ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সোনামসজিদ বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের প্রতিবাদের কারণে পণ্য আমদানি বন্ধ


সোনামসজিদ বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের প্রতিবাদের কারণে পণ্য আমদানি বন্ধ

বাংলাদেশ কাস্টমসের নতুন নির্দেশনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ভারত থেকে সব ধরনের পণ্যবাহী ট্রাকের প্রবেশ বন্ধ রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভারতীয় পক্ষ ট্রাক পাঠানো বন্ধ করে দেওয়ার ফলে এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

সোনামসজিদ বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার মো. কামাল হোসেন দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত বন্দর দিয়ে কোনো ভারতীয় ট্রাক প্রবেশ করেনি।

সোনামসজিদ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমিন জানান, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশের পর খালাসের জন্য অপেক্ষা করা ট্রাকের চালক ও সহকারীরা সাধারণত রাতে ভারতে ফিরে যেতেন। কিন্তু পরে বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশের সময় তাদের বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য বহনের অভিযোগ ওঠে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে কয়েকজন আটক হন। এই পরিস্থিতি এড়াতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নিয়ম করে দেয় যে, পণ্য খালাস না হওয়া পর্যন্ত ভারতীয় চালক ও সহকারীদের বন্দরের ভেতরেই অবস্থান করতে হবে অথবা খালি ট্রাক নিয়ে তখনই ভারতে ফিরে যেতে হবে। এই নিয়মের প্রতিবাদে ভারতীয় ট্রাকচালকরা সোনামসজিদে পণ্যবাহী ট্রাক পাঠানো বন্ধ রেখেছেন।

আরও পড়ুন: আজ ঢাকায় অস্বাস্থ্যকর বাতাস, বিশেষভাবে উদ্বেগজনক শিশু ও প্রবীণদের জন্য

পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার মো. কামাল হোসেন আরও জানান, সম্প্রতি কাস্টমসের পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে, পণ্য খালাসের পর চালক ও সহকারীরা খালি ট্রাক নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ভারতে ফিরে যাবেন অথবা বন্দরে অবস্থান করবেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল সকাল থেকে ভারতীয় পক্ষ পণ্যবাহী ট্রাক পাঠানো স্থগিত করে। বর্তমানে ভারতের মোহন্দীপুর অংশে পণ্য নিয়ে অন্তত ৫০০ ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে। অন্যদিকে বন্দরের অভ্যন্তরে ২৪০টি ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক এবং এর চালক-সহকারীরা অবস্থান করছেন। পণ্য খালাস শেষে তারা ট্রাক নিয়ে ভারতে ফিরে যাবেন। উদ্ভূত এই জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও দুই দেশের কর্তৃপক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালে, তিন বছর পিছিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ এম


বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালে, তিন বছর পিছিয়ে

বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে গেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৬ সালের নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশ ২০২৯ সালের নভেম্বরে এলডিসি থেকে উত্তরণ করবে। নেপালের জন্যও একইভাবে তিন বছরের সময়সীমা পিছানো হয়েছে।

জাতিসংঘে এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কোনো দেশ আপত্তি জানায়নি। ফ্রান্স, কানাডা এবং আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর পক্ষে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। তবে তাঁদের বক্তব্যে বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের গুরুত্বও উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে গত ২১ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সুপারিশ পাঠায় জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)। এর আগে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশের আবেদন পর্যালোচনা করে জানায়, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা উচিত। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে বিষয়টি সাধারণ পরিষদে পাঠায় ইকোসক।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট

এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর অগ্রগতি প্রতি তিন বছর পরপর মূল্যায়ন করে সিডিপি। এই মূল্যায়নে মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক—এই তিনটি মানদণ্ডকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। যদি কোনো দেশ অন্তত দুটি সূচকে নির্ধারিত মান অর্জন করে অথবা মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার দ্বিগুণ হয়, তবে উত্তরণের সুপারিশ করা হয়। বাংলাদেশ তিনটি মানদণ্ডেই উত্তীর্ণ হয়েছে।

বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এলডিসির তালিকাভুক্ত হয়। এরপর থেকে দেশটি পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধাসহ বিভিন্ন বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছে। ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে বাংলাদেশ তিনটি সূচকেই উত্তীর্ণ হয়। এই ভিত্তিতে ২০২১ সালে ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ করা হয়। তবে করোনাভাইরাস মহামারির অভিঘাত মোকাবিলা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির জন্য উত্তরণের সময় দুই বছর বাড়ানো হয়। সেই অনুযায়ী, বাংলাদেশের উত্তরণের সর্বশেষ নির্ধারিত সময় ছিল ২০২৬ সালের নভেম্বর।

বাংলাদেশ জাতিসংঘে পাঠানো চিঠিতে জানায়, উত্তরণের তিনটি মানদণ্ড পূরণ করা সত্ত্বেও ধারাবাহিক বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ সংকটে প্রস্তুতি গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে। কভিড-১৯-এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জ্বালানি ও খাদ্যের বিশ্ববাজারে অস্থিরতা, বৈশ্বিক আর্থিক পরিস্থিতি, মধ্যপ্রাচ্য ও লোহিত সাগর অঞ্চলের সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।

দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির মধ্যে আর্থিক খাতের অনিয়ম, গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গাদের জন্য জাতীয় বাজেট থেকে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয়ের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশের আবেদনে বলা হয়, এসব কারণে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমেছে, মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর-জিডিপি অনুপাতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ, মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি এবং বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় কর্মসংস্থান সৃষ্টিও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ব্যাংক ও পুঁজিবাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। দীর্ঘস্থায়ী সংকটে দারিদ্র্য হ্রাসের অগ্রগতিও ব্যাহত হয়েছে। ফলে উত্তরণের প্রস্তুতির পরিবর্তে সরকারকে সংকট মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে বেশি মনোযোগ দিতে হয়েছে।

এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নে জিএসপি প্লাস সুবিধা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক রপ্তানি ও কর্মসংস্থানে ঝুঁকি বাড়িয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এসব বিবেচনায় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং উত্তরণ-পরবর্তী ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ অতিরিক্ত তিন বছর সময় চেয়েছিল।

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোও দীর্ঘদিন ধরে এলডিসি উত্তরণ তিন থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল। ব্যবসায়ী ও রপ্তানিকারকদের আশঙ্কা, এলডিসি-সুবিধা হারালে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়বে রপ্তানি খাতে।

তাঁদের মতে, উত্তরণের পর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার আওতায় পাওয়া শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। ওষুধশিল্পে মেধাস্বত্ব-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ আরও কঠোরভাবে প্রযোজ্য হবে। উৎপাদিত পণ্য ও সেবায় নগদ সহায়তা এবং বিভিন্ন ধরনের ভর্তুকি দেওয়ার সুযোগও সীমিত হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যসহ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজারগুলোতে বাংলাদেশি পণ্যে সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ হতে পারে। এতে দেশের রপ্তানি ৬ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কাঁচামাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে উৎসবিধি আরও কঠোর হলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে তৈরি পোশাকশিল্পে।

বাড়তি সময়ে সরকারের পরিকল্পনা

অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বাড়তি প্রস্তুতিকালে অন্তত ২৫টি সংস্কার ও প্রস্তুতিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে সরকার। বাণিজ্য, আর্থিক খাত, রাজস্বব্যবস্থা, বিনিয়োগ পরিবেশ ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনার আওতায় দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, হংকং ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মুক্ত বাণিজ্য বা সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ছাড়া ব্যাংক খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি ক্ষমতা বাড়ানো, সংকটাপন্ন সম্পদ ব্যবস্থাপনা আইন প্রণয়ন এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খালি পেটে গরম পানি খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ এম


খালি পেটে গরম পানি খেলে শরীরে কী প্রভাব পড়ে?

সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানি পান করার অভ্যাস অনেকের মধ্যে দেখা যায়। কিছু মানুষ মনে করেন, এটি পেট পরিষ্কার রাখতে সহায়ক, আবার অন্যরা বিশ্বাস করেন, গরম পানি শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে। তবে, খালি পেটে গরম পানি পান করলে শরীরে আসলে কী ঘটে? এর উপকারিতা কেমন, এবং কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখা প্রয়োজন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে কুসুম গরম পানি পান করা শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে। তবে, শুধুমাত্র গরম পানি পান করলেই শরীরের সব সমস্যা সমাধান হবে, এমন কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

১. শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে

রাতে দীর্ঘ সময় ঘুমানোর ফলে শরীরে পানির ঘাটতি হতে পারে। সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পান করলে শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়তা হয়। পানি শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখতে, রক্ত সঞ্চালন এবং বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য।

গরম পানি না ঠান্ডা—এটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্বপূর্ণ, বরং পর্যাপ্ত পানি পান করাই বেশি জরুরি।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক হতে পারে

যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা উপকারী। শরীরে পানির অভাব হলে মল শক্ত হয়ে যেতে পারে। নিয়মিত পানি পান, আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ এবং শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা মলত্যাগ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

সকালে কুসুম গরম পানি পান করলে কিছু মানুষের মলত্যাগে স্বস্তি অনুভব হতে পারে। তবে, শুধুমাত্র গরম পানি পান করলেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

৩. হজমে স্বস্তি দিতে পারে

সকালে পানি পান করলে পরিপাকতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা হয়। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি পান করলে পেটের অস্বস্তি কম মনে হতে পারে।

তবে, গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় হজমশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়—এমন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। হজম ভালো রাখতে সুষম খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

৪. ওজন কমাতে কি সাহায্য করে?

অনেকের ধারণা, সকালে খালি পেটে গরম পানি পান করলে পেটের মেদ গলে যায়। বাস্তবে, এর পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

তবে, পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় থাকে। খাবারের আগে পানি পান করলে কিছু মানুষের সাময়িকভাবে পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে, যা অতিরিক্ত খাওয়া কমাতে সহায়ক হতে পারে।

ওজন কমানোর জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যালরি গ্রহণ অপরিহার্য।

৫. গলা ও নাকের অস্বস্তিতে সাময়িক আরাম দিতে পারে

সর্দি-কাশি বা গলাব্যথার সময় কুসুম গরম পানি পান করলে গলায় আরাম অনুভব হতে পারে। উষ্ণ তরল গলার শুষ্কতা কমাতে এবং সাময়িক স্বস্তি দিতে সাহায্য করে।

তবে, গরম পানি ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ সারিয়ে তোলে না। উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে বা শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৬. শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই দাবি করা হয়, সকালে গরম পানি পান করলে শরীরের সব বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে যায়। কিন্তু এই দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণে যকৃৎ ও কিডনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত পানি পান কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে, কিন্তু গরম পানি আলাদাভাবে শরীরকে বিষমুক্ত করে—এমন কোনো প্রমাণ নেই।

কীভাবে পান করবেন?

সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করতে পারেন।

পানি যেন অতিরিক্ত গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত। খুব গরম পানি মুখ, জিহ্বা ও খাদ্যনালিতে পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

শুধু সকালে নয়, সারা দিন শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন।

পানি পানের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে প্রেমের জল্পনায় সিলমোহর, কবে বিয়ে করবেন জানালেন জাহ্নবী কপূর?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৩ এম


শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে প্রেমের জল্পনায় সিলমোহর, কবে বিয়ে করবেন জানালেন জাহ্নবী কপূর?

‘কফি উইথ কর্ণ ৯’-এ উপস্থিত হয়ে জাহ্নবী কপূর শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কের কথা কার্যত স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে, বিয়ের পরিকল্পনা সম্পর্কেও তিনি নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। এই সম্পর্ক নিয়ে অভিনেত্রী আরও কী মন্তব্য করেছেন?

শিখরের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাহ্নবী। ছবি: সংগৃহীত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বামীকে কাছে না পেয়ে মনখারাপ কারও, কেউ আবার উচ্ছ্বসিত! করওয়া চৌথে বলি তারকাদের অনুভূতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ এম


স্বামীকে কাছে না পেয়ে মনখারাপ কারও, কেউ আবার উচ্ছ্বসিত! করওয়া চৌথে বলি তারকাদের অনুভূতি

অভিনেত্রীরা স্বামীদের দীর্ঘায়ু কামনায় উপোস করছেন। কিছু অভিনেত্রী পুজোর থালা হাতে ছবি শেয়ার করেছেন।

তবে, কিছু অভিনেত্রীর মন খারাপ, কারণ তারা স্বামীদের কাছে পাচ্ছেন না। বলিউডের একাধিক অভিনেত্রী উৎসবের বিভিন্ন মুহূর্ত সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%