০৬:৩৩ পি.এম
দুবাই থেকে চট্টগ্রামে আসা বাংলাদেশ বিমানের এক যাত্রীর কাছ থেকে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) প্রায় দেড় কেজি স্বর্ণ জব্দ করেছে। জব্দ করা স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা। আটক যাত্রীর অন্তর্বাসে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল স্বর্ণ।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এই স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
সোমবার দুবাই থেকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিজি-১৪৮-এ চট্টগ্রামে আসেন মোহাম্মদ তুসার (৩৩)। আগে থেকেই পাওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরে তাকে নজরদারিতে রাখা হয়। পরে যৌথ অভিযানে তার দেহ তল্লাশি করে অন্তর্বাসের ভেতর থেকে স্বর্ণের পেস্ট ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
সিআইআইডির আঞ্চলিক কার্যালয়, চট্টগ্রাম জানায়, তুসারকে নজরদারিতে রাখতে বিমানবন্দরে সিআইআইডির পাশাপাশি ডিজিএফআই, এনএসআই ও কাস্টমস হাউসের কর্মকর্তারা সমন্বিতভাবে কাজ করেন। বিমানবন্দরের কাস্টমস হলে তুসারের দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার অন্তর্বাসের ভেতরে বিশেষভাবে লুকানো অবস্থায় স্বর্ণের পেস্ট পাওয়া যায়। একইসঙ্গে তার কাছ থেকে স্বর্ণের চুড়িসহ স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের পেস্টের মোট ওজন প্রায় ১ হাজার ৪০০ গ্রাম ২৪ ক্যারেট ছিল। প্যাকিং মেটেরিয়ালসহ এ স্বর্ণের পেস্টের ওজন ছিল প্রায় ১ হাজার ৪০০ গ্রাম। এছাড়া, পাঁচটি স্বর্ণের চুড়িসহ প্রায় ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। মোটের ওপর, প্রায় ১ হাজার ৫০০ গ্রাম বা দেড় কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা বলে সিআইআইডি নিশ্চিত করেছে। স্বর্ণের পাশাপাশি তুসারের পাসপোর্ট, একটি মোবাইল ফোন ও বোর্ডিং পাসও জব্দ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে সিআইআইডির ধারনা, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও নজরদারি এড়িয়ে স্বর্ণ পাচারের উদ্দেশ্যে স্বর্ণকে পেস্টে রূপান্তর করা হয়েছিল। এভাবে তা বিশেষ কৌশলে অন্তর্বাসের ভেতরে লুকিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়। তবে, আগে থেকেই পাওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি থাকায় ওই কৌশল কার্যকর হয়নি। যৌথ অভিযানে দেহ তল্লাশি করে স্বর্ণের পেস্ট ও অলংকার উদ্ধার করা হয়।
সিআইআইডি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে স্বর্ণসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন: শাকিলের জানাজায় এমপির বিরুদ্ধে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন