বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২০ পি.এম
সকালের নাশতায় টোস্টের সঙ্গে গরম গরম ‘বেকড বিনস’ বা শিম সেদ্ধ অনেকের কাছে একটি প্রিয় খাবার। তবে যখন সেই খাবার রান্না করা হয় বিশাল একটি হাঁড়িতে এবং পরিমাণ হয় প্রায় ১৫ হাজার ক্যানের সমান, তখন এটি সত্যিই একটি বিস্ময়কর ঘটনা।
এমন একটি অসাধারণ ঘটনা ঘটিয়ে বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেছে তুরস্কের কেলকিট শহর। সেখানে একটি দৈত্যাকার হাঁড়িতে একবারে রান্না করা হয়েছে ১ হাজার ৮০৭ গ্যালান বেকড বিনস বা শিম সেদ্ধ। এই আয়োজন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
স্থানীয় শিম দিয়েই রেকর্ড
রেকর্ড গড়ার এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় ২২ আগস্ট। কেলকিট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং গুমুশানে গর্ভর্নরশিপ পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে বিশাল হাঁড়িতে রান্না করা হয় স্থানীয় বিশেষ পদ ‘কেলকিট শেকের ফাসুলিয়েসি’।
শিমের বীজ দিয়ে তৈরি এই খাবার কেলকিট অঞ্চলের একটি স্থানীয় পদ। এই শিমের আকৃতি সামান্য বেগুনি দাগযুক্ত এবং কিছুটা বাঁকানো, যা কেলকিট সমভূমিতে চাষ করা হয়।
ভাঙল পুরোনো রেকর্ড
নতুন এই রেকর্ড গড়ার প্রক্রিয়া সহজ ছিল না। এর আগে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বেকড বিনস রান্নার রেকর্ড ছিল উত্তর মেসিডোনিয়ার দখলে। সেখানে সারসিয়েভো গ্রামের মানুষের জন্য প্রায় ১ হাজার ৪৭৯ গ্যালন বেকড বিনস রান্না করা হয়েছিল।
কেলকিটে রান্না করা হয়েছে ১ হাজার ৮০৭ গ্যালান বিনস, যা পূর্ববর্তী রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
কৃষকদের সম্মান জানাতেই আয়োজন
স্থানীয় এ পণ্যের পরিচিতি ও অর্থনৈতিক মূল্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি কৃষকদের সম্মান জানানোও ছিল এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। বিশাল এই রান্নার মাধ্যমে আয়োজকরা কেলকিটের স্থানীয় কৃষিপণ্যকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছেন।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের আয়োজকরা জানান, এই স্বীকৃতি কেলকিট, গুমুশানে এবং পুরো অঞ্চলের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন। এটি স্থানীয় কৃষি ঐতিহ্য, পণ্য এবং পুরো সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
একসঙ্গে কাজ করেছেন অনেকে
রেকর্ড গড়ার এই আয়োজনে কৃষক, রন্ধনকর্মী, প্রকৌশলী, খাদ্যনিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, পৃষ্ঠপোষক, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবকরা অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকদের মতে, এত মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই অর্জনকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। তারা মনে করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই রেকর্ড গর্বের একটি বিষয় হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার মধুখালী উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নে এক হাজার চারা গাছ রোপণ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের উদ্দেশ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং সড়কের পাশে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান।
সভাপতিত্ব করেন ৪ নম্বর কামালদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওলিদ হাসান মামুন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবু তালেব শেখ।
এ সময় ইউপি সদস্য মো. বাবলু খান, মো. আকতার হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য রোমা আক্তার, শিল্পী বেগমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মো. মাসুদুর রহমান বলেন, "পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।"
তিনি কামালদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ১ হাজার চারা গাছ রোপণের উদ্যোগকে প্রশংসনীয় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সবাইকে বেশি করে ফলজ, বনজ ও ওষুধি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওলিদ হাসান মামুন বলেন, "কামালদিয়া ইউনিয়নকে সবুজ ও বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।" তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
পরে অতিথি ও স্থানীয় ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সড়ক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে ২ হাজার ৮৩৯টি মামলা দায়ের করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।
আজ ডিএমপির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১২৭টি, ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৪০টি, ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ৩৪৫টি, ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ১৬৯টি, ট্রাফিক-মিরপুরে ৫৫৮টি, ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ৫৮৭টি এবং ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ৪৭৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযানের সময় মোট ৬৬৫টি গাড়ি ডাম্পিং করা হয়েছে এবং ৩৬০টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।
বুধবার, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব মামলা দায়ের করে।
ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের ফুটবল সামিটের মঞ্চে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখলেন। তিনি ভরা আসরে দাঁড়িয়ে শুরুতেই জানান, তিনি কিছুটা নার্ভাস অনুভব করছেন। এরপর তিনি বিগত দুই দশক ধরে বলে আসা বক্তব্যের মতোই আলোচনা শুরু করেন।
নানা সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, তার ক্যারিয়ারের শেষ বাঁশি এখনো বাজেনি। ৪১ বছর বয়সি এই পর্তুগাল ফুটবল অধিনায়ক বৃহস্পতিবার ওয়েলসের বিপক্ষে উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচের আগে বুধবার পর্তুগাল ফুটবল সামিটের মূল মঞ্চে এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, জাতীয় দলের হয়ে এখনো অনেক কিছু দেওয়ার বাকি রয়েছে। নতুন কোচ জর্জ জেসুসের অধীনে এটি পর্তুগালের প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে পর্তুগালের হারের পর কোচ রবার্তো মার্টিনেজের জায়গায় দায়িত্ব নিয়েছেন জর্জ জেসুস।
রোনালদোর ক্যারিয়ারে বর্তমানে ৯৭৯টি গোল রয়েছে। এর মধ্যে ক্লাবের হয়ে ৮৩৩টি গোল এবং পর্তুগালের হয়ে ১৪৬টি গোল অর্জন করেছেন। এক হাজার গোলের মাইলফলক ছুঁতে তার মাত্র ২১ গোল প্রয়োজন।
এক সাক্ষাতকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ন্যাশনস লিগ জেতা নাকি এক হাজার গোল করা- কোনটি তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হেসে উত্তর দেন, "দুটোই"। রোনালদো বলেন, লক্ষ্য একটাই— এক হাজার গোল করা এবং জাতীয় দলের হয়ে ন্যাশনস লিগ জেতার চেষ্টা করা।
নতুন কোচ জর্জ জেসুসকে নিয়ে রোনালদো আশাবাদী। তিনি বলেন, "জর্জ জেসুসের সঙ্গে এটি আমাদের নতুনভাবে সূচনা। আমরা সবাই তাকে ভালো করে চিনি। আমরা আশা করি, তার জন্য সবকিছু ভালোভাবে এগোবে।"
রোনালদো পর্তুগালের জার্সিতে এক হাজার গোলের লক্ষ্য নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত নন, বরং তিনি মনে করেন, যদি পর্তুগালের জার্সিতে এক হাজার গোল অর্জন করতে পারেন তবে সেটি হবে একটি সোনার মুকুট। তিনি বলেন, "জাতীয় দলের হয়ে এক হাজার গোল করতে পারলে সেটা হবে একটি সুন্দর গল্পের পরিণতি।"
তিনি আরও বলেন, "আমি স্বীকার করছি আমি এই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই এবং করবোও। তবে এটা কোনো আবেশ নয়। আমি বাকি সময়টা উপভোগ করতে চাই।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) ব্যক্তি আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য একটি স্কিম তৈরি করেছে, যেগুলি বন্ধের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। প্রাথমিকভাবে, ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল টাকার ৫০ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে ফেরত দিতে হলে, এর বেশি অর্থ নিতে হবে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
সভা সূত্রে জানা যায়, ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত এই চার প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। যাদের জমা অর্থ এর বেশি, তাদের মূল অর্থ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে রেখে ফেরত দেওয়া হবে। ১ কোটি টাকা পর্যন্ত যাদের আমানত রয়েছে, তারা সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা ফেরত পাবেন। ১ কোটি থেকে দেড় কোটি টাকা যাদের আমানত রয়েছে, তারা ৮০ লাখ টাকা পাবেন। দেড় কোটি থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানতকারীরা ১ কোটি ৫ লাখ টাকা পাবেন। ২ কোটির বেশি যাদের আমানত রয়েছে, তারা ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ফেরত পাবেন।
চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো—আভিভা ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। গত ৯ আগস্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। প্রশাসকদের সহায়তার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে আরও দুজন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বন্ধের প্রক্রিয়ায় থাকা চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। এই কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চারটি প্রতিষ্ঠানে মোট আমানতের পরিমাণ ১২ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে ৩ হাজার ১২ কোটি টাকা, আভিভা ফাইন্যান্সে ৫ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা, এফএএস ফাইন্যান্সে ১ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্সে ৪৪৯ কোটি টাকা আমানত রয়েছে।
গত বছরের মে মাসে, গ্রাহকের আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ ২০টি এনবিএফআইয়ের নিবন্ধন সনদ বা লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সে সময়, কেন তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়। পরে ২০টির মধ্যে নয়টি প্রতিষ্ঠানকে প্রথম ধাপে বন্ধের জন্য বেছে নেওয়া হয়। কারণ, এসব প্রতিষ্ঠানের জবাব সন্তোষজনক ছিল না। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পিপলস লিজিংকে ঘিরে মামলা-সংক্রান্ত জটিলতা থাকায় সেটি বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। বাকি চারটি প্রতিষ্ঠানকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি করতে না পারলে, ওই চার প্রতিষ্ঠানকেও বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য সময় পাওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো—প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ