প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী উচ্চশিক্ষায় নেতৃত্ব, সুশাসন, বৈচিত্র্য ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে আয়োজিত একটি স্টাডি ট্যুরে অংশ নিতে যাচ্ছেন। আগামী ১৪ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত এই সফরে দেশের আরও সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যও অংশগ্রহণ করবেন।
সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব, সুশাসন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় অস্ট্রেলিয়ার উন্নত অভিজ্ঞতা ও কার্যকর চর্চাগুলোর সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা লাভ করা। সফরের সূচি অনুযায়ী, প্রথম দিন উপাচার্যরা মেলবোর্নে পৌঁছে স্থানীয় পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সাংস্কৃতিক রীতিনীতি বিষয়ে একটি ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়ার বহুসাংস্কৃতিক সমাজ, সামাজিক সম্প্রীতি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিমালার বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা দ্বারা সমৃদ্ধ হবেন তারা।
তৃতীয় দিনে অধ্যাপক ড. শওকাত আলী মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব হায়ার এডুকেশন আয়োজিত ‘উচ্চশিক্ষায় নেতৃত্ব ও শাসনব্যবস্থা’ বিষয়ে একটি কর্মশালায় অংশ নেবেন। এই কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, নেতৃত্ব বিকাশ, আর্থিক ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। সফরের অংশ হিসাবে, তিনি মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। সফরের শেষের দিকে ‘বৈচিত্র্য ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি’ বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক এবং আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। সেখানে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক ন্যায়বিচার, সমতা এবং শিক্ষা ও গবেষণায় অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে ভিক্টোরিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সম্ভাব্য একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে, এমন খবরও পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেছেন, “অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এই সফরের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা, গবেষণা সহযোগিতা, আন্তর্জাতিকীকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের নানা বিষয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হবে।” তিনি আরও বলেন, “এই সফর থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন