১২:০৭ এম
সরকারি অর্থকে জনগণের আমানত হিসেবে গণ্য করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা প্রশাসন। একটি খাল খনন প্রকল্পের কাজ শেষে বেঁচে যাওয়া *১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার।
উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের যৌথ বাস্তবায়নে ভূকশিমইল, বরমচাল এবং ভাটেরা ইউনিয়নের চকিরমোড়া এলাকা থেকে উত্তরমুখী ‘আন ফানাই’ পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খননের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়।
মোট বরাদ্দ: ৩.০৯ কিলোমিটার খাল খননের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২ কোটি ৬ লাখ ৩ হাজার ৮০ টাকা।
আরও পড়ুন: আমার দেখা মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল ভাইয়ের অবিস্মরণীয় ও কালজয়ী রাজনৈতিক অধ্যায়
সম্পাদিত কাজ: নির্ধারিত মান ও গুণগত বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে সফলভাবে ৭৫০ মিটার খননকাজ সম্পন্ন করা হয়।
প্রকৃত ব্যয়: সম্পন্ন হওয়া অংশের কাজ শেষ করতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩২ লাখ টাকা।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার জানান: — "সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রকল্পের প্রয়োজনীয় ব্যয় নিশ্চিত করে কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। কাজ শেষে যে অর্থ অব্যয়িত ছিল, সরকারি বিধি অনুযায়ী তা কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।"
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাজু চন্দ্র পাল জানান, কাজ চলাকালে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে প্রকল্পের অবশিষ্ট অংশের কাজ শতভাগ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে অপচয় না করে সরকারি আর্থিক বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে অব্যয়িত ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সরকারি ট্রেজারিতে ফেরত পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বাণী
তবে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে অসমাপ্ত খননকাজ শেষ করা জরুরি। ইউএনও সানজিদা আক্তার জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে থমকে যাওয়া অবশিষ্ট অংশের খননকাজ পুনরায় শুরু ও শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন দপ্তরে নতুন করে বরাদ্দের আবেদন পাঠানো হয়েছে।
স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক সততার এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন