বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:৫৭ এম
২০২৫ সালে ইয়েমেনের হুথিদের লক্ষ্য করে চালানো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলায় ১৫৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও, ২৪৩ জন আহত হয়েছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের একটি পর্যালোচনায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
মঙ্গলবার একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই পর্যালোচনার তথ্য প্রকাশ করেন। ওই পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, ২০১৫ সালে মার্কিন সামরিক বাহিনীর নথিবদ্ধ বেসামরিক হতাহতের সব ঘটনাই ঘটে ছিল এপ্রিল মাসে ইয়েমেনে চালানো তিনটি হামলার কারণে। বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে পেন্টাগনের বার্ষিক প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে ওই অননুমোদিত (শ্রেণীবদ্ধ নয় এমন) প্রতিবেদনটি মার্কিন কংগ্রেসে পাঠানো হয়েছিল।
এনবিসি নিউজ এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এটি হাতে পায়। পেন্টাগনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এপির সঙ্গে কথা বলেন, কারণ তিনি রিপোর্টটি নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করার জন্য অনুমোদিত ছিলেন না। ওই কর্মকর্তা জানান, বিভাগটি আগামী মাসগুলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি জমা দেবে।
এই সংখ্যাটি ২০১৪ সালের তুলনায় অনেক বেশি, কারণ ওই সময় পেন্টাগনের হিসাবে মার্কিন সামরিক অভিযানে দুজন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও দুজন আহত হয়েছিলেন। হামলাগুলো বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানা ও এর আশপাশের এলাকায় হুথি বাহিনী এবং রাস ইসা জ্বালানি বন্দরকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল।
রাস ইসা বন্দরে চালানো হামলাটি ছিল সবচেয়ে প্রাণঘাতী। এতে ৮০ জন নিহত ও ১৭১ জন আহত হন। ওই হামলায় আকাশে বিশাল অগ্নিকুণ্ডলী ছড়িয়ে পড়ে এবং বন্দরে থাকা ট্যাঙ্কার ট্রাকগুলোও জ্বলতে থাকে। হুথিরা পরবর্তীতে তাদের আল-মাসিরাহ টেলিভিশন চ্যানেলে হামলার পরবর্তী পরিস্থিতির দৃশ্য প্রচার করে, যেখানে ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মৃতদেহ দেখা যায়।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অভিযানের তদারককারী সংস্থা ‘ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড’ (সেন্টকম) ওই সময় জানিয়েছিল যে, হুথিদের জ্বালানি ও আয়ের উৎস বিচ্ছিন্ন করাই ছিল হামলার লক্ষ্য। ২০১৫ সালের এপ্রিলে এই হামলার পর সেন্টকম বলেছিল, এই হামলার উদ্দেশ্য ইয়েমেনের জনগণের ক্ষতি করা ছিল না।
সংস্থাটি আরও জানায় যে, ইরান-সমর্থিত হুথি সন্ত্রাসীদের জ্বালানির উৎস ধ্বংস করতে এবং তাদের ওই অবৈধ আয়ের পথ বন্ধ করার জন্য মার্কিন বাহিনী এই পদক্ষেপ নিয়েছিল। ওই অর্থ ব্যবহার করে হুথিরা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পুরো অঞ্চলে ত্রাস সৃষ্টি করে আসছে।
তবে, মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য, বিভিন্ন ছবি ও উন্মুক্ত উৎসের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পেন্টাগনের পর্যালোচনা শেষ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, ওই তিনটি হামলার ফলে বেসামরিক মানুষের ক্ষতির শিকার হওয়ার সম্ভাবনাই ছিল প্রবল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ভুক্তভোগী বা তাদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বা সান্ত্বনা-সূচক অর্থ প্রদানের বিষয়টি যথাযথ ছিল না; যদিও এর কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি। মার্কিন আইন অনুযায়ী এ ধরনের অর্থ প্রদান বাধ্যতামূলক নয় এবং এটি কোনো অপরাধ স্বীকারের শামিলও নয়। তবে, অতীতে বেসামরিক নাগরিক নিহতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র এমন অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে। যেমন, ২০২১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলায় ভুলবশত সাত শিশুসহ ১০ জন নিহত হওয়ার পর পেন্টাগন জানিয়েছিল যে তারা নিহতদের স্বজনদের ক্ষতিপূরণ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ইয়েমেনে মার্কিন অভিযানের ফলে হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে বেসামরিক হতাহতের খবর পাওয়ার পর সেন্টকম আরও ১৫টি ঘটনা পর্যালোচনা করছিল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে মার্কিন সামরিক অভিযানের ফলে বেসামরিক নাগরিক নিহতের বিষয়টি নতুন করে কঠোর পর্যালোচনার মুখে পড়ার মধ্যেই এই তথ্যগুলো সামনে এল।
চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের শুরুর দিনগুলোতে একটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র দেশের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আঘাত হানে, এতে ১৬৮ জন পর্যন্ত মানুষ নিহত হয়। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের তথ্যমতে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বেসামরিক মানুষের ক্ষতি কমানোর দায়িত্বে থাকা পেন্টাগনের একটি দপ্তরের আকারও কমিয়ে এনেছেন।
লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হুথি গোষ্ঠী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করার পর, ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে মার্কিন সেনাবাহিনী প্রথমবার ইয়েমেনে হুথিদের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করে। হুথিরা জানিয়েছিল, গাজায় যুদ্ধের জেরে ইস্রাইলের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং ফিলিস্তিনিদের সমর্থন জানানোর লক্ষ্যেই ওই হামলাগুলো চালানো হয়েছিল।
২০২৫ সালে ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এই অভিযান আরও জোরদার হয়। ওয়াশিংটন জানায় যে, হুথিদের সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে আনা এবং লোহিত সাগর দিয়ে নৌচলাচল সুরক্ষিত রাখা ছিল এসব হামলার লক্ষ্য।
ক্যারিবিয়ান ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মাদক পাচারের অভিযোগে যেসব নৌকায় হামলা চালানো হয়েছিল, সেগুলোতে হতাহতের ঘটনা পেন্টাগনের এই মূল্যায়নের অন্তর্ভুক্ত নয়। প্রতিটি হামলার পর ঘোষিত মৃত্যুর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ওই সব হামলায় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে।
ট্রাম্প প্রশাসন যাদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে তাদের ‘নারকো-টেররিস্ট’ বা মাদক-সন্ত্রাসী হিসেবে অভিহিত করেছে; অন্যদিকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই হামলাগুলোকে বেআইনি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে বর্ণনা করেছে। আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নও যাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে প্রশাসনের দাবিগুলোকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে অভিহিত করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনে পেসার হাসান মাহমুদ শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারদের পরীক্ষায় ফেলছিলেন। ঘাসের উইকেটে তিনি দু’দিকেই সুইং করিয়ে বল করে যাচ্ছিলেন। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে অজি ওপেনার ট্রাভিস হেড বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলেছিলেন। তবে বল নিরাপদ জায়গায় পড়েছিল।
এরপরের ১২ ও ১৪তম ওভারে জ্যাক ওয়েদারল্ডকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে এবং ট্রাভিস হেডকে বোল্ড করে হাসান জোড়া আঘাত হানেন। অস্ট্রেলিয়ায় ওয়েদারল্ড ও হেড দুটি উইকেট হারিয়ে ৫২ রান সংগ্রহ করে।
হাসানের অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের দিকে বেরিয়ে যাওয়া বল দিয়ে জ্যাক ওয়েদারল্ড ফাঁদে পড়েন। সেটিকে তালুবন্দি করেন লিটন কুমার দাস। এরপর হেড স্বভাবসুলভ আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে চাপ এড়াতে চেষ্টায় ছিলেন। প্রথম দুই ডেলিভারিতে ৬ রান নেওয়ার পর, হাসান তৃতীয় বলটি হালকা সুইং করান। এতে অজি তারকার ব্যাট ছুঁয়ে স্টাম্পের বেল উড়ে যায়।
এর আগে ২৩ বছর পর বাংলাদেশকে টেস্টে আতিথ্য দিতে নেমে অস্ট্রেলিয়া টস জিতে। শুরুতে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিক ওপেনারদের দুই প্রান্ত ধরে চ্যালেঞ্জ জানান হাসান মাহমুদ এবং তাসকিন আহমেদ। তবে হাসান তুলনামূলকভাবে বেশি উজ্জ্বল ছিলেন। সুইং ও লাইন-লেংথে তিনি কয়েকবার হেড ও ওয়েদারল্ডকে বিপাকে ফেলেন।
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন ও হাসান মাহমুদ।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: ট্রাভিস হেড, জ্যাক ওয়েদারল্ড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বাস ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজলউড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে মুখোমুখি প্রতিযোগিতা শুরু হল। বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্টের প্রথম দিনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ। সকাল ৬:৩০ টায় শুরু হবে টেস্ট।
এছাড়াও, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলা রয়েছে। সেন্ট লুসিয়া কিংস এবং সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টসের মধ্যে আজ ভোর ৫টায় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার সকালে ৬টায় জ্যামাইকা কিংসমেন এবং গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের মধ্যে একটি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এই সব ম্যাচগুলি প্রচারিত হবে স্টার স্পোর্টস ২ চ্যানেলে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক সপ্তাহের বেশি সময় পর গাজায় আবারও ইসরাইলি বাহিনী বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় অন্তত এক ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর এ পর্যন্ত ইসরাইলি আক্রমণে নিহতের সংখ্যা সাড়ে ১২শ ছাড়িয়ে গেছে।
উপত্যকার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়ায় একটি গাড়িতে ইসরাইলি ড্রোন আঘাত হানে, যার ফলে গুরুতর আহত হন বেশ কয়েকজন। একই সঙ্গে মধ্য গাজার বুরেজ শরণার্থী শিবির এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসেও সাধারণ নাগরিকদের ওপর গ্রেনেড ও ভারী গুলি বর্ষণ করে দখলদার বাহিনী।
গত বছরের অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে চালানো ইসরাইলের এসব হামলায় ১২ শ’র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ট্রাম্পের ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে নেতানিয়াহুর অস্বীকৃতি জানানোর বিরোধিতা করেছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়টি কোনো একক ইসরাইলি নেতার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। এদিকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
অধিকৃত পশ্চিম তীরেও অব্যাহত রয়েছে দখলদারদের আগ্রাসন। সম্প্রতি সেখানে সামরিক অভিযান চালিয়ে দুই শিশুসহ অন্তত ২৩ ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরাইলি বাহিনী। একই সঙ্গে একের পর এক আবাসিক ভবন ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়ে শত শত পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করা হচ্ছে। এ অবস্থা সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীর ধ্বংসের শেষ সীমায় দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করার ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে গোমস্তাপুরে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র সামগ্রী ও ইনজেকশন উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। গোমস্তাপুর থানা পুলিশ ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক সফল যৌথ অভিযানে একটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৬ রাউন্ড গুলি এবং ৮ পিস বিপজ্জনক বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়। গত ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ বিকেল ৪:৫০ ঘটিকায় গোমস্তাপুর থানাধীন রাধানগর ইউনিয়নের বেগপুর গ্রামে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ জেনারুল শেখ ও ডিবির সংগীয় ফোর্স মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের টিমকে সাথে নিয়ে এই যৌথ অভিযান চালান।
অভিযানকালে আসামি মোঃ মোসাহাক আলী (২৪)-র বসতবাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তার দোতলা মাটির ঘরের ২য় তলার উত্তর দুয়ারী শয়নকক্ষ থেকে ১টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৬ রাউন্ড তাজা গুলি এবং অবৈধ নেশাজাতীয় হাইড্রোক্লোরাইডযুক্ত ৮ পিস বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন অ্যাম্পুল জব্দ করে আলামত হিসেবে থানায় নিয়ে আসা হয়।
ঘটনায় গোমস্তাপুর থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের সময় টের পেয়ে সটকে পড়া আসামি মোসাহাক আলীকে গ্রেফতারে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ যুবসমাজসহ সর্বস্তরের মানুষকে মাদকমুক্ত সুন্দর জীবন গঠনে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। যেকোনো মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী তথ্যের জন্য পুলিশকে খবর দিন—তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ