১০:৩২ পি.এম
খুলনায় মো. মারুফ নামক একজন চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে হত্যা করে তার ইজিবাইক ছিনতাইয়ের জন্য গোপনে বাড়ির উঠানে পুঁতে রাখা হয়েছিল। এ ঘটনায় হত্যাকারীদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হলে স্ত্রী থানায় গিয়ে পুলিশকে ঘটনার কথা জানায়। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মুরাদ মোল্লা ও ফাল্গুনী খাতুন নামক দম্পতিকে আটক করে।
আজ সোমবার দুপুরে নগরীর হরিণটানা থানার রেলসেতু সংলগ্ন বুলুওয়েল আবাসিক এলাকা থেকে পুঁতে রাখা লাশটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়। আটকের সময় তাদেরও সঙ্গে নেওয়া হয়। চলতি বছরের রমজান মাসে মোবাইল ফোনে প্রচ পরিচয়ের সূত্র ধরে চালক মারুফকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছিল বলে আটককৃতরা স্বীকার করেছে।
এই বিষয়ে হরিণটানার থানার ওসি (তদন্ত) মো. মুরাদ হোসেন মিলন নিশ্চিত করেন। পুলিশ ইজিবাইকের রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের শিকার চালক মারুফের পরিচয় খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন: রামুতে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক
হরিণটানা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, মুরাদ মোল্লা ও ফাল্গুনী খাতুন দম্পতির মধ্যে প্রতিদিন ঝগড়া হতো। এই ঝগড়ার মধ্যেই তারা একে অপরকে মারুফ হত্যার জন্য দোষারোপ করে। সোমবার সকালে মুরাদ তার স্ত্রী ফাল্গুনীকে মারধর করলে তিনি থানায় গিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান এবং মারুফ হত্যার তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দম্পতিকে আটক করে।
উল্লেখ্য, এরপর পুলিশ তাদের দেখানো স্থানে মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করে। স্বীকার হয়েছে যে, তারা ইজিবাইকটি ভেঙে টুকরো করে বিক্রি করে দিয়েছিল। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স অফিসার (যানবাহন) শেখ মো. দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটি সিটি কর্পোরেশনের মুজগুন্নি এলাকার মোল্লা মো. মোস্তফা নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত। তবে, তিনি শুনেছেন যে, ইজিবাইকটি খালিশপুরের একজনের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। পুলিশ এখন পুরাতন মালিক, নতুন ক্রেতা এবং চালক মারুফের পরিচয় খোঁজার চেষ্টা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন