ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যেসব দৈনন্দিন অভ্যাস অজান্তেই চোখের ক্ষতি করছে


যেসব দৈনন্দিন অভ্যাস অজান্তেই চোখের ক্ষতি করছে

শরীরের সবচেয়ে সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর একটি হলো চোখ। কিন্তু প্রতিদিনের কিছু সাধারণ অভ্যাসের কারণে ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি হতে পারে। ভারতের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রাশ্মি জয়সওয়ালের ভাষ্যমতে, অনেক মানুষ এমন কিছু ভুল নিয়মিতভাবে করেন, যা প্রথমে খুব গুরুতর মনে নাও হতে পারে, তথাপি দীর্ঘমেয়াদে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

১. চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হওয়া সমস্যা থাকলে

অনেকেই ঝাপসা দেখা, কম আলোতে পড়তে অসুবিধা হওয়া কিংবা রাতে গাড়ির আলোতে অতিরিক্ত ঝলক লাগার মতো উপসর্গের গুরুত্ব দেন না। তবে এই সমস্ত লক্ষণ ছানি, গ্লুকোমা, বা রেটিনার বিভিন্ন সমস্যা নির্দেশ করতে পারে। তাই দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শটি নিতে দেরি করা উচিত নয়।

আরও পড়ুন: নতুন সাজে সেন্টমার্টিন, পর্যটকদের অপেক্ষা

২. চশমার পাওয়ার পরীক্ষা করে নিশ্চিন্ত থাকা

চশমার পাওয়ার সঠিক থাকাটা মানেই যে চোখ সুস্থ—এমন ভ্রান্ত ধারণা। শরীরের বিভিন্ন জটিল রোগ শনাক্ত করার জন্য পূর্ণাঙ্গ চক্ষু পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ অপটিক্যাল দোকানে এরূপ পরীক্ষা করা সম্ভব হয় না।

৩. নিজের সিদ্ধান্তে আই ড্রপ ব্যবহার করা

চোখ লাল বা অস্বস্তি দেখা দিলে অনেকেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই আই ড্রপ ব্যবহার করেন। এতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে, স্টেরয়েড যুক্ত আই ড্রপ অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহার করলে গ্লুকোমাসহ অন্যান্য জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন: নিউ জার্সিতে দেড় লাখ ডলারের মধ্যে বাড়ি কেনার সুযোগ, জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

৪. দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা

কম্পিউটার, মোবাইল, বা ট্যাবের স্ক্রিনে দীর্ঘ সময় কাজ করলে চোখে চাপ পড়ে। এই সমস্যা কমানোর জন্য, স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা আরামদায়ক পর্যায়ে রাখতে, সঠিক ভঙ্গিতে বসতে এবং ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট পর অন্তত ২০ সেকেন্ড ২০ ফুট দূরের কিছু দিকে তাকানোর অভ্যাস করা উচিত।

৫. বছরের পর বছর একই চশমা ব্যবহার করা

চোখের পাওয়ার সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে পুরোনো পাওয়ারের চশমা দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে চোখে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, এবং এর ফলে মাথাব্যথা, চোখের ক্লান্তি ও অস্বস্তির সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: নিউ ইয়র্কে রোববার মিটার পার্কিং ফ্রি, জরিমানা এড়াতে যা জানা দরকার

৬. কনট্যাক্ট লেন্স পরে ঘুমিয়ে পড়া

অনেকে অসাবধানতাবশত কনট্যাক্ট লেন্স খুলতে ভুলে যান। কিন্তু লেন্স পরে ঘুমালে কর্নিয়ায় সংক্রমণের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়, যা গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

৭. নিয়মিত চোখ পরীক্ষা না করানো

শুধু পরিষ্কার দেখা মানেই চোখ সম্পূর্ণ সুস্থ—এমন ধারণাও ভুল। গ্লুকোমার মতো অনেক রোগ দীর্ঘ সময় ধরে কোনো লক্ষণ ছাড়াই অগ্রসর হয়। তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর চোখের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা করানো দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে সেলাইয়ের কাজ শিখে চমক দেখালেন মার্কিন তরুণী

৮. বাইরে বের হয়ে সানগ্লাস ব্যবহার না করা

সূর্যের অতিবেগুনি (ইউভি) রশ্মি দীর্ঘ সময় চোখের ক্ষতি করতে পারে এবং ছানিসহ বিভিন্ন চোখের রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই বাইরে বের হলে ভালো মানের ইউভি-প্রতিরোধী সানগ্লাস ব্যবহার করা চোখের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

চোখের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে বড় কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। নিয়মিত চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা এবং দৈনন্দিন কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তুললেই দীর্ঘ সময় দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখা সম্ভব।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আরও পড়ুন: জাফলং ও রাতারগুল: সিলেটের বৈচিত্র্যময় পর্যটন কেন্দ্র

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ এম


মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

রাজধানীতে কেনাকাটার প্রয়োজনে প্রতিদিন কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে রাজধানীর কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জানা থাকা জরুরি। তা না হলে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।

এখন দেখে নিন মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর কোন কোন এলাকার শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

মার্কেটগুলো বন্ধ থাকবে: কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কাওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।

এছাড়া, বসুন্ধরা সিটি, মোতালিব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমন্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অর্চিড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কাওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট এবং অর্কিড প্লাজা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টিতে ভিজলেই কি সর্দি-জ্বর হয়? যা বলছে চিকিৎসাবিজ্ঞান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ এম


বৃষ্টিতে ভিজলেই কি সর্দি-জ্বর হয়? যা বলছে চিকিৎসাবিজ্ঞান

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টির কারণে কর্মজীবী মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

ছাতা বা রেইনকোট ব্যবহার করেও অনেককে ভিজে কর্মস্থলে যেতে হয়েছে।

কেউ বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করেছেন, আবার কেউ জলাবদ্ধ রাস্তা পেরিয়ে অফিসে পৌঁছেছেন।

এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে—বৃষ্টিতে ভিজলেই কি সত্যিই সর্দি-জ্বর হয়?

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির পানি সরাসরি সর্দি-জ্বরের কারণ নয়।

সাধারণ সর্দির জন্য মূলত দায়ী রাইনোভাইরাস।

তবে বৃষ্টিতে ভিজে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমে গেলে নাক ও গলার ভেতরের অংশ ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে, যা ভাইরাস সংক্রমণের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়।

এর ফলে হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা কিংবা জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

এজন্য অসুস্থতার জন্য বৃষ্টির চেয়ে ভাইরাসই বেশি দায়ী।

কিন্তু দীর্ঘ সময় ভেজা ও ঠান্ডা অবস্থায় থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন যেসব লক্ষণ দেখা দিলে জ্বরের সঙ্গে হতে পারে হৃদযন্ত্রের জটিলতা।

বর্ষার দিনে সুস্থ থাকতে যা করবেন:

> বাইরে বের হলে ছাতা, রেইনকোট বা পানি প্রতিরোধী পোশাক ব্যবহার করুন।

প্রয়োজনে সঙ্গে অতিরিক্ত শুকনো কাপড় রাখুন।

বৃষ্টিতে ভিজে গেলে যত দ্রুত সম্ভব ভেজা কাপড় বদলে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করুন এবং শরীর শুকিয়ে নিন।

> পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত পানি পান এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখুন।

> বাইরে থেকে ফিরে বা খাবার খাওয়ার আগে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

এতে ভাইরাসসহ বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

> ভেজা কাপড় পরে দীর্ঘ সময় থাকবেন না।

প্রয়োজন হলে শরীর গরম রাখতে উপযুক্ত পোশাক পরুন।

> শুধু হালকা সর্দি থাকলে হালকা হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করা যেতে পারে।

তবে জ্বর থাকলে বিশ্রাম নেওয়াই ভালো।

বর্ষাকালে অনেকেরই প্রয়োজনের তাগিদে বৃষ্টিতে ভিজে বাইরে চলাফেরা করতে হয়।

সুতরাং, বৃষ্টি পুরোপুরি এড়িয়ে চলা সম্ভব না হলেও, কিছু সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সুস্থ থাকা সহজ হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের চুক্তি নিয়ে যা জানালেন নৌপরিবহন মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫২ এম


লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের চুক্তি নিয়ে যা জানালেন নৌপরিবহন মন্ত্রী

চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের কনসেশন চুক্তি বাতিল কিংবা পুনঃআলোচনার জন্য সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন যে, প্রযোজ্য আইন ও ক্রয় নির্দেশিকা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে চুক্তিটি সম্পাদিত হয়েছে।

মন্ত্রী সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন (লক্ষ্মীপুর-১)-এর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।

তিনি আরও জানান, চুক্তির মেয়াদ মোট ৩৩ বছর হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে তিন বছর নির্মাণকাল এবং ৩০ বছর পরিচালনাকাল নির্ধারিত। পরবর্তীতে চুক্তির মেয়াদ আরও ১৫ বছর বৃদ্ধি করার সুযোগ রাখা হয়েছে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল স্থাপন ও পরিচালনা প্রকল্পের চুক্তি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ আইন, ২০১৫, সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) অংশীদারত্বে পিপিপি প্রকল্প বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০১৭ এবং পিপিপি প্রকল্পের ক্রয় নির্দেশিকা, ২০১৮ অনুযায়ী সম্পাদিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক সরকারের মধ্যে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পিপিপি ব্যবস্থার আওতায় সব সরকারি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে উক্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে পিপিপির মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক ২০২১ সালের ৩০ জুন একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছিল। এর ধারাবাহিকতায় ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালস, যা মার্স্ক গ্রুপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান, ২০২৩ সালের ২১ মে কর্ণফুলী নদীর ডান তীরে লালদিয়া চরে কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের জন্য আগ্রহপত্র (এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট) জমা দেয়।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিইএ) প্রকল্পটির নীতিগত অনুমোদন দেয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত প্রথম বাংলাদেশ-ডেনমার্ক পিপিপি যৌথ প্ল্যাটফর্ম সভায় ডেনমার্ক সরকার এপিএম টার্মিনালসকে বাস্তবায়নকারী অংশীদার হিসেবে নিশ্চিত করে। ২০২৪ সালের ১০ জুন পিপিপি কর্তৃপক্ষ ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)-কে প্রকল্পটির ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেয়।

অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দরদাতার সঙ্গে সব ধরনের যাচাই-বাছাই ও আলোচনা করার পর, ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজার ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও আইনগত যাচাইয়ের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত কনসেশন চুক্তি জমা দেয়, বলেও জানান মন্ত্রী। এরপর ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি (এসিইএ) চুক্তিটি অনুমোদন করে এবং ১৬ নভেম্বর তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন লাভ করে। ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর এপিএমটি বিভি-কে কার্যাদেশ (লেটার অব অ্যাওয়ার্ড) দেওয়া হয় এবং একই দিন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও এপিএমটি বিভির মধ্যে কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, চট্টগ্রাম বন্দরের খালি জমিতে নতুন টার্মিনালটি নির্মিত হবে। এটি বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি স্থানে সহায়তা করবে। ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি এ প্রকল্পে ৫৫ কোটি মার্কিন ডলার নিরবচ্ছিন্নভাবে বিনিয়োগ করবে। তাই লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের চুক্তি বাতিল বা পুনর্বিবেচনার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চোখ ভালো রাখতে স্মার্টফোনের এই ৫ সেটিংস বদলে ফেলুন আজই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ এম


চোখ ভালো রাখতে স্মার্টফোনের এই ৫ সেটিংস বদলে ফেলুন আজই

স্মার্টফোনের স্ক্রিনে দীর্ঘ সময়ের জন্য তাকিয়ে থাকার ফলে অনেকেই নানা সমস্যা ভোগ করছেন। চোখের চাপ, মাথাব্যথা, চোখের শুষ্কতা এবং ঘুমের সমস্যা এদের মধ্যে অন্যতম। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোনের বিভিন্ন সহজ সেটিংসের পরিবর্তন করলে এসব সমস্যা অনেকটাই হ্রাস করা সম্ভব। ফলস্বরূপ, চোখের স্বাস্থ্য দীর্ঘমেয়াদে উপকৃত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা প্রথমেই নাইট মোড বা ব্লু লাইট ফিল্টার চালু রাখার পরামর্শ দেন। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন—এই দুই ধরনের ফোনেই এটি উপলব্ধ। রাতের সময় বিশেষ করে স্ক্রিন থেকে নির্গত নীল আলো কমানোর মাধ্যমে চোখের চাপ কমায় এবং ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

দ্বিতীয়ত, অ্যাডাপটিভ ব্রাইটনেস চালু রাখা উচিত। এর ফলে আশপাশের আলোর সঙ্গে মিলিয়ে ফোনের উজ্জ্বলতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়। অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা কিংবা খুব কম আলো—এ দুটিরই প্রভাব চোখের ওপর চাপ ফেলার ক্ষেত্রে দেখা যায়।

তৃতীয়ত, ফন্টের আকার বা টেক্সট সাইজ কিছুটা বড় করে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। ছোট লেখা পড়তে চোখকে বেশি পরিশ্রম করতে হতে পারে। তাই বড় ফন্ট ব্যবহারের ফলে দীর্ঘ সময় ফোন ব্যবহারের সময় চোখের ক্লান্তি অনেকটা কমে যাবে।

চতুর্থত, কম আলোতে ফোন ব্যবহার করার সময় ডার্ক মোড চালু রাখা খুব উপকারী। এতে গাঢ় পটভূমির ওপর হালকা রঙের লেখা চোখে ঝলকানি কমায় এবং রাতের বেলায় ফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে আরামদায়ক করে তোলে।

পঞ্চমত, স্ক্রিন টাইমআউট কমিয়ে রাখা উচিত। এতে প্রয়োজন ছাড়া স্ক্রিন হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে না বেশি সময়। ফলে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার সময় হ্রাস পায় এবং ব্যাটারিও সাশ্রয় হয়।

এছাড়া বিশেষজ্ঞরা ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণেরও পরামর্শ দেন। অর্থাৎ প্রতি ২০ মিনিট পর অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য প্রায় ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে চোখ ফেরাতে হবে। অন্যদিকে চোখের পলক ফেলা, মুখ থেকে ১৬–১৮ ইঞ্চি দূরে ফোন রাখা, সম্পূর্ণ অন্ধকারে ফোন ব্যবহার না করা এবং দীর্ঘ সময় স্ক্রিন ব্যবহারের মাঝে নিয়মিত বিরতি নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভ্যাস ডিজিটাল আই স্ট্রেইন পুরোপুরি নির্মূল করতে সক্ষম না হলেও, চোখের ওপর চাপ কমাতে এবং দীর্ঘমেয়াদে দৃষ্টিস্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

সূত্র: সামা টিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%