ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আইএমএফ: বাংলাদেশের আর্থিক খাত সংস্কারের অগ্রগতি ইতিবাচক


আইএমএফ: বাংলাদেশের আর্থিক খাত সংস্কারের অগ্রগতি ইতিবাচক

বাংলাদেশের আর্থিক খাত সংস্কারের অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার পাশাপাশি উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে নির্ভরযোগ্য নীতি কৌশল তৈরির পরামর্শ দিয়েছে।

দেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে স্থবিরতার মধ্যেও মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং জনজীবনে স্বস্তি নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনের চতুর্থ দিনে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক আউটলুক প্রকাশনার অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য করণীয় সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে আইএমএফ কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার পরামর্শ দেয়। অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদী শক্তিশালীকরণের জন্য নির্ভরযোগ্য নীতি কৌশল তৈরির উপর গুরুত্বারোপ করে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালে, তিন বছর পিছিয়ে

এর কিছুক্ষণ পর, আইএমএফের এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চলমান আর্থিক সংস্কারের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক করেন।

এর পরপরই, সংস্থাটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বৈঠকে যোগ দেয়।

বৈঠক শেষে, আমির খসরু জানান, নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক খাতের বিশ্বাসযোগ্য সংস্কারে আস্থা রাখছে।

তিনি বলেন, ‘তবে ব্যাংকিং খাত, কর-জিডিপি অনুপাতসহ কিছু বিষয়ে সংস্থাটির যে পর্যবেক্ষণ রয়েছে, সেটা থাকা স্বাভাবিক। বাংলাদেশেরও কিছু বিষয়ে নিজস্ব পর্যবেক্ষণ রয়েছে। এরইমধ্যে অনেক বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং বেশ কিছু বিষয় সমাধান হয়েছে। বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। আগামী কয়েক মাস ধরে এ প্রক্রিয়া চলতে পারে।’

আরও পড়ুন: সোনামসজিদ বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের প্রতিবাদের কারণে পণ্য আমদানি বন্ধ

আইএমএফের সঙ্গে নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এ নিয়ে আলোচনা ভালো হয়েছে এবং তা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে আলোচনা অব্যাহত রেখে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বছর শেষেই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্নের পরিকল্পনা কানাডার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


বছর শেষেই ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্নের পরিকল্পনা কানাডার

কানাডা ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সংরক্ষণবাদী’ বাণিজ্যনীতির প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্দেশ্যে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ এ পদক্ষেপের কথা জানান।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বাণিজ্য বহুমুখীকরণ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এই উদ্যোগের আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীনসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে কাজ করবে অটোয়া। তবে, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতা বজায় রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে কানাডা।

নয়াদিল্লিতে কানাডার হাইকমিশনে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অনিতা আনন্দ বলেন, ভারতের সঙ্গে একটি ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি তাদের বাণিজ্য বহুমুখীকরণ কৌশলের একটি অংশ। চুক্তিটি বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্যান্য দেশের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষ দিকে কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক শীর্ষ সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, জ্বালানি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সহযোগিতা আলোচনার কথা রয়েছে। এ উদ্যোগটি বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নেওয়া হচ্ছে, যা ব্যাপক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য চুক্তির (সিইটিএ) আওতায় রয়েছে।

এদিকে, গত বছর ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করেছে কানাডা। ২০২৬ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সঙ্গেও চুক্তি করতে চায় কানাডা। আনন্দের ভাষ্য অনুযায়ী, কানাডা ইতিমধ্যে ৫১টি দেশের ১৫০ কোটি ভোক্তাকে অন্তর্ভুক্ত করে এমন ১৫টি বাণিজ্যচুক্তি সম্পন্ন করেছে।

তিনি বলেন, “এটি মূলত আমাদের জাতীয় সক্ষমতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কোনো একটি দেশের ওপর নির্ভরশীল থাকা চলবে না।”

চুক্তির অগ্রগতি

কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনা ভালোভাবে এগোচ্ছে। তার তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ভারতের বাণিজ্য আলোচকেরা কানাডা সফর করেছেন। অন্যদিকে, কানাডার বাণিজ্যমন্ত্রী মানিন্দর সিধু একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল নিয়ে বর্তমানে ভারতে রয়েছেন।

আনন্দ বলেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা করেছেন। আগামী ডিসেম্বরে মোদির কানাডা সফরের কথা রয়েছে।

কানাডার হিসাব অনুযায়ী, চুক্তি হলে ২০৩০ সালের মধ্যে দুই দেশের পণ্য ও সেবাবাণিজ্য বছরে ৭ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা ২০২৫ সালে ছিল ৩ হাজার ৪০ কোটি ডলার। ওই বছর ভারতের সঙ্গে কানাডার পণ্যবাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৯০ কোটি ডলার। ২০২৪ সালের তুলনায় ভারতে কানাডার রপ্তানি কমেছে ২৬ দশমিক ৫ শতাংশ, আর আমদানি বেড়েছে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ।

দুই দেশের সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে কানাডার কোম্পানি কামেকো ও ভারতের মধ্যে চলতি বছরের শুরুতে স্বাক্ষরিত ২৬০ কোটি কানাডীয় ডলারের ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তির কথা উল্লেখ করেন আনন্দ।

এ ছাড়া কানাডার ফেয়ারফ্যাক্স ফাইন্যানশিয়াল হোল্ডিংস ভারতের আইডিবিআই ব্যাংকের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানা কেনার চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। ৫২ হাজার ৮৭৮ কোটি রুপির এ চুক্তি ভারতের সবচেয়ে বড় আন্ত সীমান্ত ব্যাংক অধিগ্রহণ হতে যাচ্ছে।

২০২৩ সালে কানাডায় শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ তৈরি হয়েছিল। সেই সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া ধীরে এগোচ্ছে বলে জানান আনন্দ। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তা ও আইনের শাসনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাকসুর উদ্যোগে চুরি হওয়া ফোন ফিরে পেলেন ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


ডাকসুর উদ্যোগে চুরি হওয়া ফোন ফিরে পেলেন ঢাবির তিন শিক্ষার্থী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের নেতৃত্বে এবং সমন্বয়ে, দীর্ঘদিন আগে চুরি হওয়া স্মার্টফোনগুলো ফিরে পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার ডাকসু সভাকক্ষে একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম শিক্ষার্থীদের হাতে উদ্ধার হওয়া মুঠোফোনগুলো তুলে দেন।

ডাকসু সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই তিন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত মুঠোফোন দীর্ঘদিন আগে চুরি হয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগীরা বিষয়টি ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে জানালে তিনি ১৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), রাঙামাটির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং নিবিড় সমন্বয় শুরু করেন। পুলিশের দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তিগত তৎপরতায় ফোনগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এরপর প্রকৃত মালিকানা যাচাই-বাছাই শেষে আজ তা শিক্ষার্থীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্মার্টফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সব জায়গা থেকে আমাদেরকে ব্যর্থ প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে পদে পদে বাধা তৈরি করা হয়েছে। তবে সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য নিজেদের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত সমস্যা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক সংকট—সব ক্ষেত্রেই আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি।’

ডাকসুর কাজ নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অনেকে সমালোচনা করে বলতে চান—এটা কি ডাকসুর কাজ? শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রত্যাশা পূরণ করাই তো ডাকসুর কাজ। আর শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা মেটাতে যা যা করা দরকার, আমরা ঠিক তা-ই করার চেষ্টা করছি। ফোনগুলো ফিরে পেয়ে শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে যে আনন্দের ঝিলিক দেখেছি, সেটিই আমাদের কাজের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।’

ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী টিউশনির টাকা জমিয়ে কষ্ট করে একটা ফোন কেনেন। কিন্তু অনেক সময় তা ছিনতাই বা চুরি হয়ে যায়। থানায় জিডি করলেও অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অগ্রগতি হয় না। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষার্থীদের এমন ভোগান্তি নিরসনে আমরা সরাসরি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নিয়েছি।’

দ্রুততম সময়ে ফোনগুলো ট্র্যাকিং ও উদ্ধারে সহায়তার জন্য ১৮ এপিবিএন রাঙামাটির অধিনায়ক রেজাউল করিমসহ সাইবার ক্রাইম ইউনিটকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান তিনি।

রিজওয়ান মানসুরীর সঞ্চালনায় উক্ত মুঠোফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আহমেদ শাকিলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সউদীর সঙ্গে ১০৩ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার ৭৭৯ যাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


সউদীর সঙ্গে ১০৩ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার ৭৭৯ যাত্রী

সউদী আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার ফলে ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। এর ফলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত সৌদিগামী ও সংযোগকারী (ট্রানজিট) ১০৩টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। ভোগান্তির শিকার যাত্রীদের মধ্যে ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে না পারা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে সৌদি আরবের সঙ্গে সরাসরি চলাচলকারী ৪২টি ফ্লাইট রয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে পরিচালিত ৬১টি ট্রানজিট ফ্লাইটও রয়েছে।

সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের আটটি এবং রিয়াদ এয়ারের সাতটি ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের আটটি, সালামএয়ারের সাতটি, ফ্লাইদুবাইয়ের ছয়টি, এয়ার ইন্ডিয়ার তিনটি এবং ইজিপ্টএয়ারের একটি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে।

ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্নের কারণে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারছেন না। ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগ দিতে না পারার কারণে চাকরি হারানোর আশঙ্কা এবং ভিসার মেয়াদ নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তাঁরা।

সৌদি আরবের সঙ্গে বিমান চলাচলে এই বিঘ্নের প্রভাব সরাসরি ও ট্রানজিট উভয় ধরনের ফ্লাইটেই পড়েছে। ফলে শুধুমাত্র সৌদিগামী যাত্রীরা নয়, বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দর হয়ে যাতায়াতের পরিকল্পনা করা যাত্রীরাও ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্থগিত ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর পরবর্তী ফ্লাইট সূচি ও বিকল্প ব্যবস্থার বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে একসঙ্গে কাজের আগ্রহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে একসঙ্গে কাজের আগ্রহ

চীন বাংলাদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে আগ্রহী। অন্যদিকে, বাংলাদেশও চীনের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায়।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকায় চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই দেশের প্রতিনিধিরা এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ড. লিউ ইউইন। পরে ঢাকার চীনা দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে অনুষ্ঠানের বিস্তারিত জানায়।

অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেন, গত ৭৭ বছরে চীনের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অর্জন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণীয় বিষয়। তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বাংলাদেশ দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগ্রহী।

অন্যদিকে, ড. লিউ ইউইন উল্লেখ করেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি বলেন, ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায়’ গড়ে তোলার যৌথ উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে চীন পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। চীন, দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%