এস এম সাহান, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
০১:১৩ এম
ফরিদপুর সদর উপজেলার শৌলডুবী এলাকায় গাছবোঝাই একটি নছিমনের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মো. জুলহাস (২৮) নামে এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শৌলডুবী এলাকার হাছেন মাতুব্বরের বাড়ির পাশের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জুলহাস ফরিদপুরের সালথা উপজেলার নিধিপট্টি গ্রামের ওহিদ মোল্লার ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোরিকশাচালক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে জুলহাস অটোরিকশা নিয়ে শৌলডুবীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা গাছবোঝাই একটি নছিমনের সঙ্গে তার অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে তিনি গুরুতর আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, ওই সড়কে ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল ও অসতর্ক ড্রাইভিংয়ের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সড়কে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেলের মজুত চার দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
এমন অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও বাস্তবের পরিস্থিতিটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে একদিকে যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সম্ভাব্য আলোচনাকে কেন্দ্র করে বাজারে সতর্ক আশাবাদ তৈরি হয়েছে। ফলে সরবরাহ সংকুচিত হলেও তেলের দাম নিম্নমুখীভাবে অব্যাহত রয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের জ্বালানি বিভাগের সর্বশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) থেকে আরও ৫৫ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার ফলে মোট মজুত কমে ৩২ কোটি ৫৭ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। এটি ১৯৮৩ সালের মে মাসের পর সর্বনিম্ন মজুত হিসাবে জানা যাচ্ছে। ইরান যুদ্ধের পর বৈশ্বিক সরবরাহের ঘাটতি মোকাবিলা করা এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই মজুত কমানো হচ্ছে, যার অংশ হিসেবে এসপিআর থেকে মোট ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
শুধু কৌশলগত মজুত নয়, শক্তিশালী রপ্তানি এবং রিফাইনারিগুলোর উচ্চ চাহিদার কারণে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক অপরিশোধিত তেলের মজুতও দ্রুত কমেছে। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, বাণিজ্যিক ও কৌশলগত—দুই ধরনের মজুত মিলিয়ে দেশটির মোট তেল মজুত ১১ কোটি ১৪ লাখ ব্যারেল কমে ১৯ জুন পর্যন্ত ৭৪ কোটি ৩৩ লাখ ব্যারেলে নেমেছে। এটি ১৯৮৪ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়।
যদিও সরবরাহের এই দ্রুত সঙ্কুচিত হওয়া সত্ত্বেও এর প্রভাব তেলের দাম উপর উল্টোভাবে পড়ছে। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও কমেছে। এর ফলে দেশের বাজার টানা দ্বিতীয় মাসের মতো নিম্নমুখী থাকার ইঙ্গিত প্রদান করছে।
আগস্টের জন্য ডেলিভারির ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দশমিক ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭২ দশমিক ৫১ ডলারে নেমে এসেছে, যা গত month's সমাপনী দামের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ কম। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম দশমিক ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭০ দশমিক ৩৬ ডলারে দাঁড়িয়ে রয়েছে। মে মাসের শেষে তুলনার ভিত্তিতে ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১৯ শতাংশ কমেছে।
এই মূল্যপতনের মূল কারণ হিসেবে বাজার বিশ্লেষকদের মতে সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনের প্রত্যাশা। চার মাস ধরে চলা সংঘাতের মধ্যে কাতারের দোহাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য আলোচনার ব্যবস্থাপনা এবং হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হওয়ার আশাবাদ বিনিয়োগকারীদের মনোভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানিয়েছেন, বাজার এখনও পুরোপুরি স্বস্তিতে ফিরেনি। তবে উত্তেজনা কমার বাস্তব ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
এদিকে, ইরান জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের পথ পুনর্নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা শুরু হবে। তবে একই সঙ্গে তেহরান স্পষ্ট করেছে যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ চীনের দুর্বল চাহিদা নিয়েও উদ্বেগ বেড়ে যাচ্ছে। দেশটির আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার জন্য স্পষ্ট লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না, যা আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদক দেশগুলো তেল ও এলএনজি রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে। সাম্প্রতিক জাহাজে হামলা এবং নতুন সামরিক উত্তেজনার মধ্যে গত সপ্তাহে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল যুদ্ধ শুরুর পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির একটি আপিল আবেদন ফেরত দিয়েছে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ডের দুর্নীতি মামলায় সাজা স্থগিতের আবেদন নিষ্পত্তি না করে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে এই আপিল দায়ের করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার অফিস এই আপিলের ওপর আপত্তি তুলে তা ফেরত পাঠায়।
রেজিস্ট্রার অফিসের উত্থাপিত আপত্তিতে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আইনি প্রতিকার সুপ্রিম কোর্টে নয়, বরং ফেডারেল কনস্টিটিউশনাল কোর্টে (এফসিসি) হওয়া উচিত। তবে ইমরান খান ও বুশরা বিবির আইনজীবী সালমান সাফদার এই আপত্তির বিরোধিতা করেছেন। তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন, সংবিধানের ১৮৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে এই আপিলটি সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৯ সালের ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি অর্ডিন্যান্সের ৩২এ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্টের নির্দিষ্ট কিছু সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এফসিসিতে দ্বিতীয় আপিলের বিধান রয়েছে। তবে জামিন বা সাজা স্থগিতের আবেদনের আদেশের বিরুদ্ধে এফসিসিতে আপিল করার কোনো স্পষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা এনএও-তে নেই। ফলে সুনির্দিষ্ট সংবিধিবদ্ধ প্রতিকারের অনুপস্থিতিতে এই আদেশ চ্যালেঞ্জ করার একমাত্র উপযুক্ত ফোরাম হলো পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট।
এর আগে মে মাসের শুরুতে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট সাজা স্থগিতের আবেদনটি এই যুক্তিতে নিষ্পত্তি করে দেয় যে মূল আপিলের শুনানির তারিখ ইতিমধ্যে নির্ধারিত হওয়ায় আলাদাভাবে সাজা স্থগিতের আবেদন বিবেচনার যৌক্তিকতা নেই।
দায়ের করা এই আপিলে ইমরান খান উল্লেখ করেছেন, কারাবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি চোখের সমস্যায় আক্রান্ত হন এবং চিকিৎসার জন্য তাকে কারাগারের বাইরে নিয়ে যেতে হয়েছিল। গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তাকে এভাবে বন্দি রাখা অন্যায় এবং দীর্ঘস্থায়ী নির্জন কারাবাস তাকে চরম মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে ফেলেছে। আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, সাজা স্থগিতের আবেদনটি ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করা হয়েছে।
তথ্য-প্রমাণের প্রাথমিক মূল্যায়ন ছাড়া আবেদনটি খারিজ করা ভুল ছিল উল্লেখ করে এতে বলা হয়, মামলার মেরিট পরীক্ষা করার আইনি ক্ষমতা আদালতের রয়েছে। এছাড়া ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (নাব) বারবার সময় চেয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করেছে এবং ইমরান খানের এই গ্রেফতার সম্পূর্ণ বেআইনি ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কালীগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে এক প্রবাসীর স্ত্রী মোবাইল ফোনে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে।
নিহত নারী জামালপুর ইউনিয়নের চুপাইর এলাকার কামরুল ইসলাম খানের মেয়ে কণা আক্তার (১৯)। তিনি জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের দুবুরিয়া এলাকার মাসুদের ছেলে সৌদিপ্রবাসী মেহেদীর স্ত্রী ছিলেন।
নিহতের স্বজনেরা জানান, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে পারিবারিকভাবে কণার সঙ্গে সৌদিপ্রবাসী মেহেদীর বিয়ে হয়। বিয়ের এক মাসের মাথায় স্বামী প্রবাসে চলে যান।
এর কিছুদিন পর থেকেই শাশুড়ির সঙ্গে কণার মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়, যা একপর্যায়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে রূপ নেয়।
এছাড়া শ্বশুরবাড়ির লোকজন কণা ও তার পরিবারের কাছে যৌতুক ও বিভিন্ন জিনিসপত্র দাবি করে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করেন। এতে অতিষ্ঠ হয়ে একপর্যায়ে কণা তার বাবার বাড়িতে গিয়ে বসবাস শুরু করেন। তিন-চার দিন আগে কণা তার নানাবাড়িতে কাপাইস এলাকায় বেড়ানোর জন্য যান।
মঙ্গলবার সকালে প্রবাসী স্বামী মেহেদীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে দুপুরে নানাবাড়িতে থাকা অবস্থায় একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। জানালা দিয়ে স্বজনরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুরে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি চাকরির নির্ধারিত মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার কারণে পুলিশের দুই অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) এবং একজন উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) অবসরে গেছেন।
মঙ্গলবার, ৩০ জুন, এই কর্মকর্তারা নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় গ্রহণ করেন।
অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন, পুলিশ সদরদপ্তরের ডেভেলপমেন্ট শাখার অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ, ঢাকা রেঞ্জের রেজাউল করিম মল্লিক (যিনি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) এবং ডিআইজি মো. আবুল খায়ের।
অবসরে যাওয়া অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ ডেভেলপমেন্ট শাখার আগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। চলতি বছরের ৪ জুন, রেজাউল করিম মল্লিক অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেছিলেন। সেসময়ে তিনি ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্বে ছিলেন।
এই একই পদে থেকে তাঁকে অবসরে যেতে হলো। গত ২৮ জুন পুলিশের চার অতিরিক্ত আইজিপিকে বিভিন্ন দপ্তরে পদায়ন করা হলে রেজাউল করিম মল্লিককে কোথাও পদায়ন করা হয়নি।
ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হওয়ার আগে, রেজাউল করিম মল্লিক ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ছিলেন। গত বছরের ১২ এপ্রিল, রেজাউল করিম মল্লিককে ডিবিপ্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
সূত্র থেকে জানা যায় যে, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্ব পালনের সময়, রেজাউল করিম মল্লিক রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এমপি-মন্ত্রী, আমলা ও দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বঞ্চনার শিকার বলেও উল্লেখ করা হয়।
অপরদিকে, ডিআইজি আবুল খায়ের ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলের (টিডিএস) ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিন কর্মকর্তার শেষ কর্মদিবসে পুলিশের সদর দপ্তরের অফিসার্স ক্যাফেটেরিয়ায় বিদায় সংবর্ধনার একটি আয়োজন করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ