প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দখলদার ইসরাইল পশ্চিম তীরে ১০০টি স্থানে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিল।
এখন ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রিত অধিকৃত পশ্চিম তীরের ‘এ’ অঞ্চলের ১০০টি কৌশলগত স্থান দখল করার পরিকল্পনা করেছে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলো।
মঙ্গলবার ইসরাইল হাইয়োম পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সেটলার ফার্মস অ্যাসোসিয়েশন’ এবং ‘হাভাত (ফার্মস) ফোরাম’-এর তৈরি করা এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো অধিকৃত ভূখণ্ডের মানচিত্রকে মৌলিকভাবে বদলে দেওয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ প্রস্তাবে ‘বাস্তবায়নের দিন’ হিসেবে আখ্যায়িত একটি দিনে পশ্চিম তীরের প্রায় ১০০টি কৌশলগত স্থানে বাহিনী মোতায়েন করার একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, স্থানগুলো ‘এ’ অঞ্চলে অবস্থিত। ১৯৯৫ সালের অসলো-২ চুক্তি অনুযায়ী এ অঞ্চলটির প্রশাসনিক ও নিরাপত্তার নিয়ন্ত্রণ ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের হাতে রয়েছে।
পত্রিকাটির মতে, পরিকল্পনাটি ইসরাইলি সরকারের মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এতে ফিলিস্তিনের প্রধান শহরগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) অধিভুক্ত অ্যান্টি-ওয়াল অ্যান্ড সেটেলমেন্ট কমিটির সভাপতি মুয়াইয়াদ শাবান এ প্রস্তাবটিকে অধিকৃত পশ্চিম তীর সংযুক্ত করার একটি বিপজ্জনক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি দাবি করেন, এটি অবৈধ বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোর কোনো স্বাধীন উদ্যোগ নয় বরং এর মধ্য দিয়ে ডানপন্থি ইসরাইলি সরকারের অনুসরণ করা বৃহত্তর নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী প্রায় প্রতিদিনই পশ্চিম তীরের শহর ও নগরগুলোতে অভিযান চালায়। এসব অভিযানে প্রায়ই গ্রেফতার, মাঠপর্যায়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
ফিলিস্তিনিদের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনাবাহিনী এবং দখলদারদের হামলায় ১ হাজার ১৭৩ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত, ১২ হাজার ৬৬৬ জন আহত এবং প্রায় ২৩ হাজার মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন