নোয়াখালী প্রতিনিধি বার্তা প্রেরক গিয়াস রনি
১২:১৮ এম
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার আলোচিত শিশু আসমা আক্তার (৫) হত্যা মামলার রায় আজ বুধবার ১ জুলাই ঘোষণা করা হবে।
চার বছর ধরে চলা বিচারিক কার্যক্রমের শেষে নিহত শিশুর পরিবার অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে।
বুধবার (১ জুলাই) নোয়াখালীর বিশেষ শিশু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তারের আদালতে এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুক্লা সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এর আগে মামলার রায় ঘোষণার তারিখ দুই দফা পরিবর্তন করে ১ জুলাই নির্ধারণ করা হয়।
নিহত আসমা উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে। মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬), সে একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে এবং নিহতের জেঠাতো ভাই।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার নয় দিন পরে, বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসামির তথ্যের ভিত্তিতে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় ভিকটিমের জেঠাতো ভাই শাহাদাত (২৬) কে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে, শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, ধর্ষণের পর ঘটনাটি প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং মরদেহ সেপটিক ট্যাংকিতে রেখেছিল।
এটি উল্লেখ্য যে, ঘটনার পর পুরো নোয়াখালী জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা শুরু থেকেই দ্রুত বিচার ও আসামির ফাঁসির দাবি জানিয়ে আসছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দখলদার ইসরাইল পশ্চিম তীরে ১০০টি স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিল।
এখন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রিত অধিকৃত পশ্চিম তীরের ‘এ’ অঞ্চলের ১০০টি কৌশলগত স্থান দখল করার পরিকল্পনা করেছে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলো।
মঙ্গলবার ইসরাইল হাইয়োম পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সেটলার ফার্মস অ্যাসোসিয়েশন’ এবং ‘হাভাত (ফার্মস) ফোরাম’-এর তৈরি করা এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো অধিকৃত ভূখণ্ডের মানচিত্রকে মৌলিকভাবে বদলে দেওয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ প্রস্তাবে ‘বাস্তবায়নের দিন’ হিসেবে আখ্যায়িত একটি দিনে পশ্চিম তীরের প্রায় ১০০টি কৌশলগত স্থানে বাহিনী মোতায়েন করার একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, স্থানগুলো ‘এ’ অঞ্চলে অবস্থিত। ১৯৯৫ সালের অসলো-২ চুক্তি অনুযায়ী এ অঞ্চলটির প্রশাসনিক ও নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের হাতে রয়েছে।
পত্রিকাটির মতে, পরিকল্পনাটি ইসরাইলি সরকারের মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এতে ফিলিস্তিনের প্রধান শহরগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) অধিভুক্ত অ্যান্টি-ওয়াল অ্যান্ড সেটেলমেন্ট কমিটির সভাপতি মুয়াইয়াদ শাবান এ প্রস্তাবটিকে অধিকৃত পশ্চিম তীর সংযুক্ত করার একটি বিপজ্জনক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি দাবি করেন, এটি অবৈধ বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোর কোনো স্বাধীন উদ্যোগ নয় বরং এর মধ্য দিয়ে ডানপন্থি ইসরাইলি সরকারের অনুসরণ করা বৃহত্তর নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী প্রায় প্রতিদিনই পশ্চিম তীরের শহর ও নগরগুলোতে অভিযান চালায়। এসব অভিযানে প্রায়ই গ্রেফতার, মাঠপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
ফিলিস্তিনিদের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনাবাহিনী এবং দখলদারদের হামলায় ১ হাজার ১৭৩ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত, ১২ হাজার ৬৬৬ জন আহত এবং প্রায় ২৩ হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ১৭ বছরে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ধারাবাহিক আন্দোলনের সর্বোচ্চ বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের স্মৃতি দেশের মানুষকে সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাবে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ‘আলোয় আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল’ শীর্ষক এই মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘এই আলোর প্রজ্বালন শুধু এক দিনের জন্য নয়। প্রতিদিন সব কটা জানালা খুলে রাখতে হবে, যেন কোনো অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী শক্তির আর কখনও আগমন ঘটতে না পারে।’
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট পরাজিত হয়েছে বটে, কিন্তু তার অবশিষ্টাংশ এখনও বিভিন্ন জায়গায় রয়ে গেছে। তারা দেশের মেগা প্রজেক্ট অর্থাৎ মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতুর টাকা পর্যন্ত চুরি করেছে।’
অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমানের কাজ দেখে মনে হচ্ছে আমরা, আপনারা–সবাই জাতীয়তাবাদী। কেবল ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ড নয়, আজ রেড সিগন্যালে যে গাড়িটি নিয়ম মেনে দাঁড়িয়ে যায়, সেটিও জাতীয়তাবাদেরই অংশ।’
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে গভীর রাত পর্যন্ত চলা এই মোমবাতি প্রজ্বালন অনুষ্ঠানটি জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ এবং আহতদের স্মরণে উৎসর্গ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের ফরিদপুর জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ফরিদপুর জেলা অটোরিকশা ও অটোটেম্পু ড্রাইভার্স ইউনিয়নের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম মিয়াকে গ্রেফতার এবং তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যান্য অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে শহরের রকিব উদ্দিন পৌর মার্কেটে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে ফরিদপুর জেলা অটোরিকশা ও অটোটেম্পু ড্রাইভার্স ইউনিয়ন (রেজি. নং-৩৪২৭)-এর নির্যাতিত শ্রমিকদের ব্যানারে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী বাবুল হোসেন বাবু।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, ইউনিয়নের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাকিম মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের কার্যক্রমে স্বেচ্ছাচারিতা, আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিরোধী মত দমন এবং ইউনিয়নের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
বক্তারা দাবি করেন, ইউনিয়নের সদস্য ভর্তি, চাঁদা আদায়, বিভিন্ন খাতে অর্থ ব্যয় এবং বিগত কয়েক বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অসন্তোষ রয়েছে। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত হামলা ও সহিংসতার বিভিন্ন ঘটনায় আব্দুল হাকিম মিয়ার সম্পৃক্ততা রয়েছে। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।
বক্তারা বলেন, শ্রমিক ইউনিয়ন একটি সেবামূলক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান। তাই এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বা ভয়ভীতির পরিবেশ গ্রহণযোগ্য নয়। শ্রমিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তারা প্রশাসনের প্রতি এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণেরও আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নের সদস্য তোরাফ, সুলতান শেখ, মো. সিদ্দিক শেখ, সাইফুল, মো. মনোয়ার সরদার, আক্তারুজ্জামানসহ বিপুলসংখ্যক শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে আব্দুল হাকিম মিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রচণ্ড গরমে জনজীবন যখন নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে, তখন অতিরিক্ত লোডশেডিং মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
গ্রাম থেকে শহর, সবখানেই মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। কোথাও এক থেকে দুই ঘণ্টা, আবার কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুতের অভাব দেখা দিচ্ছে। এতে লেখাপড়া, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসাসেবা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জানা যায়, শিবচর পৌর অঞ্চলে নিয়মিত এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর লোডশেডিং করা হলেও গ্রাম অঞ্চলের অবস্থা আরো ভয়াবহ।
বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকে না। কোথাও এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ দেওয়া হয়। আবার কখনো টানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। এতে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে। আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ক্ষুদ্র মাঝারি ব্যবসায়ীরা বিদ্যুতের অভাবের ফলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। গৃহস্থালি কাজে বিদ্যুতের ব্যাঘাত ঘটায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন অনেকে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাসা বাড়ি ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্ম ঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুৎ অফিস জানিয়েছে, শিবচর উপজেলায় ১ লাখ ৬ হাজার গ্রাহক রয়েছে। এই সকল গ্রাহকের বিদ্যুৎ চাহিদা ৩৫ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াট, যা অর্ধেকেরও কম। তাই এলাকাভিত্তিক সমন্বয় করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। এক এলাকায় এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ হলে পরের ঘণ্টায় ওই এলাকার বিদ্যুৎ দিয়ে অন্য এলাকায় লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে।
শিবচর পৌর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, এভাবে আর কতদিন চলবে? প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। আমরা নিয়মিত বিদ্যুতের বিল দিই, কিন্তু প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ পাই না। দিনে-রাতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে জানান তিনি।
লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ভ্যানচালকদেরও বিপাকে পড়তে হচ্ছে। স্থানীয় ভ্যানচালক রফিক বলেন, রাতে ঠিকমতো ব্যাটারি চার্জ দিতে পারি না। তাই সকালে বের হলেও, দুপুরের আগেই ভ্যান বন্ধ করে বাড়ি ফিরতে হয়। আগে আয় হতো ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা, এখন ৩০০ টাকাও হয় না। সংসারে বউ-বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে আছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুপুরে দেখা যায়, লোডশেডিংয়ে শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ নানা বয়সের রোগীরা কষ্ট পাচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগী খবির মিয়া বলেন, হাসপাতালে এসেছি সুস্থ হতে, কিন্তু কারেন্ট না থাকায় গরমে মনে হচ্ছে দমই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সারাক্ষণ ঘেমে থাকছি, চোখে ঘুম আসে না। এই কষ্টে রোগ ভালো হওয়ার বদলে আরো বাড়তে শুরু করেছে।
এ বিষয়ে শিবচর পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার অভিলাষ চন্দ্র পাল বলেন, শিবচরে ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে, কিন্তু পাচ্ছি মাত্র ১৬ থেকে ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। আমরা চাহিদার অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাচ্ছি। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর লোডশেডিং দিয়ে সরবরাহ বজায় রাখার চেষ্টা করছি। তবে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কাজ করে চলেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ