ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘুমের ওষুধ খাইয়ে যমুনায় ফেলে দেওয়া হয় আশরাফুলকে: আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি


ঘুমের ওষুধ খাইয়ে যমুনায় ফেলে দেওয়া হয় আশরাফুলকে: আদালতে আসামির স্বীকারোক্তি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে তিন বছর আগে নিখোঁজ হওয়া অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মো. আশরাফুল ইসলামের নিখোঁজ ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) উদঘাটন করেছে। নিকটবর্তী এই ঘটনায় অপহরণের পর তাকে চেতনানাশক খাইয়ে যমুনা নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়েছে।

এই ঘটনার মূল এজাহারনামীয় আসামি মো. রফিকুল ইসলামকে (৫৪) গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শাহজাদপুর থানার জামিরতা বাজার এলাকার কাছ থেকে সিআইডি সিরাজগঞ্জ জেলা ইউনিট রফিকুলকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

সিআইডি জানায়, ২০২৩ সালের ৩১ আগস্ট সন্ধ্যায় আসামি রফিকুল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে একাধিকবার আশরাফুলকে জামিরতা বাজারে ডেকে নেয়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ হয়ে যায়। পরদিন তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। আশরাফুলের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথমে শাহজাদপুর থানায় একজন সাধারণ ডায়েরি করা হয়, তবে দীর্ঘ দিনেও কোনো সন্ধান মেলেনি। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের ১৩ নভেম্বর আশরাফুলের মা মোছা. নাছিমা খাতুন তিনজনকে আসামি করে আদালতে একটি পিটিশন মামলা করেন।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরের কৃষকরা ভাসমান কৃষির মাধ্যমে বদলে দিচ্ছেন দৃশ্যপট

এ সময় আদালত তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেয়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই (নিরস্ত্র) মো. আজমল হোসেন তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং গোপন তদন্তের ভিত্তিতে মূল আসামি রফিকুল ইসলামের অবস্থান চিহ্নিত করতে সক্ষম হন। পরে আদালতের নির্দেশে মামলাটি নিয়মিত এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।

গ্রেপ্তারের পরে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে রফিকুল অভিযোগ স্বীকার করেন যে, আশরাফুলের সঙ্গে তার একটি অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। পরবর্তীতে, আশরাফুল তার অন্য দুই বন্ধুকে নিয়ে এক যৌনকর্মীর কাছে যাওয়ার কথা জানতে পেরে রফিকুল চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এই ক্ষোভের কারণেই তিনি আশরাফুলকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

যখন পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি হয়, তখন ঘটনার রাতেই আশরাফুলকে ফুসলিয়ে যমুনা নদীর পাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেটের কথা বলে কৌশলে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। অচেতন হয়ে পড়লে তাকে জীবিত অবস্থাতেই যমুনা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে স্রোতের টানে তার মরদেহ ভেসে যায়।

আসামি রফিকুল ইসলাম আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সিআইডি আরো জানায়, আসামি রফিকুল একজন অভ্যাসগত অপরাধী। ২০১৫ সালে শাহজাদপুর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি গুরুতর অপরাধের মামলা হয়েছিল, যা বিচার শেষে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে পরিণত হয়।

আরও পড়ুন: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২৮৮ প্রাণ

হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত হলেও আশরাফুলের মরদেহ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সিআইডি জানিয়েছে, আসামি রফিকুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং যমুনা নদীর ভাটি অঞ্চলের থানাগুলোতে অজ্ঞাত মরদেহের নথিপত্র যাচাই করে আশরাফুলের মরদেহের সন্ধান চালানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল থেকে পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজার শহরের একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষে মোহাম্মদ আতাউল কবির নামে এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ পুলিশ द्वारा উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে শহরের বাস টার্মিনাল সংলগ্ন জুলাই স্মৃতি স্তম্ভের পাশে অবস্থিত দি গ্রান্ড ঢাকা হোটেলের চতুর্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আতাউল কবির ওই কক্ষটি ভাড়া নেন। রাতের পর তিনি আর কক্ষ থেকে বের হননি। শুক্রবার দুপুর ১২টার পর থেকে হোটেল কর্তৃপক্ষ কয়েক দফা দরজায় নক করলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।

খবর পেয়ে সদর মডেল থানার এসআই (নিঃ) মো. বেলাল হোসেনসহ ফোর্স ঘটনাস্থলে যান। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ আতাউল কবিরকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

পুলিশ জানায়, নিহতের ব্যাগ তল্লাশি করে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বিপি নম্বর ৮২০২০৪৯০৩৪। তার সঙ্গে পুলিশ লাইন্স, খাগড়াছড়ির একটি ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য কার্ডও পাওয়া গেছে।

আতাউল কবির কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে আতাউল কবির ‘ঢাকা হোটেল’-এর ৪০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। শুক্রবার ওই কক্ষ থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে হোটেল কর্মীরা পুলিশকে খবর দেন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের ভেতর থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদার সঙ্গে তুলে ধরতে কাজ করছে সরকার: রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদার সঙ্গে তুলে ধরতে কাজ করছে সরকার: রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মানের সাথে তুলে ধরতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে, এমন মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

আজ ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার মুন্সীনগর প্রগতি সংঘ মাঠে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। এই সময়ে স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে পড়েছে। বর্তমান সরকার দেশের পিছিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনকে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে উন্নতির চেষ্টা করছে।

মুন্সীনগর প্রগতি সংঘের আয়োজনে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে রোমান স্পোর্টিং ক্লাব (শংকরখালি) ও মদনখালী ফ্রেন্ডস ক্লাব (মদন খালি) অংশগ্রহণ করে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র নির্ধারিত সময় শেষ হয়। অতিরিক্ত সময়েও ফলাফল নির্ধারিত না হওয়ায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে মদনখালি ফ্রেন্ডস ক্লাব ৭-৬ গোলে জয়লাভ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ বদলগাছী মাদক বিরোধী অভিযানে ১০ বোতল ফেন্সিড্রিল (ESKUF) সহ মাদকের কারবারি আব্দুল মালেকসহ তিনজন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


নওগাঁ বদলগাছী মাদক বিরোধী অভিযানে ১০ বোতল ফেন্সিড্রিল (ESKUF) সহ মাদকের কারবারি আব্দুল মালেকসহ তিনজন গ্রেফতার

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটি টীম বদলগাছি থানা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে। এই অভিযানে টীমটি রাত ০৯ ঘটিকার সময় পিন্ডিরা গ্রামে সিয়ামের ভাই-বোন ট্রেডার্সের টিনের দোকানে দুইজন ব্যাক্তি পাওয়া যায়। উপস্থিত লোকজনের সামনে তাদের নাম ও ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আসামীদের মধ্যে ১। আব্দুল মালেক মিল্টন (৪০) পিতা ওসমান আলী, সাং পিন্ডিরা, থানা বদল গাছি, জেলা নওগাঁ এবং ২। আল আমিন (৩৩) পিতা নুরুল সর্দার, সাং জগন্নাথ পুর, থানা বদল গাছি, জেলা নওগাঁ বলে পরিচয় দেয়।

এই সময় ২ নং আসামির হেফাজত হতে দুই বোতল ইসকাফ ফেন্সিড্রিল উদ্ধার করা হয়। ২ নং আসামি জানায় যে, ওই মালগুলো দোকানের মালিক ১ নং আসামি আব্দুল মালেক মিল্টনের। তার আরো মাল শরিফুলের দোকানে আছে বলেও জানায়। পরে আসামী ৩। শরিফুল (৩৮) পিতা কসিমুদ্দিন, সাং জিয়ল, থানাবদল গাছি, জেলা নওগাঁ-এর ফ্লেক্সি লোডের দোকানে তল্লাশী করা হয়। তল্লাশি সময়ে সাদা প্লাস্টিকের বাজার করা ব্যাগের ভিতরে ৩ বোতল এসকাফ ফেন্সিড্রিল পাওয়া যায়।

ধারাবাহিক অভিযানের ফলস্বরূপ ৩ নং আসামি জানায় যে, মালগুলো ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের। সে সেগুলো তার কাছে রেখে দেয় এবং কাস্টমার পেলে সেগুলো বিক্রি করে টাকা ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের কাছে দিতে বলে। ৩ নং আসামি আরো জানায় যে, ১ নং আসামি আব্দুল মালেকের বাড়িতে আরো মাল রয়েছে। পরে আসামী আব্দুল মালেকের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। যত্নের মাধ্যমে তল্লাশি চলাকালে তার বাড়ির পিছনে গর্তের ভিতর প্লাস্টিকের ব্যাগে ৫ বোতল এসকাফ ফেন্সিড্রিল উপস্থিত লোকজনের সামনে উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এই অভিযানে আসামী আল আমিনের কাছে মাদক বিক্রির ১১ হাজার ১২০ টাকা জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আব্দুল মালেক একজন বড় মাদক কারবারি। সে বেশ কিছুদিন যাবত সীমান্ত পথে মাদকদ্রব্য এনে বিভিন্ন মাধ্যমে মাদকের কেনাবেচা করে আসছিল। এই বিষয়ে বদল গাছি থানায় আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান: ১৭ হাজার ৫ শত টাকা সহ একজন জুয়ারি গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৬ পি.এম


নওগাঁ অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে অভিযান: ১৭ হাজার ৫ শত টাকা সহ একজন জুয়ারি গ্রেফতার

১৪ -০৮-২৬ তারিখে মধ্যরাতে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এর নির্দেশে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটি টীম নওগাঁ পৌর এলাকায় অন লাইন জুয়ার বিরুদ্ধে একটি অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযানিক টীম মধ্য রাতে জানতে পারে যে, গোস্ত হাটি মোড়ে কাচা বাজারে একজন জুবায়েরের ফলের দোকানের সামনে অবৈধ উপায়ে মানি ই ট্রানজেকশন করে অন লাইন জুয়া খেলছে।

উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামা টীম রাত ১২০.৩০ ঘটিকায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা একজন ব্যাক্তি পালানোর চেষ্টা করে। সেই ব্যক্তি আটক করার পর তার নাম ও ঠিকানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামী তার নাম রাহুল হোসেন (৩২), পিতা আব্দুর রাজ্জাক, সাং আরজি নওগাঁ মধ্য পাড়া থানা জেলা নওগাঁ বলে জানায়। আসামির হাতে থাকা মোবাইল বিশ্লেষণ করে অনলাইন জুয়ার প্লাটফর্ম এপ basa8.com ও bgd33 এর তথ্য পাওয়া যায়। মোবাইলে অনলাইন জুয়ার উক্ত দুইটি এপে চার মাসে ৫ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৮০ টাকার লেনদেনের তথ্যও মিলেছে।

সেই সাথে আসামির কাছে থাকা অন লাইন জুয়ার নগদ ১৭ হাজার ৫ শ টাকা উদ্ধার করা হয়। উপস্থিত লোকজনের সামনে আসামির মোবাইল ও ১৭ হাজার ৫ শ টাকা জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানায় আসামির বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইনে, ২০২৬ এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%