ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে না: মির্জা ফখরুল


স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকবে না: মির্জা ফখরুল

দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে কোনো দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা হবে না, এই তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, তবে এ বিষয়ে জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) শরিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন: পূজামণ্ডপে মুসলমানদের উপস্থিতি সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ: খাদ্যমন্ত্রী

মির্জা ফখরুল বলেন, নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী বিএনপির ৩১ দফা এবং স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, একটি ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী এবং সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: ভারতের পথে যুব মহিলা লীগ নেত্রী সুলতানা বেগম আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালি গার্দিওলাকে কোচ হিসেবে চায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


ইতালি গার্দিওলাকে কোচ হিসেবে চায়

২০২৮ সালের ইউরো কাপকে সামনে রেখে ইতালি বড়সড় ধাক্কা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। ইতালির জাতীয় দলের সদ্য নিযুক্ত স্পোর্টিং ডিরেকটর এবং কিংবদন্তি ফুটবলার পাওলো মালদিনি দলের পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে বিশ্বের অন্যতম সেরা কোচ পেপ গার্দিওলাকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

স্কাই ইতালিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ম্যানচেস্টার সিটি থেকে চলে যাওয়ার পর বর্তমানে দলের মাধ্যমে না থাকা স্প্যানিশ কোচ গার্দিওলার সঙ্গে মালদিনি ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ বৈঠক সম্পন্ন করেছেন, যা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

ইতালির গণমাধ্যমে প্রকাশিত ইঙ্গিত অনুযায়ী, গত সপ্তাহের শেষভাগে বার্সেলোনায় এই হাইপ্রোফাইল বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সময় পাওলো মালদিনির সঙ্গে ইতালির কোচিং স্টাফের আরেক সদস্য লিওনার্দোও উপস্থিত ছিলেন। ম্যানচেস্টার সিটির অধ্যায় শেষ করার পর গার্দিওলা ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন যে তিনি বেশ শান্ত এবং চাপহীন জীবন উপভোগ করছেন।

তবে, ফুটবলার হিসেবে বার্সেলোনা ছাড়ার পর ইতালির ক্লাব ব্রেসিয়া ও রোমাতে খেলার সুবাদে দেশটির প্রতি গার্দিওলার মৌলিক টান সব সময়ই ছিল। সেই আবেগের ভিত্তিতে ইতালির ফুটবল ফেডারেশন গার্দিওলাকে জাতীয় দলের প্রধান কোচের প্রস্তাব দিয়েছে।

গত কয়েক বছর ধরে ইতালির জাতীয় দল আন্তর্জাতিক ফুটবলে কঠিন সময় পার করছে। বিশেষ করে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে না পারায় দেশটির সমর্থকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। এই ভরাডুবি কাটিয়ে আজ্জুরিদের সোনালি দিন ফিরিয়ে আনতে হবে ইতালিয়ান ফুটবল বোর্ডের মূল লক্ষ্য।

যদিও প্রধান কোচের এই পদে রবার্তো মানচিনি এবং আন্দ্রেয়া পিরলোর মতো তারকাদের নামও আলোচনায় রয়েছে, তথাপি ফুটবল বোর্ডের প্রথম পছন্দ কাতালান মাস্টারমাইন্ড পেপ গার্দিওলা। এখন দেখার বিষয় হচ্ছে, ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ট্যাকটিশিয়ান ইতালির দায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন অধ্যায় শুরু করেন কি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৭ পি.এম


আমরা একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ জুলাই ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, ‘আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো। আপনাদের ছেড়ে যাওয়ার কোনো যুক্তিই নেই। তাই আসুন আগামীতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।’

আজ সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশ ভোজের আগে দেওয়া বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

জোট নেতাদের উদ্দেশ্য প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি ছোট ভাই হিসেবে আপনাদের বলবো আমাদের সকলকে ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ, আমাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আসুন আমরা সকলে মিলে জনগণের প্রত্যাশার জায়গাগুলো আগে খুঁজে বের করে তা পূরণ করার চেষ্টা করি। এটা করতে গিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো কোনো জায়গায় দ্বিমত হতে পারে, তবে আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। ভুল বুঝাবুঝির কোন অবকাশ নেই।’

তিনি বলেন, 'আমাদের বড় শক্তি হচ্ছে এই দেশের জনগণ। জনগণের সমর্থন বিএনপিসহ সকল যুগপথ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আছে। তাই আমাদের শক্তি, জোর ততক্ষণ থাকবে যতক্ষণ জনগণের সমর্থন আমাদের সাথে থাকবে। এবং সেটা আল্লাহর রহমতে আমাদের সাথে আছে। কাজেই আমাদের মধ্যে যদি কোনো বিভেদ না থাকে, আমরা নিশ্চয়ই আমাদের ৩১ দফার আলোকেই হোক কিংবা জুলাই সনদের আলোকে হোক ইনশাআল্লাহ সকলে মিলে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।'

একটি বিশেষ দলের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। অথচ আজকে অনেকেই এই সংগ্রামের দাবিদার হতে চায়। আমি নাম উল্লেখ করতে চাই না। তবে যাদেরকে একটি শব্দ 'গুপ্ত' ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষ তাদেরকে চেনে।'

তিনি বলেন, 'ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে তারা কোথায় ছিল, এদেরকে আমরা অনেক খুঁজেছি কিন্তু পাইনি। তবে তাদের কিন্তু রাজপথে না পেলেও যারা এই দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তাদের সাথে বিভিন্নভাবে আমরা দেখেছি। অথচ ৫ আগস্ট স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পরে এই গুপ্ত বাহিনী ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করেছিল। কাজেই আসুন এসব গুপ্তদের হাত থেকে এ দেশকে রক্ষা করতে, দেশের মানুষ আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে তা ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ হই।'

বক্তব্যের শুরুতে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, আমরা এখানে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একসাথে বসে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ টি দফা উপস্থাপন করেছিলাম বাংলাদেশের মানুষের সামনে। আমরা যখন এটি উপস্থাপন করেছিলাম তখন বাংলাদেশের অন্য অনেকগুলো রাজনৈতিক দল সংস্কার নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলেছে। কিন্তু সেই রাজনৈতিক দলগুলোকে আমরা তখন সংস্কারের বিষয়ে কিছু বলতে শুনিনি। কিন্তু আজকে আমরা এই প্যান্ডেলের নিচে যারা বসে আছি, একত্রে আমরা কিন্তু তখন স্বৈরাচারের চোখ রাঙানিকে অপেক্ষা করে রাষ্ট্রের সংস্কারের দফা গুলো আমরা দিয়েছিলাম।'

তিনি বলেন, কাজেই একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি মনে করি, যে ৩১ দফা আমরা সকলে মিলে বসে রচনা করেছিলাম, সেই ৩১ দফার পক্ষে বাংলাদেশের জনগণ রায় দিয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের জনগণের ৩১ দফা হয়ে গেছে। কাজেই এটি বাস্তবায়নে আমরা সমমনা যারা আছি, সকলে মিলে কাজ করতে হবে।

ক্ষমতা গ্রহণের পরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের কী ধরনের বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া পুরো দেশ ছিলো বিধ্বস্ত। ইকোনমি, জ্বালানি, বিদুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রত্যেকটি ব্যবস্থা ছিল ভঙ্গুর। এই অবস্থায় আমরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছি। তারপরেও আমরা রাতদিন পরিশ্রম করার মাধ্যমে চেষ্টা করেছি কীভাবে দেশের মানুষকে একটু স্বস্তি দেওয়া যায়। শতভাগ পেরেছি কিনা জানি না, তবে আমরা চেষ্টা করেছি এবং করে যাচ্ছি। শতভাগ না হলেও নিশ্চয়ই কেউ অস্বীকার করবে না-একদম নতুন একটি সরকার হিসেবে যেভাবে কাজ করছি, তাতে মানুষজনকে কিছুটা হলেও আমরা কমফোর্ট দিতে সক্ষম হয়েছি। আগামীতে সরকার পরিচালনায় সকলকে আহ্বান জানাবো আমাদের পাশে থাকার।’

এর আগে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় যমুনায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী শরিক দল ও জোট নেতাদের টেবিলে টেবিলে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

কুশল বিনিয়ম পর্বের পর নেতাদের নিয়ে রাতে খাবার টেবিলে বসেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে। কোরআন তেলোয়াত করেন ইসলামী ঐক্যজোটের শওকত আমিন।

শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বুফে দাঁড়িয়ে শরিক নেতাদের সাথে খাবার নেন এবং শরিক নেতাদের সাথে এক টেবিলে খাবার খান। এ টেবিলে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাতীয় পার্টি(কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী জনশক্তি পার্টির শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।

জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, সাম্যবাদী দলের নুরুল ইসলাম, ইসলামিক পার্টির আবুল কাসেম, কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, ডেমোক্রেটিক লীগের মহিউদ্দিন কাদরি শওকত, খোকন চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ ন্যাপের শাওন সাদেকী, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ-এর নুরুল আমিন ব্যাপারি, গণ দলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মন্ডল, গণফোরামের মিজানুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর, ফারুক হাসান, আম জনতা দলের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মিয়া মসিউজ্জামান, আম জনতার দলের তারেক রহমান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম, খন্দকার আহসান হাবিব, জনতার অধিকার পার্টির তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, এম এ আর রাজা রহমান, এনডিপির একাংশের কেএস আবু তাহের, অপর অংশের আবদুল্লাহ আল হারুন, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, বিএনপির শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, রেদোয়ান আহমেদসহ ৪১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জের আবাসিক হোটেল থেকে পাঁচ নারীসহ আটক ১১ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৮ পি.এম


গোপালগঞ্জের আবাসিক হোটেল থেকে পাঁচ নারীসহ আটক ১১ জন

গোপালগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি অভিযানে দক্ষিণ বাংলা গেস্ট হাউজ থেকে ৫ নারীসহ ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অঙ্কের অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ওই হোটেলটি সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ঘোনাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিরুদ্ধ দেব রায়।

তিনি জানান, হোটেলটিতে অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে— এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ নারীসহ ১১ জনকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিভিন্ন অঙ্কের অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি দক্ষিণ বাংলা গেস্ট হাউজ সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও তিনি জানান, এর আগে গত বছরের নভেম্বর মাসে একই হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালীগঞ্জে স্বর্ণের লোভে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী অপহরণ করে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত ঘাতক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মামুন বিল্লাহ কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১১ পি.এম


কালীগঞ্জে স্বর্ণের লোভে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী অপহরণ করে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত ঘাতক

কালীগঞ্জে স্বর্ণের লোভে তৃতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম ফারজানা সুলতানা (৯)। তাকে অপহরণের পর পাশের বাড়িতে বেঁধে রেখে গলা কেটে হত্যা করে। এই ঘটনার খবর পেয়ে জনতা উত্তেজিত হয়ে ঘাতক সুমাইয়া খাতুন নামে ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২০ জুলাই) রাত ৯ টার দিকে সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাজলা কাশিবাটি গ্রামে। নিহত স্কুলছাত্রী কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী এবং কাজলা কাশিবাটি গ্রামের আব্দুল লতিফের কন্যা।

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। জানা গেছে, নিহত স্কুলছাত্রী সকালে স্কুলে গিয়ে ক্লাসরুমে ব্যাগ রেখে সুমাইয়ার ঝাল মুড়ির দোকানে যায়। ধরি, তখন ফারজানার কানে দুটি স্বর্ণের দুল দেখে লোভ সামলাতে না পেরে সুমাইয়া প্রথমে মুখ চেপে ধরে অপহরণ করে। পরে ফারজানাকে পাশের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার হাত পা বেঁধে ওয়ারড্রপের মধ্যে লুকিয়ে রাখে।

এরপর সুমাইয়া তাকে জবাই করে হত্যা করে এবং ওয়ারড্রপের মধ্যে রেখে দেয়। জমিরি খোঁজ না পেয়ে ফারজানার বাবা-মা, পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী মাইকিং করে এবং সাংবাদিকদের মাধ্যমে নিখোঁজের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সন্ধ্যা ৭ টায় এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে সুমাইয়ার ঘর তল্লাশি করতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। পুলিশ আসার পর জনতা ঘর তল্লাশি করে এবং ফারজানার লাশ দেখতে পায়। এই খবরে উত্তেজিত জনতা সুমাইয়াকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে এবং লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%