মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৫ পি.এম
ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিএনপির বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন)।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে তিনি রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন তার বাবার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
রবিন জানান, তার বাবার নামাজে জানাজা আগামীকাল মঙ্গলবার বাদ যোহর শ্যামপুর কদমতলীর লাল মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি সবার কাছে তার বাবার জন্য দোয়া প্রার্থণা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"খেলাধুলায় বাড়ে বল, মাদক ছেড়ে খেলতে চল। তরুণ সমাজকে সুস্থ জীবনের নিশ্চয়তা দিতে খেলাধুলার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ ও সচেতন করে গড়ে তুলতে হবে। সুস্থ তরুণ-তরুণীরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সহযোগিতা করবে।"—এমন মন্তব্য করেছেন বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশালের উজিরপুরে শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বরিশাল জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও উজিরপুর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় বামরাইল এইচ এম ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলী সুজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় শারীরিক শিক্ষা কলেজের অধ্যক্ষ মো. রুবেল খান, বরিশাল জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম, উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন খান, উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান এবং উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম।
এ সময় উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. নাসির উদ্দীন শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সরদার সোহেল, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাহফুজুর রহমান মাসুম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আ ফ ম শামসুদ্দোহা আজাদ, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাইদুল বেপারী, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. শাহাবুদ্দিন আকন সাবু, সদস্যসচিব মো. হাফিজুর রহমান প্রিন্স, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. জিয়া আমিন রাড়ীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় তরুণেরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।
আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীদেরও সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী, চোরাকারবারি, জমি দখলকারী ও জুয়াড়িদের কোনো দলীয় বা রাজনৈতিক পরিচয় নেই। অপরাধী যে-ই হোক, তার পেছনে যত প্রভাবশালী ব্যক্তিই থাকুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো সুপারিশ বা তদবির বরদাশত করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত দেখা যাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বখাটেদের আড্ডা ও ইভ টিজিং কঠোরভাবে দমন করতে হবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতে পুলিশের টহল বাড়ানোর পাশাপাশি হাটবাজার ও ব্যাংক এলাকায় বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে—এমন গুজব ছড়ানো বন্ধেও কঠোর নজরদারি রাখতে হবে।
এমপি সান্টু বলেন, পুলিশ একা সব অপরাধ দমন করতে পারবে না। এ জন্য জনগণকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। তিনি বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ যাতে থানায় গিয়ে হয়রানির শিকার না হন এবং পুলিশ জনগণের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে কাজ করে, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
শারদীয় দুর্গাপূজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে প্রতিটি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা খানুন, উজিরপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন, উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এস এম আলাউদ্দিন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রোকনুজ্জামান টুলু, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরদার সিদ্দিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি আ ফ ম শামসুদ্দোহা আজাদ, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. শাহাবুদ্দিন আকন সাবু ও সদস্যসচিব মো. হাফিজুর রহমান প্রিন্স।
এ ছাড়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মাহাবুব গোমস্তা, উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. নাসির উদ্দীন শরীফ, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সুমন চৌধুরী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেন মজুমদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইশরাত জাহানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী, আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার হাতিয়া এলাকায় এই অবরোধের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই অবরোধের ফলে মহাসড়কের দুই লেনে প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়। এর ফলে যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়।
স্থানীয়দের দাবি, হাতিয়া এলাকায় স্কুল-কলেজ, যমুনা কলেজ এবং বাজার থাকায় প্রতিদিন বহু মানুষকে মহাসড়ক পারাপার হতে হয়। এই কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ পথচারীদের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পার হতে হচ্ছে। নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত একটি আন্ডারপাস নির্মাণের দাবি জানাচ্ছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তার জানান, আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিতে এলাকাবাসীকে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন এখন নতুন দিক নিয়েছে, যা ভোটার তালিকা সংশোধন ও কারচুপির অভিযোগের প্রেক্ষাপটে। ক্ষমতাসীন মোদি সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়কার প্রতিবাদী গানগুলোও যোগ দিয়েছে।
গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ত্রিপুরা শাখার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, বিরোধী জোটের নেতা-কর্মীরা মোদি সরকারের বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধন ও ভোট চুরির অভিযোগের বিরুদ্ধে স্লোগান ও মিছিল নিয়ে রাজপথে এগিয়ে যাচ্ছেন। মিছিলের আবহে বাংলাদেশের প্রতিবাদী গান ‘দেশটা তোমার বাপের নাকি’ শোনা যায়।
এই গানটি সংগীতশিল্পী মৌসুমী চৌধুরীর কণ্ঠে এবং ইথুন বাবুর গীতিকথা ও সুরে রচিত, যা মূলত ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের দমন-পীড়ন ও বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে খুনি হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে গানটি নতুনভাবে প্রাণ পায় এবং আন্দোলনকারীদের কাছে এক প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ওঠে।
গণতন্ত্র ও অধিকার রক্ষার তাগিদে রচিত এই প্রতিরোধ সুরের তীব্রতা এবার সীমানা ছাড়িয়ে ভারতীয় রাজনীতির উত্তপ্ত ময়দানেও প্রতিধ্বনি সৃষ্টি করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন নাগরিক আন্দোলনের পর এবার বিরোধী জোটের কেন্দ্রীয় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে গানটির এই সংযোজন কেবল ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রতিবাদের বৈচিত্র্যকেই ফুটিয়ে তোলে না, বরং শাসকগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের একই সুর ও লড়াইকে নির্দেশ করে।
গানটি মূলত শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার অপব্যবহার, কণ্ঠরোধ এবং স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভকে তুলে ধরে। গানে স্পষ্ট ও কড়া ভাষায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তির নিজস্ব সম্পত্তি কি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুনভাবে ৮০টি লোকোমোটিভ আনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এর মধ্যে ৩০টি লোকোমোটিভ ক্রয়ের প্রস্তাব জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) অনুমোদিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিধি অনুযায়ী দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এসব লোকোমোটিভ ক্রয় করা হবে। তিনি জানান, এগুলো দেশে পৌঁছাতে আরও দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগতে পারে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, রেলওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নতুন লোকোমোটিভ সংগ্রহের পাশাপাশি প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। দ্রুততম সময়ে এসব লোকোমোটিভ সংগ্রহ করা গেলে রেলওয়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।
রেলওয়ের সামগ্রিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, বিগত সরকার ১৮ বছরে রেল খাতে ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে। কিন্তু এ সময়ে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি। অপচয়, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও লুটপাটের কারণে রেলওয়ের যে অগ্রগতি হওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে রেলওয়ে পিছিয়ে পড়েছে এবং কোথাও কোথাও রেলসম্পদ ধ্বংস হয়েছে।
তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে রেলসেবার মানের প্রত্যাশিত পরিবর্তন হয়নি। গত ১৮ বছরে রেলওয়ে বিভাগের যথাযথ তদারকির অভাব ছিল। বর্তমান সরকার এ অবস্থা থেকে উত্তরণের চেষ্টা করছে। তবে রেলওয়ের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও যাত্রীদের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করতে কিছুটা সময় লাগবে। রেলওয়ের সেবার মান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সক্রিয় রয়েছেন।
রেল যোগাযোগকে আরও যাত্রীবান্ধব করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে রেলওয়ে বিভাগকে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রেলভিত্তিক যাত্রী পরিবহন সম্প্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে রেল যোগাযোগের ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে।
তিনি বলেন, ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে সকালে ঢাকায় এসে রাতে ফিরে যাওয়ার সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার কাজ করছে। যাত্রীদের যাতায়াত সহজ করা এবং রেলসেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে রেলওয়েকে আরও জনবান্ধব করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলামসহ রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ