বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:০৬ এম
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সম্প্রতি সমন্বয় করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) অনুযায়ী, এই মূল্যবান ধাতু স্বর্ণ দেশের বাজারে সবশেষ সমন্বয়কৃত দাম অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ওই দিন ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য হবে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই নতুন দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে ভ্যাট আলাদাভাবে আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে, গত ১৪ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা। ওই দিন বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ভরিতে দাম কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দামকে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যেটি কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে ১০৪ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৫২ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৫১ দফা কমানো হয়েছে, যেখানে ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।
এদিকে, স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৫ হাজার ৭৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে ৬২ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩২ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৩০ দফা কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কমলাপুর গ্রামের জামায়াতে ইসলামীর মেম্বার পদপ্রার্থী সাইদুর রহমান ডাবলুর পিতা মান্নান বিশ্বাসকে (৭০) জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) একটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করেছে।
ডিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলের দিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিষয়খালী বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। তার হেফাজত থেকে চোরাই মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরে, জেনে-বুঝে চোরাই মালামাল নিজের হেফাজতে রাখার অপরাধে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। তার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও নতুন ৩৩ কেভি লাইনের তার সংযোগ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নাটোরের কিছু এলাকায় টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সম্পর্কিত তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বড়াইগ্রাম-১ (বনপাড়া) উপকেন্দ্রের ৬ ও ৭ নম্বর ফিডার এবং ৮ নম্বর ফিডারের আংশিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বনপাড়া ফজলিতলা, পার আহম্মেদপুর, আহম্মেদপুর বাজার, খৌদ্দকাচুটিয়া, বৃ-কাচুটিয়া, কেচুয়াকোড়া, বালিয়া, কলাকান্ত নগর, ধানুড়া এলাকার আংশিক অংশ, কায়েমকোলা, কুমরুল, রামাগাড়ি, কামারদহ, নওপাড়া, কালিকাপুরের আংশিক অংশ, আটঘরিয়া ও বড়বড়িয়া এলাকায়।
তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই রক্ষণাবেক্ষণ ও সংযোগের কাজ শেষ হলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে সাময়িক এই অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাস চলাচলে বাধা দেওয়ার কারণে রাজবাড়ী-ফরিদপুর এবং রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-ফরিদপুর রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে আছে। এই ঘটনায় যাত্রীদের মাহিন্দ্রা, ইজিবাইক ও থ্রি-হুইলারে অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ করে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় রাজবাড়ী, ফরিদপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু গন্তব্যে যাতায়াতকারী হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
রাজবাড়ী সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. মাহমুদুল হক জুয়েলের অভিযোগ হল, ফরিদপুরের ‘গোল্ডেন লাইন’ পরিবহনকে রাজবাড়ী রুটে ৪টি ট্রিপ পরিচালনার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা নিয়মনীতি না মেনে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫টি ট্রিপ চালাচ্ছে। অপর দিকে, রাজবাড়ীর পরিবহনগুলো ফরিদপুর রুটে সমান সুযোগ পাচ্ছে না।
এদিকে, গত মঙ্গলবার রাতে ফরিদপুরের কোমরপুর এলাকায় রাজবাড়ীর ‘রেখা পরিবহন’-এর একটি বাস আটকে কর্মচারীদের মারধর, টাকা ছিনতাই করা এবং বাস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া বুধবার ফরিদপুরে ‘একতা পরিবহন’-এর এক কর্মচারীকে লাঞ্ছনা করা হয়। পরে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার পর দুই জেলার মধ্যে সরাসরি বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
ফরিদপুর বাস মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরুপ রায় অপু জানিয়েছেন, উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং কেন্দ্রীয় নেতাদেরও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন এবং ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, যাত্রী ভোগান্তি নিরসন এবং রুটটিতে দ্রুত বাস চলাচল স্বাভাবিক করার জন্য দুই জেলার মালিক সমিতির সঙ্গে প্রশাসনিক আলোচনা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরের শান্তিপাড়া এলাকা এখন যেন অপরাধীদের অভয়ারণ্য। দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ছিনতাই, মাদক বিক্রি ও দেহব্যবসার মতো অসামাজিক কর্মকাণ্ড চললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না প্রশাসন—এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, শান্তিপাড়ায় এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নতুন নয়। প্রতিনিয়ত পুলিশ ও সংশ্লিষ্টদের জানিয়েও কোনো সুফল মেলেনি। উল্টো সাধারণ মানুষের অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে এই অপরাধী চক্রের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মাসোহারা ও অনৈতিক সুবিধার বিনিময়েই বছরের পর বছর নিরব ভূমিকা পালন করছে দায়িত্বপ্রাপ্তরা।
সবচেয়ে চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর বিষয় হলো মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কথিত 'অভিযান'। এলাকাবাসীর স্পষ্ট অভিযোগ, দপ্তরটির কর্মকর্তারা যখনই এলাকায় অভিযানে নামেন, তার আগেই মূল অভিযুক্তদের কাছে গোপন ফোনকল চলে যায়। স্থান ত্যাগ করা এবং কাছে থাকা মাদকের চালান সরিয়ে ফেলার জন্য আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ায় প্রতিবারই অভিযানের নামে কেবল 'নাটক' মঞ্চস্থ হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
লুটপাট, ছিনতাই ও মাদকের এই অবাধ সাম্রাজ্যে অতিষ্ঠ শান্তিপাড়ার সচেতন নাগরিকরা। একের পর এক অভিযোগ জমা দিয়েও প্রতিকার না পাওয়ায় তাদের মধ্যে এখন চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকার নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে তারা অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার জোর দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর বিরুদ্ধে ওঠা এসব চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য পাওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ