ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে মানবপাচার মোকাবিলায় বাংলাদেশ-আইওএমের উদ্যোগ


ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে মানবপাচার মোকাবিলায় বাংলাদেশ-আইওএমের উদ্যোগ

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, চাকরির পোর্টালসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মানবপাচারের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে সংঘটিত মানবপাচার প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

এ লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আইওএম-এর মধ্যে ২৪ মাস মেয়াদি একটি প্রকল্পের চুক্তি সই হয়েছে। ‘প্রযুক্তির মাধ্যমে সাইবারনির্ভর মানবপাচার মোকাবিলা’ শীর্ষক প্রকল্পটি ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত মানবপাচার প্রতিরোধের জন্য বাংলাদেশের সক্ষমতা উন্নয়ন করবে।

আইওএম ডেভেলপমেন্ট ফান্ডের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে আইওএম বাংলাদেশ কর্তৃক। এতে অংশীদার হিসেবে থাকবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা বনানী থেকে গ্রেফতার

প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো দীর্ঘমেয়াদে সাইবারনির্ভর মানবপাচার প্রতিরোধে দেশের উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করা। প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত তথ্য, গবেষণার ফলাফল এবং প্রশিক্ষণসামগ্রী ভবিষ্যতে নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রণয়নে সহায়ক হবে। পাশাপাশি মানবপাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান জাতীয় ও আন্তঃসংস্থার কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার আশা করা হচ্ছে।

পাচারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, চাকরির ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে, তাদের প্রলুব্ধ, নিয়ন্ত্রণ এবং শোষণ করছে।

এসব নেককারী কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় প্রকল্পটি তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেবে। এগুলো হলো তথ্য ও জ্ঞানভিত্তিক প্রমাণ তৈরি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কমিউনিটি পর্যায়ে ডিজিটাল সাক্ষরতা উন্নয়ন।

চুক্তিতে সই করেছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং আইওএম বাংলাদেশের মিশনপ্রধান ড. লরা টম বন্ডে। অনুষ্ঠানে ইআরডির অতিরিক্ত সচিব ও জাতিসংঘ উইংয়ের প্রধান এ কে এম সোহেল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা এবং আইওএমের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: অপরাধীরা যত ক্ষমতাবানই হোক, ছাড় পাবে না: আইজিপি

ড. লরা টম বন্ডে বলেন, প্রযুক্তি মানুষের যোগাযোগের ধরন, কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজে পাওয়া এবং অন্যান্য সুযোগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে। তবে একই প্রযুক্তি পাচারকারীদের হাতেও অপব্যবহারের শিকার হতে পারে।

তিনি বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে তথ্য-উপাত্তভিত্তিক গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে প্রযুক্তি শোষণের হাতিয়ার না হয়ে মানবপাচার প্রতিরোধের কার্যকর উপায় হয়ে ওঠে।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত মানবপাচার প্রতিরোধে সরকারের চলমান উদ্যোগকে এ প্রকল্প আরও শক্তিশালী করবে। একই সময় মানব পাচার মোকাবিলায় প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারও বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো সরকারি সংস্থা ও স্থানীয় জনগণের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এর মাধ্যমে সাইবারনির্ভর মানবপাচারের ঝুঁকি প্রতিরোধ, মোকাবেলা এবং প্রশমনে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: শামা ওবায়েদ: বিএনপি সরকারের আমলে সব ধর্মের মানুষ সমঅধিকার পায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


নওগাঁয় প্রত্যাশিত ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক সমাবেশ

 

‘তোমার ফলাফল, তোমার গল্পের শেষ নয়’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অপ্রত্যাশিত ফলাফল প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুপ্রেরণামূলক শিক্ষক-অভিভাবক-শিক্ষার্থী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের নিজস্ব উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পরীক্ষায় অপ্রত্যাশিত ফলাফল প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মানসিক শক্তি জোগানো এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতেই এ আয়োজন তৈরি করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহাদৎ হোসেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. মুনির আলী আকন্দ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মাহমুদ, পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাকিবুল ইসলাম, নওগাঁ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. রাবেয়া খাতুন, অভিভাবক মিনানুর রহমান মিনু এবং শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আয়শা সিদ্দিকা, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। এ সময় বক্তারা নিজেদের জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প তুলে ধরে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যাফেল ড্রয়ের মাধ্যমে ২০ জন শিক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি মানুষের পুরো জীবনই একটি সফলতার গল্প। যারা হেরে গিয়ে আবার নতুন করে জীবনকে সাজিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তারা কখনোই হেরে যান না। তাই এসএসসিতে খারাপ ফলাফল মানে আর ভালো কিছু করা সম্ভব নয়—এমন ভাবনার জগৎ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। জীবনের প্রতিটি দিনই একেকটি সফলতার দিন। সুতরাং আগামীতে আরও ভালো ফলাফল করার শক্তি ও সাহস বুকে ধারণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের সব বিখ্যাত ব্যক্তিই হেরে যাওয়ার পর নতুন অনুপ্রেরণায় জীবনকে নতুন করে সাজানোর চেষ্টা করেছেন বলেই আজ তারা বিশ্ববিখ্যাত।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, নিজের ভাগ্যের ওপর শতভাগ বিশ্বাস রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিটি মানুষ তার জীবনে প্রত্যাশিত সবকিছু কখনোই পায় না। আজ যারা ভালো কিংবা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তারাই আগামী দিনে অনেক ভালো কিছু করার ক্ষমতা রাখে। আগামীতে আরও ভালো কিছু করার জন্য অবশ্যই অভিভাবকদের সন্তানের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আজ সন্তান ভালো কিছু করতে পারেনি মানে এই নয় যে তার দ্বারা আগামীতে আরও ভালো কিছু করা সম্ভব নয়। বর্তমানে বিশ্বে যারা অনেক অর্থশালী, তাদের অনেকেই জীবনের শুরুতে ছোটখাটো কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু তাদের প্রধান শক্তি ছিল কঠোর মনোবল। প্রবল মনোবল ছিল বলেই তারা আজ নিজেদের কর্মগুণে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

জেলা প্রশাসক বলেন, ভালো কিছু হয়নি বলে ভেঙে পড়ে হাল ছেড়ে দেওয়া মানে নিজেকে পরাজিত করা। তাই হাল না ছেড়ে আগামীর জন্য নতুন করে প্রস্তুতি গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। এই কাজে অভিভাবক, শিক্ষক ও সহপাঠীদের শিক্ষার্থীদের বেশি বেশি উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নওগাঁর সাতটি উপজেলার মোট ১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। শতভাগ অকৃতকার্য এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাধ্যমিক, মাদ্রাসা ও কারিগরি—এমপিওভুক্ত এবং নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এমন ফলাফল থেকে বেরিয়ে আসার লক্ষ্যেই মূলত এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ মাস ধরে কাদায় বাঁধা ৪ মহিষ, ইউএনওর হস্তক্ষেপে উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


৬ মাস ধরে কাদায় বাঁধা ৪ মহিষ, ইউএনওর হস্তক্ষেপে উদ্ধার

ঝিনাইদহের মহেশপুরে বুকসমান কাদায় আটকে থাকা চারটি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে। রবিবার (১৬ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হলে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেনের নজরে আসে। তার হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মহিষগুলোকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার স্বরূপপুর ইউনিয়নের গোকুলনগর গ্রামে আব্দুল আলিম দীর্ঘ ৬ মাস ধরে বুকসমান কাদায় মহিষগুলোকে আটকে রেখেছিলেন। সেখানে মহিষগুলোর খাবার খাওয়া এবং ঘুমানোসহ সব কিছুই কাদার মধ্যে করতে হতো। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে অস্বাভাবিক ও কষ্টকর পরিবেশে থাকার ফলে মহিষগুলোর অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছিল।

মহিষগুলোকে কাদা থেকে তুলে নিরাপদ স্থানে রাখার অনুরোধ করা হলেও আলিম তা আমলে নেননি। তারপর স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী আব্দুর রাজ্জাক ও আব্দুর রহিম মহিষগুলোর দুর্দশার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেন। এই ভিডিওটি ইউএনও সাজ্জাদ হোসেনের নজরে এলে তিনি মহিষগুলো উদ্ধারের উদ্যোগ নেন।

স্থানীয় পশুপ্রেমী নাজমুল হোসেন বলেন, প্রাণীরা মানুষের মতো নিজেদের কষ্টের কথা বলতে পারে না। তবে তাদেরও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। চারটি মহিষকে দীর্ঘদিন ধরে কাদার মধ্যে আটকে রাখা দৃশ্যটি সত্যিই হৃদয়বিদারক।

আব্দুল আলীমের মা সত্য খাতুন জানান, তিনি একাধিকবার ছেলেকে বলেছেন মহিষগুলোকে ভালো স্থানে রাখতে। কিন্তু তিনি শোনেননি। মহিষগুলোকে কাদার মধ্যে আটকে রেখে সব সময় সেখানে খাদ্য দেওয়া হত।

মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মহিষগুলো উদ্ধার করে ভালো স্থানে রাখা হয়েছে। মহিষের মালিককে ১৫ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মহিষগুলোর জন্য পর্যাপ্ত শুকনো মেঝে, খাবার পানি ও নিরাপদ বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার্ক পুনরুজ্জীবনে ঢাকা অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪১ পি.এম


সার্ক পুনরুজ্জীবনে ঢাকা অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৪ : বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি সার্ককে কার্যকর করতে ধারাবাহিক রাজনৈতিক উদ্যোগ, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং বিস্তৃত অংশীদারিত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আজ (সোমবার) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) বিদায়ী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে শামা ওবায়েদ এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে চায়। দুই পক্ষ সার্ক প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে নতুন রাজনৈতিক মনোযোগ ও প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন।

গোলাম সারোয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে সার্কের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছেন। এ সময় আঞ্চলিক সংস্থার মুখোমুখি হওয়া বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নানান উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি দেখতে পান যে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতায় সার্কের নিয়মিত কার্যক্রম ও কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে হবে।

গোলাম সারোয়ার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে জানান, ২০২৬ সালের শেষের দিকে ‘সার্ক ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট’ প্রকাশ পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। শামা ওবায়েদ সার্কে গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে তার মেয়াদের অর্জিত গতি পরবর্তী মহাসচিবের আমলেও বজায় থাকবে। বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ সাধন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সার্ক ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে কাঠমাণ্ডুতে সদর দফতর স্থাপন করে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে আট সদস্যের এই আঞ্চলিক ফোরাম দীর্ঘদিন ধরে চরম স্থবিরতার মধ্যে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমানকে বো-মা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


ওমানকে বো-মা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত অবসানের প্রচেষ্টায় যদি ওমান ‘বাধা হয়ে দাঁড়ায়’, তাহলে ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটিতে বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন। সোমবার(১৭ আগস্ট) মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই হুমকি দিয়েছেন, যখন সংঘাতের সমাপ্তি টানার চেষ্টা চলছে এবং তিনি হিমশিম খাচ্ছেন।

ফক্স নিউজের সাংবাদিক ট্রে ইংস্টের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের কোনো চুক্তির পথে যদি ওমান ‘বাধা হয়ে দাঁড়ায়’, তাহলে তিনি সেখানে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করবেন। তাকে সাথে রেখেই তিনি ইরানকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, শিগগিরই যুদ্ধের অবসান ঘটবে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন, কিন্তু এমন কোনো অগ্রগতি এখনো দেখা যায়নি। ইরানে হামলার পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথটির উত্তরে ইরান এবং দক্ষিণে ওমান রয়েছে। প্রণালীটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দেশ দুটির মধ্যে আলোচনা চলমান।

এই নৌপথ দিয়ে ভবিষ্যতে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থা নিয়ে ইরান ও ওমানের কর্মকর্তারা আলোচনা করছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উভয় পক্ষ একটি যৌথ ঘোষণার বিষয়ে কাজ করছে। কিন্তু ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরুর সময় তেহরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এই সমুদ্রপথটি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে মে মাসে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে প্রসঙ্গক্রমে হুমকি দিয়েছিলেন যে, ওমান যদি ‘সঠিক আচরণ’ না করে তবে তিনি দেশটিকে উড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, এএফপি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%