ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাকিস্তানে ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা বৃদ্ধি


পাকিস্তানে ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা বৃদ্ধি

পাকিস্তানের লাহোরে ধর্ষণ ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে এসব মামলার সংখ্যা ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। সামা টিভির প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে লাহোরে ৪৯৮টি ধর্ষণের মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ সংখ্যা ছিল ৪১৩টি। এর মানে, এক বছরের মধ্যে ধর্ষণের মামলার সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলাও বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ৩৬টি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা হয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে মামলার সংখ্যা ছিল ২৬টি। এর ফলে, এক বছরে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার সংখ্যা প্রায় ৩৮ শতাংশ বেড়েছে।

আরও পড়ুন: মোদির আত্মবিশ্বাসী ভাবমূর্তিতে চিড় ধরাচ্ছে তরুণদের বিক্ষোভ

লাহোরের বিভিন্ন পুলিশ বিভাগের মধ্যে ধর্ষণের মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সিটি বিভাগে গত বছরের প্রথম আট মাসে ৩৬টি মামলা হয়েছিল, যা চলতি বছরে বেড়ে ৫৬টি হয়েছে। সদর বিভাগে মামলার সংখ্যা ৯৮ থেকে বেড়ে ১৩২টিতে দাঁড়িয়েছে। ইকবাল টাউনে ৪৬টি মামলা বেড়ে ৮০টিতে পৌঁছেছে।

তবে মডেল টাউন বিভাগের ক্ষেত্রে ধর্ষণের মামলার সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে। গত বছর ও চলতি বছর উভয় সময়েই সেখানে ৯৮টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলাও বিভিন্ন বিভাগে বেড়েছে। ক্যান্ট বিভাগে গত বছর পাঁচটি মামলা ছিল, চলতি বছরে তা বেড়ে ৯টিতে পৌঁছেছে।

মডেল টাউন বিভাগে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। গত বছর সেখানে পাঁচটি মামলা ছিল, চলতি বছরে তা বেড়ে ১০টিতে পৌঁছেছে। সিভিল লাইনসে মামলার সংখ্যা দুটি থেকে বেড়ে তিনটি হয়েছে। ইকবাল টাউনে চারটি মামলা বেড়ে ছয়টিতে পৌঁছেছে। সিটি বিভাগেও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা একটি থেকে বেড়ে দুটি হয়েছে।

সামা টিভি জানিয়েছে, এই তথ্য পুলিশের কাছে করা মামলার হিসাব অনুযায়ী। অর্থাৎ, পুলিশের কাছে যে ঘটনাগুলো জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র সেগুলোই এই পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই লাহোরে যৌন নিপীড়নের মোট ঘটনার সংখ্যা এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তান ৭৩ বছর পর আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক বোর্ডের চেয়ারপারসন নির্বাচিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরিয়া ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রার্থী কৃষ্ণাঙ্গ ভোটার টানতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৪ পি.এম


মরিয়া ফ্লোরিডার রিপাবলিকান প্রার্থী কৃষ্ণাঙ্গ ভোটার টানতে

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার গভর্নর পদে রিপাবলিকান প্রার্থী বায়রন ডোনাল্ডস বর্তমানে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের সমর্থন অর্জনের জন্য ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন। তিনি কংগ্রেস ও ফ্লোরিডার আইনসভায় প্রায় নয় বছর রাজনীতি করার পরও নিজের প্রচারে বর্ণপরিচয়কে খুব কম গুরুত্ব দিয়েছেন। তবে এবার মায়ামি অঞ্চলে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের নিয়ে একাধিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বিষয়টি সামনে নিয়ে আসছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ডস জানিয়েছেন, তিনি ফ্লোরিডার কৃষ্ণাঙ্গ ভোটের ২০ শতাংশের বেশি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন। তিনি বলেন, "অনেক কৃষ্ণাঙ্গ ভোটার তার প্রচারের দিকে নজর দিচ্ছেন, কারণ তারা ফ্লোরিডাকে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে কে সবচেয়ে ভালো নেতৃত্ব দিতে পারবেন, তা বিবেচনা করছেন।" একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের একটি অংশ এখন আর আগের মতো এককভাবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সঙ্গে যুক্ত থাকছেন না।

সিবিএস নিউজের ভোট-পরবর্তী জরিপ অনুযায়ী, ২০২২ সালে ফ্লোরিডার গভর্নর পদে রন ডিস্যান্টিসের পুনর্নির্বাচনের পক্ষে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফ্লোরিডায় ডোনাল্ড ট্রাম্প কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের প্রায় ১৫ শতাংশের সমর্থন পেয়েছিলেন।

২০২৪ সালে জাতীয় পর্যায়ে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের কাছে ট্রাম্পের অন্যতম দৃশ্যমান প্রচারক ছিলেন ডোনাল্ডস। তিনি টেক্সাসের কংগ্রেস সদস্য ওয়েসলি হান্টকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন শহরে ‘কংগ্রেস, চুরুট ও কনিয়াক’ নামে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার আয়োজন করেছিলেন। এবার একই কৌশল নিজের গভর্নর নির্বাচনের প্রচারে কাজে লাগাচ্ছেন ডোনাল্ডস।

ডোনাল্ডস নির্বাচনে জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নরদের একটি বিশেষ তালিকায় যুক্ত হবেন। দেশটির ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনজন নির্বাচিত কৃষ্ণাঙ্গ গভর্নর হয়েছেন। চলতি নির্বাচনে ডোনাল্ডসসহ তিনজন প্রার্থী রয়েছেন, যারা জয়ী হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রিপাবলিকান গভর্নর হওয়ার সুযোগ পাবেন।

ইতিহাস গড়ার সম্ভাবনা তার কাছে কী অর্থ বহন করে—এমন প্রশ্নের জবাবে কিছুক্ষণ চুপ থেকে হাসেন ডোনাল্ডস। পরে সিবিএস নিউজকে তিনি বলেন, "বিষয়টি সত্যিই তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়।" তবে প্রচারে নিজের বর্ণপরিচয় নিয়ে কথা বলতে চান না বলেও জানিয়েছেন তিনি। শনিবার (৩ অক্টোবর) কৃষ্ণাঙ্গ পেশাজীবীদের সম্মেলনে তিনি বলেন, "ফ্লোরিডা যোগ্যতার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।" তার মতে, মানুষ এখন জানতে চায়—কে কাজটি ঠিকভাবে করতে পারবেন।

সম্মেলনের আয়োজকেরা সিবিএস নিউজকে জানান, ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী ডেভিড জোলিকেও বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে সময়সূচির সমস্যার কথা জানিয়ে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।

নির্বাচনী প্রচারের আর এক মাসেরও কম সময় বাকি রয়েছে। এর মধ্যে ডোনাল্ডস দাবি করেছেন, কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের জন্য তার প্রচার নতুন বা সীমিত কোনো উদ্যোগ নয়। তিনি বলেন, "তার দল সব ধরনের ভোটারের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।" কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের জন্য উত্তর মায়ামি ও ব্রোয়ার্ড কাউন্টিতে বাড়ি বাড়ি প্রচার চালানো হচ্ছে। একইভাবে হিস্পানিক ভোটারদের কাছে ডোরাল ও হিয়ালিয়ায় প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তবে দক্ষিণ ফ্লোরিডায় তার সঙ্গে দেখা করা কয়েকজন ভোটার বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ডোনাল্ডসের ঘনিষ্ঠতা তাদের তার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। মায়ামি গার্ডেনসের কৃষ্ণাঙ্গ মালিকানাধীন একটি ক্যারিবীয় রেস্তোরাঁয় জারমেইন উডসাইড নামে ৫৪ বছর বয়সী এক ভোটার ডোনাল্ডসের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা রাতের খাবারের সময় কথা বলেন। শুরুতে তার প্রতি সন্দিহান থাকলেও পরে কিছুটা ইতিবাচক হয়েছেন বলে জানান তিনি।

তবে উডসাইডের স্পষ্ট বক্তব্য, "ডোনাল্ডসের ট্রাম্পের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করা উচিত নয়।" তার মতে, এটি ডোনাল্ডসের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। জবাবে ডোনাল্ডস সিবিএস নিউজকে বলেন, "ভোটারদের তাঁর সঙ্গে ট্রাম্পের অতীত সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে বিচার করা উচিত নয়।" তিনি তাঁর নীতি, বিষয়ভিত্তিক অবস্থান ও চিন্তাভাবনা দেখার আহ্বান জানান।

সব ভোটার অবশ্য ডোনাল্ডসের প্রচারে আকৃষ্ট হননি। মায়ামির কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যুষিত ওভারটাউন এলাকায় ডোনাল্ডসের একটি জনসংযোগ অনুষ্ঠানে একাই হাজির হন কালিন জেমস। সেখানে ডোনাল্ডসের নাম কেটে ‘নীল প্রতীকে ভোট দিন’ লেখা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে নীরব প্রতিবাদ করেন তিনি।

জেমস সিবিএস নিউজকে বলেন, "কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের মধ্যে ডোনাল্ডস যতটা সমর্থন পাওয়ার দাবি করছেন, বাস্তবে তা নেই।" তার মতে, ডোনাল্ডস জয়ী হলে ইতিহাস তৈরি হবে ঠিকই, তবে সেটি ইতিহাসের ভুল দিকেই যাবে।

নির্বলীয় ভোটাধিকার সংগঠন ইকুয়াল গ্রাউন্ডের প্রতিষ্ঠাতা জেসমিন বার্নি-ক্লার্ক আরও কঠোর সমালোচনা করেছেন ডোনাল্ডসের প্রচারের। তিনি জানান, তার সংগঠনের প্রার্থীদের একটি অঙ্গীকারপত্রে স্বাক্ষর করতে ডোনাল্ডস রাজি হননি। ওই অঙ্গীকারপত্রে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থিত একটি অঙ্গীকার করা হয়েছিল যে ভোটাধিকার নিয়ে একটি আইন পাস হলে তা আইনে পরিণত করা হবে। ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী ডেভিড জোলি ওই অঙ্গীকারপত্রে স্বাক্ষর করেছেন।

বার্নি-ক্লার্কের অভিযোগ, ডোনাল্ডসের সপ্তাহান্তের প্রচার প্রকৃত অর্থে কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের জন্য নয়। তিনি সিবিএস নিউজকে বলেন, "ডোনাল্ডস নির্বাচনের শুরুতেও কৃষ্ণাঙ্গ ছিলেন, শেষেও কৃষ্ণাঙ্গ থাকবেন।" কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের ভোট পাওয়ার জন্য তার লক্ষ্যভিত্তিক প্রচার ও তোষামোদে তারা বিভ্রান্ত হবেন না।

সাম্প্রতিক জনমত জরিপে ফ্লোরিডার গভর্নর নির্বাচনে অপ্রত্যাশিতভাবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ১৯৯০-এর দশকের পর এই পদে কোনো ডেমোক্র্যাট জয় পাননি। ডোনাল্ডসের জন্য কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের মধ্যে ব্যবধান কমানো তাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাঁর হিসাব, কৃষ্ণাঙ্গ ভোটারদের সমর্থন যত বাড়ানো যাবে, ডেমোক্র্যাটদের গভর্নরের দপ্তরে ফিরে আসার পথ তত কঠিন হবে।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৪৭০ আসনে ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৫ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৪৭০ আসনে ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার হতে পারে

ঢাকা, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রে আগামী ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনের ফলাফল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে এই নির্বাচনে কোনো পদে প্রার্থী হচ্ছেন না।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের চার বছরের মেয়াদের মধ্যবর্তী সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এই নির্বাচনকে ‘মিডটার্ম’ বা মধ্যবর্তী নির্বাচন বলা হয়। এই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর এবং হাজার হাজার রাজ্য পর্যায়ের পদে কারা দায়িত্ব নেবেন, তা নির্ধারণ করা হবে।

যদি ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের যেকোনো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়, তাহলে ট্রাম্পের নীতিমালা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে এবং তার প্রশাসনের ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে, রিপাবলিকানরা জয়ী হলে ওয়াশিংটনে তাদের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে।

২০২৬ সালের নির্বাচনের চিত্র সংখ্যায় তুলে ধরা হলো। প্রতিনিধি পরিষদ : কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে মোট ৪৩৫ আসন রয়েছে। প্রতি দুই বছর পরপর এই আসনগুলোর জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা ২১৮। ডেমোক্র্যাটদের প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিতে ২০২৪ সালের নির্বাচনের ফলের তুলনায় অন্তত আরও ৩টি আসন বাড়াতে হবে।

২০২৪ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা ২২০-২১৫ ব্যবধানে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে কয়েকজন সদস্যের মৃত্যু, পদত্যাগ এবং একজনের দল পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে প্রতিনিধি পরিষদে ২১৮ জন রিপাবলিকান, ২১৪ জন ডেমোক্র্যাট, একজন স্বতন্ত্র সদস্য এবং দুটি শূন্য আসন রয়েছে।

অর্থাৎ, রিপাবলিকানরা নিট দুইটি আসন হারালেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে সক্ষম হবে। তবে তিনটি আসন হারালে তাদের জন্য এটি আর সম্ভব হবে না।

সিনেট ও অঙ্গরাজ্যগুলো

এবারের নির্বাচনে সিনেটের ৩৫ আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এর মধ্যে নিয়মিত ছয় বছরের মেয়াদ শেষে ৩৩টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে দুটি বিশেষ নির্বাচনও হবে।

বর্তমানে ১০০ আসনের সিনেটে রিপাবলিকানদের ৫৩-৪৭ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। এই হিসাবের মধ্যে দুইজন স্বতন্ত্র সিনেটরকেও ধরা হয়েছে, যারা সাধারণত ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দেন।

সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে ডেমোক্র্যাটদের নিট চারটি আসন বাড়াতে হবে। ৫০-৫০ সমতা হলে সিদ্ধান্তমূলক ভোট দেবেন রিপাবলিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

এবারের নির্বাচনে ৩৬টি অঙ্গরাজ্যে গভর্নর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের মোট অঙ্গরাজ্যের প্রায় তিন-চতুর্থাংশে গভর্নর নির্বাচন হবে।

বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আইনসভায় নিয়মিত নির্বাচনের আওতায় থাকা আসনের সংখ্যা ৬,১৩৯। দেশের ৯৯টি অঙ্গরাজ্য আইনসভা কক্ষের মধ্যে ৮৮টিতে এসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জনমত জরিপ কী বলছে?

৫৩-৪১ শতাংশ: কংগ্রেসে কোন দলের প্রার্থীকে সমর্থন করবেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ৫৩ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের পক্ষে ৪১ শতাংশ সমর্থন পাওয়া গেছে। ১৪-১৫ সেপ্টেম্বর পরিচালিত পিবিএস নিউজ/এনপিআর/মারিস্টের এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

একই জরিপে স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যেও ডেমোক্র্যাটদের ৫৭ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৩২ শতাংশ সমর্থন পাওয়া যায়।

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার চিত্র

সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত কয়েকটি বড় জরিপে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুমোদনের হার ৩২ থেকে ৪১ শতাংশের মধ্যে ছিল।

রয়টার্স/ইপসোসের জরিপে মার্কিন প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ট্রাম্পের অনুমোদনের হার ছিল ৩২ শতাংশ, যা তার রাজনৈতিক জীবনের সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, মারিস্টের জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের মধ্যে এই হার ছিল ৩৯ শতাংশ এবং এনবিসি নিউজের জরিপে ৪১ শতাংশ।

জরিপগুলোতে ভিন্ন পদ্ধতি ও ভিন্ন ধরনের জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই এসব ফলাফল সরাসরি একে অপরের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। তবে কোনো জরিপেই ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার এমন চিত্র পাওয়া যায়নি, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জন্য বড় ধরনের বাড়তি সুবিধার ইঙ্গিত দেয়।

৫৫ শতাংশ: এনবিসি নিউজের জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের ৫৫ শতাংশ বলেছেন, ট্রাম্পের নীতিগুলো মার্কিন অর্থনীতির ক্ষতি করেছে। বিপরীতে, ২৬ শতাংশ ভোটার বলেছেন, এসব নীতি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ছিল।

নির্বাচনী প্রচারে বিপুল অর্থ

প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার: ২০২৫-২৬ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে আনুমানিক ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে।

বিজ্ঞাপন ব্যয় পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডইমপ্যাক্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ সালের নির্বাচনী চক্রে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনে ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে। এটি ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের রেকর্ড ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে যাবে। এমনকি ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ের ব্যয়ের চেয়েও এটি বেশি হতে পারে।

৩৩০ মিলিয়ন ডলার: ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর নির্বাচনের প্রাথমিক দলীয় বাছাইপর্বে বিজ্ঞাপনে এই পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে বলে অ্যাডইমপ্যাক্ট জানিয়েছে। এর ফলে নভেম্বরের নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের এই প্রাথমিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল গভর্নর নির্বাচনে পরিণত হয়েছে।

এটি মূল নির্বাচনের আগে কেবল প্রস্তুতিপর্ব ছিল।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস নির্বাচনের দলীয় প্রাথমিক বাছাইপর্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২,৪৯৭। অন্তত ২০১৪ সালের পর যেকোনো নির্বাচনী চক্রের তুলনায় এটি সর্বোচ্চ। এর মধ্যে ২,২৩২ জন প্রতিনিধি পরিষদের আসনের জন্য লড়ছেন।

আগামী ৩ নভেম্বর প্রতিনিধি পরিষদের ৪৪টি আসনে ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা একই প্রধান দুই দলের প্রার্থীরা এবারও পরস্পরের মুখোমুখি হচ্ছেন।

অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচনও হিসাবের মধ্যে ধরলে সারা দেশে এমন ৪৭৪টি নির্বাচনী লড়াই রয়েছে, যেখানে আগের নির্বাচনের একই প্রার্থীরা আবারও মুখোমুখি হচ্ছেন।

অর্থাৎ, আমেরিকান রাজনীতিতেও হলিউডের মতো পুরোনো লড়াইয়ের ‘সিক্যুয়েল’ দেখতে আপত্তি নেই!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার উদ্দেশ্য ভালো নাগরিক গড়ে তোলা: শেখ রবিউল আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৬ পি.এম


শিক্ষার উদ্দেশ্য ভালো নাগরিক গড়ে তোলা: শেখ রবিউল আলম

শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য শুধুমাত্র জীবিকা নির্বাহ করা নয়, বরং নিজেকে একজন যোগ্য ও ভালো নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা, এই মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী ও ঢাকা ১০ আসনের সংসদ সদস্য শেখ রবিউল আলম। তিনি উল্লেখ করেছেন, "আমাদের জাতীয় সংগীতের শুরুতেই রয়েছে, আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।" দেশের প্রতি ভালোবাসার প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো নিজেকে দেশের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা। শিক্ষিত জাতি গড়ার জন্য ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষাও অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লেক সার্কাস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, কলাবাগানে বিদ্যালয়টির নবনির্মিত প্রধান ফটক উদ্বোধন, বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যালয়ের মান বলতে শুধুমাত্র কতটি ভবন রয়েছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ আছে কি না কিংবা আসবাবপত্রের মান বোঝায় না। বিদ্যালয়ের প্রধান মানদণ্ড হওয়া উচিত শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত শিক্ষা পাচ্ছে কি না।

তিনি জানান, শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো নিজেকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। "শুধু জীবিকা নির্বাহের জন্য শিক্ষা অর্জন করব, এটি আমি বিশ্বাস করি না।" ভালো উপার্জনের জন্য শিক্ষা প্রয়োজন, কিন্তু শিক্ষিত জাতি গড়তে হলে ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষাও অপরিহার্য।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিজের যত্নের বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বয়স ও শারীরিক প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে যেকোনো পরিস্থিতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। নেতৃত্বের প্রয়োজন শুধু রাজনীতিতে নয়, পেশাগত ও সামাজিক জীবনেও।

অভিভাবকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, "সন্তান পরীক্ষায় প্রথম বা দ্বিতীয় না হলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই।" সন্তানকে বকাঝকা না করে পাশে থাকতে হবে এবং তার সর্বোচ্চ সক্ষমতা অর্জনে উৎসাহ দিতে হবে। সন্তানকে অন্য কারো সঙ্গে তুলনা না করে তার নিজস্ব প্রতিভা ও আগ্রহকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, "আপনি যা পছন্দ করেন, আপনার সন্তানের সব গুণাবলি তার মধ্যে থাকতে হবে এমন নয়।" সৃষ্টিকর্তা প্রত্যেক সন্তানের মধ্যে আলাদা কিছু প্রতিভা দিয়েছেন। যদি সেটিকে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, তবে সন্তান আপনার প্রত্যাশার চেয়েও ভালো করতে পারে।

শিক্ষকদের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর প্রয়োজন ও সক্ষমতা এক নয়। শিক্ষকরা কাছ থেকে শিক্ষার্থীদের পর্যবেক্ষণ করে তাদের কোন বিষয়ে আগ্রহ ও দক্ষতা রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে পারেন। তাই বাবা-মায়ের ইচ্ছা চাপিয়ে না দিয়ে শিক্ষকদের পরামর্শকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

বিদ্যালয়টির অবকাঠামোগত ও লজিস্টিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, "আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের প্রতি আমার দায়িত্ব রয়েছে।" এই বিদ্যালয়কে আরো সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন করতে আমার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, "নিজেকে গড়ার জন্য শতভাগ সময় ব্যয় করো।" তুমি যে সময় ব্যয় করবে এবং যা শিখবে, সেটিই তোমার প্রকৃত সম্পদ। জ্ঞান ও যোগ্যতা এমন সম্পদ, যা অন্যের সঙ্গে ভাগ করলেও কমে না; এর সুফল পুরো বিশ্ব পায়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোরশেদা বেগম। এ সময় বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. শফিউল আজমসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভক্তের কাণ্ডে অস্বস্তিতে রচিতারাম, ভাইরাল ভিডিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৭ পি.এম


ভক্তের কাণ্ডে অস্বস্তিতে রচিতারাম, ভাইরাল ভিডিও

কন্নড় অভিনেত্রী রচিতারাম, যিনি ভক্তদের কাছে ‘ডিম্পল কুইন’ নামে পরিচিত, সম্প্রতি তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে বেঙ্গালুরুর বাসভবনের বাইরে ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান। সেখানে এক ভক্তের আচরণের কারণে তিনি হঠাৎ অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

গত শনিবার (৩ অক্টোবর) রচিতারামের জন্মদিন উদযাপন করা হয়। এই উপলক্ষে তাঁর বাড়ির বাইরে অনেক ভক্ত জড়ো হন। অভিনেত্রী একে একে তাঁদের সঙ্গে ছবি তোলেন। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, এক পুরুষ ভক্ত সেলফি তোলার পর হঠাৎ করে রচিতারামের গাল টেনে ধরেন।

এই ঘটনায় রচিতারাম কিছু মুহূর্তের জন্য বিস্মিত হয়ে যান। তবে তিনি দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে হাসিমুখে অন্যান্য ভক্তদের সঙ্গে কথা বলতে থাকেন।

ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অনেকেই অভিনেত্রীর পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি, তারকাদের সঙ্গে দেখা করার সময় ভক্তদের ব্যক্তিগত সীমারেখা মেনে চলার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও মন্তব্য করেছেন অনেকে।

একজন মন্তব্য করেছেন, ‘এটি হয়রানি।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘তিনি হয়তো হাসছেন বা সাহসী থাকার চেষ্টা করছেন। কিন্তু ভেতরে ভেতরে তিনি মানসিকভাবে আঘাত পেয়ে থাকতে পারেন। ভক্তদের উচিত ব্যক্তিগত সীমারেখাকে সম্মান করা।’

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘পুরুষ বা নারী—অপরিচিত কাউকে অনুমতি ছাড়া স্পর্শ করা উচিত নয়। এটাই মৌলিক ভদ্রতা। যে মানুষটি আপনাকে চেনেনও না, তাঁকে স্পর্শ করার প্রয়োজন কী?’

অবশ্য, রচিতারামের আচরণের প্রশংসাও করেছেন অনেকে। একজন লিখেছেন, ‘তিনি পরিস্থিতি খুব ভালোভাবে সামলেছেন।’

কাজের দিক থেকে, সম্প্রতি রচিতারামের তামিল সিনেমায় অভিষেক হয়েছে। তিনি লোকেশ কানাগরাজ পরিচালিত ‘কুলি’ সিনেমায় রজনীকান্তের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সিনেমাটিতে কল্যাণী চরিত্রে দেখা গেছে তাঁকে। ‘কুলি’ই রচিতারামের প্রথম তামিল সিনেমা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%