মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি
১০:০৫ পি.এম
রাঙামাটি, ১৩ জুন: রাঙামাটি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির উদ্যোগে শনিবার বিকেলে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবনের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ তফাজ্জল হাসান হিরকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কনফারেন্সে জেলার সকল বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, সিভিল সার্জন ডা. নুরেন খীসা, বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক মেজর মোহাম্মদ তৌফিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর, বন বিভাগের কর্মকর্তাসহ জেলার বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
কনফারেন্সে ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ ও শুনানি বিষয়ক প্রক্রিয়া নিয়ে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিপুল কুমার দে একটি তথ্যবহুল উপস্থাপনা দেন। এ সময় তিনি মাল্টিমিডিয়া স্লাইডের মাধ্যমে বিষয়টির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
এছাড়া জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হুয়ায়ুন কবির ফৌজদারি মামলার তদন্ত কার্যক্রমে আইনগত বিষয়াবলি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি তদন্তে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ এবং আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা বিচারিক কার্যক্রম, তদন্ত প্রক্রিয়া ও আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিতদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
সমাপনী বক্তব্যে সৈয়দ তফাজ্জল হাসান হিরক বিচারিক সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুর পৌরসভার উত্তর পালং এলাকায় এক নারীকে বিদ্যুতের খুঁটির সাথে বেঁধে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। খুটিতে বেঁধে রাখার আগে তার মাথার চুল কেটে মুখে কালি লাগিয়ে ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয়া হয়।
শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
পালং মডেল থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শরীয়তপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর পালং শাবনুর মার্কেট এলাকার বাসিন্দা টুটুল সরদার লিভিয়া প্রবাসী। তার স্ত্রী মলি বেগম (৩৭) সন্তানদের নিয়ে উত্তর পালং এলাকার বাড়িতে বসবাস করেন। ওই এলাকার দেলোয়ার কোটারির পরিবারকে ও স্থানীয় কয়েক ব্যক্তিকে মলি বেগম বেশ কিছু টাকা ধার দিয়েছিলেন। ধারের টাকা পরিশোধ নিয়ে তাদের সাথে মলি বেগমের বিরোধ শুরু হয়। শনিবার দেলোয়ার কোটারির স্ত্রী ও মেয়ে মলি বেগমকে উত্তর পালং এলাকার শাবনুর মার্কেটের কাছে আটক করেন। স্থানীয় কয়েকজন নারীকে নিয়ে তারা মলিকে মারধর করে মাথার চুল কেটে মুখে কালি মেখে দেন। এরপর জুতার মালা গলায় পরিয়ে তাকে পালং-প্রেমতলা সড়কের পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়। এ ঘটনা স্থানীয়রা জরুরী সেবা প্রদানকারি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে জানায়। পালং মডেল থানার পুলিশ দুপুর ১২টার দিকে ওই নারীকে উদ্ধার করে। আহত মলিকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মারধরের শিকার মলি বেগম বলেন, আমার সাথে দেলোয়ার কোটারির টাকা-পয়সার লেনদেন আছে। ননজুডিশিয়াল ষ্টাম্পে চুক্তি করে সে টাকা নিয়েছেন। তার কাছে টাকা চাইলেই তিনি তালবাহানা করছিলেন। এক সপ্তাহ আগে আমি টাকার জন্য চাপ দিয়েছি। এরপর আমি সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় চলে যাই। ঢাকার থেকে ফিরলেই দেলোয়ারের স্ত্রী ও মেয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে আমাকে মারধর করেছেন। তারা মাথার চুল কেটে, মুখে কালি মেখে আমাকে বেঁধে রেখেছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।
দেলোয়ার কোটারির মেয়ে মৌসুমি আক্তার বলেন, মলি বেগম আমার বাবাকে উত্তত্য করত। সে আমার বাবা-মায়ের সংসারে নানা ভাবে ঝামেলা সৃষ্টি করেছে। তিনি এলাকায় মাদক বিক্রি করেন। আজ মাদক বিক্রি করার সময় তাকে স্থানীয় কয়েকজন নারী হাতেনাতে ধরে ফেলে। এরপর ক্ষুব্দ এলাকার মানুষ তাকে মারধর করে পুলিশে দিয়েছেন। আমাদের কাছে সে কোন টাকা পাবেন না। এখন তার অপকর্ম আরাল করতে টাকা পাওয়ার মিথ্যা কথা বলছেন।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, মলি বেগম নামের এক নারীর সাথে স্থানী কয়েকজন নারীর টাকা পাওনা নিয়ে ঝামেলা চলছিল। এর জের ধরে কয়েকজন নারী মিলে মলি বেগমকে মারধর করে খুটির সাথে বেঁধে রাখেন। স্থানীয়রা জরুরী সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ঘটনা জানালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে। ওই নারী কিছুটা অসুস্থ হয়ে পরলে তাকে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই নারী আইনগত পদক্ষেপ নিতে চাইলে আমরা সহায়তা করব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শনিবার মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ে আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই অংশে বলেছেন যে, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী এবং মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিসর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলামের আওতায় চতুর্থ এবং পঞ্চম শ্রেণিতে বৃহৎ পরিসরে সাংস্কৃতিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ শনিবার রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ে আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাংস্কৃতিক শিক্ষা দেশের অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গান, নাচ এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড শিশুদের সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাঁর মন্তব্য ছিল যে, যারা সাংস্কৃতিক চর্চার বিরোধিতা করে, আমরা তাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কাছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জিম্মি করতে পারি না। শিক্ষা এবং সংস্কৃতি একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা-ভিশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষায় ধাপে ধাপে সাংস্কৃতিক শিক্ষা চালু করা হবে। এর মাধ্যমে একটি এমন প্রজন্ম গড়ে তোলা হবে, যারা কেবল পাঠ্যবইভিত্তিক জ্ঞানেই নয়, বরং সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা একটি এমন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শিক্ষকতা, বিশেষত প্রাথমিক শিক্ষকতা, একটি সম্মানজনক এবং কাঙ্ক্ষিত পেশায় পরিণত হবে। শিক্ষকদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করা সম্ভব।
প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যিনি শ্রেণিকক্ষে পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন, তিনি শুধু ‘সহকারী’ নন, বরং তিনি একজন শিক্ষক। শিক্ষকের পরিচয় ও মর্যাদা তার দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত।
এ সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর মান্দায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সার্থীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ৫৮ জনের মাঝে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা বিতরণ করা হয়। পরে ইউএনওর সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলার ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফার্স্ট এইড বক্স বিতরণ করেন সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু।
এরপর পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের লক্ষ্যে সারাদেশে ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি নিম গাছের চারা রোপণের মধ্যদিয়ে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য ডা. টিপু বলেন, সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফার্স্ট এইড ব্যবস্থার প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের এমপি আবু সাঈদ চাঁদ বলেছেন, শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে উন্নত জাতি গঠনে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞান অর্জন করলে চলবে না, নৈতিক জ্ঞানও অর্জন করতে হবে। উঠতি বয়সী শিক্ষার্থীরা মাদক সেবনসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে নিজের ভবিষৎকে ধ্বংস করছে। কিশোর শিক্ষার্থীরা রাতেও লেখাপড়া বাদ দিয়ে হাট-বাজারে ঘোরাফেরা করে। শিক্ষার্থীরা আমাদের ভবিষ্যৎ। তাই অভিভাবক ও শিক্ষাকদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা ও নৈতিকতার সমণ্বয় ঘটিয়ে মাদকমুক্ত উন্নত জাতি গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টায় বাঘা ইসলামী একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের চারতালা বিশিষ্ট একতালা একাডেমি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
প্রতিষ্টান পরিচালনা কমিটির সভাপতি সালেহ আহম্মেদ সালামের সভাপতিত্ব উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মি আক্তার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবু জাফর, প্রতিষ্টানের অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব আশরাফ আলী মলিন, সদস্য মোখলেছুর রহমান মুকুল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, বাঘা পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিব, উপজেলা যুবদল সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম শফি, অভিভাবক সদস্য শাহিনুর রহমান, শিক্ষক প্রতিনিধি আলতাব হোসেন, প্রকৌশলী এজাজুল আলম প্রমুখ। রাজশাহী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বাস্তবায়নে ২ কোটি ৬ লাখ ব্যয়ে একাডেমিক ভবন নিমার্ণ কাজর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ