বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৪:১০ পি.এম
ভারতীয় ক্রিকেটে আবারও প্রবাদটি সত্যি হতে চলেছে, "বাপকা বেটা!" দুই কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড় ও বীরেন্দর শেবাগের সন্তানেরা পিতাদের রেখে যাওয়া পথ অনুসরণ করছেন, যা কিছুদিন ধরে স্পষ্ট হয়ে উঠছিল।
এখন এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিরুদ্ধে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য ভারতীয় বয়সভিত্তিক দলে নির্বাচিত হয়েছেন এই দুই মহাতারকার সন্তান।
এই প্রতিভাবান যুব দলের মধ্যে শেবাগের ছেলে আর্যবীর শেবাগ এবং দ্রাবিড়ের ছেলে অনভয় দ্রাবিড়ের উপস্থিতি কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। গত জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে একটি এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অনভয় ৮৭ রানের একটি নজরকাড়া ইনিংস খেলেছিলেন, যা তার প্রতিভার প্রমাণ।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে ভারতের নেতৃত্ব দেবেন লক্ষ্য রায়চন্দনি, যিনি সহ-অধিনায়ক হিসেবে পাবেন যশবর্ধন চৌহানকে। অন্যদিকে, চার দিনের লাল বলের সিরিজে নেতৃত্বের দায়িত্ব পাল্টানো হবে। যশবর্ধন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং লক্ষ্য তার সহকারী হবেন। শ্রীলঙ্কা সফরে চার দিনের দুই ম্যাচে গলে ২০৭ রান এবং কলম্বোতে অপরাজিত ১০০ রানসহ মোট ৩০৭ রান করে লক্ষ্য লাইমলাইটে এসেছিলেন।
লক্ষ্য ইতোমধ্যে উত্তরাখণ্ডের হয়ে চারটি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
ভারত ও অস্ট্রেলিয়া যুব দলের মধ্যে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে ১৮, ২১ ও ২৩ সেপ্টেম্বর। এরপর চার দিনের লাল বলের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ২৭-৩০ সেপ্টেম্বর এবং ৫-৮ অক্টোবর। সিরিজের শেষ চার দিনের ম্যাচটি আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হবে, আর বাকি সবকটি ম্যাচ রাজকোটে অনুষ্ঠিত হবে।
লক্ষ্য রায়চন্দনি (অধিনায়ক), যশবর্ধন চৌহান (সহ-অধিনায়ক), রজত বাঘেল (উইকেটরক্ষক), আর্যবীর শেবাগ, ভিকে বিনীত, কুশাগরা ওঝা, অর্জুন রাজপুত, মানাল চৌহান, অনভয় দ্রাবিড় (উইকেটরক্ষক), ভি যশবীর, রোহিত যাদব, শভিন উলপতি ভেনকা, মোহিত বিনোদ ও চিবুক।
চার দিনের (টেস্ট) স্কোয়াড :
যশবর্ধন চৌহান (অধিনায়ক), লক্ষ্য রায়চন্দনি (সহ-অধিনায়ক), সাগর বির্ক, কুশাগরা ওঝা, মানাল চৌহান, কুশ প্যাটেল, মানব কৃষ্ণ (উইকেটরক্ষক), অভিপ্রয় বিশ্বাস (উইকেটরক্ষক), রোহিত যাদব, ইশান ওম, অয়ন আকরাম, প্রণব রাগবেন্দ্র, প্রিয়াংশু, উলয়ান সিং ও প্রণব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার দক্ষিণে অবস্থিত কয়রা উপজেলা, যা সুন্দরবনের নিকটে রয়েছে, প্রতিবছরই দুর্যোগের কারণে সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গত কয়েক অর্থবছরে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, সংস্কারের কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কার্যক্রম সম্পন্ন হচ্ছে না।
এলাকার বাসিন্দাদের মতে, সড়কে খোঁড়াখুঁড়ির কারণে তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। কোটি কোটি টাকা বরাদ্দের পরও কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না।
এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
কয়রা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, কয়রা সদর ইউনিয়নের মদিনাবাদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোড় থেকে ৪ নম্বর কয়রা গ্রাম পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের সংস্কারকাজ ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর শুরু হয়েছিল। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত এ সড়কের সংস্কারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এক কোটি ২৩ লাখ টাকা। কাজটি পেয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাকা এন্টারপ্রাইজ।
এই কাজটি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজ শুরু হওয়ার পর কয়েক মাস ধরে সড়ক খুঁড়ে ইটের খোয়া ফেলা হয়। একপর্যায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কাজ ফেলে চলে যায়। ফলে, মেয়াদ শেষ হওয়ার পর চার বছর পার হলেও কাজটি অসমাপ্ত রয়েছে।
এদিকে, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের বানিয়াখালী থেকে হড্ডা গ্রামের প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়কের অবস্থাও অত্যন্ত খারাপ।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ প্রকল্পে বরাদ্দ ছিল ছয় কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এই কাজটি পেয়েছিল মোহাম্মদ ইউনুচ অ্যান্ড ব্রাদার্স। কাজটি ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় এক বছরেও কাজটি সম্পন্ন হয়নি। খোঁড়াখুঁড়ির পর বালু ফেলে কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, আমাদী ইউনিয়নে পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালে হুদুবুনিয়া-চান্নিরচক সড়কের দুই কিলোমিটার অংশ কার্পেটিং করার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এক কোটি ৭৪ লাখ টাকা। কাজের দরপত্র পেয়েছিল রাকা-সিয়াম (জেভি) নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২১ সালের জুনে কাজ শুরু করে তারা। কয়েক মাস ধরে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির পর কাজ ফেলে চলে যায় প্রতিষ্ঠানটির লোকজন।
হুদুবুনিয়া-চান্নিরচক সড়কের কাজ ২০২২ সালের ২৬ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। সেই সময়সীমা পেরিয়ে প্রায় চার বছর হতে চললেও কাজ শেষ করার কোনো উদ্যোগ নেই।
এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এর বাইরে উপজেলার ১৭টি সড়কের সংস্কারকাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবুও কাজ শেষ হয়নি। খোঁড়াখুঁড়ির কারণে ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন ওইসব পথে চলাচলকারীরা।
কয়রা সদরের আসাদুল ইসলাম মন্তব্য করেন, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে প্রকল্প শুরু হলেও বাস্তবে অনেক সড়ক বর্তমানে আগের চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, কয়রা হাইস্কুল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৪ নম্বর সড়কসহ কয়েকটি সড়ক খুড়ে রাখা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার বছরেও কাজ শেষ হয়নি। ফলে ধুলাবালি ও খানাখন্দে চলাচলে ভোগান্তি বেড়েছে। আর কাজ যা হয়েছে, তা নিম্নমানের।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সংস্কারকাজ শুরু হওয়ার পর তা মাঝপথে থেমে আছে। কোথাও পুরনো কার্পেটিং তুলে ফেলা হয়েছে, কোথাও সড়কের ওপর খোয়া ও বালু ফেলে রাখা হয়েছে। অনেক জায়গায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন আগে বৃষ্টি হওয়ার ফলে এসব গর্ত পানিতে ভরে গেছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থী ও রোগীদের।
উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী আফজাল হোসেন জানান, ‘সড়কগুলোর কাজ যথাসময়ে শেষ করতে ঠিকাদারদের একাধিকবার তাগিদপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। অনেক ঠিকাদার কাজ শেষ করতে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, সময় বাড়ানোর পরও যারা কাজ শেষ করেননি, তাদের কার্যাদেশ ও জামানত বাতিল হবে। কিছু সড়কের পুনরায় টেন্ডার আহ্বানের কাজ চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছেছে। উদ্ধার অভিযান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যাহত থাকলেও ৮২৬ জনের সঙ্গে যোগাযোগ এখনও সম্ভব হয়নি। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অবি নারায়ণ কাফলে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে মৃতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই হিসাব পাওয়া গেছে।
জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (NDRRMA) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৮২৬ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।
জেলাভিত্তিক হিসাবে, চিতওয়ানে সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে—১০৮টি। এছাড়া নওয়ালপরাসি ইস্টে ৬২, ধাদিংয়ে ২৭, গোরখায় ২০, রাসুয়ায় ১৭, নওয়ালপরাসি ওয়েস্টে ১৫, নুয়াকোটে ১২ এবং তানাহুনে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এই ভয়াবহ বন্যায় নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ভেসে গেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রমও কঠিন হয়ে উঠেছে।
বন্যার সূত্রপাত ঘটে হিমালয় অঞ্চলে বরফ ও পাথরের বিশাল ধসের পর। এর ফলে নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর নেমে এসে সীমান্তবর্তী জনপদ, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ মনে করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে হিমবাহ-সম্পর্কিত ধস ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহকেই প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
উদ্ধারকারীরা নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আরও অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রহনপুর পৌরসভাকে একটি জঞ্জালমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক মডেল পৌরসভায় রূপান্তর করার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে সরাসরি মাঠে নেমেছেন নবনিযুক্ত পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জিল্লুর রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পৌরসভার নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে ও দৃশ্যমান পরিবর্তনের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন এই কর্মঠ কর্মকর্তা।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে পৌর এলাকার সার্বিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম গতিশীল করতে তিনি নিজেই সরেজমিনে উপস্থিত হন। কড়া রোদ ও ধূলাবালি উপেক্ষা করে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ড, মোড় ও অলিগলির দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা ও ড্রেন পরিষ্কারের কাজ সরাসরি তদারকি করেন তিনি।
অভিযান চলাকালে পৌর প্রশাসক স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকিকালে ইউএনও জিল্লুর রহমান বলেন, "নাগরিকদের সুস্থ, নিরাপদ ও সুন্দর জীবনযাত্রা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। রহনপুর পৌরসভাকে একটি জঞ্জালমুক্ত, সুপরিকল্পিত ও আধুনিক পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা-ই করব। এই উদ্যোগ কেবল এক দিনের নয়, এটি নিয়মিত অভিযান হিসেবে অব্যাহত থাকবে।"
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এ সময় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
দায়িত্ব পেয়েই রহনপুর পৌরসভার খোলস বদলে দেওয়ার এমন ব্যতিক্রমী, আন্তরিক ও দূরদর্শী পদক্ষেপে চরম সন্তোষ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণ। এলাকাবাসীর মতে, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার এমন সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করার মানসিকতা রহনপুর পৌরসভার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথকে বহুদূর এগিয়ে নেবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি নিয়োগ পেয়েছেন। এই নিয়োগের ফলে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের বিচারপতির সংখ্যা পাঁচজনে পৌঁছেছে।
আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতার অধিকারী হয়ে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। তার এই নিয়োগ শপথের দিন থেকে কার্যকর হবে।
বিচারপতি হাবিবুল গনি হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠতার তালিকায় তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছিলেন।
বর্তমানে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগে বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এবং নবনিযুক্ত বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি দায়িত্ব পালন করবেন।
বিচারপতি হাবিবুল গনি ২০১১ সালে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছিলেন। দীর্ঘ বিচারিক অভিজ্ঞতার পর তিনি আপিল বিভাগে উন্নীত হলেন।
এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক, দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিপুল সংখ্যক আপিল বিচারাধীন অবস্থায় তার এই নিয়োগ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, আপিল বিভাগের বিচারকসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর নিষ্পত্তি দ্রুত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ