ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সরকারের লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী


নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সরকারের লক্ষ্য: প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক জানিয়েছেন, নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা, বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দক্ষ কর্মী পাঠানো, প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক লোক বিদেশে কর্মসংস্থানে রয়েছে। সরকার প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, তাদের সম্পদের সুরক্ষা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, নতুন নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা, বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, দক্ষ কর্মী পাঠানো, বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে প্রবাসীদের সেবার পরিধি বাড়ানো এবং প্রতারণা বন্ধে কঠোর নজরদারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: পীরগঞ্জে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে ইনকিলাব মঞ্চের পথসভা

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মতো প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনেক কাজ খুব অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করা সম্ভব নয়। নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, একাধিক ফলোআপ বৈঠক, সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সময় প্রয়োজন হয়। ফলে ছয় মাসে গৃহীত অনেক উদ্যোগের সুফল এখনো দৃশ্যমান না হলেও আগামী দিনে এর বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যে সকল দেশে শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার জন্য কাজ করি, সেখানে বাইল্যাটারাল মিটিং, ফলোআপ মিটিং, এমইউসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হয়। এজন্য সময় লাগে। সেই দিক থেকে হয়তো অনেক কাজ ছয় মাসে দৃশ্যমান হয়নি। কিন্তু সামনে এগুলোর সুফল দেখা যাবে।’

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়টি ছয় মাসে সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন মো: নুরুল হক। তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে একক দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দেশটির শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে। আগামী মাসের শুরু থেকেই সেখানে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া শুরু হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হওয়া বাংলাদেশের কর্মপ্রত্যাশী মানুষের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নানা জটিলতা ছিল। সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে সেই জটিলতা কাটিয়ে ওঠার পথ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে আইনশৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে এমপি বেলালের গুরুত্বারোপ

দুবাইয়ের শ্রমবাজার নিয়েও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানান প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০১২ সাল থেকে দুবাইয়ে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়ার প্রবণতা অনেকটা কমে গিয়েছিল। তবে নতুন করে সেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

তিনি জানান, এ বছরের মধ্যেই দুবাই ট্যাক্সি নামের একটি কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬ হাজার চালক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চালকের বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু সংখ্যার বিচারে বেশি কর্মী বিদেশে পাঠানো নয়, বরং দক্ষতা অনুযায়ী উপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা। এতে কর্মীরা যেমন ভালো আয় করতে পারবেন, তেমনি দেশে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণও বাড়বে।

কাতারের সঙ্গেও বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি। কাতারের শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করেছেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইলেকট্রিক্যাল, এসি ও অন্যান্য নির্দিষ্ট কারিগরি খাতে কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে কাতার।

আরও পড়ুন: ফরিদপুর জেলা পরিষদ নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দেবে

তিনি জানান, কাতারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ কর্মী তৈরি করা এবং সেখান থেকে কর্মী নেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

মো: নুরুল হক বলেন, দক্ষ কর্মী তৈরির ওপর সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদেশি শ্রমবাজারে এখন আগের মতো অদক্ষ কর্মীর চাহিদা নেই। ফলে যে দেশের যে ধরনের কর্মীর প্রয়োজন, সেই চাহিদা অনুযায়ী দেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মী পাঠানোই হবে সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

সৌদি আরবের শ্রমবাজার নিয়েও আশা প্রকাশ করেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণ এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের মাধ্যমে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হবে বলে আশা করছে সরকার।

তিনি বলেন, আগামী কয়েক বছরে সৌদি আরবে একাধিক বড় আন্তর্জাতিক আয়োজন রয়েছে। বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন বড় আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান ও প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সেখানে বিপুলসংখ্যক কর্মীর প্রয়োজন হবে। নির্মাণ, পরিবহন, সেবা, পর্যটন, প্রযুক্তি ও অন্যান্য খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: রংপুরের নতুন বিভাগীয় কমিশনার হলেন জাহাঙ্গীর আলম

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের যুবরাজের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণ পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর সফর অনুষ্ঠিত হলে শ্রমবাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিয়েও উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করা সম্ভব হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা বাহরাইনের শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান মো: নুরুল হক। তিনি বলেন, বাহরাইনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়েছে এবং একটি মন্ত্রণালয় পর্যায়ের সফরের মাধ্যমে বাজারটি পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়ে অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও নতুন শ্রমবাজার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। জাপানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীদের যাওয়ার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি থাইল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতা ও আলোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর মতে, থাইল্যান্ডের শ্রমবাজার আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত হলে সেখানে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে থাইল্যান্ডে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত কর্মীর চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক নিহত

প্রবাসীদের জন্য সরকারের সবচেয়ে আবেগঘন ও মানবিক উদ্যোগগুলোর একটি হলো বিদেশে মারা যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মন্ত্রণালয়ে যেসব আবেদন এসেছে, সেগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রবাসীদের মরদেহ বিনা খরচে দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়। বিদেশে কর্মরত একজন বাংলাদেশি মারা গেলে তার পরিবার যেন আর্থিক ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে অসহায় হয়ে না পড়ে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিদেশ থেকে প্রবাসীদের মরদেহ দেশে আনার পর পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামোও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগে যেখানে তিনটি অ্যাম্বুলেন্স ও ফ্রিজিং ব্যবস্থা ছিল, দায়িত্ব নেওয়ার পর সেখানে আরও দুটি যুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রবাসীদের মরদেহ দ্রুত ও সম্মানের সঙ্গে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। এ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার জন্য ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: প্রশ্ন ফাঁস রোধে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সরকারের অন্যতম বড় উদ্যোগ হিসেবে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর কথা জানান মো: নুরুল হক।

তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রবাসীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, তাদের সম্পদের সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং ও পেমেন্ট গেটওয়ের সঙ্গে যুক্ত করে আগামী মাসেই প্রবাসীদের কার্ড দেওয়া হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে প্রবাসীরা ১১টি বিশেষ সেবায় অগ্রাধিকার পাবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এতে বিদেশে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সময় ও হয়রানি কমবে বলে আশা করছে মন্ত্রণালয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি, এতে কিছুটা হলেও প্রবাসীদের মর্যাদা আগের চেয়ে সমুন্নত থাকবে। প্রবাসী কার্ডের সঙ্গে ডিজিটাল অ্যাপ যুক্ত থাকার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। এর মাধ্যমে কোন প্রবাসী কোন দেশে অবস্থান করছেন এবং তিনি দূতাবাস বা মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো সেবার জন্য আবেদন করেছেন কি না, তা অনুসরণ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, একজন প্রবাসী সেবা চাওয়ার পর সেটি পেয়েছেন কি না, তার একটি আপডেটও ডিজিটাল ব্যবস্থায় সংরক্ষিত থাকবে। ফলে কোনো আবেদন দীর্ঘদিন পড়ে থাকলে তা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোর সেবা নিয়েও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকের প্রতি সরকারের সমান দায়িত্ব রয়েছে। তার পেশা, আয় বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা না করে প্রয়োজনের সময় তাকে সেবা দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকার প্রচলিত কূটনীতির পাশাপাশি ‘কালচারাল ডিপ্লোমেসি’ ও ‘লেবার মাইগ্রেশন ডিপ্লোমেসি’র ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতারণা বন্ধে ডিমান্ড লেটার বা কর্মী চাহিদাপত্র যাচাই আরও কঠোর করা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোন কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে চাচ্ছে, সেই কোম্পানি বাস্তবে আছে কি না, সেখানে কর্মপরিবেশ কেমন এবং বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কী ধরনের সুযোগ রয়েছেÑএসব বিষয় সরেজমিন পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শ্রমবাজারের নামে কোনো ধরনের প্রতারণা বা সিন্ডিকেট যাতে প্রবাসী কর্মীদের ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

মো: নুরুল হক বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানের পাশাপাশি বিদ্যমান বাজারগুলোতে বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল সেবা, দূতাবাসের জবাবদিহিতা এবং প্রবাসীদের সম্পদের সুরক্ষার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে তাদের অবদান আরও বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের প্রথম ছয় মাসে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তব ফলাফল শিগগিরই দৃশ্যমান হবে। নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার পাশাপাশি বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আরও অগ্রগতি অর্জিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামালপুরে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৬ পি.এম


জামালপুরে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৭ আগস্ট) রাতে পৌর শহরের কালীতলা মোড় এলাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার সোহেল রানা পৌর শহরের চর ভবসুর পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, ২০২৬ সালের জুন মাসে পৌর শহরের বাদেশহরিয়া এলাকায় একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। উক্ত বিস্ফোরণ মামলায় জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সোহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে জামালপুর কোর্টে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারত দলে দ্রাবিড় ও শেবাগের ছেলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারত দলে দ্রাবিড় ও শেবাগের ছেলে

ভারতীয় ক্রিকেটে আবারও প্রবাদটি সত্যি হতে চলেছে, "বাপকা বেটা!" দুই কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড় ও বীরেন্দর শেবাগের সন্তানেরা পিতাদের রেখে যাওয়া পথ অনুসরণ করছেন, যা কিছুদিন ধরে স্পষ্ট হয়ে উঠছিল।

এখন এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিরুদ্ধে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য ভারতীয় বয়সভিত্তিক দলে নির্বাচিত হয়েছেন এই দুই মহাতারকার সন্তান।

এই প্রতিভাবান যুব দলের মধ্যে শেবাগের ছেলে আর্যবীর শেবাগ এবং দ্রাবিড়ের ছেলে অনভয় দ্রাবিড়ের উপস্থিতি কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। গত জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে একটি এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অনভয় ৮৭ রানের একটি নজরকাড়া ইনিংস খেলেছিলেন, যা তার প্রতিভার প্রমাণ।

 

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে ভারতের নেতৃত্ব দেবেন লক্ষ্য রায়চন্দনি, যিনি সহ-অধিনায়ক হিসেবে পাবেন যশবর্ধন চৌহানকে। অন্যদিকে, চার দিনের লাল বলের সিরিজে নেতৃত্বের দায়িত্ব পাল্টানো হবে। যশবর্ধন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং লক্ষ্য তার সহকারী হবেন। শ্রীলঙ্কা সফরে চার দিনের দুই ম্যাচে গলে ২০৭ রান এবং কলম্বোতে অপরাজিত ১০০ রানসহ মোট ৩০৭ রান করে লক্ষ্য লাইমলাইটে এসেছিলেন।

 

লক্ষ্য ইতোমধ্যে উত্তরাখণ্ডের হয়ে চারটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

ভারত ও অস্ট্রেলিয়া যুব দলের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে ১৮, ২১ ও ২৩ সেপ্টেম্বর। এরপর চার দিনের লাল বলের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ২৭-৩০ সেপ্টেম্বর এবং ৫-৮ অক্টোবর। সিরিজের শেষ চার দিনের ম্যাচটি আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হবে, আর বাকি সবকটি ম্যাচ রাজকোটে অনুষ্ঠিত হবে।

 

লক্ষ্য রায়চন্দনি (অধিনায়ক), যশবর্ধন চৌহান (সহ-অধিনায়ক), রজত বাঘেল (উইকেটরক্ষক), আর্যবীর শেবাগ, ভিকে বিনীত, কুশাগরা ওঝা, অর্জুন রাজপুত, মানাল চৌহান, অনভয় দ্রাবিড় (উইকেটরক্ষক), ভি যশবীর, রোহিত যাদব, শভিন উলপতি ভেনকা, মোহিত বিনোদ ও চিবুক।

 

চার দিনের (টেস্ট) স্কোয়াড :

যশবর্ধন চৌহান (অধিনায়ক), লক্ষ্য রায়চন্দনি (সহ-অধিনায়ক), সাগর বির্ক, কুশাগরা ওঝা, মানাল চৌহান, কুশ প্যাটেল, মানব কৃষ্ণ (উইকেটরক্ষক), অভিপ্রয় বিশ্বাস (উইকেটরক্ষক), রোহিত যাদব, ইশান ওম, অয়ন আকরাম, প্রণব রাগবেন্দ্র, প্রিয়াংশু, উলয়ান সিং ও প্রণব।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কারের কাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


মেয়াদ শেষ হলেও শেষ হয়নি সড়ক সংস্কারের কাজ

 

খুলনার দক্ষিণে অবস্থিত কয়রা উপজেলা, যা সুন্দরবনের নিকটে রয়েছে, প্রতিবছরই দুর্যোগের কারণে সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

গত কয়েক অর্থবছরে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, সংস্কারের কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে না।

এলাকার বাসিন্দাদের মতে, সড়কে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কোটি কোটি টাকা বরাদ্দের পরও কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না।

 

এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

কয়রা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, কয়রা সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোড় থেকে ৪ নম্বর কয়রা গ্রাম পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের সংস্কারকাজ ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর শুরু হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত এ সড়কের সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এক কোটি ২৩ লাখ টাকা। কাজটি পেয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাকা এন্টারপ্রাইজ।

 

এই কাজটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস ধরে সড়ক খুঁড়ে ইটের খোয়া ফেলা হয়। একপর্যায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কাজ ফেলে চলে যায়। ফলে, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চার বছর পার হলেও কাজটি অসমাপ্ত রয়েছে।

এদিকে, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের বানিয়াখালী থেকে হড্ডা গ্রামের প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়কের অবস্থাও অত্যন্ত খারাপ।

 

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ছয় কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এই কাজটি পেয়েছিল মোহাম্মদ ইউনুচ অ্যান্ড ব্রাদার্স। কাজটি ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় এক বছরেও কাজটি সম্পন্ন হয়নি। খোঁড়াখুঁড়ির পর বালু ফেলে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, আমাদী ইউনিয়নে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালে হুদুবুনিয়া-চান্নিরচক সড়কের দুই কিলোমিটার অংশ কার্পেটিং করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এক কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কাজের দরপত্র পেয়েছিল রাকা-সিয়াম (জেভি) নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২১ সালের জুনে কাজ শুরু করে তারা। কয়েক মাস ধরে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির পর কাজ ফেলে চলে যায় প্রতিষ্ঠানটির লোকজন।

হুদুবুনিয়া-চান্নিরচক সড়কের কাজ ২০২২ সালের ২৬ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে প্রায় চার বছর হতে চললেও কাজ শেষ করার কোনো উদ্যোগ নেই।

এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর বাইরে উপজেলার ১৭টি সড়কের সংস্কারকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবুও কাজ শেষ হয়নি। খোঁড়াখুঁড়ির কারণে ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ওইসব পথে চলাচলকারীরা।

কয়রা সদরের আসাদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রকল্প শুরু হলেও বাস্তবে অনেক সড়ক বর্তমানে আগের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, কয়রা হাইস্কুল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৪ নম্বর সড়কসহ কয়েকটি সড়ক খুড়ে রাখা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার বছরেও কাজ শেষ হয়নি। ফলে ধুলাবালি ও খানাখন্দে চলাচলে ভোগান্তি বেড়েছে। আর কাজ যা হয়েছে, তা নিম্নমানের।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সংস্কারকাজ শুরু হওয়ার পর তা মাঝপথে থেমে আছে। কোথাও পুরনো কার্পেটিং তুলে ফেলা হয়েছে, কোথাও সড়কের ওপর খোয়া ও বালু ফেলে রাখা হয়েছে। অনেক জায়গায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন আগে বৃষ্টি হওয়ার ফলে এসব গর্ত পানিতে ভরে গেছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও রোগীদের।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আফজাল হোসেন জানান, ‘সড়কগুলোর কাজ যথাসময়ে শেষ করতে ঠিকাদারদের একাধিকবার তাগিদপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। অনেক ঠিকাদার কাজ শেষ করতে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সময় বাড়ানোর পরও যারা কাজ শেষ করেননি, তাদের কার্যাদেশ ও জামানত বাতিল হবে। কিছু সড়কের পুনরায় টেন্ডার আহ্বানের কাজ চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হড়কা বান ও ভূমিধস: নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


হড়কা বান ও ভূমিধস: নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯

নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধার অভিযান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত থাকলেও ৮২৬ জনের সঙ্গে যোগাযোগ এখনও সম্ভব হয়নি। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অবি নারায়ণ কাফলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে মৃতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই হিসাব পাওয়া গেছে।

জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (NDRRMA) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮২৬ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।

জেলাভিত্তিক হিসাবে, চিতওয়ানে সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে—১০৮টি। এছাড়া নওয়ালপরাসি ইস্টে ৬২, ধাদিংয়ে ২৭, গোরখায় ২০, রাসুয়ায় ১৭, নওয়ালপরাসি ওয়েস্টে ১৫, নুয়াকোটে ১২ এবং তানাহুনে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এই ভয়াবহ বন্যায় নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ভেসে গেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রমও কঠিন হয়ে উঠেছে।

বন্যার সূত্রপাত ঘটে হিমালয় অঞ্চলে বরফ ও পাথরের বিশাল ধসের পর। এর ফলে নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর নেমে এসে সীমান্তবর্তী জনপদ, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ মনে করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে হিমবাহ-সম্পর্কিত ধস ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহকেই প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

উদ্ধারকারীরা নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আরও অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%