মোঃ এম আর উজ্জ্বল, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫৯ পি.এম
তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার এবং নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে সচেতনতামূলক সভা।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় শহরের কান্দি এমইউ আলিম মাদ্রাসায় ‘যৌন স্বাস্থ্য অধিকার এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী অংশ নেন।
জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ ও স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির সহযোগিতায় আয়োজিত সভায় তরুণদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের মাধ্যমে যৌন স্বাস্থ্য, অধিকার, বয়ঃসন্ধিকালীন পরিবর্তন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়।
সভায় যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা করেন নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সামিয়া সানজানা। তিনি বয়ঃসন্ধিকালীন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন, স্বাস্থ্যবিধি এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও অধিকার সম্পর্কে তরুণ-তরুণীদের তথ্যভিত্তিক ধারণা দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক বাচ্চু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেত্রকোনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিজা খাতুন নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে তরুণদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নেত্রকোনা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সদস্য মাহবুবল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, কান্দি এমইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আজিম উদ্দিন, জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সদস্য আব্দুল হাই এবং স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির ব্যবস্থাপক কোহিনূর বেগম।
বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে সঠিক তথ্যের অভাব তরুণদের নানা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। তাই পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ে এ বিষয়ে খোলামেলা ও তথ্যভিত্তিক আলোচনা বাড়ানো প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাসুম ইবনে জয়নাল। সভার ব্যবস্থাপনা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির প্রতিনিধি অলিভিয়া আক্তার এবং জেলা স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরামের সদস্য শুভ রজক ও সুশান্ত পাল।
তরুণ-তরুণীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাস্থ্য ও অধিকার বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত উঠে আসে। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আলোচনা তরুণদের সঠিক তথ্য জানার সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীমঙ্গলে একটি বাসার বারান্দা থেকে বিষাক্ত শঙ্খিনী (শাঁখামুটি) সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে, শ্রীমঙ্গল হাউজিং স্টেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত কাওসার মিয়ার বাসার বারান্দায় সাপটি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। এরপর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে সাপটির উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।
সাপটিকে দেখে বাসার লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কাওসার মিয়া পরে বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানান। খবর পেয়ে, বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে এসে সাপটি দেখতে পান। তাঁরা সাপটিকে শঙ্খিনী (শাঁখামুটি) হিসেবে শনাক্ত করেন।
পরবর্তীতে, সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শ্রীমঙ্গল বন্যপ্রাণী বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন সম্প্রতি বলেছেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধিতে পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট সার্কিট হাউজে বর্ণির ছাহেবজাদা মাওলানা মো. আব্দুল আলীমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই মন্তব্য করেন।
এছাড়া, সাক্ষাৎকালের পূর্বে বর্ণির ছাহেবজাদা মাওলানা মো. আব্দুল আলীম ভিসি এবং তার সফরসঙ্গীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এই সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইআবির ঢাকার প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. শহীদুল আলম এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি), কুষ্টিয়ার ট্রেজারার ড. ইদ্রিস আলী। তাদেরকে স্বাগত জানান হবিবপুর ও কেশবপুর কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আব্দুল হাকীম, চান্দগ্রাম এইউ ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মস্তাক আহমেদ চৌধুরী এবং ইসলাহুল বানাত ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা রহমত আলী হেলালী।
এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীন আরও বলেন, “সিলেটে এসে এমন আন্তরিক অভ্যর্থনা পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও অভিভূত।” তিনি অভ্যর্থনা জানানো সকলকে ধন্যবাদ জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রামবাংলার বাড়ির আঙিনা, বাগান কিংবা টবের পরিচিত ফুল দোপাটি। রঙিন ও আকর্ষণীয় এই ফুল মানুষের দৃষ্টি সহজেই আকর্ষণ করে। বর্ষাকালে সজীব সবুজ পাতার মাঝে লাল, গোলাপি, সাদা ও বেগুনি রঙের ফুল ফুটে উঠলে প্রকৃতিতে ভিন্ন এক সৌন্দর্য যুক্ত হয়। দোপাটি ফুলের ইংরেজি নাম Garden balsam, এছাড়া Rose balsam, Touch-me-not এবং Lady slipper নামেও এটি পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম Impatiens balsamina।
Balsaminaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি একবর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ দোপাটি। সাধারণত দোপাটি গাছের উচ্চতা ৪৫ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়, তবে পরিবেশ ও জাতভেদে এর উচ্চতা কিছুটা বেশি হতে পারে। গাছের কাণ্ড পুরু, নরম এবং রসালো। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে সহজেই ভেঙে যেতে পারে। গাছের প্রকৃতি সাধারণত ঝোপালো।
দোপাটি গাছের পাতাগুলো লম্বাটে বা কিছুটা বল্লমাকার। পাতার কিনারা করাতের দাঁতের মতো খাঁজকাটা। সবুজ পাতার সঙ্গে বিভিন্ন রঙের ফুলের সমন্বয় দোপাটি গাছকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তোলে। দোপাটি ফুল একক কিংবা দ্বৈত পাপড়ির হতে পারে। ফুলের রং সাদা, গোলাপি, লাল, বেগুনি ইত্যাদি। দ্বৈত পাপড়ির ফুল ছোট গোলাপের মতো দেখতে হয়। এই কারণে বাগানের সৌন্দর্য বাড়াতে এবং বাগানের বর্ডার তৈরিতে দোপাটি গাছ জনপ্রিয়। গরম ও বর্ষাকালে দোপাটি ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং এই সময় প্রচুর ফুল ফুটতে দেখা যায়। উষ্ণ ও অনুকূল পরিবেশে বছরের অন্য সময়েও ফুল ফুটতে পারে। বীজ থেকে সহজেই এর চারা জন্মানো যায় এবং বাড়ির আঙিনা, বাগান কিংবা টবেও এটি চাষ করা সম্ভব।
তবে দোপাটি ফুলের সবচেয়ে বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য তার ফলের মধ্যে নিহিত। ফল পরিপক্ক হলে সামান্য স্পর্শ বা চাপেই এর ফলের খোসা হঠাৎ ফেটে যায় এবং ভেতরের বীজ চারদিকে ছিটকে পড়ে। বীজ ছড়িয়ে দেওয়ার এই বিস্ফোরণধর্মী পদ্ধতির কারণে ইংরেজিতে দোপাটির একটি প্রচলিত নাম ‘ঞড়ঁপয-সব-হড়ঃ’ রয়েছে।
দোপাটি শুধুমাত্র একটি পরিচিত বাগানফুল নয় বরং বর্ষার প্রকৃতিতে রঙের এক সুন্দর সংযোজন। নরম কাণ্ড, সবুজ পাতা এবং বাহারি রঙের ফুলের সমাহারে এটি বাড়ির আঙিনা ও বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। সহজে জন্মানো এবং পরিচর্যা তুলনামূলকভাবে সহজ হওয়ায় গ্রামবাংলার বাড়ির আঙিনা থেকে শহরের টবের বাগান-সবখানেই দোপাটি ফুলের রয়েছে আলাদা কদর। ছবিটি শনিবার সকাল ১১টার দিকে মৌলভীবাজার শহরের ফরেস্ট অফিস রোডের কল্লোল দেবের বাসার ছাদবাগান থেকে তোলা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এসসিসিআই) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন, যা আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নতুন প্রশাসক হিসেবে এজাজ আহমদ চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছে। এর আগে প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা। সিলেট চেম্বারের পক্ষ থেকে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। একই দিনে নগরীর জেলরোডে চেম্বার ভবনের সামনে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের প্রতি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৪ সেপ্টেম্বরের আদেশ অনুযায়ী আগামী ৫ নভেম্বরের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। এদিনের পৃথক আদেশে এজাজ আহমদ চৌধুরীকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নতুন প্রশাসক সদস্য অন্তর্ভুক্তি ও সদস্যতালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন নির্বাচনী তফসিল ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন করে একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করবেন।
সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন নিয়ে এর আগে দুবার তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কোনোবারই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে নতুন প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে সদস্য অন্তর্ভুক্তি, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং নতুন নির্বাচনী তফসিল প্রণয়নের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
এদিকে, নির্বাচন বারবার স্থগিত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরাম। রোববার দুপুরে চেম্বার ভবনের সামনে উপস্থিত হয়ে ফোরামের নেতৃবৃন্দ জানান, বারবার নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ঐতিহ্যবাহী এ বাণিজ্যিক সংগঠনের কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও হতাশা তৈরি হয়েছে, যার ফলে ব্যবসায়ীরা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তবে, সরকার নতুন প্রশাসক নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেটি তারা পর্যবেক্ষণ করছেন।
ফোরামের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবনিযুক্ত প্রশাসক এজাজ আহমদ চৌধুরী দ্রুত সদস্যপদ ও ভোটার তালিকার ত্রুটি নিরসন করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়ন করবেন। এরপর অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ পরিবেশে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা হবে। ব্যবসায়ী ফোরামের নেতৃবৃন্দ আরও জানান, একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এজাজ আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে চেম্বারের নিরপেক্ষতা ও আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং প্রকৃত ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর সময় সিলেট ব্যবসায়ী ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক আলীমুল এহছান চৌধুরী, প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জুবায়ের রাকিব চৌধুরী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কবির আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী নুরুল আলম, সদস্য সচিব মো. আব্দুল কাদির, অর্ডিনারি পরিচালক পদপ্রার্থী মাজহারুল ইসলাম, শামসুর রহমান কামাল, কামরুল হামিদ, তাজুল ইসলাম, হাফিজুর রহমান, সৈয়দ আব্দুল হামিদ, রুবেল আহমদ, গোলাম কিবরিয়া, মুক্তাদির ফাহাদ, অ্যাসোসিয়েট পরিচালক পদপ্রার্থী রেহান উদ্দিন রেহান, ইব্রাহিম খলিল, মামুনুর রশিদ মামুন, ফারেছ আহমেদসহ ফোরামের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ