ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ


আফগানিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছে। সিরিজের একমাত্র টেস্টে টস জিতে টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য এটি বিদেশের মাটিতে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলার একটি ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা।

আইসিসির কঠোর নিয়ম অনুযায়ী, একটি দলের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে অন্তর্ভুক্ত হতে হলে, তাদের টানা তিন বছরের মধ্যে অন্তত ৮টি টেস্ট ম্যাচ খেলতে হবে। আবুধাবির এই ম্যাচটি আফগানিস্তানের জন্য এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ষষ্ঠ টেস্ট ম্যাচ।

আরও পড়ুন: এশিয়া ইনফান্তিনোকে পুনরায় ফিফা সভাপতি নির্বাচিত করার পক্ষে

এ কারণে, আফগানদের আনুষ্ঠানিকভাবে র‍্যাঙ্কিংয়ের বিশ্বতালিকায় নাম তুলতে আরো দুটি লাল বলের ম্যাচ খেলার প্রয়োজন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিভিন্ন কর্মসূচি সামনে রেখে সিলেট মহানগর জাসাসের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আব্দুল আউয়াল মিছবাহ স্ট্যাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০১ পি.এম


বিভিন্ন কর্মসূচি সামনে রেখে সিলেট মহানগর জাসাসের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত

 

বিভিন্ন কর্মসূচি পালন উপলক্ষ্যে সিলেট মহানগর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর নবনির্বাচিত কমিটির জরুরি সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর নজরুল একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সভায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস এবং নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও মানবতাবাদী চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় সিলেট মহানগর জাসাসের সভাপতি রাসেল আহমদ, এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সি এম আব্দুল্লাহ আরিফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি ইফতেখার আহমদ বিপুল, সহ-সভাপতি রাসেল আহমদ রানা, দেলোয়ার হোসেন রানা, শাহাজাহান চৌধুরী, রেজওয়ান বেগ, নাহিদ আহমদ ও আজিজুল রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিন পারভেজ, আল আমিন ও শাহাদাত হোসেন সুমন; সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরুজ আহমদ; সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ আহমদ; দপ্তর সম্পাদক ওলি হোসেন; সহ-প্রচার সম্পাদক মুক্তাদির আলম এবং মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সাদিয়া আফরিনসহ মহানগর জাসাসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন এবং নজরুল বর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি আয়োজনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাণ্ডারিয়ায় হানি ট্রাপের অভিযোগে তিনজন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১৮ পি.এম


ভাণ্ডারিয়ায় হানি ট্রাপের অভিযোগে তিনজন গ্রেপ্তার

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় এক ব্যবসায়ীকে হানি ট্রাপে ফেলে মারধর, ভয়ভীতি দেখিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে অর্থ আদায় ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উত্তর-পূর্ব ভাণ্ডারিয়া এলাকার মো. ফখরুল ইসলাম মিলন চাপরাশির ছেলে মো. সজিব (২৫), একই এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান রনি (৩৫) এবং মারিয়া আক্তার (ছদ্মনাম)। তাদের সবার বাড়ি ভাণ্ডারিয়া থানার এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভাণ্ডারিয়া বাজারসংলগ্ন রিজার্ভ পুকুরপাড় এলাকায় ইলেকট্রিক ব্যবসায়ী মানবেন্দ্র রায় মুন্না (৩৪) কে কৌশলে হানি ট্রাপে ফাঁসানো হয়। পরে তাকে মারধর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ করা হয়। ওই ভিডিও দেখিয়ে তার কাছ থেকে টাকা আদায় এবং পরবর্তী সময়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, হানি ট্রাপের মাধ্যমে এক ব্যবসায়ীকে ফাঁসিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভিডিও ধারণ ও অর্থ আদায়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে নারী ও ন্যায়বিচারের পথে লিঙ্গবৈষম্যের বাধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


পাকিস্তানে নারী ও ন্যায়বিচারের পথে লিঙ্গবৈষম্যের বাধা

একজন পাকিস্তানি নারীর আইনি লড়াইয়ের পথে বাধা আসে আদালতের বারান্দায় পৌঁছানোর অনেক আগে। সাধারণত, এই বাধার সূচনা ঘটে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তার অনীহা বা অভিযোগ নিয়ে সন্দেহের মাধ্যমে; অথবা ঘরের ভেতরের সহিংসতাকে ‘পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ হিসেবে ধামাচাপা দেওয়ার মানসিকতার মাধ্যমে।

সম্প্রতি, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট এই দীর্ঘদিন ধরে চেপে রাখা স্পর্শকাতর ও অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতাকে দেশের বিচার ব্যবস্থার সামনে নিয়ে এসেছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর, আদালত একটি ঐতিহাসিক রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে—নারীদের প্রতি সহিংসতা রোধে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর পাশাপাশি পুলিশের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়াকেও লিঙ্গ-সংবেদনশীল দৃষ্টিতে পরিচালনা করতে হবে।

বিচারপতি মুহাম্মদ হাশিম খান কাকারের নেতৃত্বে দুই বিচারপতির বেঞ্চ রায়ে বলেন, ‘নারীদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা মোকাবেলা করার সময় পুলিশ কর্মকর্তাদের ভেতর লুকিয়ে থাকা পিতৃতান্ত্রিক ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক সংস্কার কাটিয়ে ওঠার বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি।’

যদিও সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণ একটি পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের মামলার সূত্র ধরে এসেছে, এর প্রভাব একটি নির্দিষ্ট মামলার চেয়ে অনেক বেশি। রায়টি এমন একটি পুরনো সংস্কৃতিকে সরাসরি আঘাত করেছে, যেখানে ঘরের ভেতরে ঘটে যাওয়া সহিংসতাকে লোকলজ্জা বা সামাজিক গোপনীয়তার অজুহাতে বিচার ব্যবস্থার বাইরে রাখা হতো।

সর্বোচ্চ আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে যে, পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের আসল ট্র্যাজেডি শুধুমাত্র একজন নারীকে তার নিজের ঘরে হত্যা করা নয়; বরং ট্র্যাজেডি হলো হত্যাকাণ্ডের পারিপার্শ্বিক তথ্য ও প্রমাণও সেই চার দেয়ালের ভেতরে গোপনে গোপন করা যায়। আদালত জোর দিয়ে বলেছে, বৈবাহিক সম্পর্কের গোপনীয়তা যেন কোনো অপরাধীর পার পাওয়ার ‘ঢাল’ না হয়, তা নিশ্চিত করাই বিচার ব্যবস্থার আসল দায়িত্ব।

পারিবারিক সহিংসতার ক্ষেত্রে সাধারণ অপরাধের মতো নিরপেক্ষ প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া যায় না, পরিবারের সদস্যরা সাক্ষ্য দিতে ভয় পান এবং প্রমাণাদি দ্রুত ধ্বংস করে ফেলা হয়। ফলে, ভুক্তভোগীর অনুপস্থিতিতে একজন নিরপেক্ষ তদন্ত কর্মকর্তাকে সামাজিক ধারণার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং পারিপার্শ্বিক প্রমাণের নিরপেক্ষ পুনর্গঠনের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করতে হবে।

জাতিসংঘের ‘ইউএন উইমেন’-এর তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী বিবাহিত নারীদের ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ জীবনে অন্তত একবার স্বামীর শারীরিক বা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে যে বিপুল পরিমাণ নারী নির্যাতনের শিকার হন, পাকিস্তানের চিত্র তার চেয়ে আলাদা নয়।

হিউম্যান রাইটস কমিশন অব পাকিস্তানের (এইচআরসিপি) ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, তথাকথিত ‘অনার কিলিং’ বা সম্মান সংক্রান্ত সহিংসতায় অন্তত ৪৭০ জন নারী প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের পার্লামেন্টের ‘জেন্ডার মেইনস্ট্রিমিং সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি’ নারী ও কন্যাশিশুদের প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং তদন্তে পুলিশি অবহেলা ও বিলম্বের সমালোচনা করেছে।

তবে, পাকিস্তানে আইনগত কাঠামোর অভাব নেই; অভাব শুধু তা প্রয়োগের। ২০১২ সালের ‘পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষামূলক) আইন’-এর পাশাপাশি পাঞ্জাব, সিন্ধ, খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলোচিস্তানে নিজস্ব প্রাদেশিক আইন বিদ্যমান। দেশে অন্তত ৪৮০টি বিশেষায়িত জেন্ডার-বেসড ভায়োলেন্স আদালত রয়েছে, যেখানে ২০২৩ সালেই প্রায় ৪৮ হাজার নতুন মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু পর্যাপ্ত আইন থাকা সত্ত্বেও, তদন্তকারীদের ভেতরে চেপে থাকা পিতৃতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রায়ই মূল প্রমাণ নষ্ট করে দেয়।

দেশটির বিচার বিভাগেও পুরুষতান্ত্রিক প্রভাব বেশ দৃশ্যমান। ‘ল অ্যান্ড জাস্টিস কমিশন অব পাকিস্তান’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির মোট ৩ হাজার ১৪২ জন বিচারক ও বিচারিক কর্মকর্তার মধ্যে নারী মাত্র ১৮ শতাংশ। আর সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্টগুলোর উচ্চস্তরের ১২৬ জন বিচারকের মধ্যে মাত্র ৭ জন নারী, যা শতকরা হিসাবে মাত্র ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি আয়েশা মালিক ২০২৫ সালে এক বক্তব্যে আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘দেশে নারী আইনজীবীর সংখ্যা ২৫-২৬ শতাংশ হলেও বিচারক পদে তাদের উপস্থিতি মাত্র ২ শতাংশের কাছাকাছি, যা পুরো আইনি পরিবেশকে চরমভাবে পুরুষকেন্দ্রিক করে রেখেছে।’

আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত ভাষাও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। সহিংসতার শিকার নারীর চরিত্র, পোশাক বা আচরণের দিকে আঙুল তুলে প্রায়ই অপরাধীর আসল অপরাধকে ছোট করে দেখার চেষ্টা করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট তার রায়ে এই প্রবণতাকে কঠোরভাবে খণ্ডন করে জানিয়েছে, বৈবাহিক সম্পর্ক বা পারিবারিক সম্মানের দোহাই দিয়ে সহিংসতার তদন্তকে শিথিল করার কোনো সুযোগ নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় মাচাদোর নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা সরকারের চাপের দাবি সাবেক বিচারপতির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:২৯ পি.এম


ভেনেজুয়েলায় মাচাদোর নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা সরকারের চাপের দাবি সাবেক বিচারপতির

ঢাকা, ৯ অক্টোবর, ২০২৬ : ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা জারির অনুমোদন সরকারী চাপের কারণে দেওয়া হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি বারবারা সিজার সিয়েরো।

এএফপি-কে বৃহস্পতিবার দেওয়া তার বক্তব্যের পর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি নতুন করে জোরালো হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

৫১ বছর বয়সী সিয়েরো ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশটির সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জানান, মাচাদোর নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে স্বাক্ষর আদায় করতে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তার দুই ভাই ও এক ভাবিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারা সবাই সামরিক বাহিনীর সদস্য।

২০২৩ সালে বিরোধী দলের প্রাথমিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে পরের বছর অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ পান মাচাদো। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের নিষেধাজ্ঞার কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে প্রার্থী ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি।

শেষ মুহূর্তে তার পরিবর্তে এডমুন্ডো গঞ্জালেজ উরুতিয়াকে প্রার্থী মনোনীত করে মাচাদোর দল। এর আগে তিনি কূটনীতিক হিসেবে কাজ করলেও সাধারণ মানুষের কাছে তেমন পরিচিত ছিলেন না।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত মাদুরোকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তবে বিরোধী দল নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তোলে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও বড় একটি অংশ নির্বাচনের ফলাফল স্বীকৃতি দেয়নি।

সিয়েরো জানান, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে তার আত্মীয়দের গ্রেফতারের পর তাকে ৯টি আদেশে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়। এর মধ্যে মাচাদোর নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞার আদেশও ছিল।

তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে বলেছিলাম, হয়তো আমি স্বাক্ষর করলে তারা তাদের ছেড়ে দেবে। শেষ পর্যন্ত আমি স্বাক্ষর করেছিলাম, কিন্তু তাদের আটকেই রাখা হয়।’

চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন সামরিক বাহিনী মাদুরোকে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে যায়। সেখানে তার বিরুদ্ধে মাদক পাচারসহ অন্যান্য অভিযোগের বিচার হওয়ার কথা রয়েছে। ওয়াশিংটন দাবি করেছে, বিতর্কিত নির্বাচনের বিষয়টিও মাদুরোকে আটক করার অভিযানের অন্যতম যৌক্তিকতা ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%