ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মশাল মিছিল, খোঁজ করছে পুলিশ


ফরিদপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মশাল মিছিল, খোঁজ করছে পুলিশ

ফরিদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুর এলাকায় এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজীদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মশাল মিছিলের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে মশাল হাতে মিছিল করতে দেখা যায়। এ সময় তাঁদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। ভিডিওতে ‘শেখ হাসিনা বীরের বেশে দেশে ফিরবে’—এমন স্লোগানও শোনা যায়।

ভিডিওটি প্রকাশ করে তামজীদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “যতবার মনে করবেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে, ঠিক ততবার দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে এক একজন রিয়ান থেকে শত শত রিয়ান, শত শত থেকে হাজার হাজার রিয়ানের জয় বাংলার স্লোগানে কম্পিত হবে ফরিদপুরের মাটি।”

আরও পড়ুন: কাউখালীতে সুর ছন্দ সংগীত একাডেমির শারদীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পোস্টে তিনি আরও লেখেন, “কারণ এটা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ফরিদপুর। মনে রাখবেন, ফরিদপুরের মাটি শেখ হাসিনার ঘাঁটি। ফরিদপুরের মাটি ছাত্রলীগের ঘাঁটি।”

রিয়ান তাঁর পোস্টে আরও দাবি করেন, “২ বছরের বেশি লড়াই সংগ্রাম চলছে এবং চলবে। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু থাকতে দেশের মাটি ছাড়ি নাই, ছাড়বও না ইনশাআল্লাহ। মরলেও এ দেশে, বাঁচলেও এ দেশের মাটিতেই বাঁচতে চাইবো।”

ফেসবুক পোস্টের শেষে তিনি নিজের নাম উল্লেখ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান লেখেন।

প্রকাশিত ভিডিও ও পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, মিছিলে ছাত্রলীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের সবার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরায় ৩৪ জেলে আটক

এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “যারা মিছিল করেছে, তাদের খোঁজার চেষ্টা করছি। কেউ বিশৃঙ্খলা করতে চাইলে তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।”

উল্লেখ্য, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোহলির নতুন ট্যাটু নিয়ে জল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


কোহলির নতুন ট্যাটু নিয়ে জল্পনা

ব্যাট হাতে মজতেই ভালোবাসেন বিরাট কোহলি। ২২ গজের সবুজ গালিচায় ক্লাসিক সব শটে দর্শক-সমর্থকদের মুগ্ধ করেন তিনি।

 

এবার মাঠের বাইরেও মজেছেন ভারতীয় ব্যাটার। নিজের শরীরকেই বানিয়েছেন ক্যানভাস। তাতে ঠাঁই পেয়েছে অনেক ট্যাটু।

এবার কোহলি বাঁ হাতের বাইসেপে আরেকটি ট্যাটু এঁকেছেন।

 

সেই ট্যাটুর নকশা প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে তা ভাইরাল হয়ে গেছে। জলের উপর একটি ফোঁটা পড়লে যেমন চারদিকে ঢেউয়ের খেলা তৈরি হয়, ট্যাটিটি দেখতে অনেকটা তেমনই। ‘অ্যালান এফ গোইস’ (Allan F Gois) নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ছবি পোস্ট করা হয়। সেই পোস্টে জানা যায়, নকশা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই পাঁচটি সেশন লেগেছে।

 

তবে কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।

ট্যাটুটি আঁকালেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজটি শুরু হতে আর এক মাসের কম সময় বাকি রয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মাঠে নামবেন কোহলি। তবে সিরিজ শুরুর আগে নতুন ট্যাটুর পেছনে ঠিক কী ভাবনা তা এখনো জানা যায়নি।

 

তা জানতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।

এর আগে কোহলির শরীরের জায়গা পেয়েছে বাবা-মায়ের নাম থেকে শুরু করে নিজের ওডিআই ক্যাপের নম্বর। আছে গডস আই ট্যাটু থেকে জাপানি সামুরাই ট্যাটুও। সে সবের মধ্যে তার বাঁ হাতে থাকা ট্যাটুগুলোকে মিলিয়ে একটি সম্পূর্ণ ‘স্লিভ ট্যাটু’ আঁকার পরিকল্পনা রয়েছে। শুরুটা হয়েছিল শিবের থেকে অনুপ্রাণিত তার আর্মব্যান্ড ট্যাটু দিয়ে।

পুরো নকশায় মনোযোগ, অন্তরের শান্তিকে তুলে ধরা হয়েছে। বাঁ হাতের উপরের দিকেও নতুন করে পদ্ম-সহ আরও একটি ফুলের মোটিফ যোগ করা হয়েছে। এই ধরনের প্রতীক সাধারণত অধ্যবসায় এবং ব্যক্তিগত উন্নতির সঙ্গে যুক্ত বলেই মনে করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনী যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


ফেনী যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ফেনী সফরের উদ্দেশ্যে মুহুরী-কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের বাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।

এই তথ্যটি মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রদান করেন।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে নেমে আসা পানির কারণে ফেনী অঞ্চলে মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং প্রায় ২৯ জনের মৃত্যু ঘটে। প্রতিবছর নদীভাঙনের কারণে অনেক ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যায়।

স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকার এই মেগা বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছেন।

এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, নদীতীর প্রতিরক্ষা এবং সেচ অবকাঠামো সংস্কারের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ইতোমধ্যে পরশুরাম উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। স্থানীয় অধিবাসীরা আশা করছেন, প্রকল্পটি নদীভাঙন রোধের পাশাপাশি এলাকার সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।

উল্লেখ্য, ৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ফেনীর মুহুরি-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পটি গত ১৬ জুন একনেক (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি) সভায় অনুমোদন লাভ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীকে নিয়ে লোকায়ন জাদুঘরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, মুগ্ধ বাংলার ঐতিহ্যে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


স্ত্রীকে নিয়ে লোকায়ন জাদুঘরে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, মুগ্ধ বাংলার ঐতিহ্যে

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন।

তিনি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার আকচা এলাকায় অবস্থিত জাদুঘরটি পরিদর্শনে যান। রাষ্ট্রদূতের স্ত্রীও তার সঙ্গে ছিলেন।

জাদুঘরে পৌঁছানোর পর, রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এবং ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান।

পরিদর্শনের সূচনা পর্বে, ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান রাষ্ট্রদূতকে লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর প্রতিষ্ঠার পটভূমি এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন, জীববৈচিত্র্য, লোকজ সংস্কৃতি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনধারা, নদী ও পরিবেশ, ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণে জাদুঘরের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।

এরপর মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ঘুরে দেখেন। তারা কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, লোকজ পুতুল ও খেলনা, নদী, সমতলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, বাদ্যযন্ত্র, তৃণমূলের লোকজ, বিজ্ঞান, বৃক্ষ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধ গ্যালারি পরিদর্শন করেন।

গ্যালারিগুলোতে সংরক্ষিত গ্রামীণ জীবনের পুরোনো নানা উপকরণ, লোকজ সংস্কৃতির নিদর্শন, দেশীয় বাদ্যযন্ত্র ও প্রকৃতিনির্ভর বিভিন্ন সংগ্রহ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রী আগ্রহ নিয়ে জানতে চান। বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসা বিভিন্ন ঐতিহ্য একই জায়গায় সংরক্ষণ ও উপস্থাপনের উদ্যোগ তাঁদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

জীবন্ত বৃক্ষও জাদুঘরের সংগ্রহ

পরিদর্শনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জাদুঘরের বৃক্ষ গ্যালারি। এখানে শুধু বৃক্ষের নমুনা নয়, জীবন্ত বৃক্ষকেও সংগ্রহ হিসেবে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানায়, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বৃক্ষপ্রজাতি পর্যায়ক্রমে এখানে রোপণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ২৫০ প্রজাতির বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। এসব বৃক্ষ সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে দেশের উদ্ভিদবৈচিত্র্য সম্পর্কে জানানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসও দেখলেন

রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ গ্যালারিতেও সময় কাটান। সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস, বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগ্রহ তাঁদের দেখানো হয়।

প্রকৃতির নিবিড় পরিবেশে গড়ে ওঠা জাদুঘরের সংগ্রহ ও উপস্থাপনা দেখে ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাস, প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও লোকজ ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্যোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখেন।

ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য, কৃষিনির্ভর জীবন, নদী ও পরিবেশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য, ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র, বৃক্ষসম্পদ এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও ইতিহাস সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে আসছে।

প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই জাদুঘর দেশি-বিদেশি গবেষক, শিক্ষার্থী, উন্নয়নকর্মী ও দর্শনার্থীদের কাছে উত্তর জনপদের একটি গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান ও ঐতিহ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। জাদুঘর কর্তৃপক্ষের দাবি, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই স্থানীয় উদ্যোগ আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নতুন করে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘরের চেয়ারম্যান ও ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ড. মুহম্মদ শহীদ উজ জামান বলেন, হারিয়ে যেতে বসা লোকজ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, জীববৈচিত্র্য ও গ্রামীণ জীবনধারা সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, আমরা শুধু নিদর্শন সংগ্রহ করে রাখছি না, প্রকৃতি ও সংস্কৃতির সঙ্গে মানুষের যে নিবিড় সম্পর্ক, সেটিও তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তার স্ত্রীর পরিদর্শনকে আনন্দ ও গর্বের বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের এই পরিদর্শন সংরক্ষণ কার্যক্রমকে আরও উৎসাহিত করবে এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জীববৈচিত্র্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘরে এসে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছে। গ্রামীণ জীবন, লোকজ ঐতিহ্য, বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ, ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যেভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার রুহুল আমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর রহমানসহ অনেকে।

এর আগে সোমবার (৩১ আগস্ট) ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী সীমান্তে সমতলের চা-বাগান ও ঐতিহ্যবাহী সূর্যপুরী আমগাছ পরিদর্শন করেন মার্কিন এই কূটনীতিক। সেখানেও তিনি প্রশংসা করেন। এ সময় তার স্ত্রী ও কয়েকজন সফরসঙ্গী ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে চা বাগান পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


ঠাকুরগাঁওয়ে চা বাগান পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন ঠাকুরগাঁওয়ে ঐতিহ্যবাহী ২শ’ বছরের পুরনো এশিয়ার সর্ববৃহৎ আম গাছ এবং সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেছেন।

গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী সীমান্তের আমগাছ এবং নিটলডোবা গ্রামে অবস্থিত সমতলের চা বাগান পরিদর্শন করেন। রাষ্ট্রদূত চা বাগানের শ্রমিকদের সাথে কথা বলেন এবং নিজেই শ্রমিকের পোশাক পরে বাগানে চা পাতা তোলেন।

পরিদর্শনের শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, "আমি সমতলে চা কখনো দেখিনি। এই প্রথম বাংলাদেশে সমতলে চা চাষ দেখে সীমাহীন খুশি হয়েছি। আরো খুশি হয়েছি এত পুরনো আম গাছ দেখে। আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এখানকার মানুষ খুবই পরিশ্রমী। তাদের সহযোগিতা করলে তারা দ্রুত উন্নতি করবেন। আমরা সবসময় আপনাদের সাথে থাকবো। ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে।"

এ সময় রাষ্ট্রদূতের সাথে ছিলেন টি স্টেটের মালিক ফয়জুল ইসলাম হিরু, জেলা বিএনপি’র সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন এবং বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তাগণ।

রাষ্ট্রদূতের এই সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। তিনি স্থানীয় ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানগুলোর বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন এবং সুলতান টি ও ঐতিহাসিক আম গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%