বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৫২ পি.এম
মন যখন পরিযায়ী, তখন তো উড়াল দিতে চাইবেই দূর-দূরান্তে। তাই এক চিলতে অবসর মিললেই ছুট দেই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। ভ্রমণপিপাসু এই আমি এবার বেছে নিয়েছি ইউরোপকে। প্যারিস, নেদারল্যান্ডের পর পা রেখেছি স্পেনে। এর আগে ইউরোপের যুক্তরাজ্য সফর করেছি। ইংরেজ ভূখণ্ডের অনেক কিছুই মনে ছাপ ফেলেছে। এখনও হাতছানি দেয় বৃহৎ এই দ্বীপ দেশটি। তাই সুযোগ মিললে আবার সেখানে ছুটে যেতে চাই।
তবে এবারের সফর প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে, স্পেনের মনোমুগ্ধকর নৌবন্দর আর নীল জলরাশির সমুদ্রতট। বিশেষ করে সন্ধ্যায় যে অপরূপ দৃশ্য, তা ছবির মতো বললে ভুল হবে না। সেই সময়ে সমুদ্র জল চিরে দিগ্বিদিক ছুটে চলা ইয়েটে সময় কাটানো অন্যরকম এক অনুভূতি এনে দেয়। স্পেনের আকর্ষণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে আরো আছে বহু বছরের পুরোনো স্থাপত্য আর ঐতিহ্যবাহী ষাঁড়ের লড়াই; যা পরিচিত মেটাডোর নামে।
এটি স্বীকার করতেই হয়– যে দেশেই যাই না কেন, তার অপার সৌন্দর্যের বয়ান স্বল্পকথায় তুলে ধরা কঠিন। স্পেনের বেলায়ও সে কথা প্রযোজ্য। একইভাবে নেদারল্যান্ডস নিয়ে বলতে গেলেও কথা ফুরোবে না।
আমস্টারডাম ও জানদাম ঘুরে একটি কথাই নির্দ্বিধায় বলা যায়, প্রকৃতি তাঁর অপার সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে এই দেশটিতে। বাংলাদেশের সঙ্গে একটি মিলও রয়েছে নেদারল্যান্ডের, তা হলো: পুরো দেশজুড়ে অসংখ্য নদী শাখা-প্রশাখা মেলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।
জানদাম শহর ঘুরতে গিয়ে আলাদাভাবে চোখে পড়েছে সেখানকার কাঠের স্থাপত্য আর উইন্ডমিলগুলো। কৃষি বিপ্লবে উইন্ডমিলগুলো দারুণ ভূমিকা রেখে চলেছে। নেদারল্যান্ডসের ঐতিহাসিক বোটানিক্যাল গার্ডেনে ঘুরে দেখার মুহূর্তগুলো অসংখ্য ছবির ফ্রেমের মতো মনের দেয়ালে জায়গা করে নিয়েছে।
ইউরোপ সফরের কথা বলতে গেলে, ছবি ও কবিতার দেশ ফ্রান্সকে কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যায় না। প্যারিসের আইফেল টাওয়ার থেকে শুরু করে কানের সমুদ্রপার, ভার্সেই প্রাসাদ, মন্ট-সেন্ট মিচেল, নোটেড্রাম ক্যাথেড্রাল, লুভ্যর জাদুঘর থেকে শুরু করে আরও কত কী দেখার আছে, তা গুনে বলা কঠিন। তাই ফরাসি দেশ ভ্রমণের গল্পটা না হয় আলাদাভাবে তোলা রইল অন্য দিনের জন্য।
ইউরোপে যে দেশে পা রাখা হোক না কেন, তা নতুন সব গল্পের জন্ম দেয়। বর্ণনার মধ্য দিয়ে ভ্রমণকাহিনি হয়ে ওঠে দারুণ দৃশ্যময়। তবু কেন জানি, মন বারবার টেনে নিয়ে আসে নিজ দেশের প্রকৃতির কাছাকাছি। মন বারবার চায়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ভেজা বালিতে পা রেখে দীর্ঘ পথ হাঁটতে। একইরকম ইচ্ছে হয় থাইল্যান্ড সফরে গেলেও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টেকনাফে অপহরণ, মুক্তিপণ, ডাকাতি ও মানবপাচার বন্ধ করে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে ৯০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আমরণ অনশন পালনকারী শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম জিহাদী তাঁর অনশন প্রত্যাহার করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে অনশনস্থলে গিয়ে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দাবিগুলো শোনেন।
এ সময়, সংসদ সদস্য টেকনাফের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে তাঁর আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে সাইফুল ইসলাম জিহাদী অনশন ভঙ্গ করেন।
সাইফুল ইসলাম জিহাদী টেকনাফের বাহারছড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়া অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, ডাকাতি ও মানবপাচারের ঘটনার প্রতিবাদে এবং এসব অপরাধ দমনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছিলেন।
অনশন চলাকালে, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, ছাত্র ও পেশাজীবী সংগঠন, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক এবং সচেতন নাগরিক তাঁর দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।
এছাড়া টেকনাফেও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মানববন্ধন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁর দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
অনশন ভাঙার পর, সাইফুল ইসলাম জিহাদী বলেন, "সংসদ সদস্যের দেওয়া আশ্বাস দ্রুত বাস্তবায়িত হবে এবং টেকনাফে অপরাধ দমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে বলে আশা করি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মুম্বাই পুলিশের এক সদস্যকে আন্দোলিত শিক্ষার্থীদের মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে পুলিশ এ বিষয়টি যাচাই করছে।
যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।
মুম্বাই পুলিশের ট্রান্সপোর্ট বিভাগের কনস্টেবল ও চালক পবন সাঙ্গলে অভিযুক্ত। ঘটনার সময় তিনি সায়ন পুলিশ স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগের পর তাকে তার বর্তমান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির আন্দোলন দিল্লির বাইরেও ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে মুম্বাইয়ের শিবাজী পার্ক, চেম্বুর এবং আজাদ ময়দানসহ বিভিন্ন প্রধান এলাকায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এবং সাধারণ নাগরিকরা বিক্ষোভ করেছেন। এরই মধ্যে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মাদক মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিতে দেখা যায় পুলিশের এক চালককে।
মুম্বাই কংগ্রেস পরে তাদের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে ভাইরাল ভিডিওটি শেয়ার করে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি পুলিশ ভ্যানের ভেতর কয়েকজন তরুণ বসে আছে। পরে জানা যায়, বুধবার মুম্বাইয়ের দাদর এলাকার শিবাজী পার্কে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে আটক করে। এ সময় চালকের আসনে বসা এক পুলিশ সদস্য তাদের বাড়ি ফিরে যেতে এবং বিক্ষোভে আর না আসার নির্দেশ দিতে দেখা যায়।
ভিডিওতে ওই পুলিশ সদস্যকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমাদের যদি এখানে আর কখনো দেখা যায়, আমার চেয়ে খারাপ কেউ হবে না। আমি তোমাদের জীবন বরবাদ করে দেবো।’ এরপর তিনি তাদের মাদকের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমি তোমাদের ব্যাগে ৫০-৫০ গ্রাম পাউডার ঢুকিয়ে দেবো এবং তোমাদের জীবন ওখানেই শেষ হয়ে যাবে। জামিনও হবে না।’ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য আরো বলেন, এই বিক্ষোভের কারণে তার নিজের জীবনও কঠিন হয়ে পড়েছে। আটক শিক্ষার্থীদের কেউ গোপনে ভিডিও করে। পরে সেই ভিডিও পোস্ট করলে তা ভাইরাল হয়ে যায়।
ভিডিওটি শেয়ার করে মুম্বাই কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘যদি এটি সত্য হয়, তবে এটি কেবল শিক্ষার্থীদের ভয় দেখানোর চেষ্টা নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত। কণ্ঠ তোলা কোনো অপরাধ নয়। শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর প্রতিক্রিয়া দিয়ে দেওয়া উচিত, হুমকি দিয়ে নয়।’
এমনিতেই আন্দোলন দমনে মুম্বাই পুলিশের নানা কৌশল নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। মাদক মামলার হুমকির ঘটনা মুম্বাই পুলিশকে আরো বিপাকে ফেলেছে। ঘটনার সত্যতা এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার লক্ষ্যে মুম্বাই পুলিশ বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে। এর আগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দমনে মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চলমান ছাত্র বিক্ষোভে যাতে কেউ বারবার অংশ নিতে না পারে, সেজন্য মুম্বাইজুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং ঘরে গিয়ে সরাসরি যোগাযোগের উপায় গ্রহণ করেছে। যাদের নামে ইতিমধ্যে এফআইআর রয়েছে বা আগে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তারা স্থানীয় থানার থেকে সরাসরি ফোন কল এবং মেসেজ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এবং যাচাই করা স্ক্রিনশট থেকে দেখা গেছে, থানার সিনিয়র কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ঘরে থাকার এবং নিয়ম পালন হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হোয়াটসঅ্যাপে অনবরত লাইভ লোকেশন শেয়ার করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়া ভোরের দিকে মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যেখানে আগের সমাবেশে অংশ নেওয়ার বিষয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যে সিলেট শাহজালাল হাউজিং এস্টেটস (উপশহর) প্রবাসী অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে সম্প্রতি ২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লন্ডনের সোনারগাঁও রেস্টুরেন্টে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এবং প্রবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সংগঠনের আহবায়ক মুহাম্মদ আয়াছ মিয়ার সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শেরওয়ান শাহ কামালীের সঞ্চালনায় সভায় আলোচনার মধ্যে ছিল প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি, বন্যা প্রতিরোধের স্থায়ী সমাধান, এলাকার নিরাপত্তা, পুলিশ স্টেশন, ফায়ার সার্ভিস ও কবরস্থান নির্মাণ প্রচারণা এবং এই ব্যাপারে তদবির (লবিং) শুরু করার বিষয়গুলো।
সফলভাবে প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে শীঘ্রই একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হবে বলে মত দেন সদস্যরা।
সভায় একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার আহবায়ক হলেন মোঃ আয়াছ মিয়া, সদস্য সচিব শাহ শেরওয়ান কামালী এবং যুগ্ম আহবায়ক (কোষাধ্যক্ষ পদমর্যাদার) বাবুল চৌধুরী।
এই আহবায়ক কমিটি শীঘ্রই একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে। সভায় উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক বাবুল আহমদ চৌধুরী, কবির আহমদ, মুহাম্মদ আব্দুল খালিক, আবুবক্কর সিদ্দিকী, মুহাম্মদ সাদেকুল আমিন, আঙ্গুর আলী, শাহজাহান করিম, খসরু জামান, ফারুক মিয়া, মুহাম্মদ ফয়জুন, নূর, মুর্শেদ নূর, মিসবা উদ্দিন, শেরওয়ান চৌধুরী, নাসির উদ্দিনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।
সভায় সদস্যরা সংগঠনের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়নের বিষয়েও মতবিনিময় করেন। সিলেট শহরে বন্যার সমস্যাগুলো স্থায়ীভাবে প্রতিরোধের উপায় নিয়ে কাজ করার জন্য এবং এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরির লক্ষ্যে কমিটি একটি স্বনামধন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে তাদের গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছে, তারা সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের জন্য সিলেট পরিদর্শন করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করেছে।
বক্তারা বলেন, প্রবাসে বসবাসরত শাহজালাল হাউজিং এস্টেটস (উপশহর)-এর বাসিন্দাদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণে সবাই একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
সভা শেষে উপস্থিত সদস্যরা সংগঠনের ধারাবাহিক কার্যক্রম সফলভাবে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি অর্থকে জনগণের আমানত হিসেবে গণ্য করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন। একটি খাল খনন প্রকল্পের কাজ শেষে বেঁচে যাওয়া *১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার।
উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের যৌথ বাস্তবায়নে ভূকশিমইল, বরমচাল এবং ভাটেরা ইউনিয়নের চকিরমোড়া এলাকা থেকে উত্তরমুখী ‘আন ফানাই’ পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খননের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মোট বরাদ্দ: ৩.০৯ কিলোমিটার খাল খননের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার ৮০ টাকা।
সম্পাদিত কাজ: নির্ধারিত মান ও গুণগত বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে সফলভাবে ৭৫০ মিটার খননকাজ সম্পন্ন করা হয়।
প্রকৃত ব্যয়: সম্পন্ন হওয়া অংশের কাজ শেষ করতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩২ লাখ টাকা।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার জানান: — "সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ব্যয় নিশ্চিত করে কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কাজ শেষে যে অর্থ অব্যয়িত ছিল, সরকারি বিধি অনুযায়ী তা কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।"
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজু চন্দ্র পাল জানান, কাজ চলাকালে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে প্রকল্পের অবশিষ্ট অংশের কাজ শতভাগ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে অপচয় না করে সরকারি আর্থিক বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে অব্যয়িত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি ট্রেজারিতে ফেরত পাঠানো হয়।
তবে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে অসমাপ্ত খননকাজ শেষ করা জরুরি। ইউএনও সানজিদা আক্তার জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে থমকে যাওয়া অবশিষ্ট অংশের খননকাজ পুনরায় শুরু ও শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন দপ্তরে নতুন করে বরাদ্দের আবেদন পাঠানো হয়েছে।
স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক সততার এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ