ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের মানুষের ঐক্যের প্রধান ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী


বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের মানুষের ঐক্যের প্রধান ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, নাগরিক পরিচয়ের ভিত্তিতে সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর রাজনৈতিক দর্শন হলো ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা বা নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের বিভাজন দূর করে এই একটি রাজনৈতিক দর্শন দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি।

আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, তারেক রহমান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ‘স্বাধীনতার পর দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব ঘটলেও জাতীয়তাবাদ, রাষ্ট্র ও নাগরিক পরিচয় নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মৌলিক মতপার্থক্য ছিল। বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ভূখণ্ডে বসবাসকারী সকল মানুষের সঠিক পরিচয় ও মর্যাদাকে ধারণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনার টেকসই দর্শন গড়ে তুলতে হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের সংস্কৃতি আর গণতন্ত্রের সংস্কৃতি এক বিষয় নয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠের পাশাপাশি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীরও সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পরিচয়ভিত্তিক বিভাজনের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনাপ্রবাহসহ নানান সংকট তৈরি হয়েছিল, যা আমাদের শিক্ষা দেয় যে বৈচিত্র্যকে ধারণ করেই রাষ্ট্রের মূল রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণ করতে হয়।’

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকারীদের জন্য জরুরি সতর্কতা প্রকাশ করল দূতাবাস

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক অবদান স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘একদলীয় শাসনের বিপরীতে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং একমুখী পরিচয়ের পরিবর্তে বহু মত ও সংস্কৃতির সহাবস্থান সুসংহত করতেই শহীদ জিয়া বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের政治 পটপরিবর্তন পরবর্তী সংকটকালে তিনি বহুদলীয় রাজনীতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে নতুন রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন।’

এছাড়া তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রজ্বলিত সেই আলোকবর্তিকা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বহন করে এনেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একই ধারাবাহিকতার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের অন্তর্নিহিত শক্তি অনুধাবন করতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন গভীরভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি।

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এডভোকেট নজমুল হক নান্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

আরও পড়ুন: মিশিগানে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুহিত মাহমুদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগেরহাটের দশানী-হেলাতলা সড়ক পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


বাগেরহাটের দশানী-হেলাতলা সড়ক পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন সেতুমন্ত্রী

বাগেরহাট, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : দীর্ঘ বিরতির পর অবশেষে জেলার দশানী-রামপাল-মোংলা জেলা মহাসড়কের দশানী থেকে হেলাতলা পর্যন্ত নির্মাণ ও সংস্কার কাজ আবার শুরু হয়েছে।

আজ দুপুরে জেলা শহরের দশানী এলাকায় সড়কটির নির্মাণ ও সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের সভাপতি সাবেক সচিব ড. ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম এবং সড়ক বিভাগ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিকসহ অন্যান্য অতিথিরা।

সূত্র থেকে জানা গেছে, বাগেরহাটের দশানী থেকে রামপাল হয়ে মোংলা পর্যন্ত প্রায় ৩৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে মহাসড়কটির উন্নয়ন কাজ ২০২১ সালে চারটি প্যাকেজের মাধ্যমে শুরু হয়। এই সড়কটি বাগেরহাট শহরের সাথে রামপাল ও মোংলা অঞ্চলের যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দশানী থেকে হেলাতলা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। এই কারণে সড়কটির ওই অংশে যানবাহন এবং সাধারণ মানুষের জন্য দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়।

সড়ক বিভাগ সম্প্রতি পুরোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ বাতিল করে নতুন একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করেন, সড়কটির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে বাগেরহাট শহরের সাথে রামপাল ও মোংলা এলাকার সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ এবং নিরাপদ হবে। এর পাশাপাশি মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহন এবং স্থানীয় জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থায় ইতিবাচক ফলাফল প্রত্যাশিত।

চুক্তি অনুযায়ী, পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজ ২০২৭ সালের জুন মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পূর্ণ হলে, দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে স্থানীয় বাসিন্দা এবং সড়ক ব্যবহারকারীরা নিশ্চিন্ত হবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ জনের মুক্তির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শেরপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


শেরপুরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ জনের মুক্তির দাবিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবাদ সম্মেলন

শেরপুরের নকলায় মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আমৃত্যু কারাদণ্ড প্রাপ্ত তিনজনের মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগন।

সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নকলা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপি নেতা মোখলেছুর রহমান তারা, পৌরসভার বাজারদি মহল্লার এস.এম আমিনুজ্জামান ফারুক এবং টালকি ইউনিয়নের বিবিরচর গ্রামের অ্যাডভোকেট এ.কে.এম আকরাম হোসেনের মুক্তির দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক পাঠাকাটা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হক ও সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনসুর। এছাড়া অলিখিত বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন বাদশা, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মহিউদ্দিন মুক্তার, দণ্ডপ্রাপ্ত মোখলেছুর রহমান তারার ভাতিজা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এনামুল হক রিপন ও পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

বক্তারা দাবি করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই তিনজনের কেউই মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে জড়িত ছিলেন না। সুনির্দিষ্ট প্রমান ছাড়াই রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে।

এসময় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৬ জুলাই নকলা উপজেলার চার আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কমিটি। একই বছরের ৩১ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট আসামীগনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। বিচার চলাকালে এক আসামির মৃত্যু হয়। পরে ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাকি তিন আসামির বিরুদ্ধে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়ানগরে মাদকাসক্ত পিতার কাছে নিরাপত্তাহীন কন্যা শিশু, নিজেকে রক্ষা করতে থানায় আশ্রয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জিয়ানগর (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


জিয়ানগরে মাদকাসক্ত পিতার কাছে নিরাপত্তাহীন কন্যা শিশু, নিজেকে রক্ষা করতে থানায় আশ্রয়
 
পিরোজপুরের জিয়ানগরে মাদকাসক্ত পিতার কাছে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে ১২ বছরের শিশুকন্যা নিজেকে বাচাতে থানায় এসে আশ্রয় নিয়েছে। পরে শিশুটিকে নিরাপদ হেফাজতে নিয়ে ভান্ডারিয়ার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
রোববার  শিশুটিকে নিরাপদ হেফাজতে নেওয়ার জন্য ইন্দুরকানী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। জিডি ও সংশ্লিষ্ট আবেদন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৫নং চণ্ডীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও একই এলাকার বাসিন্দা সাফায়েত হাওলাদার একজন মাদকাসক্ত। সে তার ১২ বছর বয়সী শিশুকন্যার সাথে অশোভন ও আপত্তিকর আচরণ এবং বাল্যবিবাহ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ অবস্থায় শিশুকন্যাটি নিজেক বাবার কাছে নিজেকে নিরাপদ না মনে হওয়ায় সে নিজে থানায় উপস্থিত হয়ে আশ্রয় নেয়।
 পরে ইন্দুরকানী থানা পুলিশের সহায়তায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় শিশুটিকে ভান্ডারিয়ার সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে ইন্দুরকানী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মহব্বত হোসেন জানান, শিশুটির নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে সরকারি হেফাজতে পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।      (মোঃ হাফিজুর রহমান, ০১৯৭৯৩২৯১৮৭)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৫ পি.এম


মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছে সরকার

মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে সরকারের পক্ষ থেকে আরও এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার একটি প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারা অনুযায়ী ড. নাসিমুল গনি (পরিচিতি নম্বর-৩১০৭)-কে অন্যান্য যেকোনো পেশা এবং সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এক বছর মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে পূর্বের চুক্তির ধারাবাহিকতায় পুন:চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রাব্বানী এই প্রজ্ঞাপন স্বাক্ষর করেছে।

নিয়োগের অন্যান্য শর্ত আগের চুক্তির মতোই বহাল থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাসিমুল গনি দেশের ২৬তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব। বিএনপির নেতৃত্বে সরকার গঠনের এক দিন আগে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার তাকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বিভাগের জন্য সিনিয়র সচিব পদে দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছিল। পরদিন ১৮ আগস্ট তিনি সেখানে যোগদান করেন। পরবর্তী সময়ে তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয় এবং ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

নাসিমুল গনি বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। ওই ব্যাচের ১৪২ জনের মেধাতালিকায় তার অবস্থান ছিল চতুর্থ। ২০০৯ সালে তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। প্রায় চার বছর ওএসডি থাকার পর ২০১৩ সালে তাকে চাকরি থেকে অবসর দেওয়া হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%