বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:০৬ পি.এম
বলিউডের সুপারস্টার এবং নাইট রাইডার্স গ্রুপের সহ-মালিক শাহরুখ খানের নেতৃত্বে, নাইট রাইডার্স গ্রুপ বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়ার পথে এগিয়ে গেছে। তারা নিজেদের দেশের বাইরে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানের একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ এবং পরিচালনার নজির স্থাপন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে উদ্বোধিত হলো বিশ্বের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি-নির্মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। নতুন এই নাইট রাইডার্স ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় লস অ্যাঞ্জেলেস নাইট রাইডার্স এবং ওয়াশিংটন ফ্রিডম। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও সম্ভাবনার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
এটি শুধুমাত্র একটি নতুন স্টেডিয়াম নয়; বরং লস অ্যাঞ্জেলেসে ক্রিকেটের জন্য একটি স্থায়ী ঠিকানা গড়ে তোলার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। বিশ্বমানের অবকাঠামো নির্মাণ করে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিকেটের বিকাশে নাইট রাইডার্স গ্রুপের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ হিসেবে এই প্রকল্প কাজ করছে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে নির্মিত স্টেডিয়ামটিতে রয়েছে মূল স্কয়ারে আটটি উইকেট, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এর নির্ধারিত মানসম্মত মাঠের পরিমাপ এবং ১২০ ফুট উচ্চতার ছয়টি ফ্লাডলাইট টাওয়ার। স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রায় ৩২ হাজার মেট্রিক টন মাটি স্থানান্তর করা হয়েছে।
শাহরুখ খান এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যে স্বপ্ন নিয়ে তারা যাত্রা শুরু করেছিলেন, আজ তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেটকে লস অ্যাঞ্জেলেসে নিয়ে আসা তাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ফেয়ারপ্লেক্স ও নাইট রাইডার্সের এই দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বের মাধ্যমে তারা শুধুমাত্র একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম গড়ে তুলছেন না; বরং এমন একটি স্থান নির্মাণ করছেন, যেখানে সম্প্রদায়ের বন্ধন, একসঙ্গে উদযাপন, প্রাণচাঞ্চল্য ও বিনোদনের সমন্বয় ঘটবে।
তিনি আরও জানান, এটি শুধু খেলাধুলার জন্য নয়; এটি বিনোদন, পরিবার এবং আজীবন মনে রাখার মতো স্মৃতি তৈরির জন্য একটি জায়গা। তাদের আশা, এটি লস অ্যাঞ্জেলেসে ক্রিকেটের স্থায়ী ঠিকানায় পরিণত হবে এবং আগামী প্রজন্মের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অনুপ্রাণিত করবে। এই স্টেডিয়াম লস অ্যাঞ্জেলেসের মানুষের জন্য, বিশ্বের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এবং সমগ্র নাইট রাইডার্স পরিবারের জন্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) সর্বোচ্চ পদবি ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী ও বিএনসিসি ইবি সেনা শাখার ক্যাডেট সার্জেন্ট মোসাদ্দেক হোসেন। তিনি আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে অধ্যয়রত আছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে মোসাদ্দেকের সিইউও’র ব্যাজ পরিয়ে দেন সুন্দরবন রেজিমেন্টের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ রায়হান (পদাতিক)।
এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রেজিমেন্টে অ্যাডজুডেন্ট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট নাফিউর রহমান, লেফট্যানেন্ট বিএন তানজীম ইসলাম তাইন, ব্যাটালিয়ন কমান্ডার সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পিইউও, বিএনসিসি স্টাফ এবং ক্যাডেটবৃন্দ।
সিইউও মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, সিইউও হতে পেরে অবশ্যই ভালো লাগছে। কিন্তু এর মাধ্যমে দায়িত্বও বেড়ে গেল। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসিকে আরও সুদৃঢ় ও দক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং পারস্পারিক বন্ধনের দ্বারা সকল শাখার ক্যাডেটদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করব। এছাড়াও, বিভিন্ন আন্তঃপ্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে ক্যাডেটদের চিন্তা, মনন ও সৃজনশীলতাকে জাগ্রত করব, যেন তারা বিভিন্ন ক্যাম্পিং -এ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান বয়ে আনতে সক্ষম হয়। সকলের কাছে দোয়াপ্রার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি’র সেনা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. মো আব্দুল বারী বলেন, সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় ক্যাটাগরির সদস্য হলো বিএনসিসি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যেমন দেশপ্রেমিক ঠিক তেমনি বিএনসিসি দেশের ক্রান্তিকালীন সময়ে দেশের জন্য ভূমিকা পালন করবে দেশের পক্ষে। মোসাদ্দেকের জন্য শুভকামনা।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন সিইউও পদের জন্য যশোর ক্যান্টনমেন্টে লিখিত পরীক্ষা, ড্রীল, কমান্ড এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হন তিনি। আগামী ১ বছরের জন্য তিনি সুন্দরবন রেজিমেন্টে ২৪ নং ব্যাটালিয়নের ডেল্টা কোম্পানির সিইউও এবং কোম্পানি এডজুটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও ইয়াবাসহ বাবা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। তবে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করার পর বাবাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ছেলে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বৃহস্পতিবার ভোররাতে, দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের বাহিরমাদী মধ্যপাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় দৌলতপুর থানা পুলিশ। এ সময় মৃত আইনুদ্দিনের ছেলে মো. বিপ্লব (৫০) ও তার ছেলে মো. বিজয় (২৫)-কে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় তাদের বাড়ির গোয়ালঘরে গরুর খাবার রাখার পাত্র (চারী) তল্লাশি করে একটি দেশীয় ওয়ান শুটার গান, পাঁচ রাউন্ড গুলি এবং নয় পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া আলামতগুলো জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়। পরে আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই শেষে পুলিশ মো. বিপ্লবকে ছেড়ে দেয়। তবে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ইয়াবার ঘটনায় ছেলে মো. বিজয়কে থানায় রেখে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানে বাবা-ছেলেকে আটক করা হলেও তদন্ত ও যাচাই-বাছাই শেষে বাবাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্যের ঘটনায় ছেলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও মাদকের উৎস অনুসন্ধানের পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো অপরাধী চক্র জড়িত রয়েছে কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর আত্রাইয়ে ১০ বছর বয়সি এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে ৩৮ বছরের আতিকুর রহমান সুজা নামে একজন স্বাস্থ্য সহকারীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশ মঙ্গলবার দুপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ নেওয়ার সুবাদে ধর্ষণ চেষ্টার শিকার শিশুটির অভিভাবকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে বুধবার রাতে মামলা দায়ের করেছিল। সম্প্রতি ঢাকায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে শিশুটিকে দুই মাস আগে গ্রামের নিরাপদে পাঠায় তার পরিবার। কিন্তু অবশেষে শিশুটি ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হয়। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় জনগণ মানববন্ধন করেছে।
শিশুর পরিবার জানায়, শিশুটি গলা ব্যাধির কারণে অসুস্থ ছিল এবং মঙ্গলবার দুপুরে একটি কমিউনিটি ক্লিনিকে ৪ বছর বয়সী এক শিশুকে সাথে নিয়ে যায় ভুক্তভোগী। ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী আতিকুর রহমান সুজা সেই সুযোগ নিয়ে তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। শরীরের যে কোন সমস্যার জন্য আতিকুর বাহানা করে সেই ছোট শিশুর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয় এবং কাপড় খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তখন রুমের বাইরে থাকা ছোট শিশুটি চিৎকার করতে শুরু করলে আতিকুর ভয় ও ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুটিকে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি বাড়িতে এসে তার পরিবারের লোকজনকে ঘটনাটি জানায়। খবর পেয়ে শিশুর বাবা ঢাকা থেকে বাড়িতে এসে বুধবার রাতেই আত্রাই থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ আতিকুর রহমান সুজাকে গ্রেফতার করে। তিনি আত্রাই উপজেলার মহাদিঘী ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ওরফে চাঁনের ছেলে।
শিশুর দাদা জানান, শিশুটির বাবা ও মা ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করে। সেখানে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় শিশুটিকে তারা পড়াতেন। বাবা মা গার্মেন্টসে চলে যাওয়ার পর শিশুটি মাদ্রাসা থেকে ফিরে এসে বাসায় একা থাকত। সম্প্রতি ঢাকায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যার আলোচিত ঘটনার প্রেক্ষিতে তারা উদ্বিগ্ন হয়ে শিশুকে গত ঈদুল আযহায় গ্রামের বাড়িতে পাঠান। কিন্তু সেখানে গিয়ে এই ভয়াবহ ঘটনার শিকার হলো। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
এদিকে ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্থানীয় জনসাধারণ বৃহস্পতিবার দুপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে মানববন্ধন করেছে।
আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম বলেন, শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে শিশুর বাবা বাদী হয়ে বুধবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছে। অভিযানের প্রেক্ষিতে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা থেকে বৃহস্পতিবার সকালে কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্য সহকারী আতিকুর রহমান সুজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে এদিনই আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর লালবাগের বেরীবাঁধ এলাকায় বুলডোজারের চাপায় অজ্ঞাতপরিচয় (৬০) এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার সময় লালবাগ বেরীবাঁধের ঘোড়াপট্টি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। ওই সময়ই ঘটনাস্থলে নারীর মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেয়।
লালবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান জানান, সন্ধ্যায় ওই নারী বেরীবাঁধ এলাকায় রাস্তা পার হচ্ছিলেন যখন একটি বুলডোজার তাকে চাপা দেয়, ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত নারী ভিক্ষাবৃত্তি করতেন এবং ওই এলাকায় সাধারণত চলাফেরা করতেন। তবে, এখনও পর্যন্ত তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ