মাসফিকুল হাসান, বেরোবি প্রতিনিধি
১১:১২ এম
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী উচ্চশিক্ষায় নেতৃত্ব, সুশাসন, বৈচিত্র্য ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে আয়োজিত একটি স্টাডি ট্যুরে অংশ নিতে যাচ্ছেন। আগামী ১৪ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত এই সফরে দেশের আরও সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও অংশগ্রহণ করবেন।
সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব, সুশাসন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় অস্ট্রেলিয়ার উন্নত অভিজ্ঞতা ও কার্যকর চর্চাগুলোর সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা লাভ করা। সফরের সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন উপাচার্যরা মেলবোর্নে পৌঁছে স্থানীয় পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সাংস্কৃতিক রীতিনীতি বিষয়ে একটি ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিমালার বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা দ্বারা সমৃদ্ধ হবেন তারা।
তৃতীয় দিনে অধ্যাপক ড. শওকাত আলী মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব হায়ার এডুকেশন আয়োজিত ‘উচ্চশিক্ষায় নেতৃত্ব ও শাসনব্যবস্থা’ বিষয়ে একটি কর্মশালায় অংশ নেবেন। এই কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, নেতৃত্ব বিকাশ, আর্থিক ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। সফরের অংশ হিসাবে, তিনি মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সফরের শেষের দিকে ‘বৈচিত্র্য ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি’ বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক এবং আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। সেখানে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার, সমতা এবং শিক্ষা ও গবেষণায় অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে ভিক্টোরিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সম্ভাব্য একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে, এমন খবরও পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেছেন, “অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এই সফরের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা, গবেষণা সহযোগিতা, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের নানা বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হবে।” তিনি আরও বলেন, “এই সফর থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের সময় ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্যান্য মার্কিন মিত্র দেশের ওপর টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে হামলা চালাচ্ছে। তবে চারটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ চলাকালীন সময় সংযুক্ত আরব আমিরাত এক সপ্তাহ ধরে ইরানের হামলার পর দেশটি তাদের কৌশল পরিবর্তন করে ইরানের জন্য শত শত কোটি ডলারের আর্থিক সুবিধা দিতে সম্মত হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আলোচনা শুরুর অংশ হিসেবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে আটকে থাকা ইরানের তেল বিক্রির শত শত কোটি ডলার ছাড় বা মুক্ত করার বিষয়ে কিছু বিষয়ও আলোচনায় আসছে। এই সময়ে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
দুটি আঞ্চলিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের জন্য মোট ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে।
তবে, এ বিষয়ে অবগত আরো দুটি সূত্রের দাবি, মোট তহবিলের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলার। তাদের মতে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর ইরানি হামলা বন্ধ করার বিনিময়ে এই অর্থ ছাড়ের বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে।
এ বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, ৩ বিলিয়ন ডলারের প্রথম কিস্তি ইতোমধ্যে ইরানকে দেওয়া হয়েছে। তবে এই অর্থের উৎস কী, তা স্পষ্ট নয়। রয়টার্স নিশ্চিত হতে পারেনি যে, এই অর্থ সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে, না কি দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় বা অন্য কোথাও দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ইরানের অর্থ থেকে ছাড়া হচ্ছে।
শনিবার ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরातের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইরানের জন্য ৩ বিলিয়ন ডলার বা অন্য কোনো অর্থ ছাড় দেওয়ার খবর সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের দাবিগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে কোনো জব্দকৃত বা আটকে থাকা ইরানি তহবিল মুক্ত, স্থানান্তর বা ছাড় দেওয়া হয়নি বলেও জোর দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।
এর আগে রয়টার্স অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে মন্তব্য চাইলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক কর্মকর্তা বলেন, তাদের দেশ আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রনীতি অঞ্চলে উত্তেজনা হ্রাস, স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই পরিচালিত হয়। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সংঘাতের প্রভাব থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সেই প্রচেষ্টাগুলোকে সমর্থন করে।
ইরান সর্বশেষ ৪ মে সরাসরি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হামলা চালিয়েছিল। এই পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
ওয়াশিংটনে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শুক্রবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো চুক্তি স্বাক্ষর বা বৈঠকে যোগদানের জন্য ইরানকে কোনো তহবিল দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, সম্ভাব্য চুক্তিটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে তেহরান তার বাধ্যবাধকতা পূরণ করলে অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে।
এই পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের অনুরোধে ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিষয়টির সংবেদনশীলতার কারণে এই নিবন্ধে উল্লিখিত কোনো সূত্রই তাদের পরিচয় প্রকাশে রাজি হয়নি।
এই ব্যবস্থাটি যুদ্ধের বেশিরভাগ সময়জুড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত-ইরান সম্পর্কের প্রকাশ্য শত্রুতা থেকে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরানি হামলায় দুবাইয়ের হোটেলগুলো খালি হয়ে গিয়েছিল, কিছু প্রবাসী পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল এবং দেশের প্রধান ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে অবস্থানের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা নিরাপত্তার সুনামটি নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল।
এ বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত কমানোর একটি সম্ভাব্য পথ তৈরি করেছে, যেখানে কোনো পক্ষকেই তাদের ঘোষিত ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে না।
সূত্রটির মতে, এর ফলে ইরান যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়ার দাবি করতে পারবে, যুক্তরাষ্ট্রও সরাসরি কোনো অর্থ পরিশোধ না করার অবস্থান বজায় রাখতে পারবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে দুবাইয়ের অবস্থান শক্তিশালী করতে পারবে। একই সঙ্গে, এই উদ্যোগকে আঞ্চলিক আস্থা পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা হিসেবেও উপস্থাপন করা হবে।
আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ প্রদানের বিনিময়ে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বন্ধ করবে। পাশাপাশি দুই দেশ গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ নেবে।
ওই সূত্র আরো দাবি করেছে, ইরান একই ধরনের সমঝোতার জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত আরো দুটি আরব দেশের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর ইরানের সর্বশেষ সরাসরি হামলা হয় ৪ মে। সেদিন ওমান উপসাগর তীরবর্তী ফুজাইরাহ বন্দরে হামলা চালানো হয়েছিল।
প্রথম সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, এই সমঝোতা নিয়ে আলোচনা কয়েক সপ্তাহ আগে শুরু হলেও গত সপ্তাহে তা গতি পায়। সে সময় ইরানের প্রভাবশালী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের পরিচালক আবুধাবি সফর করেন এবং শেখ তাহনুন বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং আবুধাবির উপ-শাসক। সূত্রটি জানায়, ওই সফরের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্মকর্তারাও তেহরান সফর করেন এবং সম্ভাব্য সমঝোতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
দুবাইয়ে বিপুল পরিমাণ ইরানি সম্পদ
সম্ভাব্য সংযুক্ত আরব আমিরাত-ইরান সমঝোতা একটি জটিল আর্থিক প্রেক্ষাপটে এগোচ্ছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুবাই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাই দীর্ঘদিন ধরে ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে আসছে।
দুবাইয়ের বিভিন্ন ব্যাংকে বহু বছর ধরে বিপুল পরিমাণ ইরান-সংশ্লিষ্ট অর্থ জমা রয়েছে। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব তহবিলের বড় অংশ বর্তমানে আটকে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থার আওতায় কোনো বিদেশি ব্যাংক নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত ইরানি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করলে সেটি মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে।
গত ১১ এপ্রিল এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্র দাবি করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র কাতার ও অন্যান্য দেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের কিছু সম্পদ মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা দ্রুতই সেই দাবি নাকচ করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানান, এসব সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সমুদ্রপথ এবং যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে চলমান আলোচনায় এটি অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সম্ভাব্য সংযুক্ত আরব আমিরাত-ইরান সমঝোতা এক জটিল আর্থিক প্রেক্ষাপটে এগোচ্ছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুবাই। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাই দীর্ঘদিন ধরে ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে আসছে।
দুবাইয়ের বিভিন্ন ব্যাংকে বহু বছর ধরে বিপুল পরিমাণ ইরান-সংশ্লিষ্ট অর্থ জমা রয়েছে। তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এসব তহবিলের বড় অংশ বর্তমানে আটকে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ব্যবস্থার আওতায় কোনো বিদেশি ব্যাংক নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত ইরানি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন করলে সেটি মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকে।
গত ১১ এপ্রিল এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্র দাবি করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র কাতার ও অন্যান্য দেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের কিছু সম্পদ মুক্ত করতে সম্মত হয়েছে। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা দ্রুতই সেই দাবি নাকচ করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানান, এসব সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সমুদ্রপথ এবং যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে চলমান আলোচনায় এটি অন্যতম প্রধান বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হারশির্ষক বিষয়বস্তুর ওপর কিছু আলোচনা।
অনলাইন ডেস্ক থেকে খবরটি প্রকাশ পেয়েছে ১৩ জুন, ২০২৬ তারিখে সকাল ১০:৫৩ সময়ে।
সংগৃহীত ছবির মাধ্যমে মূল বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
বিশ্ব অর্থনীতির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগতভাবে বিস্তৃত হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনের সুফল নিশ্চিত রাখতে, বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হারও বাড়ছে এবং এর প্রয়োজনীয়তা বেড়ে চলছে।
এমন পরিস্থিতিতে, লেনদেনের সুবিধার্থে, শনিবার (১৩ জুন, ২০২৬) তারিখের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার সঙ্গে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নিম্নরূপ—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা:
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা,
ইউরো : ১৪১ টাকা ৫৯ পয়সা,
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ০৬ পয়সা,
কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ০১ পয়সা,
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ০৯ পয়সা,
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা,
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৩১ পয়সা,
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ২৮ পয়সা,
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৬ পয়সা,
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৩ পয়সা,
কুয়েতি দিনার : ৩৯৮ টাকা ৬৮ পয়সা,
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৯৪ পয়সা।
মনে রাখতে হবে, *মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
এছাড়া, অন্যান্য তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসীরা নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইতিহাস গড়লেন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক।
স্পেসএক্সের রেকর্ড গড়া শেয়ারবাজারে অভিষেকের পর তিনি বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এক ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক হয়েছেন।
ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ১১ ট্রিলিয়ন ডলার। এর মাধ্যমে তিনি বিশ্বের অন্যান্য শীর্ষ ধনকুবেরদের অনেকটা পেছনে ফেলেছেন।
গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন, অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস, মেটার প্রধান মার্ক জাকারবার্গ এবং এলভিএমএইচের চেয়ারম্যান বার্নার্ড আর্নল্টের চেয়েও অনেক এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
তবে মাস্কের এই অবস্থানে পৌঁছানোর পথ মোটেও সহজ ছিল না। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তিনি ছিলেন বিশ্বের ৩৫তম ধনী ব্যক্তি। সেই সময়ে তার সম্পদের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার। পরবর্তী কয়েক বছরে টেসলা ও স্পেসএক্সের বাজারমূল্য দ্রুত বাড়তে থাকায় তার সম্পদও বিস্ময়কর গতিতে বৃদ্ধি পায়।
২০২১ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তির আসনে বসেন মাস্ক।
যদিও ২০২২ সালে প্রযুক্তি খাতের মন্দা এবং ২০২৫ সালে টেসলার শেয়ারের দরপতনের কারণে তার সম্পদে বড় ধাক্কা লাগে। কিন্তু প্রতিবারই তিনি ঘুরে দাঁড়িয়েছেন।
বর্তমানে মাস্কের সম্পদের সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে স্পেসএক্স থেকে। প্রতিষ্ঠানটিতে তার ৪২ শতাংশ মালিকানা রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৮২১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে টেসলায় তার ১২ শতাংশ শেয়ারগুলোর মূল্য প্রায় ২৮৪ বিলিয়ন ডলার।
এ ছাড়া নিউরালিংক ও দ্য বোরিং কোম্পানিতেও তার উল্লেখযোগ্য অংশীদারত্ব রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে চট্টগ্রামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের দ্বারা হয়রানি ও নির্যাতনের অভিযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায় যে, শুক্রবার রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তারা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়েছেন।
জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের সঙ্গে এমন আচরণকে তারা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিসিবি বলেছে, জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড়ের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক, এবং বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে বোর্ডের পক্ষ থেকে। তদন্তে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই নাঈম হাসান ও তার পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বিসিবি বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধানে চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বোর্ড।
বিবৃতিতে বিসিবি আরো জানায়, খেলোয়াড়দের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নাঈম হাসানের ঘটনায় পরবর্তী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ