ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আবারও বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন অভিনেত্রী জেনিফার


আবারও বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন অভিনেত্রী জেনিফার

জনপ্রিয় টিভি অভিনেত্রী জেনিফার উইংগেট সম্পর্কে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নেটিজেনদের মধ্যে একটি অংশের ধারণা, তিনি দ্বিতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি গুজব উঠেছে যে, সিঙ্গাপুরভিত্তিক ব্যবসায়ী ইশমায়েল উইলিয়ামের সঙ্গে তার বাগদান সম্পন্ন হয়েছে।

গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছুদিন ধরে জেনিফার এবং ইশমায়েল প্রেম করছেন। কানাঘুষো হচ্ছে যে, ইশমায়েল অভিনেত্রীকে একটি বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন এবং অভিনেত্রী সম্মতি দিয়েছেন। ফলে এখন তারা বিয়ের প্রস্তুতি গ্রহণ করতেছেন।

এর আগে, জেনিফার উইংগেট ভারতীয় ছোট পর্দার অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তাদের প্রথম সাক্ষাৎ ‘দিল মিল গায়ে’ টিভি শো-এর সেটে হয়েছিল। পরে, ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে তারা বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু দুই বছর পর, ২০১৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে

এরপর, করণ সিং ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অ্যালোন’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় বিপাশা বসুর সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৬ সালে, তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

অন্যদিকে, জেনিফার উইংগেট পুনরায় বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন না। তবে বর্তমানে বিয়ের গুজব নিয়ে তিনি আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ওয়েডিং ড্যান্সের ইনস্টাগ্রামে মন্তব্য করার পর থেকেই তার বিয়ের গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ভক্তরা লক্ষ্য করেছেন যে, জেনিফার সামাজিক মাধ্যমে বিয়েসংক্রান্ত কিছু বিষয় ফলো করতে শুরু করেছেন। এই কারণে তার বিয়ের খবর আরও শক্তিশালী হয়েছে।

অন্য একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইশমায়েল এবং জেনিফার একসঙ্গে খুব খুশি রয়েছেন। তাদের মাঝে সত্যিই ভালোবাসা ও রসায়ন রয়েছে। এক ছুটির দিনে, ইশমায়েল জেনিফারকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং অভিনেত্রী সে প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তারা যোগাযোগের মাধ্যমে বিয়ের পরিকল্পনা করছেন।

এখন খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, অভিনেত্রী একটি আয়োজক এবং ওয়েডিং সার্ভিসগুলোর তালিকা তৈরি করে ফেলেছেন। এমনকি একটি খসড়াও প্রস্তুত করেছেন।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ

জানা গেছে, তারা খ্রিস্টান রীতিতে বিয়ের পরিকল্পনা করছেন এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবর অথবা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মধ্যে বিয়ের সময় বিবেচনা করছেন। তবে এখনো বিয়ের ভেন্যু নির্বাচন করা হয়নি, সেটি খোঁজা হচ্ছে। তাদের এই পরিকল্পনার কথা হার্লিন শেঠি ও জেনেলিয়া দেশমুখসহ ইন্ডাস্ট্রির বন্ধু ও ঘনিষ্ঠরা জানেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ পালিত হচ্ছে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ এম


আজ পালিত হচ্ছে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস

আজ বুধবার বাংলাদেশের মধ্যে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস। প্রতিবছর ২৯ মে দিবসটি পালিত হলেও, এবার ঈদের ছুটি থাকায় দেশে আজ এই দিবস পালিত হচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় শাহাদাতবরণকারী বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হবে। সকাল সাড়ে ৯টায় এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী গতকাল মঙ্গলবার তাঁর প্রদত্ত বাণীতে বলেছেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ। বিশ্বের সব শান্তিরক্ষীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংঘাত, সহিংসতা ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী শান্তিরক্ষী আত্মত্যাগ করেছেন, তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রধানমন্ত্রী আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনাও প্রকাশ করেন।

এতে উল্লেখ করা হয়, সর্বোচ্চ সংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানোর দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে মর্যাদাপূর্ণ স্থান অক্ষুণ্ন রেখেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রথম স্থানে ছিল।

এভাবে এর আগেও কখনো প্রথম, কখনো দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনের বহু গৌরবময় অধ্যায়ের অংশ হচ্ছে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরানে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশ নেওয়া শুরু হয়। এরপর ৩৮ বছরে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের এক গর্বিত অংশীদারে পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এই মিশনে দায়িত্ব পালন করছে ১৯৯৩ সাল থেকে। বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা মিশনে অংশ নিচ্ছেন ১৯৮৯ সাল থেকে। ওই বছর নামিবিয়া মিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ জাতিসংঘ পরিবারের সদস্য হয়। সেই থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের এক হাজার ৯২৮ জন নারী সদস্যসহ মোট ২১ হাজার ৮২৮ জন সদস্য ২৫টি দেশের ২৭টি শান্তি রক্ষা মিশনের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের ৪৩টি দেশ ও স্থানে ৬৩টি জাতিসংঘ মিশন সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। এসব মিশনে মোট দুই লাখ ছয় হাজার ৪৭৬ জন শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে নারী শান্তিরক্ষী তিন হাজার ৬৪৫ জন। সেনাবাহিনীর মধ্যে থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন এক লাখ ৬২ হাজার ৩৫ জন। বর্তমানে জাতিসংঘের ৯টি শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশ থেকে চার হাজার ৪১২ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত আছেন।

শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশে ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ১৩৮ জন, নৌবাহিনীর চারজন, বিমানবাহিনীর ৯ জন এবং পুলিশের ২৪ জন। মোট আহত হয়েছেন ২৮৭ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাইরাল পোস্টে স্বামীকে নিয়ে দীপ্তি চৌধুরীর আবেগঘন বার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ এম


ভাইরাল পোস্টে স্বামীকে নিয়ে দীপ্তি চৌধুরীর আবেগঘন বার্তা

দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। 

তিনি চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান টু দ্য পয়েন্ট, স্ট্রেইট কাটসহ নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিত মুখে পরিণত হয়েছেন। 

গেল শুক্রবার (৫ জুন) দীপ্তি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে পারিবারিক আয়োজনে তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসতেই তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছেন। 

নববধূর স্বামী, মুশতাক ইবনে আইয়ুব, একজন শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। 

তবে এই দম্পতিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, সেখানে আলোচনা-সমালোচনা উভয় দিকেই পরিলক্ষিত হচ্ছে। নেটিজেনদের একাংশ যেমন তাদেরকে জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান, অন্যদিকে কিছু মানুষ দীপ্তির ব্যক্তিগত জীবন, তার ও তার স্বামীর বয়স, পেশাগত পরিচয় এবং তার স্বামীকে ঘিরে নানা ধরনের অযাচিত মন্তব্যে মুখর হয়েছেন। 

নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি অনলাইনে ব্যবহারকারীদের একাংশ তাদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অহেতূক কৌতূহল ও সমালোচনায় মেতে উঠেছেন। তবে এসব কথায় যেন দীপ্তি কান দিচ্ছেন না। নেতিবাচক কথা নিয়ে এ উপস্থাপিকা কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি, বরং জীবনের নতুন অধ্যায়ে স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুবকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। 

স্বামীর সঙ্গে বিয়ের অনুষ্ঠানের একগুচ্ছ ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন দীপ্তি। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘যাকে না পাওয়া ছিল একমাত্র আফসোস, আল্লাহ তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে উপহার দিয়েছেন। আল্লাহ মহান! তিনি আমার দেখা সবচেয়ে সুন্দর হৃদয়ের মানুষ। তার প্রতি ভালোবাসার সঙ্গে জড়িয়ে আছে গভীর শ্রদ্ধা। চলুন ভদ্রলোক, আমরা আমাদের এই নতুন যাত্রা শুরু করি।’ 

দীপ্তির এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নিজের টাইমলাইনে শেয়ারের তিন দিন পর পোস্টটিতে রিঅ্যাকশন পড়েছে আড়াই লাখের বেশি এবং মন্তব্য করা হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি। পোস্টটি শেয়ার হয়েছে দেড় হাজারের কাছাকাছি। 

এর একদিন পর গায়েহলুদ অনুষ্ঠানেরও বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন মুহূর্তের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করে পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘একমুঠো হলুদ, এক আকাশ আনন্দ, আর এক জীবনের অপেক্ষা।’ এ পোস্টটির মন্তব্যের ঘরেও শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি তার অনুসারীরা নানা রকম প্রতিক্রিয়া জানান। 

এদিকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর আবারও চিরচেনা পেশাগত ব্যস্ততায় যোগ দিয়েছেন আলোচিত এই উপস্থাপিকা। ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের পাশাপাশি পেশাগত ক্ষেত্রে অনুষ্ঠান রেকর্ডিং ও উপস্থাপনায় মনোনিবেশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাম খাওয়ার ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ এম


জাম খাওয়ার ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা

গ্রীষ্মকালে পাওয়া যায় এমন ফল জাম খেতে সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। অসংখ্য উপকারী গুণ থাকায় জাম বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় কার্যকর হতে পারে।

দেশীয় এই ফলটির স্থায়িত্বকাল অন্যান্য ফলের তুলনায় তুলনামূলক কম। তাই পুষ্টির উপকারিতা পেতে পুষ্টিবিদরা ক্ষণিকের এই সময়ের মধ্যে জাম খাওয়া বাদ না দেয়ার বিষয়ে সতর্ক করেছেন।

এখন দেখা যাক সুস্বাদু ও রসালো ফল জামের পুষ্টিগুণগুলি কি কি-

১. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: জামে উপস্থিত জ্যাম্বোলিন ও জ্যাম্বোসিন নামক উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। এটি ইনসুলিনের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি করতে সক্ষম।

২. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে: জামে বিদ্যমান ফাইবার ও অন্যান্য পদার্থ হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং পাচনতন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

৩. রক্ত বিশুদ্ধ করে: জাম রক্ত পরিশোধক হিসেবে কাজ করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। রক্তস্বল্পতার সমস্যাও কমাতে সহায়তা করে।

৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর: জাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা দেহের কোষগুলোকে মুক্ত মৌল থেকে রক্ষা করে এবং বার্ধক্যজনিত ক্ষয় কমাতে দ্বান্দ্বিকভাবে সাহায্য করে।

৫. ইমিউন সিস্টেম (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) বাড়ায়: জামে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং অন্যান্য পুষ্টিগুণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

৬. ওজন কমাতে সহায়তা করে: জামে ক্যালোরির পরিমাণ কম এবং ফাইবারের পরিমাণ বেশি, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখতে সহায়তা করে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৭. ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী: জামে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন ত্বকের গø্যতা বাড়াতে এবং চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে।

৮. মূত্রজনিত সমস্যা দূর করে: জাম ডায়ুরেটিক হিসেবে কাজ করে, যা কিডনি পরিষ্কার রাখতে এবং মূত্রসংক্রান্ত সমস্যাগুলো কমাতে সহায়ক।

৯. মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে: জামের রস দাঁত ও মাড়ির সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে। এটি মুখের দুর্গন্ধও দূর করতে কার্যকরী।

১০. ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক: গবেষণায় দেখা গেছে, জামে উপস্থিত ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কিছু ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোবাইল অ্যাপে কুরআন তিলাওয়াত করলে সওয়াব পাওয়া যাবে কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ এম


মোবাইল অ্যাপে কুরআন তিলাওয়াত করলে সওয়াব পাওয়া যাবে কি?

মোবাইলের মাধ্যমে কুরআন তেলাওয়াতের প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে ইসলামের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে কুরআন মাজিদ মসজিদ, মাদরাসা বা বইয়ের সীমা থেকেই বেরিয়ে গেছে। আসলে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে মুহূর্তেই মানুষের কাছে কুরআন পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। অনেক মুসলমান প্রতিদিন মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে কুরআন তিলাওয়াত করছেন। কিন্তু, এখানে একটি প্রশ্ন উঠছে— মোবাইলের পর্দায় কুরআন দেখে পড়লে কি মাসহাফ থেকে পড়ার মতো সওয়াব পাওয়া যাবে?

এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া দরকার। কারণ ইসলাম মানুষের জন্য ইবাদতকে সহজ করতে এসেছে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কুরআনের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং আল্লাহর বাণী তিলাওয়াত করা প্রশংসনীয়। তবে এই বিষয়ে শরিয়তের দৃষ্টিভঙ্গি জানা জরুরি।

মোবাইল অথবা অন্য কোনো ডিভাইসের স্ক্রীন থেকে কুরআন পড়লে সওয়াব পাওয়া যাবে, কিন্তু মাসহাফ থেকে পড়ার সওয়াব পাওয়া যাবে না। কারণ মোবাইলের অ্যাপ বা ডিভাইসটি সরাসরি কুরআন নয়; এটি কুরআনের একটি প্রতিচ্ছবি। হাদিসের একটি বর্ণনা থেকে এই বিষয়টি পরিষ্কার। হজরত ওসমান ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আওস আস্ সাকাফি (রহ.) তার দাদা আওস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "কোনো ব্যক্তির মাসহাফ ছাড়া (অর্থাৎ কুরআন দেখা ছাড়া) মুখস্থ কুরআন পড়া এক হাজার গুণ মর্যাদা সম্পন্ন। আর কুরআন মাসহাফে পড়া (অর্থাৎ কুরআন খুলে দেখে দেখে পড়া) মুখস্থ পড়ার দু’ গুণ থেকে দু’ হাজার গুণ পর্যন্ত মর্যাদা রাখে।"

এছাড়াও, আল্লামা ত্বীবী (রহ.) বলেন, "মাসহাফ দেখে পড়া বেশি ফজিলতপূর্ণ। কারণ এতে কুরআনের দিকে তাকানোর সওয়াব পাওয়া যায়, মাসহাফ বহন ও স্পর্শ করার আমল হয় এবং আয়াতগুলো নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা ও অর্থ অনুধাবনের সুযোগ সৃষ্টি হয়।" এর মানে হল, এই বিষয়ের দিকগুলো বিবেচনায় মাসহাফ দেখে পড়া মনে করা হয় উত্তম। তবে এই কথা মানে এটা নয় যে, সব অবস্থায় মুখস্থ পড়ার মর্যাদা কম।

হাদিসে এসেছে যে, কুরআনে দক্ষ ব্যক্তি সম্মানিত ফেরেশতাদের সঙ্গী হবে। কিছু আলেম বলেন, "মাসহাফ দেখে তিলাওয়াত করা সর্বাবস্থায় উত্তম।" আবার অন্যবার কিছু আলেম বলেছেন, "মুখস্থ থেকে তিলাওয়াত করা সর্বাবস্থায় উত্তম।" তবে ভারসাম্যপূর্ণ মত হিসেবে বলা যায়, যে পদ্ধতিতে একজনের খুশু বেশি থাকে, সেটি তার জন্য উত্তম হবে। যদি উভয় ক্ষেত্রে সমান হয় তবে মাসহাফ দেখে পড়া অধিক উত্তম, কারণ এতে সাধারণত আয়াতের অর্থ নিয়ে বেশি চিন্তা ও মনোযোগ থাকে।

আসলে কুরআন আল্লাহর কালাম। তা কাগজে মুদ্রিত মাসহাফ থেকে পড়া হোক অথবা মোবাইল অ্যাপের পর্দা থেকে— উভয় ক্ষেত্রেই যদি একজন মুসলিম আন্তরিকতার সঙ্গে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তিলাওয়াত করেন, তাহলে তিনি কুরআন তিলাওয়াতের সওয়াব লাভ করবেন। কারণ সওয়াবের মূল ভিত্তি হলো আল্লাহর কালাম পাঠ করা, তা থেকে হেদায়েত গ্রহণ করা এবং এর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনার চেষ্টা করা। তবে সুযোগ থাকলে মাসহাফ হাতে নিয়ে আদবের সঙ্গে কুরআন তিলাওয়াত করা অধিক মর্যাদাপূর্ণ। যখন মাসহাফ কাছে না থাকে, তখন মোবাইল অ্যাপ কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়তা করে। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত, তা বুঝে পড়া এবং বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%