপাদ্য ছিল ‘মানবতার জননী ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’, যা বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী ২৯তম বার্ষিক ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তীর্থোৎসবের সমন্বয়কারী রেভারেন্ড ফাদার তরুণ বনোয়ারী জানান, ১৯৯৮ সালে বারোমারী সাধুলিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে পর্তুগালের ফাতেমা নগরের অনুকরণে এই তীর্থস্থানটি সাজানো হয়। এটি রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টভক্তদের জন্য অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর হাজার হাজার খ্রিস্টভক্ত এখানে সমবেত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূলসুরের ওপর বার্ষিক তীর্থোৎসব পালন করেন।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উপাসনার জন্য এখানে নির্মাণ করা হয়েছে ৪৮ ফুট উঁচু দেশের সবচেয়ে বড় মা মারিয়ার মূর্তি। অক্টোবর মাসের শেষ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এই বার্ষিক তীর্থোৎসব পালিত হয়ে থাকে।
এ উৎসবে পাপ স্বীকার, মহাখ্রিস্টযাগ, মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোক শোভাযাত্রা, সাক্রামেন্টের আরাধনা, নিরাময়, নিশিজাগরণ ও জীবন্ত ক্রুশের পথসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ উৎসবে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), এপিবিএন, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২৯ অক্টোবর ২০২৬ ইং বৃহস্পতিবার, মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইলের উদ্যোগে সদর ও কালিহাতি উপজেলায় পৃথক মা"দকবি"রোধী অ"ভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অ"ভিযানে ই"য়াবা ট্যাবলেট, চোলাই ম"দ ও ট্যা"পেন্টাডল ট্যা"বলেটসহ চারজন মা"দক কারবারিকে গ্রে"ফতার করা হয়। পরে ভ্রা"ম্যমাণ আ"দালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কা"রাদণ্ড ও অ"র্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.) টাঙ্গাইল সদর থানাধীন কান্দাপাড়া রবিদাসপাড়া, কান্দাপাড়া মাজার গেইট এলাকা এবং কালিহাতি থানাধীন ছাতিহাটি, রোয়াইল ও সল্লা বাজার এলাকায় এই অ"ভিযান পরিচালনা করা হয়। অ"ভিযানকালে আ"সামিদের নিকট থেকে অ"বৈধ মা"দকদ্রব্য জ"ব্দ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— ই"য়াবা ট্যাবলেট: ১ পিস, চোলাই মদ: ১ লিটার ২৫০ মিলিলিটার, ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট: ১ পিস।
গ্রে"ফতারকৃত আ"সামিদের ভ্রা"ম্যমাণ আদালতে দ"ণ্ডপ্রাপ্ত আ"সামিরা হলেন—
১. মো. শাহ আলম মন্ডল (৪৯), পিতা: মৃ"ত শাজাহান মন্ডল, সাং: এলেঙ্গা রাজাবাড়ি, থানা: কালিহাতি, জেলা: টাঙ্গাইল।
২. মো. ফেরদৌস (২০), পিতা: মৃ"ত ছবেদ, সাং: মেছের মার্কেট, থানা ও জেলা: টাঙ্গাইল।
৩. মো. বানিজ (৪৫), পিতা: মৃ"ত রহিম, সাং: ছাতিহাতি, থানা: কালিহাতি, জেলা: টাঙ্গাইল।
৪. আ. খালেক (৫৭), পিতা: মৃ"ত সয়াল শেখ, সাং: সল্লা, থানা: কালিহাতি, জেলা: টাঙ্গাইল।
মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইলের পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান এবং উপপরিদর্শক তপু খান ও মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম আসামিদের বি"রুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আ"ইনে প্রসিকিউশন দাখিল করেন।
পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলার বিজ্ঞ সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাকিব হাসান এবং কালিহাতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার ভ্রাম্যমাণ আ"দালত পরিচালনা করে অ"পরাধের মাত্রা অনুযায়ী সাজা প্রদান করেন। ১নং আ"সামিকে ২০ দিন, ২নং আ"সামিকে ৩ মাস, এবং ৩ ও ৪নং আসামিকে ২ মাস করে বি"নাশ্রম কা"রাদণ্ড প্রদান করা হয়।
পাশাপাশি প্রত্যেক আ"সামিকে ৫০ টা"কা করে অ"র্থ"দ"ণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মা"দকবি"রোধী এ ধরনের অ"ভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ