০৫:৫১ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পবিত্র কোরআনের তাফসির গ্রন্থে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি মেহেদী হাসানকে আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাকে আগামী ১৭ আগস্টের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর এই আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক নাজমুল হাসান আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। তবে আসামিকে এজলাসে তোলা হয়নি, যেখানে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আসামির রিমান্ডের আবেদন এবং জামিনের আবেদন ছিল না। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল রাত আনুমানিক ১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পশ্চিম পাশের পাদদেশে সাইয়েদ আবুল আলা মওদুদি রচিত ‘তাফহীমূল কুরআন’-এর তিনটি খণ্ডে আগুন দেওয়া হয়েছিল, যা মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা ছিল। এই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতা ওই যুবককে আটক করে। খবর পেয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেন।
আরও পড়ুন: ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক, রাশেদের দাবি
অন্যদিকে, উত্তেজিত জনতার মারধরে আসামি সামান্য আহত হন, ফলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার প্রয়োজন হয়। এ ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির এসআই কামাল উদ্দিন মিয়া বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন। আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আসামিকে কারাগারে রাখা হোক। পরবর্তীতে তার রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন