শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৩২ এম
দেশজুড়ে বিপুলসংখ্যক প্রশিক্ষণহীন শিক্ষক দিয়ে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। বর্তমানে দেশে বিপুলসংখ্যক শিক্ষকেরই বিএড (ব্যাচেলর অব এডুকেশন), এমএড (মাস্টার অব এডুকেশন) এবং সিএডের (সার্টিফিকেট অব এডুকেশন) মতো শিক্ষকতার মৌলিক প্রশিক্ষণ নেই। সারা দেশে মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ৪১ শতাংশ শিক্ষকেরই প্রশিক্ষণ নেই। এ ক্ষেত্রে মাদ্রাসাশিক্ষকদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। বর্তমানে দেশে সরকারি বেতন-ভাতা পাওয়া সব পর্যায়ের শিক্ষকদের মধ্যে প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষক প্রশিক্ষণ ছাড়াই পাঠদান করছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) প্রকাশিত বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৫ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে মোট শিক্ষকের সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৪ হাজার ৬৪৬। তাঁদের মধ্যে ২ লাখ ৫ হাজার ৬৩০ জন পুরুষ এবং ৯৯ হাজার ১৬ জন নারী। মোট শিক্ষকের ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশের প্রশিক্ষণ রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬২ দশমিক ৭০ শতাংশ পুরুষ এবং ৫২ দশমিক ৭৯ শতাংশ নারী শিক্ষক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। অর্থাৎ নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ৪১ শতাংশ শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নেই। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং ব্যানবেইসসংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সারা দেশে মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০২৪ সালে শিক্ষকের সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৯৩ হাজার ২৮৯। তাঁদের মধ্যে ৯২ হাজার ৪৯২ জন ছিলেন নারী। মোট শিক্ষকের ৬৬ দশমিক ১ শতাংশ বা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৫১ জন প্রশিক্ষিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে নারী শিক্ষকদের ৬০ শতাংশ বা ৫৫ হাজার ৪৯২ জন প্রশিক্ষিত ছিলেন। তা ছাড়া, ২০২৫ সালে দেশে মাদ্রাসাশিক্ষকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৭৫। তাঁদের মধ্যে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সংখ্যা ১০ থেকে ১২ শতাংশ। আর ২০২৪ সালে মাদ্রাসাশিক্ষকের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৮ হাজার ৫২২। তখন মোট শিক্ষকের মাত্র ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ প্রশিক্ষিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, দেশে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের সংখ্যা ১ লাখ ১০ হাজার ১৫১। তাঁদের মধ্যে ২০ শতাংশ শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নেই। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। সব মিলিয়ে মৌলিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই প্রায় আড়াই লাখ শিক্ষক পাঠদান করছেন। আর বেসরকারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের হিসাব করা হলে প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে।
মূলত উল্টো প্রক্রিয়ায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ দেশে আগে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়, এরপর তাঁরা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। কিন্তু প্রশিক্ষণের নির্দিষ্ট সময়সীমা ও বাধ্যবাধকতা না থাকায় অনেকেই তা গ্রহণ করেন না। ফলে শিক্ষকতার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন না করেই অনেকে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁরা যথাযথভাবে পাঠদান করতে না পারায় শিক্ষার মান উন্নত হচ্ছে না। তা ছাড়া, এ দেশের বেশির ভাগ বিদ্যালয়ই বেসরকারি। এসব এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। পরীক্ষার মাধ্যমে এসব শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলেও ওই পরীক্ষা শিক্ষকতার প্রশিক্ষণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
সূত্র আরও জানায়, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং শিখনঘাটতি দূর করতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ‘মাধ্যমিক শিক্ষায় শিখন ত্বরান্বিতকরণ’ (লেইস) প্রকল্পের আওতায় ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯০ জন শিক্ষককে বিভিন্ন মেয়াদে ও বিষয়ভিত্তিক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নবীন শিক্ষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা, প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় নেতৃত্ব, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, সমন্বিত শিক্ষা, গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এরই মধ্যে ১০ হাজারের বেশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। বর্তমানে আরও ২ হাজার ২৬০ জন শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। দেশের ১৪টি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে এসব প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। যদিও এই প্রশিক্ষণ মৌলিক ফাউন্ডেশন কোর্স নয়।
এদিকে, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা এখনো তৃতীয় শ্রেণির মর্যাদা পান। অথচ সরকারি অধিকাংশ চাকরিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমানের হলে সংশ্লিষ্ট পদ সাধারণত দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদাভুক্ত হয় এবং ১০ম বা ১১তম গ্রেডে বেতন দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা যায়। তাঁদের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমানের হলেও চাকরিটি তৃতীয় শ্রেণির মর্যাদায় রয়েছে। প্রশিক্ষণবিহীন অবস্থায় তাঁরা ১৪তম গ্রেডে এবং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করলে ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। দেশের সাড়ে ৩ লাখ সহকারী শিক্ষকের মধ্যে এ নিয়ে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা তাঁদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করছেন।
অন্যদিকে, এ প্রসঙ্গে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী জানান, পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই, এমনকি ভারতেও, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া হয়। এ দেশেও ওই ব্যবস্থা চালু হলে প্রার্থীরা নিজ উদ্যোগেই প্রশিক্ষণ নেবেন। এখন এনটিআরসিএর মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে, ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে যেসব শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নেই, তাঁদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান যাতে শিক্ষকেরা শ্রেণিকক্ষে প্রয়োগ করেন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তুরস্কের ১০৩তম জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিস সেন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতা, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ডা. শফিকুর রহমান। প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেনÑনায়েবে এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উদ্দেশে লেখা একটি শুভেচ্ছাবাণী রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের কাছে হস্তান্তর করেন।
শুভেচ্ছাবাণীতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তুরস্কের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
জামায়াতের প্রতিনিধি দল এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন জামায়াত নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৫ রানে ৪ উইকেট হারানো অবস্থায় জয় পাওয়ার আশা অনেকটাই ক্ষীণ হয়ে যায়। তবে আফগানিস্তান সেই পরিস্থিতি থেকে জয় অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের সেঞ্চুরির সাহায্যে তারা ২২১ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়েকে ২০২ রানে থামিয়ে দিয়েছে।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৯ রানে জয় লাভ করে ইব্রাহিম জাদরানের দল সিরিজ নিশ্চিত করেছে, এক ম্যাচ হাতে রেখে। ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত শেষ ম্যাচে জয়লাভ করে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে।
শারজাহতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, মোহাম্মদ আকরাম এবং শহিদুল্লাহর মধ্যে কেবল ইব্রাহিমই রানের খাতা খুলতে সক্ষম হন। ৯ বলে তিনি মাত্র ১ রান সংগ্রহ করেন। এরপর আজমতউল্লাহ ওমরজাই ঝড় তুলতে শুরু করেন। তাকে ১৭ রান করে সেদিকুল্লাহ অতল এবং ৫২ রান করে ইজাজ আহমেদ সমর্থন দেন। শেষদিকে রশিদ খান ৬ বলে ২৫ রান করে দলের স্কোর বাড়ান।
৫০ বলে ১১৬ রান করে আউট হওয়া ওমরজাই ৫টি চার এবং ১২টি ছয়ের সাহায্যে ইনিংসটি সাজান। তার সেঞ্চুরির বিপরীতে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা সেঞ্চুরি করেন। তবে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক অপরপ্রান্ত থেকে পর্যাপ্ত সমর্থন পাননি। রাজা শেষ পর্যন্ত ৫৬ বলে ১০৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাফাদজাওয়া সিগা ৩১, ইনোসেন্ট কাইয়া ২৫ এবং ব্রায়ান বেনেত ২২ রান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হল নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত হয়। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্য।
হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে, নামাজ মুমিন এবং অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সকল প্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই, দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য একটি অপরিহার্য দায়িত্ব।
আজ শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ইংরেজি, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বাংলা, ১৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি নিচে উল্লেখ করা হলো:
ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য বিদ্যমান। ঢাকার সময়ের সঙ্গে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে পারেন।
যোগ করতে হবে
বিয়োগ করতে হবে
নামাজ আমাদের জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি আমাদের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে। আজকের এই নামাজের সময়সূচি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, আল্লাহর জন্য সময় বের করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।
সূত্র- ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মোটরসাইকেলের সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা দেড় মাস বৃদ্ধি করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজনের জন্য সময়সীমা ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংস্থাটি তাদের ফেসবুক পেজে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সরকার মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে। বিআরটিএ এর আগে মোটরসাইকেলের পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করেছে। এজন্য মোটরসাইকেলের মালিকদের নির্ধারিত মাপ ও নকশা অনুসরণ করে সামনের অংশে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে এই কাজ শেষ করার জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৫ নভেম্বর। গত ১৬ অক্টোবর এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিআরটিএর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ এবং সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত আরএফআইডিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব নম্বরপ্লেট ব্যবহার করার বিধান রয়েছে। এখন থেকে পেছনের পাশাপাশি সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শন করতে হবে।
নির্দেশনায় সামনের ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেটের আকারও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে বিআরটিএ। স্কুটারের জন্য নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। এতে অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার থাকতে হবে।
অন্যদিকে, স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হবে ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার। এসব নম্বরপ্লেটেও অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নিবন্ধন নম্বর একটি আনুভূমিক রেখায় লেখা যাবে। নমুনা হিসেবে ‘ঢাকা মেট্রো-ল-১১-১২২৯’ উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ