বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৩ পি.এম
বর্তমান দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন কড়া মন্তব্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি বিস্তারিত পোস্টে অভিযোগ করেন যে, আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ধরে ঘাপটি মেরে থেকে দেশে নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি মন্তব্য করেন যে, আগামী তিন মাস (নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি) রাজপথে কড়া পাহারা দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে শহীদ ওসমান হাদীর প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত ও এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কঠোর প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, “পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, দীর্ঘ সময় ঘাপটি মেরে থেকে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য আওয়ামী লীগ প্রস্তুতি নিয়েছে এবং যেকোনো সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠলেই সেখানে তারা ছোবল দেওয়ার অপচেষ্টা করবে। আওয়ামী ছোবল থেকে দেশ বাঁচাতে শহীদ ওসমান হাদীর পথ কি অনুসরণ করতে পারবে জামায়াত-এনসিপি? আর যদি সেটি না করতে পারে তাহলে ধরেই নিতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী রাজনৈতিক স্বার্থে তারা শহীদ ওসমান হাদীকে বেচা বিক্রি করে। প্রকৃতপক্ষে জামায়াত-এনসিপি শহীদ ওসমান হাদীর আওয়ামী ফ্যাসিবাদবিরোধী চেতনা থেকে যোজন যোজন দূরে।”
শ্রমিক অসন্তোষ এবং মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য মজুরি বোর্ড ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যেখানে সরকার, মালিক ও শ্রমিক পক্ষ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে; এককভাবে কারো পক্ষে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।
তবে এই প্রক্রিয়ার মাঝেও উসকানি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি বা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক নেতার ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, “তারপরও নাহিদ ইসলাম আন্দোলনকে উস্কে দিতে শ্রমিকদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান করেছেন।
তিনি বলেন, ‘অতীতে আন্দোলনে আওয়ামী লীগ জামায়াত ভূত দেখতো, এখন বিএনপি আওয়ামী লীগ ভূত দেখছে।’ এর মধ্য দিয়ে নাহিদ ইসলাম শ্রমিকবেশে আন্দোলনে আওয়ামী দুর্বৃত্তদের অংশগ্রহণকে সমর্থন জুগিয়েছেন। তিনি কি তাহলে আন্দোলনের নামে আওয়ামী দুর্বৃত্তদের সৃষ্ট সেই অরাজকতা, জ্বালাও-পোড়াও, হামলা ও ভাঙচুরের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পক্ষে?”
নিজের পূর্বের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, বর্তমানে বিএনপিকে দুটি বিরোধী দলের অপতৎপরতা সামলে দেশ পরিচালনা করতে হচ্ছে। তিনি লেখেন, “বেশকিছুদিন আগে আমি বলেছিলাম, দুইটা বিরোধীদলের (বর্তমান বিরোধীদল ও পতিত স্বৈরাচার) অপতৎপরতা সামলিয়ে বিএনপি সরকারকে দেশ চালাতে হচ্ছে। সেই কথা আজ অক্ষরে অক্ষরে সত্য প্রমাণিত হলো।
রাজপথে যতবারই আওয়ামী দুর্বৃত্তরা অরাজকতা সৃষ্টি করতে আসবে, সেটা শুধু বিএনপিকেই মোকাবিলা করতে হবে, ফ্যাসিবাদ দমনে জামায়াত-এনসিপিকে আর কখনোই পাশে পাওয়া যাবে না। বরং দুঃখজনক হলেও সত্য যে, জামাত-এনসিপি এখন ক্ষমতায় যাওয়ার মোহে পতিত ফ্যাসিস্ট অপশক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনায় অসহযোগিতা করতে থাকবে।
পোস্টের শেষাংশে স্বস্তি প্রকাশ করে তিনি জানান, সাধারণ শ্রমিকরা উসকানিতে পা না দিয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন। তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, নাহিদ ইসলামের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে কাজে ফিরতে শুরু করেছে গার্মেন্টস কর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎ আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করে।
আইএসপিআর জানায়, বৈঠককালে তারা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং কৌশলগত অংশীদারি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। বিশেষ করে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে চলমান সামরিক প্রশিক্ষণ সহযোগিতা জোরদার, উচ্চপর্যায়ের পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের দীর্ঘদিনের গৌরবোজ্জ্বল অবদান ও পেশাদারির কথা তুলে ধরেন। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের অনন্য ভূমিকা, ত্যাগ ও ধারাবাহিক সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, নিয়মিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, যৌথ মহড়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সামরিক এবং কৌশলগত সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও গতিশীল ও সম্প্রসারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় চোলাইমদ ও মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১৪৩ লিটার চোলাইমদ ও ৯০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ (জাওয়া) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে এম ফজলুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে থানার এসআই রফিকুল ইসলাম, এসআই আমিনুল ইসলাম, এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আসাদুজ্জামানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে জলছত্র এলাকার শুভ দাসের (২৩) বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৮২ লিটার দেশীয় চোলাইমদ এবং একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা ৪০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ (জাওয়া) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হীরা লাল গৌড় (৪৮), শ্রীকৃষ্ণ গৌড় (২৯) ও শুভ দাসকে আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা নম্বর-৬ (তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
অপরদিকে, একই এলাকার নয়াপাড়ায় নারায়ণ বর্মনের (৪৯) বসতঘরে অভিযান চালিয়ে ৬১ লিটার চোলাইমদ ও একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা ৫০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নারায়ণ বর্মন ও হারুন অর রশিদকে (৫০) আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা নম্বর-৭ (তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পৃথক দুটি মামলাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ২৪(ক)/২৪(গ) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
মধুপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে ‘সার কার্ড’ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কৃষি বিভাগ, যা জমিতে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের প্রবণতা কমানোর পাশাপাশি সার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা জমির পরিমাণ ও ফসল অনুযায়ী সরকারি নির্ধারিত মাত্রায় সার গ্রহণ করতে পারবেন।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, কৃষকদের মধ্যে বেশি সার দেওয়ার ভুল ধারণা এবং প্রয়োজনের তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি সার ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পায় এবং মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অপচয় রোধ এবং সুষম সার প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সার কার্ডে কৃষকের ছবি, নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জমির পরিমাণ এবং আবাদকৃত ফসলের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। অধিদপ্তরের সুপারিশ অনুযায়ী প্রতি বিঘা জমিতে ধান, গম বা পেঁয়াজ চাষের জন্য ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপির সুনির্দিষ্ট চাহিদা নির্ধারণ করা হবে। সার উত্তোলনের সময় কার্ডে পরিমাণ ও তারিখ লেখা হবে, যাতে কেউ নির্ধারিত মাত্রার বেশি সার নিতে না পারে।
বর্তমানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ব্লকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন এবং কোথাও কোথাও কার্ড বিতরণও শুরু হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে জেলার সব কৃষককে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।
শৈলকুপার কৃষক আব্দুল রহিম ও বসির আহমেদ জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সার দেওয়ার প্রবণতা কমবে এবং কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত মাত্রায় সার পেলে উৎপাদন খরচ কমবে, একই সঙ্গে জমির স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত থাকবে। ত্রিবেণী ইউনিয়নের সার ডিলার জাফর মোল্লা বলেছেন, এর ফলে প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করা সহজ হবে এবং ডিলারদের জন্য বিতরণ ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, সার বিতরণে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা আনতে এবং মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সব কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে মধুপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ ক্রীড়া আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজাই প্রিন্স, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ হক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উজ্জ্বল বৈরাগী এবং আইসিটি কর্মকর্তা আব্রারুল হক শিমুল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও পেশা গড়ারও একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ, সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তাঁরা আরও বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের যথাযথ প্রশিক্ষণ, সুযোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা গেলে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণের পাশাপাশি তারা পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারবে।
অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ