আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৫ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে দীর্ঘদিন ভোগদখলে থাকা ক্রয়কৃত জমি বিক্রি ও চাষাবাদে বাধা, গালিগালাজ ও হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফজলুল হক মনি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মধুপুর প্রেসক্লাবে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৫৯ সালের ৩১ জুলাই তাঁর চাচা দুদু মিয়া সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে তাঁকে ও তাঁর বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেনকে ১০৭ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি দেন। এতে তার অংশ ৫৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। পরে ১৯৮২ সালের ১০ নভেম্বর তাঁর বাবা কালা মিয়া হেবা দলিলের মাধ্যমে একই দাগে তাঁকে আরও ২২ শতাংশ জমি দেন। দুটি দলিল অনুযায়ী তাঁর মোট জমির পরিমাণ ৭৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
জমিগুলো মধুপুর উপজেলার পুন্ডুরা মৌজার সিএস খতিয়ান নম্বর ৩৩-এর ৩৫৪ দাগ ও হাল দাগ নম্বর ৫০৪-এ অবস্থিত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জমি ভোগদখল করে আনারস ও সেগুনের বাগান করেছেন বলে দাবি করেন।
ফজলুল হক মনি বলেন, তার ছোট ভাই বকুল মিয়া ১৯৭৯ সালে একই দাগে হেবা দলিলের মাধ্যমে জমি পান। বকুল মিয়ার মৃত্যুর পর তার পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ শুরু হয়। সম্প্রতি জমির একটি অংশ বিক্রির জন্য সম্ভাব্য ক্রেতাকে নিয়ে পরিমাপ ও আগাছা পরিষ্কার করতে গেলে বকুল মিয়ার ছেলে রিপন, লিটন ও ইদুল তাঁকে, তার ছেলে ও ক্রেতাকে গালিগালাজ ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে প্রায় সাত মাস ধরে জমি বিক্রি, চাষাবাদ ও ব্যবহার করতে পারছেন না বলেও জানান।
বিরোধ মীমাংসায় মধুপুর পৌরসভায় শালিস ও জমি পরিমাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিবাদী পক্ষ উপস্থিত হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। পরে থানায় অভিযোগ দিলে উভয় পক্ষকে ডেকে দলিলপত্র ও বক্তব্য শোনা হয়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ দীর্ঘদিনের দখল বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে থাকার পরামর্শ দেয় এবং অসন্তুষ্ট হলে আদালতের আশ্রয় নিতে বলে।
জমির বিরোধের সুষ্ঠু সমাধান, বিক্রি ও চাষাবাদে বাধা বন্ধ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ফজলুল হক মনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদেশে উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি, গবেষণা ও পিএইচডি সংক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদানের উদ্দেশ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) দুই মাসব্যাপী সেমিনার সিরিজের আয়োজন করা হয়েছে। এই সেমিনারগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত ‘উচ্চশিক্ষা সহায়তা ডেস্ক’ প্রকল্পের আওতায় ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য এই সেমিনার সিরিজে বিভিন্ন দেশের উচ্চশিক্ষার সুযোগ, বৃত্তি পাওয়ার প্রক্রিয়া, গবেষণা ও পিএইচডির সম্ভাবনা এবং আবেদনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এসব সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট দেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থা, বৃত্তির সুযোগ, আবেদনপ্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করবেন।
সেমিনার সিরিজের প্রথম পর্ব আগামী ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এই পর্বে অস্ট্রেলিয়ায় বৃত্তির সুযোগ ও আবেদনের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হবে। এরপর ১১ নভেম্বর চীনে পিএইচডির সুযোগ ও প্রস্তুতি, ১৮ নভেম্বর জাপানে উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা, ২৫ নভেম্বর ইউরোপীয় বৃত্তির জন্য আবেদন ও প্রস্তুতি এবং ৩০ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে বৃত্তির সুযোগ ও সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলার কৌশল নিয়ে পৃথক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, সেমিনারগুলো দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে নির্ধারিত গুগল ফর্মে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে। সেমিনার সিরিজে সার্বিক সহযোগিতা করবে যবিপ্রবি রিসার্চ সোসাইটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ ১২ বছরের অভিযান শেষে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক সামরিক জোট আনুষ্ঠানিকভাবে ইরাক থেকে সমস্ত সৈন্য প্রত্যাহার সম্পন্ন করেছে। এর ফলে, কুর্দি সামরিক বাহিনী 'পেশমারগা' (Peshmerga) একটি নতুন ও অনিশ্চিত যুগে প্রবেশ করেছে। গত তিন দশক ধরে, এই অঞ্চলে কুর্দিদের স্বায়ত্তশাসন রক্ষা ও আইএসআইএল (আইসিস) দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি মূল ভূমিকা পালন করে আসছিল।
আন্তর্জাতিক বাহিনীর বিদায়ের পর, ইরাকি কুর্দিস্তানে নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেনা প্রত্যাহারের ঠিক প্রাক্কালে, ২১ সেপ্টেম্বর কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকার (KRG) ঘোষণা করে যে, তারা তাদের অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর দুটি প্রধান সশস্ত্র বাহিনীকে একীভূত করে একটি জাতীয় বাহিনী গঠন করেছে।
কেআরজি (KRG) রাষ্ট্রপতি নেচিরভান বারজানি এক অনুষ্ঠানে বলেন, "কুর্দিস্তানের জন্য একটি একীভূত বাহিনী, একটি মন্ত্রণালয় এবং একটি একক কমান্ড থাকা প্রয়োজন। পেশমারগাকে দলীয় প্রভাব ও রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে উঠে একটি জাতীয় সামরিক বাহিনী হিসেবে কাজ করতে হবে।" ঐতিহাসিকভাবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কুর্দিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি (কেডিপি) এবং প্যাট্রিওটিক ইউনিয়ন অব কোনো কুর্দিস্তান (পিইউকে)-এর অনুগত বাহিনীগুলোকে এই কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই একীভূতকরণ ইরাকে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করবে। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, মার্কিন সেনাদের প্রস্থানের পর সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে। মার্কিন বাহিনী তাদের মূল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সঙ্গে করে নিয়ে যাওয়ায়, কুর্দিস্তানের রাজধানী এরবিল এখন বিমান ও ড্রোন হামলার ঝুঁকিতে পড়েছে।
এছাড়া, ওয়াশিংটনের সেনা প্রত্যাহারের পর কুর্দি নেতাদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র কি দীর্ঘমেয়াদে কুর্দিস্তানের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসছে? এর জবাবে, কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকার জানিয়েছে, তারা এখন থেকে বাগদাদের কেন্দ্রীয় ইরাকি সরকারের সঙ্গে শক্তিশালী সামরিক সমন্বয় ও যোগাযোগের মাধ্যমে আইএস বা যেকোনো আঞ্চলিক নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলা করবে। সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে লাগেজ নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চারজন সংসদ সদস্য।
এই সংসদ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন শেরপুর-১ আসনের রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, ঢাকা-৫ আসনের মোহাম্মদ কামাল হোসেন, গাজীপুর-৪ আসনের সালাহউদ্দিন আইউবী এবং খুলনা-২ আসনের জাহাঙ্গীর হুসাইন।
তাদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে মদিনা থেকে ঢাকায় অবতরণ করে বিমানের বিজি৩৩৮ ফ্লাইটটি। কিন্তু বেশির ভাগ যাত্রী তিন ঘণ্টা পরও ট্যাগযুক্ত লাগেজ বুঝে পাননি।
এ ঘটনায় যাত্রীদের হয়রানি, লাগেজ যথাযথভাবে বুঝিয়ে না দেওয়া এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তুলে তারা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
বিমান পরিচালনার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বরাবর করা ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, বিজি৩৩৮ (মদিনা-ঢাকা) ফ্লাইটে আসা যাত্রীদের মধ্যে বেশির ভাগই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তাদের ট্যাগযুক্ত লাগেজ পাননি। এই যাত্রীদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন সংসদ সদস্য ছিলেন। লাগেজ না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও যৌক্তিক কারণ জানানো হয়নি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ দেখা যায়নি। ফলে যাত্রীদের মধ্যে ভোগান্তি ও হয়রানি সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, লাগেজ বুঝে না পেয়ে যাত্রীরা দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে বাধ্য হন। অভিযোগকারীরা বিষয়টি দ্রুত সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন ওই অভিযোগের কপির ছবি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেছেন। তিনি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, "শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এই ভোগান্তির শেষ কোথায়? আজ সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে অবতরণ করা বিজি৩৩৮ ফ্লাইটের সাধারণ যাত্রীদের পক্ষ হতে যাত্রী হয়রানি, মালামাল যথাযথভাবে বুঝিয়ে না পাওয়া ও কর্তব্যে অবহেলার কারণে আমরা ৪ জন জাতীয় সংসদ সদস্য বিমান কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ দাখিল করলাম।"
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ অভিযোগের কপি পেয়েছে বলে বিমান সূত্র নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজা সিটিতে ইসরায়েলি বিমান হামলার ফলে নিহত ১০৫ জন ফিলিস্তিনির মৃতদেহ উদ্ধার করে দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের আত্মীয়স্বজন ও উদ্ধারকারীরা। গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকৃত মৃতদেহগুলোর কফিন নিয়ে একটি শোক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেগুলো গাজা সিটির উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত শেখ রাদওয়ান কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর। গাজা সিটির ইয়ারমুক স্কয়ার এলাকায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী অন্তত ২০টি বোমা ফেলেছিল। এই প্রাণঘাতী হামলায় ‘আল তাজ ৩’ নামক একটি ৭ তলা আবাসিক ভবনসহ একাধিক বহুতল ভবন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায়।
গাজার সিভিল ডিফেন্স অপারেশনস ডিরেক্টর আব্দুল আল-মাজদালাউই জানিয়েছেন, হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে পৌঁছানো ছিল একেবারেই অসম্ভব। তিনি বলেন, "উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত বুলডোজার, এক্সকাভেটর এবং ভারী যন্ত্রপাতিগুলোকে ইসরায়েলি বাহিনী সরাসরি ও পরিকল্পিতভাবে নিশানা করেছিল, যার ফলে লাশগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।"
হারিয়ে গেছে পুরো পরিবার
পরবর্তীতে মিসরীয় কমিটির সহযোগিতায় এবং দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর এই মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর আল জাজিরার প্রতিনিধির বরাতে জানা যায়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের পর লাশ উদ্ধারের দিক থেকে এটি পঞ্চম বৃহত্তম অভিযান।
এই ভয়াবহ হামলায় নিজের পরিবারের ৩৭ জন সদস্যকে হারিয়েছেন ওসামা শরাফ। ক্ষোভ ও কান্নাভেজা কণ্ঠে তিনি বলেন, "যুদ্ধের শুরুর দিকে আমরা কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছিলাম। আর আজ আমার বাবা, মা, ভাইবোন ও ভাগ্নেসহ আরও ১৬ জনের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ