ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফেসবুক পোস্টের জেরে কুষ্টিয়ায় স্বজনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করল শিক্ষার্থীরা


ফেসবুক পোস্টের জেরে কুষ্টিয়ায় স্বজনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করল শিক্ষার্থীরা

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর পর ফেসবুকে প্রতিবাদ জানানোকে কেন্দ্র করে রোগীর স্বজনদের ওপর বর্বরোচিত হামলার অভিযোগ উঠেছে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় হাসপাতাল চত্বরে ঘটে যাওয়া এই হামলায় গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হামলার সময় ভুক্তভোগীদের একটি মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনার পর হাসপাতাল এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়া শহরের হরিশংকরপুর এলাকার রহমত আলীর ছেলে সোহেল ও সোহাগ এই হামলার শিকার হন। সোহেলের ছেলে গত এক সপ্তাহ ধরে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় সোহেল হাসপাতালে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে ২৫ থেকে ৩০ জন মেডিকেল শিক্ষার্থী তাকে 'দালাল' আখ্যা দিয়ে ঘিরে ধরে এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে। এ সময় তার ছোট ভাই সোহাগ তাকে বাঁচাতে গেলে শিক্ষার্থীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তার দিকে তেড়ে আসে।

আরও পড়ুন: নলছিটি ফেরিঘাটের রাস্তা মেরামত, যাত্রীদের স্বস্তি ফিরেছে

আত্মরক্ষার্থে সোহাগ হাসপাতালের বাইরে গিয়ে একটি ডাবের দোকান থেকে হাসুয়া নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মারধরে সোহেল জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয় এবং নিরাপত্তার স্বার্থে তার অসুস্থ শিশু সন্তানকেও হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেয় পরিবার।

হামলার মূল কারণ হিসেবে একটি ফেসবুক পোস্টের কথা উল্লেখ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় মৃত রোগীর ছেলেসহ তিনজনকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করেছিল শিক্ষার্থীরা। সেই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন সোহাগ ও সোহেল। ভুক্তভোগী সোহাগের স্ত্রী মারিয়া এবং মা চম্পা খাতুনের অভিযোগ, শনিবার হাসপাতালে ঢোকার পরই জরুরি বিভাগের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে 'তুই পোস্ট করলি কেন' বলে গালিগালাজ করতে করতে অতর্কিত হামলা চালায় এবং তাদের মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে মোবাইল উদ্ধার হলেও মোটরসাইকেলটির সন্ধান এখনো মেলেনি।

এই ঘটনার পর মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আক্রমণাত্মক আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন সহায়তা কেন্দ্রের (আসক) কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি তানভীর আহমেদ রয়েল এবং স্থানীয় বাসিন্দা টিটু জানান, মেডিকেল কলেজ চালুর পর থেকেই শিক্ষার্থীদের একাংশের বিরুদ্ধে রোগী ও স্বজনদের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। সিভিল সার্জনকে আগে অবহিত করা হলেও কোনো সুফল মেলেনি।

সার্বিক বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী ওই ব্যক্তিদের 'দালাল' সন্দেহে মারধর করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারকে প্রাথমিকভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে এবং লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

অন্যদিকে, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. শহীদুল ইসলাম দাবি করেন, ঘটনাটি মূলত বহিরাগতদের দ্বারা এক চোরকে মারধর এবং পরবর্তীতে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের জেরে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা। তবে বর্তমানে হাসপাতাল ক্যাম্পাস পুলিশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাহুবলে ১২.৫ কোটি টাকার মডেল মসজিদ নির্মাণ সাত বছরে শেষ হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


বাহুবলে ১২.৫ কোটি টাকার মডেল মসজিদ নির্মাণ সাত বছরে শেষ হয়নি

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা সদরে নির্মাণাধীন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কাজ প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে সাত বছরেও শেষ হয়নি। চুক্তি অনুযায়ী, ১৮ মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে হস্তান্তরের কথা ছিল। তবে দীর্ঘসূত্রতা, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন এবং বারবার কাজ বন্ধ থাকার কারণে প্রকল্পটি এখনো অসমাপ্ত অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। মেসার্স মঈনউদ্দিন এন্টারপ্রাইজ প্রায় ১২ কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি পায়। কিন্তু ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ১০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। এরপর নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে গেলে অবশিষ্ট কাজের জন্য নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করা হয় পুনঃদরপত্রের মাধ্যমে।

নতুন ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ শুরু হলেও নির্মাণের গতি এখনও ধীর। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রায় ১৫ দিন কাজ বন্ধ থাকার খবর প্রকাশিত হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও প্রকল্পটির কাজ শেষ হয়নি।

হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিব উল্লাহ জানিয়েছেন, কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকার পর ২০২৪ সালে পুনরায় নির্মাণকাজ শুরু হয়। বর্তমানে কাজের গতি কিছুটা ধীর হলেও ২০২৭ সালের মার্চে প্রকল্পটি হস্তান্তরের কথা রয়েছে। তিনি আরও জানান, তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মাত্র তিন-চার মাস আগে। তাই আগের ঠিকাদারের কাজের অগ্রগতি ও নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার বিষয়ে বিস্তারিত জানার সুযোগ হয়নি।

এদিকে, প্রকল্পটির নির্মাণমান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের দাবি, রড, সিমেন্ট, বালু ও পাথরসহ ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর মান যাচাই এবং প্রকৌশলীদের নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি অর্থে নির্মিত এ স্থাপনার কাজ যেন টেকসই ও নিরাপদ হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গুরুত্ব দিতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা ছাবু মিয়া মন্তব্য করেন, “যে কাজ দেড় বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা, সেটি সাত বছরেও শেষ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। বারবার কাজ বন্ধ হওয়ার কারণ জনগণের সামনে পরিষ্কার করা দরকার। পাশাপাশি নির্মাণের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।”

অন্য এক বাসিন্দা রফিক মিয়া বলেন, “ঠিকাদার পরিবর্তন হয়েছে, সময়ও পেরিয়ে যাচ্ছে। আমরা চাই, কাজটি দ্রুত শেষ করে মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হোক।”

বর্তমান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা মো. হেমায়েত হোসেন জানান, তারা দুজন যৌথভাবে প্রকল্পটির কাজ পরিচালনা করছেন। তার দাবি, নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখা হচ্ছে। কয়েকজন শ্রমিক ছুটিতে থাকায় কাজের গতি কমেছিল। শ্রমিকেরা কাজে ফিরলে পুরোদমে নির্মাণকাজ শুরু হবে।

মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোতে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ইসলামিক লাইব্রেরি, ইমাম প্রশিক্ষণ, হজ নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ, হেফজখানা এবং কোরআন শিক্ষাসহ বিভিন্ন সুবিধা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা মডেল মসজিদ ইতোমধ্যে উদ্বোধন করা হলেও বাহুবলের প্রকল্পটি এখনো অসমাপ্ত।

এ অবস্থায় স্থানীয়দের প্রশ্ন, ১৮ মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকা প্রকল্পের কাজ সাত বছরেও কেন শেষ হলো না? নির্মাণকাজ বারবার বন্ধ হওয়ার কারণ কী এবং আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? তাদের দাবি, প্রকল্পের ব্যয়, কাজের অগ্রগতি ও নির্মাণমান নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতলবে মেঘনায় সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করায় ১০ জেলে আটক, জেল-জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


মতলবে মেঘনায় সরকারি নির্দেশ উপেক্ষা করায় ১০ জেলে আটক, জেল-জরিমানা

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মেঘনায় সরকারি নির্দেশ অমান্য করার কারণে ১০ জন জেলে আটক করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর-২০২৬) দিবাগত রাতে উপজেলা মৎস্য বিভাগ এবং মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালনা করে জেলেদের আটক করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সাত জেলেকে ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে, একজনকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং দুই শিশুকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেয়। আদালতের বিচারকার্য পরিচালনা করেন মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা কুলসুম মনি।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. রহুল আমিন জানান, উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ উদ্যোগে অভিযানটি পরিচালিত হয়। উপজেলার আমিরাবাদ লঞ্চঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকা এবং জহিরাবাদ ইউনিয়নের জহিরাবাদ লঞ্চঘাটের সামনে অভিযান চালিয়ে

নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও দুটি মাছ ধরার নৌকাসহ ১০ জন জেলে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৩ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল, দুটি মাছ ধরার নৌকা ও ৪০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে সাত জেলেকে ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড, একজনকে ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং দুই শিশুকে অভিভাবকদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জনসম্মুখে আগুন দিয়ে জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন—আবু সাঈদ (২৮), কাজল (৩০), জুয়েল (৪০), লোকমান (২৭), জীবন সরকার (৪০), রাসেল মৃধা (৪০) ও ইমরান (২১)। তাঁদের সবার বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলায়।

মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আটক জেলেদের সাজা প্রদান করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেদের চাঁদপুর কারাগারে সোপর্দ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সরকারি নিষেধ অমান্য করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নদীতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


সরকার ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

সরকার উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি উল্লেখ করেন, গবেষণার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে সরকার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম পরিচালনা এবং গবেষণার জন্য বাজেট বৃদ্ধির কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

রবিবার (১১ অক্টোবর) গাজীপুরের বোর্ডবাজারে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে কাজ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ।

এ অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য ড. হোসেন আরাবি নূরসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট অতিথি, কূটনীতিক, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদও উপস্থিত ছিলেন। তারা গ্র্যাজুয়েটদের সততা বজায় রাখার, আজীবন শেখার মানসিকতা ধারণ করার এবং অর্জিত জ্ঞান সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্য অঞ্চলে নারীদের জন্য কুটিরশিল্প প্রশিক্ষণ কর্মশালা, স্বাবলম্বিতার নতুন দিগন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


পার্বত্য অঞ্চলে নারীদের জন্য কুটিরশিল্প প্রশিক্ষণ কর্মশালা, স্বাবলম্বিতার নতুন দিগন্ত

পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সংহতি ও টেকসই উন্নয়নের ধারাকে বজায় রাখার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে পাহাড়ের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে পাহাড়ি ও বাঙালি নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে শুরু হয়েছে দুই সপ্তাহব্যাপী কুটিরশিল্প প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

​রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ৩৮ বীর (কাপ্তাই জোন)-এর অধীনস্থ বাঙ্গালহালিয়া আর্মি ক্যাম্পের উদ্যোগে এই কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঙ্গালহালিয়া আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মুর্তূজা রাসেল সাইফ।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, প্রশিক্ষণ কর্মশালাটিতে স্থানীয় পাহাড়ি ও বাঙালি সম্প্রদায়ের মোট ২০ জন নারী অংশগ্রহণ করছেন। তাঁদের হস্তশিল্প ও কুটিরশিল্পবিষয়ক বাস্তবমুখী দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিজস্ব কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই মানবিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

​প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পাহাড়ি-বাঙালি নারীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ, স্বাবলম্বী হওয়া এবং সৃজনশীল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং পার্বত্য এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এটি বিশেষ সহায়ক হবে।"

​অনুষ্ঠানে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি, সম্প্রীতি ও অগ্রগতির যাত্রা ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে বলে জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%