শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১২ এম
বাংলাদেশে মাদকাসক্ত তরুণ-তরুণীর সংখ্যা এক কোটির বেশি বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।
তিনি উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক প্রবেশ করছে। মাদকের বিস্তার একটি জাতিকে পিছিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজবাড়ী কনভেনশন সেন্টারে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিবগাতুল্লাহ বলেন, ২০২৪ সালে আবু সাঈদসহ অসংখ্য মানুষের রক্তের বিনিময়ে আমরা আশা করেছিলাম যে ব্যবস্থার পরিবর্তন হবে। কিন্তু নতুন সরকার আসার পরও আমরা দেখতে পাচ্ছি, মেধাবীদের থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
শিবিরের সেক্রেটারি বলেন, আমরা এমন একটি ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছি, যেখানে সীমান্তবর্তী জেলাগুলো থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক বাংলাদেশে প্রবাহিত হচ্ছে। ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ নানা ধরনের মাদক দেশে আসছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে প্রায় এক কোটির বেশি তরুণ-তরুণী নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। যখন আমাদের তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে, তখন এটি দেশের জন্য একটি বড় সংকট হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
মেধাবীদের মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে শিবিরের সেক্রেটারি বলেন, একটি সমাজ তখনই এগিয়ে যায়, যখন মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় এবং তাদের সামনে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।
শিবিরের সেক্রেটারি আরও বলেন, শুধু ভালো ফলাফল করলেই জীবনে সফল হওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদের জীবনের প্রতিটি ধাপে নানা ধরনের প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে। তাই জিপিএ-৫ পাওয়াকে চূড়ান্ত অর্জন মনে না করে পড়াশোনা ও দক্ষতা অর্জনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।
সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, এ বছর এক লাখ ১৬ হাজার শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। কিন্তু দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসন এর তুলনায় কম। ফলে জিপিএ-৫ পাওয়া সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে না। আবার জিপিএ-৫ না পেয়েও অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে। তাই জীবনের প্রতিটি ধাপে নতুন করে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণরা অত্যন্ত সৃজনশীল। বিভিন্ন বিজ্ঞান উৎসব ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে তরুণদের অংশগ্রহণে তাদের মেধা ও সৃজনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়। তরুণদের এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ও ঘুষের অভিযোগ তুলে শিবিরের এই নেতা বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা নিতে গিয়ে মানুষকে ঘুষ ও দুর্নীতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মানসিকতা তরুণ সমাজের মধ্যে তৈরি হয়েছে।
সিবগাতুল্লাহ বলেন, শুধু মেধাবী হলেই হবে না, সৎ ও দেশপ্রেমিক হতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরি করা। মেধার সঙ্গে সততা ও নৈতিকতার সমন্বয় ঘটাতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্নিকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রীতিলতা হলে স্মরণসভা, চিত্র প্রদর্শনী, রচনা প্রতিযোগিতা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ‘মিট দ্য প্রীতি লেডিস’ নামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিপ্লবী প্রীতিলতার জীবন, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হল প্রশাসন ও হল সংসদের যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার (৫ মে ১৯১১–২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৩২) ছিলেন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নেওয়া অন্যতম বাঙালি বিপ্লবী। ছোটবেলায় শিক্ষিকা ঊষাদির কাছ থেকে ঝাঁসির রানীর গল্প শুনে তার মধ্যে ব্রিটিশবিরোধী চেতনার জন্ম হয়। পরবর্তীতে তিনি মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলে যুক্ত হন এবং সশস্ত্র আন্দোলনে অংশ নেন।
১৯৩২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাবে বিপ্লবীদের একটি অভিযানে নেতৃত্ব দেন প্রীতিলতা। ওই ক্লাবের বাইরে তৎকালীন বর্ণবাদী একটি সাইনবোর্ডে লেখা ছিল কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষেধ। অভিযান শেষে ফেরার পথে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে তিনি চারদিক থেকে ঘেরাও হন। ব্রিটিশদের হাতে বন্দী হওয়ার পরিবর্তে পটাশিয়াম সায়ানাইড গ্রহণ করে মাত্র ২১ বছর বয়সে আত্মাহুতি দেন তিনি।
প্রীতিলতা হলের প্রভোস্ট কাজী মুহাম্মদ মেজবাউল আলম মন্তব্য করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রীতিলতা হল বিপ্লবী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে। তাই তার আত্মাহুতি দিবসে তাকে স্মরণ করা হলের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক শিক্ষার্থী প্রীতিলতা হলে থাকলেও প্রীতিলতা কে ছিলেন, তার অবদান কী এ বিষয়ে অনেকের পর্যাপ্ত ধারণা রাখে না। তার দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই আজকের আয়োজন।’
তিনি জানান, ‘প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে আমরা রচনা প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছি। এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তার জীবন ও সংগ্রাম সম্পর্কে জানতে পারবে এবং তার প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে।’
প্রীতিলতা হলের জিএস নাদীয়া সুলতানা তাসমীয়া বলেন, ‘হল সংসদ ও হল প্রশাসনের উদ্যোগে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি রচনা প্রতিযোগিতা ও চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা প্রীতিলতার বিপ্লবী চরিত্র সম্পর্কে জানতে পারে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের অনুষ্ঠানের নাম ‘মিট দ্য প্রীতি লেডিস’। এর মাধ্যমে হলে থাকা যেসব শিক্ষার্থী খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভালো করেছে, তাদেরও সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।’
চিত্র প্রদর্শনী দেখতে আসা ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার পায়েল জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজন সাধারণত খুব বেশি দেখা যায় না। এ ধরনের উদ্যোগে তিনি আনন্দিত।
তিনি বলেন, ‘আমরা হয়তো প্রীতিলতা হলে থাকি, কিন্তু অনেকেই জানি না তিনি আসলে কে ছিলেন। তার কৃতিত্ব, বিপ্লবী ভূমিকা ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে অবদান সম্পর্কে আজ জানতে পারছি। চট্টগ্রামের এই বীরকন্যার সাহস ও নেতৃত্ব আমাদের অনুপ্রাণিত করছে।’
চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজক সানিয়া আসমা বলেন, ‘আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস। তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবী চরিত্র। ১৯৩২ সালের পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণের পর দেশের জন্য তিনি আত্মাহুতি দেন। তার অবদান এখনো আমাদের সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগায়।’
অনুষ্ঠানে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে আলোচনা, চিত্র প্রদর্শনী ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিহাসচর্চা ও দেশপ্রেমের চেতনা বৃদ্ধি করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ১১টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে রাতের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া, এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দ্বারা ঝড় ও নদীবন্দর সমূহের পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আজ রাত ১টার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী এবং কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২০ ঘণ্টার বর্ধিত পূর্বাভাসে জানানো হয়, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকা থেকে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ভারতের উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ ও দক্ষিণ উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে স্থল গভীর নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং দেশের অন্যান্য স্থানে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে পরবর্তী দুই দিন পর অর্থাৎ ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানানো হয়েছে আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ৩৪তম তলায়, যেখানে দুই নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
এই সময়, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে গঠনমূলক মতবিনিময় হয়।
দুই প্রধানমন্ত্রী একে অপরের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সংলাপ অব্যাহত রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামকে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও ভুক্তভোগীদের দ্বারা।
মঙ্গলবার দুপুরে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, ভুয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডারবাজি এবং ঠিকাদারদের হয়রানির মতো বিভিন্ন অভিযোগ তুলে দ্রুত তদন্তের দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন যে, শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালীতে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সম্মুখীন হন। বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরও তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে পরিবর্তন আসলেও শহিদুল ইসলাম বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে বহাল রয়েছেন।
যদিও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে, তবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এই কারণে তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন।
এর আগে, বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি, ভুয়া বিল উত্তোলন, টেন্ডারবাজি এবং ঠিকাদারদের হয়রানির অভিযোগ তুলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে ২৪ জন ঠিকাদার লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছিলেন।
লিখিত অভিযোগে ঠিকাদাররা উল্লেখ করেন যে, নির্বাহী প্রকৌশলীর চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে কমিশন প্রদান না করলে কাজ সম্পন্ন হলেও বিল পরিশোধে জটিলতা সৃষ্টি করা হয়।
এছাড়া, তার বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকার পরও কাগজে-কলমে অগ্রগতি দেখিয়ে বিলের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
বিক্ষুব্ধ ঠিকাদাররা আরও অভিযোগ করেন যে, কাজের জামানতের টাকা ফেরত পেতে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়। নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে কথা বললে বিল আটকে দেওয়ার কিংবা কাজের সাইটে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরির আশঙ্কা থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ