বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:১৯ পি.এম
বৃহস্পতিবার জাতীয় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করছেন নাহিদ ইসলাম সহ এনসিপি নেতৃবৃন্দ।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, ‘জুলাই সনদ কার্যকরের কথা বললেও সরকার বাস্তবে তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় উপেক্ষা করে সরকার মৌखিক প্রতারণা করছে।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত সুফল জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়।’
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) জাতীয় জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হলে রাষ্ট্র সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। আবু সাঈদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সেই গণভোটে প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ 'হ্যাঁ'-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই গণরায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা শুধু মুখে বলছে, বাস্তবেই কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এটি জনগণের সঙ্গে মৌখিক প্রতারণা।’
তিনি আরো বলেন, ‘সরকার তাদের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নেও ব্যর্থ হয়েছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেটিও বাস্তবায়ন করা হয়নি। আমরা চাই গণভোটের রায়ের আলোকে রাষ্ট্র সংস্কার হোক, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠুক।’
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর ‘সরকার ও বিরোধী দল মিলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে’—এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সরকার যদি সত্যিকার অর্থে ইতিবাচকভাবে সংস্কার করতে চায়, তাহলে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। অতীতেও করেছি।
বিচার, সংস্কার, ফ্যাসিবাদের বিলুপ্তি ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে আমরা দলীয় নয়, রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। কিন্তু সরকারের কর্মকাণ্ডে সেই আন্তরিকতার কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না। জুলাই সনদ অবশ্যই গণভোটের রায়ের আলোকে বাস্তবায়ন করতে হবে। এর বাইরে কোনো উদ্যোগে আমাদের সহযোগিতা থাকবে না।’
আবু সাঈদকে স্মরণ করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘আবু সাঈদ আমাদের শহীদদের ঈমাম, জুলাই বিপ্লবের রুহানী নেতৃত্ব এবং আমাদের সংগ্রামের অগ্রসেনানী। তার সাহসিকতা পুরো জাতিকে আন্দোলনের পথে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
আমরা শুধু আবু সাঈদ নই, শহীদ মুগ্ধ, ওয়াসিম, ফারহান ফাইয়াজ, নাঈমা সুলতানা, হৃদয় চন্দ্রসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ এবং প্রায় ৩০ হাজার আহত যোদ্ধাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। পাশাপাশি শ্রমিক, শিক্ষক, সাংবাদিক, নারী, আলেম, প্রবাসী এবং ছাত্রসমাজসহ আন্দোলনে অংশ নেওয়া সব মানুষের আত্মত্যাগও জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে।’
রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমাদের তিনটি দাবি ছিল—বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন। নির্বাচন হয়েছে, কিন্তু বিচার ও সংস্কার এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় হলেও তা কার্যকর হয়নি। আপিলের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও কোনো অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়। আমরা দ্রুত আপিল নিষ্পত্তি করে রায় কার্যকরের দাবি জানাচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আবু সাঈদ হত্যার বিচার দ্রুত কার্যকর করতে হবে। পাশাপাশি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলোরও বিচার সম্পন্ন করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’
১৬ জুলাইয়ের তাৎপর্য তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু সাঈদ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তার শাহাদাতের মধ্য দিয়েই গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তাই ১৬ জুলাই শুধু শোকের দিন নয়, এটি গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের দিন।’
এর আগে নাহিদ ইসলাম এনসিপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। পরে তিনি শহীদের বাবা মকবুল হোসেন, মা মনোয়ারা বেগম ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান।
এ সময় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিয়া ফারজানা দিনা, জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক জাহিদ আহসান, সদস্য সচিব ফরহাদ সোহেল, রংপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক মো. আল মামুন, সদস্য সচিব আবু রেজা মো. আব্দুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই আন্দোলনে শহীদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের দ্বিতীয় শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ জুলাই (শনিবার) দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি, যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গ্রহণ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ৯টায় অদম্য বাংলা চত্বরে জুলাই আন্দোলনের স্থিরচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
এটি ছাড়াও, সকাল সাড়ে ৯টায় অদম্য বাংলা প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
পরবর্তীতে সকাল ১০টায় সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ‘জুলাই বিপ্লব থেকে নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর পাশাপাশি বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহীদ মীর মাহফুজुर রহমান মুগ্ধের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এসব কর্মসূচিতে শিক্ষকদের, শিক্ষার্থীদের, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় উপস্থিতি কম হওয়ার উপর উষ্মা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই স্মরণসভায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।
এক শিক্ষার্থীর বক্তব্যের সূত্র ধরে মন্ত্রী বলেন, “এটা আবু সাঈদ চত্বর। আমি ধারণা করেছিলাম, আজকে এই চত্বরে যতই গরম থাকুক না কেন, আবু সাঈদকে স্মরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা একাকার হয়ে যাবে। তিল ধারণের জায়গা থাকবে না। কিন্তু আমি হতাশ হয়েছি।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “আবু সাঈদের সহপাঠীরা এই আয়োজনকে কেন চমৎকার করে গড়ে তুললেন না? কেন অর্ধেক চেয়ার খালি পড়ে আছে? আমি যদি বলি অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি…। এটি শুধু আমার জন্য না, এটা আপনারা সকলের জন্য অনেক কষ্টের।”
তিনি বলেন, “ডায়াসে আমরা অনেক চমৎকার বক্তৃতা করি। কিন্তু বক্তৃতার বাস্তবায়নটা করি না। বক্তৃতার বাস্তবায়নটাই এখন সময়ের দাবি।”
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, “আজকে যদি এই চত্বরটা লোকে লোকারণ্য থাকত, তাহলে আবু সাঈদ কবর থেকে শান্তি পেত। আবু সাঈদ কবর থেকে হয়তো বলতো—আমার সহপাঠীরা ১৬ জুলাই আমাকে কিভাবে স্মরণ করছে।” তিনি বলেন, “আমি দুঃখিত, আমি হতাশ হয়েছি।”
মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সরকার জুলাই অভ্যুথ্থানকে লালন করে এবং ধারণ করে। জুলাইকে লালন করে বলেই মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় জুলাই চেতনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য আবু সাঈদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ-মারুফসহ দুই হাজার শহীদের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “জুলাই অধিদপ্তরের মধ্যদিয়ে জুলাই চেতনার প্রত্যেকটি দাবি বাস্তবায়ন হবে, কথা দিয়ে যাচ্ছি। এই সরকার আপনাদের ভোটে নির্বাচিত সরকার। যার বয়স মাত্র পাঁচ মাস। এই পাঁচ মাসে রংপুরসহ নানা প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন।”
আপনি যখন স্মরণসভায় উপস্থিতি কম কেন-এমন প্রশ্ন করেছেন, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী তার সময়ের উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরেন এবং এর কোন উত্তর দেননি।
স্মরণসভায় রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবার রহমান বেলাল, সংরক্ষিত সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের তিন ধরনের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল বেলায় বিএফএসএর পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রদর্শিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজার থেকে এসব খাদ্যপণ্য প্রত্যাহার করতে হবে এবং বিপণন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাহারের নির্দেশ পাওয়া খাদ্যপণ্যগুলো হলো—ইষ্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘ইষ্ট কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’, ইষ্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইষ্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ এবং আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে উল্লিখিত খাদ্যপণ্যগুলো বাজার থেকে প্রত্যাহার করে বিক্রি বন্ধ রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএফএসএ সর্বসাধারণকে এই খাদ্যপণ্যগুলো ক্রয় অথবা গ্রহণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মাত্রাতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) তিনটি প্রতিষ্ঠানকে খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
খাদ্যপণ্য ও প্রতিষ্ঠানসমূহ হলো-
১। ইস্ট কেক ইন্টারন্যাশনাল ফুড লিমিটেডের ‘স্টে কেক পুর পিঠা জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামের খাদ্যপণ্য;
২। ইস্ট জিবাই ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ‘ইস্ট বেকার স্লাইস ব্রেড মিল্ক জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামক খাদ্যপণ্য এবং
৩। আরবোটিং ফুড কোং লিমিটেডের ‘আরবোটিং ফুড স্লাইস ব্রেড মিক্স জ্যাম ফিল্ড (ইনট্যাক্ট)’ নামক খাদ্যপণ্য।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) কর্তৃক উপরে বর্ণিত তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বাজার থেকে সংশ্লিষ্ট খাদ্যপণ্যসমূহকে প্রত্যাহারপূর্বক বিপণন বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এমতাবস্থায়, সর্বসাধারণকে উল্লিখিত খাদ্যপণ্য ক্রয় বা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ