শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:০৭ এম
বিপুলসংখ্যক কিশোর গ্যাং দেশজুড়ে সক্রিয়। আর সক্রিয় ওসব কিশোর গ্যাংয়ের তালিকা করেছে পুলিশ বিভাগ। বর্তমানে রাজধানী বাদে দেশের বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় সক্রিয় রয়েছে ২২৭টি কিশোর গ্যাং। আর ওসব গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ২ হাজার ৫৫০ জন। তার মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরে ৯৮টি, খুলনা মহানগরে ৭টি, রাজশাহী মহানগরে ১৩টি, সিলেট মহানগরে ১৫টি এবং গাজীপুর মহানগরে ১৩টি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। তাছাড়া অন্যান্য মহানগর ও জেলা শহরেও বেশ কিছু কিশোর গ্যাং সক্রিয় থাকলেও জেলার মধ্যে নোয়াখালীতে সবচেয়ে বেশি ২৫টি গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে। আর রাজধানীতে সক্রিয় রয়েছে কিশোর গ্যাংয়ের ১৫৯টি গ্রুপ। ওসব গ্রুপে ১ হাজার ৮১২ জন সদস্য রয়েছে। ঢাকার মধ্যে সর্বোচ্চ ২৭টি কিশোর গ্যাং আছে মোহাম্মদপুরে। ওসব গ্যাংয়ে সদস্য সংখ্যা অন্তত সাড়ে ৩০০। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৬টি পল্লবী থানা এলাকায় এবং ওসব গ্রুপে সদস্য সংখ্যা অন্তত ১৬০। তবে পুলিশের তালিকার বাইরেও বেশ কিছু কিশোর গ্যাং রয়েছে। পুলিশ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক কেনাবেচা ও সেবন, হামলা, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ওসব কিশোররা কাউকে গুলি কিংবা কোপ মারতে দ্বিধা করে না। ফলে আধিপত্য নিয়ে নিজেদের মধ্যেও সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। দেশে পারিবারিক ও সামাজিক নানা কারণেই গড়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। তবে তার মধ্যে অভিভাবকদের উদাসীনতা, প্রযুক্তির অপব্যবহার, মূল্যবোধের অভাব, অসৎ সঙ্গ, কিশোরদের মধ্যে বাহাদুরি দেখানোর প্রবণতা, সুস্থ বিনোদনের অভাব এবং মানসিক হতাশা অন্যতম কারণ।
সূত্র জানায়, রাজধানীতে পুলিশের তালিকায় মতিঝিল বিভাগে ১৬টি গ্রুপের মধ্যে খিলগাঁও থানায় ৭টি, মুগদায় ৩টি, মতিঝিল ও সবুজবাগে দুটি করে ৪টি এবং রামপুরা ও শাহজাহানপুর থানা এলাকায় একটি করে দুটি কিশোর গ্যাং রয়েছে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মাঝে মধ্যেই দলবদ্ধ হয়ে চাপাতি নিয়ে মহল্লার সড়কে মহড়া দেয়। পাকা রাস্তায় চাপাতি ঘষে আগুনের ফুলকি তোলে এবং উল্লাস প্রকাশ করে। আর রাজধানীর তেজগাঁও বিভাগের আওতাধীন ৬টি থানার মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় ২৭টি, আদাবরে ৬, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ৩, তেজগাঁও ও শেরেবাংলা নগরে একটি করে মোট ২টি এবং হাতিরঝিল থানা এলাকায় ২টি গ্রুপ রয়েছে। তারা আধিপত্য বিস্তার, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে তারা ছিনতাই করে। তাদের আয়ের উৎস মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দখল, অপরাধের কাজে ভাড়া খাটা ইত্যাদি।
সূত্র আরো জানায়, বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং নামকরণ হলেও ওই দলে রয়েছে ২৮-৩০ বছর বয়সের সদস্যও। তাদের বেশির ভাগ মাদক ব্যবসায় জড়িত। সন্ধ্যার পর এলাকার বিভিন্ন সড়কে ওসব গ্রুপের সদস্যরা আড্ডা জমায় এবং সুযোগ বুঝে রাতে পথচারীর মোবাইল ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয়। তাদের হামলা আতঙ্কে বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করার সাহস পায় না কেউ।
এদিকে এ প্রসঙ্গে পুলিশ সদরদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, কিশোর গ্যাং সদস্যরা চাঁদাবাজি ও মাদকের মতো বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে এক ধরনের হিরোইজম প্রবণতা কাজ করে। তার সাথে আর্থিক সংশ্লিষ্টতা থাকায় সহজেই সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে তারা। দেশে বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বেড়ে যায়। তবে বর্তমানে অভিযান চালিয়ে অনেককে আইনের আওতায় আনা হয়েছে এবং মামলা হয়েছে। পুলিশের তৎপরতার কারণে অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে কিশোর গ্যাং। তবে রাজনৈতিকভাবে কেউ যেন ওসব কিশোরকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের সুযোগ কিংবা কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা না করে তা নিশ্চিত করতে হবে। বর্তমান সরকার খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ওপর জোর দিচ্ছে, যাতে কিশোররা বিপথে না যায়। কিশোর গ্যাংয়ের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পুলিশ সদরদপ্তর থেকেও মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল, তবে একদিন আগেই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আদালতে দেওয়া আবেদনে জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে মামলার গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য তিনি কৌশলে গোপন করেছেন।
তদন্ত সংস্থাটি একই সঙ্গে মামলার ঘটনার সঙ্গে তার জড়িত থাকার বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রিমান্ড শেষ হওয়ার পর ডনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করা হয়, সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন ডন। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার সঙ্গে একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। মামলার এজাহারে থাকা পলাতক আসামিদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি তাদের চেনেন বলে স্বীকার করলেও ঘটনার বিষয়ে অনেক তথ্য গোপন করেছেন। সালমান শাহর মৃত্যু ও মামলার ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি অত্যন্ত কৌশলে কথা বলেন।
সিআইডি বলছে, ঘটনার আগে, সময় ও পরে ডনের আচরণ ও চালচলন বিশ্লেষণ করে মামলার সঙ্গে তার জড়িত থাকার বিষয়ে বেশ কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনে তাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ‘তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা একদিন আগেই শেষ তাই কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেছি। পরে প্রয়োজন পড়লে আবার রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম জানান, আসামির পক্ষে কোনো আবেদন ছিল না। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ২০ আগস্ট তার সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ২৭ আগস্ট শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে গত রবিবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় সিআইডি।
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের ফ্ল্যাটে সালমান শাহ মারা যান। তার মৃত্যু নিয়ে প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা হয়। পরে হত্যা অভিযোগে মামলা রূপান্তরের আবেদন করা হয়।
সিআইডি, বিচার বিভাগীয় তদন্ত ও পিবিআইয়ের তদন্তে একাধিকবার আত্মহত্যার কথা বলা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়। গত বছরের ২০ অক্টোবর সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম নতুন করে হত্যা মামলা করেন। এজাহারে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশন সাংবাদিকদের জন্য কার্ড ইস্যু প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যে সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই উদ্দেশ্যে সফটওয়্যার রিকোয়ারমেন্ট স্পেসিফিকেশন বা এসআরএস প্রণয়নের জন্য একটি ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ইসির জনসংযোগ পরিচালক আব্দুল মমিন সরকার বিষয়টি জানান।
কমিটির আদেশে, যা ইসি সচিব আখতার আহমেদ কর্তৃক গঠিত, বলা হয়েছে যে, অনলাইন নিবন্ধন থেকে শুরু করে কার্ড ইস্যু পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়ে সুপারিশ তৈরি করবে এই কমিটি। সাংবাদিকদের নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের জন্য কার্ড ইস্যুর উদ্দেশ্যে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের অংশ হিসেবে এসআরএস প্রণয়নের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আলমকে নিযুক্ত করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইসির জনসংযোগ পরিচালক আব্দুল মমিন সরকার।
এছাড়াও, রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল, সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ দৌলাসহ তথ্য মন্ত্রণালয় ও তথ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি এবং ইসি কর্মকর্তারাও এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাল, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বাংলা, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি।
ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-
আজকের নামাজের সময়সূচি
ফজর - ০৪:২৬ মিনিট।
জুমা - ১১:৫৯ মিনিট।
আসর - ০৪:২৩ মিনিট।
মাগরিব - ০৬:১৪ মিনিট।
এশা - ০৭:২৬ মিনিট।
ফজর (আগামীকাল) - ০৪:২৮ মিনিট।
সূর্যোদয়- ৫:৪১ মিনিট
ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জেলার সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সঙ্গে নিচের সময়গুলো যোগ বা বিয়োগ করে আপনার এলাকার সঠিক সময় জেনে নিতে পারেন।
যোগ করতে হবে
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
বিয়োগ করতে হবে
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
নামাজ শুধু একটি ইবাদত নয়, এটি মানুষের আত্মিক ও নৈতিক জীবনেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিয়মিত নামাজ আদায়ের মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয় এবং মানুষের মধ্যে শৃঙ্খলা ও আত্মসংযম গড়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আপাতত নতুন কোনো দেশকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মূল কমান্ড কাঠামো সম্পূর্ণরূপে শক্তিশালী না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানান তিনি। খবর আরব নিউজের। এদিকে মক্কা চুক্তির শর্তাবলী বাস্তবায়নে ইসলামাবাদ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন ওই মুখপাত্র। তবে সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলার জবাবে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আপাতত আলোচনা হচ্ছে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি। গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর হামলায় সৌদি আরবের খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি এবং নিকটবর্তী শহরগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই হামলায় অন্তত ৭৩ বেসামরিক নাগরিক আহত হন। গত আগস্টে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যে কোনো একটির ওপর হামলার ঘটনা বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। হামলার পরপরই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানান, সৌদি আরবের ওপর যে কোনো আগ্রাসনের মুখে এই চুক্তি কার্যকর হতে পারে। সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান ইয়েমেনি হুথিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়টিকে ‘কাল্পনিক’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি সম্পূর্ণ একটি কাল্পনিক বিষয়। পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী পাকিস্তান চুক্তি কার্যকর করবে। তবে এই মুহূর্তে এ ধরনের কোনো আলোচনা হচ্ছে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ