ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাজারবাগ-কারওয়ান বাজারে ককটেল বিস্ফোরণ, মোহাম্মদপুরে ট্রাকে আগুন


রাজারবাগ-কারওয়ান বাজারে ককটেল বিস্ফোরণ, মোহাম্মদপুরে ট্রাকে আগুন

রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স ও কারওয়ান বাজারে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার রাতে পৃথক এসব ঘটনা ঘটে। তবে এসব ঘটনায় কোনো হতাহত সংবাদ পাওয়া যায়নি। রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের ৩ নম্বর গেটের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।

পল্টন থানার ডিউটি অফিসার এএসআই সমাজ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্বৃত্তরা সেখানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা শনাক্তে কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: রাজারবাগ ও কারওয়ান বাজারে ককটেল বিস্ফোরণ, মোহাম্মদপুরে ট্রাকে আগুন

এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে কারওয়ান বাজারে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের ১ নম্বর গেটের সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান জানান, খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানার ওসিসহ পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়। কারা এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা শনাক্তে তদন্ত চলছে।

এদিকে রাত পৌনে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি ট্রাকটিতে আগুন দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের ডিউটি কর্মকর্তা মো. শাহজাহান জানান, রাত ৮টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে মোহাম্মদপুরে দুটি ইউনিট পাঠানো হয়। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আরও পড়ুন: লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত আল-আমিনের ট্রান্সপ্ল্যান্টে প্রয়োজন ৫০-৬০ লাখ টাকা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ, আহত দুই শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ এম


ছাত্রীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ, আহত দুই শিক্ষার্থী

রাজধানীর গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্সের (সাবেক হোম ইকোনমিকস কলেজ) অধ্যক্ষ অধ্যাপক মেহেরুন্নেছার পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অধ্যক্ষকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এ সময় শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

অধ্যক্ষকে উদ্ধার করার পর কলেজের সামনের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্রীরা। রাত ১২টার পরও শতাধিক শিক্ষার্থীকে সড়কে অবস্থান করতে দেখা যায়। এ সময় তারা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পুলিশ অধ্যক্ষকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। আহত দুই শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এছাড়া, পুলিশের ধড়পাকড়ের সময় ভিডিও ধারণ করতে গেলে এক শিক্ষার্থীর মুঠোফোন নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।

রাত সোয়া ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো—শুক্রবার ক্যাম্পাসে কোনো সরকারি পরীক্ষা নেওয়া যাবে না; ক্যাম্পাসের ভেতরে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করা পুলিশ সদস্যদের শোকজ করতে হবে; অধ্যক্ষের পদত্যাগের লিখিত ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখতে হবে এবং হামলাকে বৈধতা দেওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করতে হবে।

পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ বর্তমানে নিরাপদে আছেন। কলেজের সামনে বেশ কিছু শিক্ষার্থী অবস্থান নিয়েছে এবং তাদেরকে কলেজ ক্যাম্পাসে চলে যেতে বলা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কলেজটির শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা অধ্যক্ষকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাবাসসুম জানান, কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই হলের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের দুই শিক্ষার্থীর আবাসিক আসন বাতিল করেন প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মেহেরুন্নেছা। পরে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি শিক্ষার্থীদের সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

তাবাসসুমের অভিযোগ, ওই দুই শিক্ষার্থীর কাছে ১২ হাজার ৬০০ টাকা দাবি করেন প্রাধ্যক্ষ। টাকার পরিমাণ কমানোর অনুরোধ জানিয়ে আসন বাতিল হওয়া এক শিক্ষার্থী তার পা পর্যন্ত ধরেন। এরপরও তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।

তাবাসসুম আরও বলেন, হলে প্রবেশে কিছুটা দেরি হলেও শিক্ষার্থীদের জরিমানা করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ ও হয়রানির প্রতিবাদে তারা আন্দোলনে নেমেছেন। অধ্যক্ষ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভৈরবে চাঁদা দাবির সংঘর্ষে আহত ১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১০ এম


ভৈরবে চাঁদা দাবির সংঘর্ষে আহত ১৫

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভৈরবপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকায় সংঘর্ষটি ঘটে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের মধ্যে কেউ কেউ ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী রাহাতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ম্যানপাওয়ার ব্যবসায়ী ইউএস ইকবালের কাছে তার ভবনের ভেতরে সাবেক সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া শাহরিয়ারের জমি রয়েছে, এমন দাবিতে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনার পর দুই পক্ষ সালিশে বসে। সেখানে শাহরিয়ারের পক্ষে মিরবাড়ীর রাজন এবং ইউএস ইকবালের পক্ষে রায়হানের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়, যা সংঘর্ষে রূপ নেয়। তবে উভয় পক্ষকে মুরুব্বিরা ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

প্রায় এক ঘণ্টা পর মিরবাড়ীর লোকজন ইউএস ইকবালের ভবনে হামলা চালালে আবারও দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সময় ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভৈরব থানার পুলিশ, এসআরবি এবং প্রশাসনের সদস্যরা রাত সাড়ে ৯টার দিকে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তারা চলে যাওয়ার পর আবারও দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে, যার ফলে কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ, এসআরবি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ ঘটনাস্থলে এসে রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসলিমবান্ধব পর্যটনের গন্তব্য হতে চায় মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১১ এম


মুসলিমবান্ধব পর্যটনের গন্তব্য হতে চায় মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্য

মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্য আন্তর্জাতিক পর্যটনের মুসলিমবান্ধব গন্তব্য হিসেবে নিজেদের অবস্থানকে আরও সুসংহত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই উদ্দেশ্যে রাজ্যটিতে শুরু হয়েছে পঞ্চম বিশ্ব ইসলামিক পর্যটন সম্মেলন (ডব্লিউআইটিসি) ২০২৬।

এ সম্মেলনে ৩৫টিরও বেশি দেশের দেড় শতাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, পর্যটন উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট খাতের অংশীদাররা অংশগ্রহণ করছেন। এই সম্মেলন নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব এবং পর্যটন অর্থনীতির বিকাশের পথ তৈরি করছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) পাহাংয়ের কুয়ানতানে জেনিথ হোটেলে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। মালয়েশিয়ার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টার (আইটিসি) সম্মেলনটি আয়োজন করেছে। এতে আনুষ্ঠানিক সহযোগী ও আয়োজক হিসেবে রয়েছে পাহাং রাজ্য সরকার।

সম্মেলনে পাহাং রাজ্যের কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, জীবপ্রযুক্তি ও শিক্ষা বিষয়ক নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান দাতো শ্রী ইর হাজি মোহাম্মদ সোফি তান শ্রী আবদুল রাজাক বলেন, "এ আয়োজন শুধু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাহাংয়ের পর্যটন সম্ভাবনা তুলে ধরার সুযোগ নয়, বরং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে পর্যটন খাতের ভূমিকা নিয়ে আলোচনারও গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাহাংয়ে পর্যটনের পাশাপাশি কৃষি, উৎপাদন ও সেবা খাতেও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এসব খাতের উন্নয়নের সুফল সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, স্থানীয় উদ্যোক্তা, হোমস্টে পরিচালনাকারী এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের অংশীদার করতে হবে।

রাজ্য সরকারের ‘পাহাং ফার্স্ট’ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাজ্যের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। প্রতিটি পরিকল্পনা ও নীতি বাস্তবায়নে এ বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাহাংয়ের মুখ্যমন্ত্রী দাতো শ্রী দিরাজা হাজি ওয়ান রোজদি ওয়ান ইসমাইলের পক্ষে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন মোহাম্মদ সোফি। তিনি মুসলিমবান্ধব পর্যটন খাতের বিকাশে কেন্দ্রীয় সরকার, ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টার, পর্যটনশিল্পের উদ্যোক্তা এবং আন্তর্জাতিক কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতি দেন।

‘সীমান্তের ঊর্ধ্বে বিশ্বাস ও পরিবার’ (ফেইথ অ্যান্ড ফ্যামিলি বিয়ন্ড বর্ডার্স) প্রতিপাদ্যে আয়োজিত সম্মেলনে বলা হয়, পর্যটন কেবল কোনো স্থানে ভ্রমণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের পরিচিতি এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

৫ ও ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সম্মেলনে পর্যটনশিল্পের ভবিষ্যৎ ও সম্ভাবনা নিয়ে ১৩টি আলোচনাপর্ব রাখা হয়েছে। এতে নতুন পর্যটন বাজার, ওমরাহর ভবিষ্যৎ, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি, জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), হালাল খাদ্যসংস্কৃতি, ইসলামি ঐতিহ্য এবং মুসলিমবান্ধব পর্যটন স্বীকৃতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্থান পেয়েছে।

সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, মুসলিমবান্ধব পর্যটনশিল্পের আন্তর্জাতিক পরিসর বাড়াতে চারটি কৌশলগত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বিনিময়। এর মাধ্যমে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে পর্যটন অবকাঠামো, ডিজিটাল প্রচার, বাজার সম্প্রসারণ এবং দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পাহাং পর্যটন বিভাগ এবং কিংস পার্ক গেন্টিং হাইল্যান্ডসের মধ্যে সমঝোতার লক্ষ্য হচ্ছে পাহাংয়ের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে গেন্টিং হাইল্যান্ডসকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা।

অন্যদিকে, ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টার, কিংস পার্ক গেন্টিং হাইল্যান্ডস এবং রিতা সিনার্জি হোল্ডিংস এসডিএন বিএইচডির মধ্যে আরেকটি সমঝোতা হয়েছে। এর আওতায় গেন্টিং হাইল্যান্ডসে আন্তর্জাতিক মানের উন্নত মুসলিমবান্ধব পর্যটন পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

এ ছাড়া কানাডাভিত্তিক হালালি অ্যাপ লিমিটেডের সঙ্গে ইসলামিক ট্যুরিজম সেন্টারের চুক্তিতে ডিজিটাল সমন্বয় ও বৈশ্বিক প্রচারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। চীনের হালাল সার্টিফিকেশন সার্ভিসেস (চংকিং) কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে অপর সমঝোতায় মুসলিমবান্ধব নিশ্চয়তা স্বীকৃতি কর্মসূচি (এমএফএআর) বাস্তবায়ন এবং চীনে সংশ্লিষ্ট খাতের সক্ষমতা উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার পর্যটনবিষয়ক উপসচিব চুয়া চুন হোয়া, পাহাং রাজ্যের ঐক্য, পর্যটন ও সংস্কৃতিবিষয়ক নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান লিওং ইউ মান, পাহাংয়ের ওরাং কায়া ইন্দেরা পাহলাওয়ান দাতো শ্রী হাজি ওয়ান আবদুল ওয়াহিদ ওয়ান হাসানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ সম্মেলনের মাধ্যমে পাহাংয়ের পর্যটন সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও পরিচিতি পাবে। একই সঙ্গে মুসলিমবান্ধব পর্যটন খাতে নতুন বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব এবং বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রান্নাঘর পরিপাটি রাখার ৫টি কার্যকর কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:১২ এম


রান্নাঘর পরিপাটি রাখার ৫টি কার্যকর কৌশল

রান্নাঘর অগোছালো থাকলে তা দেখতে আকর্ষণীয় নয়। বিশেষ করে প্রয়োজনের সময় কাঙ্খিত জিনিসটি খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। কম জায়গায় রান্নাঘরকে পরিপাটি করে রাখার জন্য কিছু সহজ কৌশল রয়েছে।

রান্নাঘরের দেয়ালে র‍্যাক লাগান

রান্নাঘরের প্রয়োজনীয় সব বাসনপত্র গুছিয়ে রাখার জন্য দেওয়ালে মজবুত র‍্যাক স্থাপন করা যেতে পারে। এই র‍্যাকের সাহায্যে ছোট কড়াই, প্যান, ছাঁকনি, চামচসহ আরও অনেক পাত্র ঝুলিয়ে রাখা সম্ভব। এভাবে বাসনগুলো রাখলে স্ল্যাবের উপর জায়গা অনেক ফাঁকা হয়ে যায় এবং প্রয়োজনীয় বাসনপত্র সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।

অনেক বাসন একসঙ্গে রাখুন

অনেক সময় প্রতিটি বাসন আলাদা করে রাখার ফলে অনেক জায়গা নষ্ট হয়। তবে যদি একটি বড় বাসনের মধ্যে আরেকটি ছোট বাসন ঢুকিয়ে রাখা যায়, তাহলে অনেক জায়গা খালি থাকবে।

রান্নাঘরে একটি পুল আউট ড্রয়ার বসানো যেতে পারে।

রান্নাঘরের নীচের দিকে জায়গা থাকলে সেখানে পুল আউট ড্রয়ার তৈরি করা সম্ভব। এই ড্রয়ারের মধ্যে প্রয়োজনীয় বাসনপত্র রেখে দিলে দরকারের সময় তা সহজেই পাওয়া যাবে। হাঁড়ি, কড়াই-এর মতো ভারী বাসনপত্রও এর মধ্যে রাখা যেতে পারে। এই ড্রয়ারের বিশেষত্ব হলো এটি টানার সঙ্গে সঙ্গেই বাসনপত্র হাতের কাছে চলে আসে। তাই রান্নাঘরে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় বাসন রাখার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর।

সব পাত্রের ঢাকনা আলাদা রাখুন

রান্নাঘরে ঢুকলেই দেখা যায় বেশিরভাগ বাসনপত্রের ঢাকনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে। বাসন এইভাবে অগোছালো হয়ে পড়ার কারণে রান্নাঘরের অর্ধেক জায়গা নষ্ট হয়। তাই প্রথমে রান্নাঘরে গিয়ে সমস্ত পাত্রের ঢাকনা আলাদা করে নেওয়া উচিত। এগুলি রাখার জন্য একটি আলাদা স্ট্যান্ড কেনা যেতে পারে। সেই স্ট্যান্ড শুধুমাত্র পাত্রের ঢাকনা রাখার জন্য ব্যবহার করুন। এর ফলে রান্নাঘরে অনেক বেশি বাসনপত্র রাখা সম্ভব হবে।

ফাঁকা জায়গায় ছোট র‍্যাক বসান

রান্নাঘরে ফাঁকা জায়গা থাকলে সেখানে রান্নার মশলা, চায়ের কাপ কিংবা অন্যান্য ছোট বাসন রাখার জন্য একটি ছোট র‍্যাক স্থাপন করা যেতে পারে।

রান্নাঘর পরিষ্কার করার সময় সেখান থেকে ভাঙা অথবা বাতিল বাসনগুলি সরিয়ে ফেলুন। যে বাসনগুলি প্রতিদিন প্রয়োজন হয় এবং যে বাসনগুলি মাঝে মাঝে ব্যবহৃত হয়, সেগুলি আলাদা করুন। তবে রান্নাঘরে বাসন রাখার সময় সেগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে, শুকিয়ে রাখা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%