বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৪:৪০ পি.এম
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত ‘হাওর বেসিন ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলভিত্তিক পারিবারিক অর্থনীতি বিশ্লেষণ (হাউজহোল্ড ইকোনমি অ্যানালাইসিস-এইচইএ) প্রতিবেদন’ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।
ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু হাওর ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, জীবিকা সুরক্ষা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি জোরদারের ওপর মহৎ গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুর্যোগের পুনরাবৃত্তি ও তীব্রতা বাড়ছে। তাই আমাদের শুধু দুর্যোগের পর প্রতিক্রিয়া জানানো নয়, বরং আগাম প্রস্তুতি, পূর্বাভাসভিত্তিক কার্যক্রম এবং জীবিকার বহুমুখীকরণের মাধ্যমে ঝুঁকি কমাতে হবে।
এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আবদুস সালাম এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো উশিয়ামা।
এছাড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ফুড প্ল্যানিং অ্যান্ড মনিটরিং ইউনিট (এফপিএমইউ), এফএও, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, মানবিক সংগঠন, গবেষক, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, এই প্রতিবেদন কেবল একটি গবেষণা দলিল নয়, বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণভিত্তিক তথ্যভান্ডার, যা ঝুঁকি ও বিপদাপন্নতা বোঝা, আগাম পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা সুরক্ষায় কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, সামাজিক সুরক্ষা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হচ্ছে।
মন্ত্রী হাওর অঞ্চলের জনগণের কথা জানিয়ে বলেন, তারা প্রতিবছর আকস্মিক বন্যার মুখোমুখি হচ্ছে, যা কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভূমিধস, অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার মতো বহুমাত্রিক ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, হাওর অঞ্চলের প্রায় ৫৮ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল।
ভূমিমন্ত্রী জানান, দরিদ্র ও অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রধান আয়ের উৎস দিনমজুরি। তাদের খাদ্যের বড় অংশই বাজার থেকে কিনে সংগ্রহ করতে হয়। ফলে দুর্যোগের সময় এ শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নারীর অর্থনৈতিক অবদানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, হাওর ও পার্বত্য উভয় অঞ্চলে অতি দরিদ্র পরিবারের মোট আয়ের প্রায় ৮ দশমিক ৬ থেকে ৯ দশমিক ২ শতাংশ আসে নারীদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে।
কিন্তু দুর্যোগের কারণে এসব আয় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই নারীর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি খাদ্য নিরাপত্তা ও দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মন্ত্রী বলেন, হাওর অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা প্রায়ই বোরো ধান কাটার মৌসুমে আঘাত হানে। এতে কৃষকদের বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফসল মুহূর্তেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একইভাবে পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধস ও অতিবৃষ্টি কৃষি উৎপাদন ব্যাহত করার পাশাপাশি বাজার ও সেবায় মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত করে দেয়।
ভূমিমন্ত্রী জানান, সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার ‘সরকারি জলমহাল আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে।
এই খসড়া আইন অনুযায়ী জলমহাল দখল, ভরাট, দূষণ, প্রাকৃতিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং জলজ সম্পদ বিনষ্টের বিরুদ্ধে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশের নদী, খাল, বিল, হাওর, বাঁওড় ও অন্যান্য সরকারি জলমহাল শুধুমাত্র প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এগুলো পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং লাখো মানুষের জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
এ সম্পদ রক্ষায় সরকার যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি ‘জাল যার, জলা তার’ নীতির বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রকৃত জেলেদের অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
ভূমি খাতে ডিজিটাল সেবার প্রসার সম্পর্কেও তিনি বলেন, ভূমি জরিপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সেবা অনলাইনে নিয়ে আসা হচ্ছে।
ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ সরাসরি প্রকৃত মালিকের কাছে পৌঁছানোর জন্য অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু করা হবে। এছাড়া খাসজমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ জনগণকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
তবে, সহনশীলতা গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি উন্নয়ন সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় সরকার এবং কমিউনিটির মধ্যে আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে ভূমিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে হাওর বেসিন ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের পারিবারিক অর্থনীতি বিশ্লেষণ (এইচইএ) প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই গবেষণার ফলাফল ভবিষ্যতে নীতিনির্ধারণ, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউক্রেন আগামী দুই দিনের মধ্যে ১০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি ইউরোরও বেশি মূল্যের ১৬০টিরও বেশি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রত্যাশা করছে, এই তথ্য দেশের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া স্ভিরিদেনকো জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার পোল্যান্ডের গদানস্ক শহরে অনুষ্ঠিত একটি বড় পুনর্গঠন সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
স্ভিরিদেনকো এই সম্মেলনের সময় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অংশীদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে ১৬০টিরও বেশি সমঝোতা ও বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা উল্লিখিত করেছেন, যার মোট মূল্য ১০ বিলিয়ন ইউরোর বেশি হতে পারে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৯০ বিলিয়ন ইউরোর ঋণ কর্মসূচির আওতায় প্রথম কিস্তি হিসেবে ৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ইউরো ছাড়ের ঘোষণা দেওয়ার কথাও তিনি জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী স্ভিরিদেনকো আরও জানান, এই অর্থ ইউক্রেনের পুনর্গঠন কার্যক্রম, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনরুদ্ধার এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদারে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে ইউক্রেন এবং তারা আন্তর্জাতিক সহায়তা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে কাজ করছে।
গদানস্কের এই সম্মেলনকে সেই প্রচেষ্টার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও লাতিন আমেরিকা বিষয়ক পরিচালক এবং প্রধান ড্যানিয়েল উলভেনের বুধবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবিটি প্রকাশ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও টেকসই উন্নয়ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করMoreover, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রিন টেকনোলজি, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং প্রকৌশল খাতে আরো বেশি সুইডিশ বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুইডিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং লাতিন আমেরিকা বিভাগের পরিচালক ও প্রধান ড্যানিয়েল উলভেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সুইডেনকে বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্বস্ত ও দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, লিঙ্গ সমতা এবং জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে সুইডেনের ধারাবাহিক সহায়তার প্রশংসাও করেন।
তিনি ক্রিয়েটিভ ইকোনমি (সৃজনশীল অর্থনীতি) প্রসারে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ এবং নারীদের ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ সমতা বজায় রাখতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রাখা বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, টেলিযোগাযোগ, প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, মানবাধিকার, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং শান্তি ও নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতা বহুমুখী ও জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।
এছাড়া, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য আরো বাড়াতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের ওপরও তারা জোর দেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রিন টেকনোলজি, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং প্রকৌশল খাতকে বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে এসব খাতে সুইডিশ বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ দেন।
ড্যানিয়েল উলভেন, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শামা ওবায়েদ ইসলামকে অভিনন্দন জানান। তিনি একই সাথে বাংলাদেশের সঙ্গে সুইডেনের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার জন্য সুইডেনের আরো জোরালো সমর্থন কামনা করেছেন।
বৈঠকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা বিষয়ও পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষই শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপরও জোর দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে বৈঠকে মিলিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।
বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বিষয়ক মোট ১৫টি সমঝোতা স্মারক সই হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বৃহস্পতিবার এখানে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করি, এসব চুক্তি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
তিনি আরও জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং তার সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদলের সম্মানে একটি রাষ্ট্রীয় ভোজের আয়োজন করবেন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার, ২৭ জুন, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে) ঐতিহাসিক গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
মাহদী আমিন বলেন, উভয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘একই সঙ্গে আমরা আশা করি, এসব আলোচনা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে, যা বাংলাদেশের জনগণের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংহত করবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারের বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) একটি সতর্কবার্তা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) তারা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সতর্কবার্তা প্রদান করে।
বিটিআরসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার জন্য অবৈধ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ও স্থাপনার বিরুদ্ধে বিটিআরসি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই অভিযানের সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত ওয়াকি-টকি জব্দ করে স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী-২০২৬) অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের ওয়াকি-টকি বা বেতার যোগাযোগ যন্ত্র ব্যবহার, সংরক্ষণ, আমদানি, বিপণন বা পরিচালনার জন্য বিটিআরসি থেকে তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বেতার যন্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স ব্যতীত এই ধরনের যন্ত্র ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে রয়েছে।
এই অবস্থায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা সেবা প্রদানকারী সংস্থা, হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মলসহ সকল ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে বিশেষ সতর্ক করা হচ্ছে যে, বিটিআরসির যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স ছাড়া কোনো ধরনের বেতার যন্ত্র বা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করা যাবে না। অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন বেতার যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিটিআরসির অভিযান চলতে থাকবে এবং যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করে, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনস্বার্থে এবং সুষ্ঠু বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সকলকে যথাযথ আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ