বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০২:৩৮ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের কাছে পরিচয় পেশ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বৃহস্পতিবার সকাল বেলায় বঙ্গভবনে গিয়ে এই পরিচয় পেশ করেন।
গত এপ্রিলে ভারত সরকার তাদের ১৬তম হাইকমিশনার হিসেবে সাবেক রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় নিয়োগ দেয়। নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে দীনেশ ত্রিবেদী ৫ জুন পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
এদিকে, হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীকে ইউনিয়ন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমমর্যাদা দেওয়া হয়েছে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে। গত ২৪ জুন ভারত সরকারের জারি করা একটি অফিস স্মারকে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত দিনেশ ত্রিবেদীকে আনুষ্ঠানিক প্রটোকলের ক্ষেত্রে টেবিল অব প্রিসিডেন্সে ইউনিয়ন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমপর্যায়ের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
এই মর্যাদা শুধু আনুষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে দিনেশ ত্রিবেদীর ব্যক্তিগত মর্যাদা হিসেবে গণ্য হবে। তবে স্মারকে উল্লেখ আছে যে, ভারতের টেবিল অব প্রিসিডেন্সে কোনো কাঠামোগত পরিবর্তন আনবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের নৌপথের নাব্যতা সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে প্রতিবছর নিয়মিত সংরক্ষণ ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বর্তমানের ফলস্বরূপ, শুষ্ক মৌসুমে নাব্য নৌপথের দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ২শ’ কিলোমিটার এবং বর্ষা মৌসুমে ৮ হাজার কিলোমিটারে পৌঁছেছে।
আজ সংসদে, জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, নৌপথের উন্নয়ন, নাব্যতা বৃদ্ধি এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তুলাই ও পুনর্ভবা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প। এছাড়া মিঠামইন উপজেলার ঘোড়াউতরা ও বোলাই-শ্রীগাং নদীর অংশবিশেষ, ইটনা উপজেলার ধনু ও নামাকুড়া নদী এবং অষ্টগ্রাম উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর অংশবিশেষের নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও নাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধার, শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, নৌপথ উন্নয়ন এবং বন্যা ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্পও চলমান রয়েছে।
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দেশের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে এবং নাব্যতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৭০ কিলোমিটার নৌপথ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সরকার হামের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে কার্যক্রম করছে এবং শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
মন্ত্রী জানান, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে, সকল শিশুকে টিকার আওতায় এনে একটি শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধক বলয়ের সৃষ্টি করা।
আজ সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য মোসাম্মৎ শাম্মী আক্তারের তারকা চিহ্নিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য উপস্থাপন করেছেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরকারের গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে বলেছেন, বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। তবে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, রোগটির বিস্তারে টিকাদানে অনীহা, অসম্পূর্ণ টিকাদান, জনসচেতনতার ঘাটতি এবং কিছু ক্ষেত্রে ভৌগোলিক ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতাও ভূমিকা রাখছে।
ফলে প্রাদুর্ভাবের জন্য দায় নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঘটনার তদন্ত ও প্রমাণের ওপর নির্ভরশীল।
মন্ত্রী জানান, হামের প্রাদুর্ভাব ও এ-সংক্রান্ত মৃত্যুর জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দায়ী হলে বিষয়টি তদন্ত ও তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। যদি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর অবহেলা, দায়িত্বে গাফিলতি বা কর্তব্যে অবজ্ঞার প্রমাণ মেলে, তবে প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করে সম্পাদিত হয়ে থাকে।
টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।
পর্যালোচনায় যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মেলে, তবে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণ, টিকা মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ, রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় আরো সুদৃঢ় করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এছাড়া, দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ