শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
লন্ডন ইভেন্টে নারীদের ৮০০ মিটার ট্র্যাকে ইংল্যান্ডের কিলি হজকিনসন সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। নাইকির কাস্টম বডিস্যুটে ‘ক্যাটওম্যান’ রূপে ট্র্যাকে নেমে অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন এই তারকা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেন। গত শুক্রবার উত্তর লন্ডনের স্টোনএক্স স্টেডিয়ামে দর্শকে পূর্ণ হলে তিনি মূল আকর্ষণে পরিণত হন।
মধ্য-দূরত্বের এই দৌড়বিদ লম্বা হাতা, ব্যাকলেস প্যানেল, পনিটেইল স্লট এবং হুডযুক্ত একটি অল-ব্ল্যাক অ্যারোডাইনামিক স্পিডস্যুট পরে ট্র্যাকে প্রবেশ করেন, সঙ্গে কালো চশমা। পোশাকের পাশাপাশি দৌড়ের ক্ষেত্রেও সাফল্য ধরে রেখে অ্যাথলোস মিটে নতুন রেকর্ড গড়েন এই তারকা অ্যাথলেট। খবর দ্য গার্ডিয়ান
সুইজারল্যান্ডের অ্যাথলেট ভ্যালেন্টিনা রোসামিলিয়াকে ২ সেকেন্ডেরও বেশি ব্যবধানে পেছনে ফেলে, ১ মিনিট ৫৬.৪০ সেকেন্ডে জয়ের পর হজকিনসন মন্তব্য করেন, ‘আমার মনে হয় এটি ফ্যাশন, গতি এবং বিজ্ঞানের এমন এক মিশ্রণ যা সম্ভবত অ্যাথলেটিক্সের ভবিষ্যৎ পথ তৈরি করছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা নিশ্চিত ছিলাম না যে এটি কখন পরব। তবে এখন মনে হচ্ছে, নারীদের গ্ল্যামার আর তাদের দিকে সবার নজর কেড়ে নেওয়ার এই বিশেষ নারী ইভেন্টটিই ছিল এর জন্য একদম উপযুক্ত।”
নাইকির সঙ্গে এক বছর ধরে গোপনে তৈরি করা পোশাকটি মূলত ২০০০ সালের সিডনি অলিম্পিকে ক্যাথি ফ্রিম্যানের কিংবদন্তি হুডযুক্ত বডিস্যুট থেকে অনুপ্রাণিত।
খেতাব ধরে রাখার মাধ্যমে তিনি একটি ঐতিহ্যবাহী টিফানি অ্যান্ড কোং সিলভার ক্রাউন (মুকুট) লাভ করেন এবং ৬৫হাজার ডলার (প্রায় ৪৮,৫০০ পাউন্ড) প্রাইজমানি জিতে নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ গত মাসে লন্ডনের ডারহামে একটি নাইটক্লাবে ঘটে যাওয়া হাতাহাতির অভিযোগের তদন্ত বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ইংল্যান্ডের পেসার ব্রাইডন কার্সের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হবে না।
ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পর সতীর্থদের সঙ্গে এক নৈশভোজের সময় বিশৃঙ্খল আচরণের কারণে এই পেস বোলারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এর ফলস্বরূপ, পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দল থেকে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টের স্কোয়াডে কার্স অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। পরে ডারহামের হয়ে খেলার জন্য তাকে স্কোয়াড থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ডারহামে ক্লাব কাণ্ডের পর তিনি স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিছু শিশু গানের সুরে নিজেদের মেতে তুলেছে, আবার কিছু অংশ নিয়েছে পুঁথি পাঠ, নাচ, চিত্র প্রদর্শনীসহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনায়। শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ দেখা গেছে সায়েন্স ও ম্যাথ ফেয়ার এবং কুইজ প্রতিযোগিতায়ও। রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী অদিতি মহসিন এবং নজরুল সংগীত শিল্পী রেবেকা সুলতানার মতো গুণিজনরা শিশুদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন।
আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে ‘আগামী ফেস্ট ২০২৬’ নামক একটি দিনব্যাপী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকার আগারগাঁওয়ে ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস বাংলাদেশ (আইএবি সেন্টার)-এ এই উৎসবের আয়োজন করেছে আগামী। এর মূল প্রতিপাদ্য ছিল- ‘সব শিশুদের জন্য শিক্ষা’।
সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আয়োজিত উৎসবে আগামী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। মেধা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার জন্য শিশুরা বিজ্ঞান ও গণিত মেলায় অংশ নেয়। সায়েন্স ও ম্যাথ ফেয়ারে শিক্ষার্থীরা ১৪টি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প উপস্থাপন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা প্রকল্প এবং শিল্পকর্ম মূল্যায়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আগামী এডুকেশন ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক নেহরীন মাজেদ এবং আগামী ইনকর্পোরেটেড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মো. আমিনুল ইসলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব রসায়ন ও আনবিক জীববিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. জেবা ইসলাম সিরাজও বক্তব্য দেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন ড. বজলুর রশীদ খান (চিত্রশিল্পী রশীদ আমিন), স্থপতি ও শিশুতোষ ম্যাগাজিন 'টইটম্বুর' এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হাসনাইন সাবিহ নায়েকসহ অনেকে।
উৎসবে ‘আগামী’ ম্যাগাজিনের প্রকাশনা উদ্বোধন করেন আগামী এডুকেশন ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট নাফিসা খানম। এতে সংস্থাটির পথচলা, কার্যক্রম, অর্জন এবং শিশু ও স্কুলগুলোর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, ‘আগামী’ সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের মেধা ও সম্ভাবনা বিকাশে কাজ করছে। ‘আগামী ফেস্ট’-এর মাধ্যমে শিশুদের শুধু দর্শক হিসেবে নয়, বরং উৎসবের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই উৎসব মূলত শিশুদের উল্লেখ করে আগামী বলছে, ‘আমাদের সঙ্গে যুক্ত অনেক শিশু সুবিধাবঞ্চিত পরিবার থেকে আসে। কিন্তু সুযোগ পেলে তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সম্ভাবনাও সমানভাবে বিকশিত হতে পারে। এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা তাদের সেই সুযোগ করে দিতে চাই এবং তাদের অর্জন ও প্রতিভাকে সবার সামনে তুলে ধরতে চাই।’
অধ্যাপক জেবা ইসলাম সিরাজ মন্তব্য করেন, ‘আমাদের অনেক শিশু আছে, যারা সমাজের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের কেউ কেউ খুবই মেধাবী। তাদের মেধার বিকাশের জন্য আমাদের সকলকে কাজ করে যেতে হবে।’
রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী অদিতি মহসিন বলেন, ‘শিশুদের সৃজনশীলতার বিকাশের জন্য এই আয়োজনে যুক্ত হতে পেরে ভালো লাগছে। আগামী শিশুদের নিয়ে যে কাজটি করে যাচ্ছে। এটি আসলে আমাদের সবার দায়িত্বটিই তারা পালন করছেন।’ এ সময় তিনি গানও গেয়ে শোনান।
নজরুলসংগীত শিল্পী রেবেকা সুলতানা বলেন, ‘শিশুরা কত রকম প্রতিবন্ধকতার মধ্যে থেকেও নিজেকে বিকশিত করার জন্য চেষ্টা করছে, তা দেখে আমি অভিভূত।’ পরে শিশুদের সঙ্গে নিয়ে গান গেয়ে শোনান এই সংগীতশিল্পী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার। তিনি সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করে চিহ্নিত অরক্ষিত এলাকায় সীমান্ত বেড়া নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করারও নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি বার্তায় বিএসএফ এই তথ্য জানায়।
কলকাতায় ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত দুই দিনের সম্মেলনে বিএসএফের সব ফ্রন্টিয়ারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার। বৈঠকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ভূমি অধিগ্রহণের ঝুলে থাকা মামলা, সীমান্ত বেড়া নির্মাণ এবং আন্ত সীমান্ত চোরাচালানসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে প্রবীণ কুমার সীমান্তের চিহ্নিত অরক্ষিত এলাকাগুলোতে বেড়া নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ দখল ও অবৈধ অভিবাসনের বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করেন।
বিএসএফ মহাপরিচালক আন্ত সীমান্ত অপরাধ ও চোরাচালান প্রতিরোধে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন।
তিনি ২০২৯ সালের মধ্যে ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়ার সরকারি লক্ষ্য উল্লেখ করে বলেন, বিএসএফকে এই দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে। তিনি বলেন, "এ ধরনের অপরাধমূলক ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত চক্রগুলোকে নিষ্ক্রিয় ও নির্মূল করতে সমন্বিত ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির জন্য যাতে জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি না হয়, এই উদ্দেশ্যে মাঠে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে সরাসরি চেক বিতরণ করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কেরানীগঞ্জ উপজেলার আটিবাজারে জরাজীর্ণ ও অপ্রশস্ত বেইলি সেতুর স্থানান্তরের আওতায় নতুন আরসিসি সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে ক্ষতিগ্রস্ত ২৮ জন ব্যবসায়ীর হাতে ক্ষতিপূরণের চেক প্রদান করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাঠে উপস্থিত থেকে চেক বিতরণ করায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উমর ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমানউল্লাহ আমান। জেলা প্রশাসক, ঢাকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোহাম্মদ শামীম হুসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান।
অনুষ্ঠানে আমানউল্লাহ আমান ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেক দ্রুত বিতরণ এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাঠে এসে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চেক তুলে দেওয়ার উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, "ক্ষতিপূরণের অর্থ পেতে মানুষকে যেন অযথা অফিসে ঘুরতে না হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।"
জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগের ফলে মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আমানউল্লাহ আমান আরও বলেন, তার মেয়াদে কেরানীগঞ্জে ২৭০টি ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। ১৯৯১ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগে আটিবাজারের কাঠের পুলকে সাধারণ ব্রিজে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর তিন মাসের মধ্যে সেই কাজ শুরু হয়েছিল।
তিনি বলেন, এবার নির্বাচনের আগে আটিবাজারের ব্রিজের এপ্রোচ রোড প্রশস্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনের ছয় মাসের মধ্যে সেই কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিপূরণ বিতরণ এ প্রকল্প বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এলএ) মোহাম্মদ শামীম হুসাইন জানান, জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানমের নেতৃত্বে ভূমি অধিগ্রহণের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সহযোগিতা করা হচ্ছে। প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়েও জমি ও অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণের চেক নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত বিতরণ করা হবে।
চেক গ্রহণকারী ব্যবসায়ী শাহিন মিয়া বলেন, ‘ক্ষতিপূরণের টাকা পেতে আমাদের বারবার অফিসে যেতে হয়নি। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাঠে এসে সরাসরি চেক দিয়েছেন। দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় টাকা পাওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।’
অনুষ্ঠানে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ