শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৪ পি.এম
পরিবেশবান্ধব ব্যবসার প্রতি আহ্বান জানিয়ে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন, কৃষিজমির উর্বরতা রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের জন্য পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণ করা আবশ্যক।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মতবিনিময়সভায় এই কথা বলেন তিনি। সভায় বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্মাণ খাতে পরিবেশের ওপর চাপ কমানোর জন্য ইটের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ব্লকের ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি জানান, ব্লক শিল্পের উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি নির্মাণ খাতের চাহিদাও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রকৌশল বিভাগ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, উৎপাদক এবং অন্যান্য অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, টেকসই নির্মাণব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারের উদ্যোগ একা যথেষ্ট নয়; ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে পরিবেশ সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী।
এতে বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ফার্মগেটে বিএনপির সভায় যোগ দিতে আসা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য নির্ধারিত নিরাপত্তা বেষ্টনীতে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে এক মোটরসাইকেল চালককে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের পর এই ঘটনা ঘটে বলে জানান তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান।
ওসি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর তার কার্যালয় থেকে বিজয়সরণি ও উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করে।
প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর প্রবেশের পর মোড় থেকে বাম দিকের লেনে ওই চালক প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় সেখানে দায়িত্বরত সার্জেন্ট তাকে থামিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
পরে মোটরসাইকেলসহ ওই যুবককে হেফাজতে নেয় তেজগাঁও থানা পুলিশ।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি ওসি মনিরুজ্জামান।
তিনি আরো বলেন, ওই যুবক আমাদের বলেছে, বাম পাশের লেন বন্ধের বিষয়টি সে জানত না।
ইতিমধ্যে ওই যুবকের পূর্ববর্তী অপরাধের রেকর্ড যাচাই করেছে পুলিশ, তবে সন্দেহজনক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনের পূর্বে বিএনপিও জনগণের জনরায় মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর দেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের চরম সংকট সত্ত্বেও সরকার দলের মন্ত্রী ও এমপিরা জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যাচার করছেন।
শনিবার বিকেলে ফেনীর মহিপালে ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে পরিচালিত লংমার্চের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, "আমাদের কোনো পিসির বাড়ি নেই। যারা সামান্য কালো মেঘ দেখলেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়—তারা কারা, তা আপনারা সবাই চেনেন।" তিনি প্রশ্ন করেন, "এখন যারা আমাদের চোখ রাঙায়, বিগত সাড়ে ১৫ বছর কোথায় ছিল তাদের ক্ষমতা?" তিনি বলেন, "কেবল কালো মেঘ নয়, বজ্রপাত আসলেও ১১ দলীয় জোট জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথেই থাকবে।"
সরকারকে উদ্দেশ্য করে জামায়াত আমির বলেন, "দ্রুত ৬ দফা দাবি মেনে নিয়ে সোজা পথে আসুন। গণভোটের জনরায় মেনে নিন এবং দ্রুত জুলাই গণহত্যা ও পিলখানায় ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তা হত্যার বিচার নিশ্চিত করুন।"
দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদ গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা সতর্ক করে বলেন, "এখনও সংশোধনের সময় আছে। সময় পার হয়ে গেলে আওয়ামী লীগের চেয়েও কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।"
লংমার্চ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আজকের এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। ইনশাআল্লাহ প্রতিটি বিভাগীয় শহরে আমাদের লংমার্চ যাবে এবং পরবর্তীতে ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।" তিনি প্রশ্ন করেন, "সেই মহাসমাবেশ কি কেবল চিড়া-মুড়ি খাওয়ার জন্য হবে, নাকি দাবি আদায়ের জন্য হবে?" ফেনীসহ বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষকে তিনি বলেন, "আপনারা প্রয়োজনে চিড়া-মুড়ি সঙ্গে নিয়েই সে সমাবেশে যোগ দেবেন।"
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "চূড়ান্ত ডাক যখন আসবে, তখন সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে এবং দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরতে হবে। আপনারা প্রস্তুতি নিন; আমরা আশাবাদী, জনতার বিজয় হবেই ইনশাআল্লাহ।"
জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে পথসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, এনসিপি নেতা আকতার হোসেন এমপি, নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ১১ দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব এবং রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন মন্তব্য করেছেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জনতার যে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সেই জোয়ার থামানোর ক্ষমতা কারও নেই। তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের পথসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন উল্লেখ করেন, ‘শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দলীয় পরিচয়ধারীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে এমন একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যিনি বিএনপির দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এর আগে এমন নিয়োগের উদ্দেশ্য কী—তা সহজেই বোঝা যায়।’
তিনি অভিযোগ করেন, সামনের নির্বাচনের জন্য দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার নতুন পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন, বাংলাদেশে আর আওয়ামী লীগের আমলের মতো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
রাতের ভোট এবং একতরফা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মতো একতরফা নির্বাচন, রাতের ভোট কিংবা ভোটকেন্দ্র দখলের রাজনীতি আর ফিরে আসতে দেওয়া হবে না।
সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচন দেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে নির্বাচনের কোনো প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে না। সিটি করপোরেশন থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় প্রশাসক বসিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ নির্বাচন দেওয়ার বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চের প্রসঙ্গ তুলে আখতার হোসেন বলেন, এই কর্মসূচিকে ঘিরে মানুষের মধ্যে যে ঐক্য তৈরি হয়েছে, তা আর থামানো যাবে না। ‘ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত জনতার যে জোয়ার তৈরি হয়েছে, সেই জোয়ার থামানোর ক্ষমতা কারও নেই।’
গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে। জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে স্বীকৃতি দিয়ে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। পথসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নদীর জলকে কেটে কেটে একত্রে ছুটে চলছে দৌড়ের নাও। নৌকার দুই পাশে মাঝিদের সারি রয়েছে।
গায়েনের গানের তালে তালে তাদের শক্ত হাতে বৈঠা চলছে একসঙ্গে। প্রতিযোগিতার উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথে বৈঠার গতি বৃদ্ধি পায়। মাঝিরা কোরাস গাইতে থাকে, এবং মিলিত ধ্বনি ওঠে ‘হেইও, হেইও’। নদীর দুই পাড় মুখর হয়ে ওঠে।
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার ধনপুর বাজারসংলগ্ন সুরমা নদী এবং এর দুই পাড়ে বসে এমন উৎসবের আয়োজন করা হয়। নৌকাবাইচের এই প্রতিযোগিতা শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শুরু হয়। এতে অংশগ্রহণ করে ১০টি নৌকা।
নৌকাবাইচ দেখার জন্য সকাল থেকেই সুরমা নদীর দুই পাড়ে হাজারো মানুষের ভিড় জমে।
কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। আয়োজকদের দাবি, বিকেল পর্যন্ত এই আয়োজনে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে।
স্থানীয়দের মতে, কিশোরগঞ্জে নৌকাবাইচের ইতিহাস প্রায় শত বছরের পুরনো। এক সময় নিকলীতে প্রতিবছর ভাদ্র মাসের প্রথম দিন নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হতো। তবে কালের বিবর্তনে এই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে।
সূত্র জানায়, নিকলীতে ৯ বছর আগে শেষবার নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর ইটনায় প্রায় ৫০ বছর আগে নৌকাবাইচ হয়েছিল। সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতেই এবার ইটনায় এই আয়োজন করা হয়।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের উৎসাহে ধনপুর ইউনিয়নবাসী এই আয়োজন করে। প্রতিযোগিতায় প্রথম পুরস্কার ছিল সোনার হরিণ, দ্বিতীয় পুরস্কার ছিল রূপার ময়ূর এবং তৃতীয় পুরস্কার এলইডি টিভি। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী নৌকার মালিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উম্মে কুলসুম রেখা। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, "নৌকাবাইচ ভাটিবাংলার উৎসব। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের মানুষের কাছে এটি গুরুত্বপূর্ণ। এ ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতেই এ আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি তরুণদের মাদক থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনে যুক্ত করাও এর লক্ষ্য।"
আয়োজক কমিটির সদস্য এবং ধনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ভজন কান্তি দাস বলেন, "সকাল থেকেই মানুষ নৌকা নিয়ে সুরমা নদীর দুই পাড়ে জড়ো হন। দুপুরে লোকসমাগম লাখ ছাড়িয়ে যায়। পুরো আয়োজন পরিণত হয় বড় উৎসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ