ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ঘানার দায়িত্ব ছাড়লেন কুইরোজ


বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর ঘানার দায়িত্ব ছাড়লেন কুইরোজ

বিশ্বকাপের শেষ ৩২ রাউন্ড থেকে বিদায়ের পর ঘানার কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন কার্লোস কুইরোজ।

নক আউট পর্বের ঐ ম্যাচে কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত শুক্রবার কলম্বিয়ার কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় ঘানা। এই ম্যাচে ঘানা মাত্র আটবার গোলের সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে কুইরোজ ইরানের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিতে গিয়ে কুইরোজ বলেন, ‘আমরা যা অর্জন করেছি তাতে আমি গর্ব নিয়েই দায়িত্ব শেষ করার ঘোষণা দিচ্ছি। তবে যারা সবসময়ই আরও বেশি কিছু চায় তাদের জন্য বিশ্বকাপে এভাবে বিদায় নেওয়াটা হতাশার।’

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

ভবিষ্যতে ঘানার আরও অনেকদূর যাওয়ার প্রত্যাশা করে কুইরোজ বলেন, ‘ব্ল্যাক স্টার্সদের ভবিষ্যৎ শুধুমাত্র মাঠেই রচিত হবে না, এখানে অনেক কিছু জড়িত।’

রিয়াল মাদ্রিদের কোচ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই সহকারী কোচ আরও বলেন, "উচ্চতর পর্যায়ে পৌঁছানো কখনোই শেষ গন্তব্য হওয়া উচিত নয়, বরং সেটিই হওয়া উচিত আরও বড় উচ্চাকাঙ্খার সূচনা। ব্ল্যাক স্টার্সের সাফল্যের ভিত্তি গড়ে উঠতে হবে মাঠের বাইরে- ঘানার অসাধারণ ফুটবল প্রতিভাদের প্রস্তুত করা, সুরক্ষা দেওয়া এবং বিকশিত করার জন্য সর্বোত্তম পরিবেশ সৃষ্টি করার মাধ্যমে।"

অটো আদ্দোকে বরখাস্ত করার পর বিশ্বকাপকে সামনে রেখে চলতি বছরের এপ্রিলে কুইরোজকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খামেনির মরদেহ কেন নেওয়া হচ্ছে ইরাকে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


খামেনির মরদেহ কেন নেওয়া হচ্ছে ইরাকে?

আগামী বুধবার (৮ জুলাই) ইরাকে কারবালায় নেওয়া হবে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ। এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, ইরাকে কেন তার মরদেহ নেয়া হবে, এবং বাগদাদের জন্য খামেনির শোকানুষ্ঠান কতটা গুরুত্বপূর্ণ? এছাড়াও, এর পেছনে কি অন্য কোন বার্তা আছে?

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যটি ইরানের পাশাপাশি ইরাকের জন্যও এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ঘটনা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ৮ জুলাই খামেনির মরদেহ নিয়ে ইরাকে যাওয়া হবে। সেখানে কারবালা ও নাজাফ শহরে সরকারি সমন্বয়সহ পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটস-পিএইউ-এর সহযোগিতায় বড় আকারে শোকানুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এরপর মরদেহ পুনরায় ইরানের মাশহাদে নিয়ে গিয়ে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে, একজন ইরানি নেতার বিদায় ইরাকে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? বিশ্লেষকরা জানান, রাজনৈতিক নেতাদের জানাজা শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির বিদায় জানানোর অনুষ্ঠান নয়। এটি রাজনৈতিক ঐক্য, বৈধতা ও নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা প্রদর্শনের মাধ্যম। তাই খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতাকে ইরান তার আঞ্চলিক মিত্রের মধ্যে ঐক্য ও সমর্থন পুনর্নিশ্চিত করার সুযোগ হিসেবে দেখছে।

ইরাকের গুরুত্বের মূল কারণ হলো, এটি শিয়া ইসলামের একটি প্রধান পবিত্র স্থান। কারবালা ও নাজাফ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শিয়া ধর্মীয় শিক্ষা ও নেতৃত্বের কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত। অতীতে, কাজার রাজবংশের কয়েকজন ইরানি রাজাকেও কারবালায় দাফন করা হয়েছিল। তাই ইরাকে খামেনিকে স্মরণ করার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উত্তরাধিকার শিয়া ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, ইরানের আঞ্চলিক অবস্থান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। সিরিয়ায় তাদের প্রভাব কমেছে, লেবাননে চাপ বেড়েছে এবং ইরাকে পিএমইউ-কে রাষ্ট্রের অধীনে আনার প্রচেষ্টার বিষয়টি চলছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে, ইরাকে বড় আকারের শোকানুষ্ঠান প্রদর্শনের উদ্দেশ্য হলো—এটি প্রমাণ করবে যে, ইরানের আঞ্চলিক মিত্ররা এখনও একত্রে রয়েছে এবং তাদের সম্পর্ক শুধুমাত্র সামরিকই নয়, বরং সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবেও শক্তিশালী।

খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা চার মাস পরের ঘটনা। এই সময়ের মাঝে, ইরান আবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে, উপসাগরীয় দেশগুলোও আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে, এবং ইরাক নিজেকে যুদ্ধের বাইরে রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। তাই এই শেষকৃত্য শুধুমাত্র অতীতকে স্মরণ করা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের জন্য নতুন একটি রাজনৈতিক পর্যায়ের প্রতীক হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্ক শহরের ইস্ট নদীতে জলবিমানের ‘কঠিন অবতরণ’, উদ্ধার হলেন ৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


যুক্তরাষ্ট্রে  নিউইয়র্ক শহরের ইস্ট নদীতে জলবিমানের ‘কঠিন অবতরণ’, উদ্ধার হলেন ৮ জন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ইস্ট নদীতে জরুরি অবতরণ করা একটি জলবিমান থেকে আটজনকে নিরাপদে উদ্ধার করেছে দমকল বিভাগ।

দুর্ঘটনায় দুজন সামান্য আহত হলেও তারা হাসপাতালে যেতে বা চিকিৎসা নিতে রাজি হননি।

ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বিমান চলাচল প্রশাসন (এফএএ)।

স্থানীয় সময় দুপুরে ম্যানহাটনের ইস্ট ২৩তম স্ট্রিট ও এফডিআর ড্রাইভের কাছে ইস্ট নদীতে একটি বিমান পতিত হওয়ার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিউইয়র্কের দমকল বিভাগের সদস্যরা। তখন জলবিমানটি পানিতে সোজা অবস্থায় ভাসছিল। পরে সেটিকে টেনে কাছের ঘাটে নিয়ে আসা হয়।

দমকল বিভাগ জানায়, উদ্ধার হওয়া বিমানটি ছিল একটি কোডিয়াক ১০০ জলবিমান। এতে থাকা আটজনকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের সামান্য আঘাত লাগে। তবে তারা চিকিৎসা নিতে অস্বীকৃতি জানান।

এফএএ জানায়, পাইলট বিমানটি খুবই দৃঢ়ভাবে অবতরণ করেছিলেন। এতে বিমানের ডানার একটি সহায়ক অঙ্গ ভেঙে যায়। বিমান চলাচলের ভাষায় ‘কঠিন অবতরণ’ (হার্ড ল্যান্ডিং) বলতে এমন অবতরণকে বোঝায়, যখন বিমান স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি জোরে বা বেশি গতিতে মাটি বা পানিতে নামে। এতে বিমানের নিরাপদ অবতরণের নির্ধারিত সীমা অতিক্রম হয় এবং ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এফএএ আরো জানায়, দুর্ঘটনার সময় আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওই বিমানটিকে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা নির্দেশনা দিচ্ছিল না।

নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, জলবিমানটি নিউইয়র্কের জনপ্রিয় সমুদ্রতীরবর্তী অবকাশকেন্দ্র হ্যাম্পটনস থেকে উড়ে এসেছিল। এটি একটি জলবিমান ঘাঁটিতে অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় বিমানটি নদীর বড় একটি ঢেউয়ের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এর পর সেটি আংশিকভাবে উল্টে যায় এবং জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এর আগে একই নদীতে জলবিমান দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে, ১৩ জুন, ইস্ট নদী থেকে উড্ডয়নের চেষ্টা করার সময় দুই আসনের একটি ছোট জলবিমান বড় একটি ঢেউয়ের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সিবিএস নিউজ জানায়, ওই ঘটনায় বিমানটি কুইন্স এলাকার কাছে নদীতে পড়ে যায়। পরে দমকল বিভাগের সদস্যরা পাইলট ও একজন যাত্রীকে একটি নৌকায় তুলে নিরাপদে উদ্ধার করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ নিহত ২ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২১ এম


বীরগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ নিহত ২ জন

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী রাজিউর রহমান (রবি) এবং সকাল বর্মন নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। গতকাল রবিবার, বীরগঞ্জ উপজেলার উত্তর সুজালপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহতদের মধ্যে মো. রাজিউর রহমান রবি বীরগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল বারি মিয়ার পুত্র এবং সকাল বর্মন হলো উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের চৌপুকুরিয়া গ্রামের জামিনী বর্মনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, রবিবার বীরগঞ্জ পৌর শহরের বাসা থেকে মোটরসাইকেলে করে দেবীপুর গ্রামের নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজিউর রহমান রবি। এ সময় উত্তর সুজালপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি অজ্ঞাত ট্রাক্টর তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তিনি দিনাজপুর জিয়া হার্ড ফাউন্ডেশন হাসপাতালে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই তার মৃত্যু ঘটে।

অন্যদিকে, একই দিনের বিকাল ৪টার দিকে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কের দলুয়া বাজার সংলগ্ন এলাকায় দ্রুতগামী একটি ট্রাক ভ্যানকে ধাক্কা দিলে সকাল বর্মন (৩৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়ে যান।

এই ঘটনায় জামিনীর ছেলে তুষার (৬) এবং ভ্যানচালক দোগড়াই খাটিয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে আপেল (৩৫) আহত হন এবং স্থানীয়রা তাদের ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বীরগঞ্জ থানার এসআই নেহার রঞ্জন সরকার জানান, সকাল বর্মন ভ্যানযোগে ঠাকুরগাঁওয়ে জামাইয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে দ্রুতগামী একটি ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হন।

বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দলুয়া এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উত্তর সুজালপুর এলাকায় দুর্ঘটনার ঘটনায় ট্রাক্টর ও চালক পালিয়ে গেছে। নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ত্রিপক্ষীয় ফোন কূটনীতি জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ত্রিপক্ষীয় ফোন কূটনীতি জোরদার

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পঞ্চম বছরে এসে নতুনভাবে উত্তেজনা সৃষ্টির মতো পরিস্থিতির সম্মুখীন। ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে বাধ্য করার জন্য রাশিয়ার অভ্যন্তরে জ্বালানী অবকাঠামোগত উপর্যুপরি হামলার ঘটনা ঘটছে। এর জবাবে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা জোরদার করতে শুরু করেছে। তারা ইউক্রেনের নতুন নতুন অঞ্চল দখলের দাবি তুলছে। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে ফোন কূটনীতির মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

৪ জুলাই, আমেরিকার ২৫০ বছর পূর্তির দিন, পুতিনের সাথে ট্রাম্পের টেলিফোন আলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯০ মিনিট ব্যাপী এই আলাপে ট্রাম্প আবারও যুদ্ধ বন্ধে সহায়তার কথা বলেছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি দাবি করেছেন যে, শনিবার তার ট্রাম্পের সাথে একটি টেলিফোন আলাপ হয়েছে। দুই দেশের নেতাদের সাথে ট্রাম্পের এই আলাপকে সাধারণ সৌজন্য হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বিশেষ করে পুতিনের সাথে ট্রাম্পের ৯০ মিনিটের আলোচনা এবং তাতে যুদ্ধ বন্ধে সহায়তার প্রস্তাব অনেকের মধ্যে আশার সঞ্চার করছে। বিশেষ করে আগামীকাল মঙ্গলবার তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগে এ ত্রিপক্ষীয় ফোন কূটনীতি ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন মোড় আনতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ন্যাটো নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা অস্বস্তি থাকলেও আঙ্কারা সম্মেলনে তার যোগ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পুতিন ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্প এবং মার্কিন জনগণকে মার্কিন স্বাধীনতার ঘোষণার ২৫০তম বার্ষিকীতে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মন্ত্রণালয় আরো জানায়, চলতি বছরে এটাই ট্রাম্প এবং পুতিনের মধ্যে চতুর্থ ফোনালাপ, এবং কথোপকথনটি অত্যন্ত গঠনমূলক ছিল। ট্রাম্প তার প্রস্তুতির বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, ইউক্রেনীয় সংঘাতে যাতে শত্রুতা অবসান করা সম্ভব হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, রাশিয়ান পক্ষ আবারও এই সংঘাতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিচ্ছে। কিন্তু তারা দাবি করেছে, কিয়েভ এবং তার ইউরোপীয় পৃষ্ঠপোষকরা এই সংঘাতকে দীর্ঘায়িত এবং আরও বাড়িয়ে তুলতে চান। মন্ত্রণালয় এমনও জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পুতিন যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন, যেখানে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী আত্মবিশ্বাসের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, শনিবার ট্রাম্পের সাথে তার একটি 'খুব ভালো ফোনালাপ' হয়েছে। জেলেনস্কি বলছেন, 'এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর একটি বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে এবং আমেরিকার সংকল্পই এখানে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ।'

গত মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছিল যে, তারা ন্যাটো বাহিনী মডেলে তাদের অংশগ্রহণ সঠিক আকারে কমিয়ে আনবে। যাতে জোটটি মার্কিন বাহিনীর ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়, সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই মার্কিন এই ঘোষণা। তাই কাল থেকে শুরু হতে যাওয়া আঙ্কারা সম্মেলনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। তবে সম্মেলনের একদিন আগে পুতিন ও জেলেনস্কির সাথে যুদ্ধ বন্ধের ইস্যুতে ফোন আলাপ করে ট্রাম্প ন্যাটো সম্মেলনের আলোচনার মূল ইস্যুকে নিজের দিকে টেনে এনেছেন।

ইরান যুদ্ধে সহায়তা চেয়েও না পাওয়ার পর থেকে ট্রাম্প ন্যাটোর ব্যাপারে নিজের অসন্তোষ গোপন করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%